| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
আল্লাহ মানুষকে প্রতিনিধি বানিয়ে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। প্রতিটি মানুষই যদি আল্লাহর 'প্রতিনিধি' হয়ে থাকে, তাহলে কাদের কাছে এই প্রতিনিধিদের পাঠানো হয়েছে? এই পৃথিবীতে প্রথম দুইজন প্রতিনিধি ছিলেন - হযরত আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ)। তাঁরা কাদের প্রতি প্রতিনিধি হিসেবে এই পৃথিবীতে দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন?
হযরত আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ)-এর বংশধর হিসেবে আমিও একজন 'প্রতিনিধি'। এই হিসেবে, আমার মতে, একজন বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বা হিন্দু মতাবলম্বী 'মানুষ'-ও খোদার প্রতিনিধি হওয়ার কথা। শুধু তা-ই নয়, পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত যতো মানুষ এসেছেন, সবাইই আল্লাহর প্রতিনিধি। এই প্রতিনিধি হিসেবে আমার দায়িত্ব কি?
তাই, প্রশ্ন করছি, আমাদের সকল মানুষেরা এই যে খোদার প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাঁদের দায়িত্ব কি মানুষ ছাড়াও এই বিশ্বে আল্লাহর যতো সৃষ্টি আছে তাদের 'দেখ-ভালো' করা নয়? খোদার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষই এই পৃথিবীতে আল্লাহর একমাত্র প্রতিনিধি, এটা সবাইকে মনে রাখতে হবে।
০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:১৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
নতুন ভাই,
হেলুসিনেসন টার্মটা কোন সাল থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে যুক্ত হয়?
এই টার্মটা যদি নতুন হয়ে থাকে, এই টার্মটা যারা চিকিতসা বিজ্ঞানে নিয়ে এসেছেন, সেইসব জ্ঞানীরা কি করে বলতে পারবেন নবী-রাসূলরা 'হেলুসিনেশনে' ভুগতেন!!!
এই বিজ্ঞানীরা তো নবী-রাসূলদের আমলের নন!!!
আপনি কি জিজ্ঞাসা করেছি আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
২|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৮
রাজীব নুর বলেছেন: কি বলছেন আপনি? আমি প্রতিনিধি??
যে লোক দূর্নীতি করে, সেও আল্লাহর প্রতিনিধি?
যে লোক ধর্ষন করে সেও আল্লাহর প্রতিনিধি?
যারা ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দিয়েছে, তারাও আল্লাহর প্রতিনিধি?
যারা মানুষের ক্ষতি করে তারা আল্লাহর প্রতিনিধি?
০৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:২৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমার লেখাটা এখনো হাইপোথিসিস পর্যায়ে। উর্বর মস্তিষ্কের কিছু চিন্তা বলতে পারেন।
এবারে আসি আপনার মন্তব্যে।
ভালো ও খারাপ, দুইটাই আল্লাহর সৃষ্টি। তেমনি, আল্লাহ্ ভালো মানুষ ও খারাপ মানুষ দুইটাই সৃষ্টি করেছেন।
এখন, আপনি কি মনে করেন না একদল খারাপ মানুষের উপর প্রতিনিধিত্ব করতে 'ভালো' লোকদের পাঠানো হবে? বরং, ইসলামে বলা আছে, মানুষ যখন খারাপ হয়ে যায় তখন শাস্তি হিসেবে তাদের উপর তাদের চেয়েও খারাপ লোকদের কর্তৃত্ব করতে পাঠানো হয়।
আসধা করি আমি কি বলতে চাচ্ছি বুঝাতে পেরেছি।
শুভেচ্ছা নিরন্তর।
৩|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: নতুন, আপনি আপনার যুক্তি দিয়েছেন। আমি নাদান নাখাস্তা মূর্খ মানুষ, ছোট মুখে বড় কথা বলে ফেলতেছি এই অপরাধ মাফ করবেন। যত হ্যালুসিনেশনেই কেউ ভুগুক তাকে দিয়ে অন্তঃত কুরআন বানানো সম্ভব নয়। জানিনা আপনি অনেক বড় কোন ডাক্তার কিনা, এই নাদান বান্দা ভুলে ডাক্তারী পড়ে ফেলেছে।এজন্য মাফ চাইছি। ভাল মন নিয়ে কুরআন পড়ুন, চিন্তার নতুন খোরাক পেতেও পারেন।
৪|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭
নতুন বলেছেন: মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: নতুন, আপনি আপনার যুক্তি দিয়েছেন। আমি নাদান নাখাস্তা মূর্খ মানুষ, ছোট মুখে বড় কথা বলে ফেলতেছি এই অপরাধ মাফ করবেন। যত হ্যালুসিনেশনেই কেউ ভুগুক তাকে দিয়ে অন্তঃত কুরআন বানানো সম্ভব নয়।
আমি বলছিনা এরা মানুষীক রোগী।
মানুষ অনেক সময় যেই জিনিস নিয়ে গভীর ভাবে ভাবে তার অবচেতন মন সেটাই স্বপ্নে নিয়ে আসে। তারা মনে করে তারা এটা দেখেছে, শুনেছে।
আপনি বিশ্বাসী তাই কোরান মানুষের পক্ষে লেখা সম্ভব না বিশ্বাস করেন।
কিন্তু দুনিয়াতে এযাবত ১২০ বিলিওনের মতন মানুষ জন্মেছে, তাদের মাঝে কয়েকজন মানুষ যারা মধ্যপ্রচ্যে বসবাস করে তাদের সাথেই সৃস্টির্কতার দেখা করেছে। !!!
আফ্রিকা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, চায়নার মানুষের জন্য সৃস্টিকর্তা হীব্রু আর আরবী ভাষাতে জীবন বিধান দিয়ে দিয়েছে !!!
আবার মাত্র ১৪০০ বছর আগে ধর্মকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছে এবং বর্তমানের আধুনিক সময়ে কোন ধর্মেই নবী আসবেনা, ওহী আসবেনা।
কারন এখন মানুষ প্রমান চাইবে, প্রমান ছাড়া বিশ্বাস করবেনা।
৫|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: নতুন, এবার আপনি সঠিক কথায় এসেছেন। আপনার ধীর স্থির সংযত ভাষা বলে দেয় আপনি সত্যিই যুক্তি দিয়ে কথা বলেন। আল্লাহ তা'লা কুরআনে বলেছেন যারা না দেখেই একমাত্র রব হিসেবে আল্লাহকে বিশ্বাস করেছে, তারাই সঠিক পথ প্রাপ্ত। আপনি বলছেন এখন মানুষ প্রমান চাইবে। অবশ্যই। শুধু এখন না অতীতেও প্রমান চেয়েছিল, ভবিষ্যতেও চাইবে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৭
নতুন বলেছেন: যারা দাবী করে সৃস্টিকর্তার সাথে তাদের যোগাযোগ হয়েছে সেটা বেশিরভাগই ই স্বপ্নে।

মুসা আ: এর সাথে কথপকথনের কথা কোরানে আছে।
রাসুল সা: এর সাথে সরাসরি ( ফেস টু ফেস ) কথা সম্ববত হয় নাই। পর্দার ওপাশ থাকে কথা হয়েছে। বাকিটা ওহীর মাধ্যমে।
বাকীরা স্বপ্নে দেখেছে বা গায়েবী আওয়াজ শুনেছে।
এই দাবী গুলি কি হেলুসিনেসন হতে পারেনা?
দুনিয়াতে এযাবত ১২০ বিলিওনের মতন মানুষ এসেছে তার মাঝে ১ জন সরাসরী কথা বলেছে বলে দাবী করে। বাকিরা গায়েবী আওয়াজ বা স্বপ্নের মাধ্যমে সৃস্টিকর্তার সাথে যোগাযোত হয়েছে।
এই কয়েকজন মানুষগুলির তো হেলুসিনেসনও হতে পারে।