| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
শহরে সেদিন অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটল। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে শাইয়্যান ঘোষণা দিলেন, “আজ রাগিণীদের কান ঝালাপালা করা কোনো রাগ শোনাব না!” তাঁর এই মহৎ সিদ্ধান্তে পাখিরা পর্যন্ত অবাক। এতদিন ভোর হলেই তিনি হারমোনিয়াম নিয়ে বসতেন, আর পাশের বাড়ির বিড়াল জানালা দিয়ে পালানোর পথ খুঁজত। কিন্তু আজ কবি নীরব। দুপুরে এক রাগিণী এসে জিজ্ঞেস করল, “আজ গান নেই?” শাইয়্যান গম্ভীর মুখে বললেন, “আপনারা যদি রাগ না শুনে রাগ করেন, তাইলে বিপদ!”
বিপদ অবশ্য সেখানেই শুরু। রাগিণীরা শাইয়্যানের এই বক্তব্যকে সংগীতের অপমান বলে সভা ডাকলেন। সভায় সিদ্ধান্ত হলো - কবিকে গান গাইতে বাধ্য করা হবে। কবি প্রাণপণে পালাতে গিয়ে ভুল করে আবার সেই সভাতেই ঢুকে পড়লেন। সবাই বলল, “পিছু হটুন!” শাইয়্যান বললেন, “পিছু হটব না, আমি পিছুপা হব!” কেউ বুঝল না, পিছুপা আবার কী জিনিস। শাইয়্যান ব্যাখ্যা করলেন, “পিছু ধাবিত হওয়ার আধুনিক ও সাংস্কৃতিক সংস্করণ!”
এরপর থেকে শাইয়্যান রাগিণীদের পিছু ধাওয়া শুরু করলেন। রাগিণীরা সামনে দৌড়ান, শাইয়্যান পেছনে; কবি সামনে এলে রাগিণীরা অন্য গলিতে, তিনি আবার পেছনে। একসময় শহরের ট্রাফিক পুলিশ এসে জিজ্ঞেস করল, “এটা দৌড় প্রতিযোগিতা?” শাইয়্যান হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, “না, এটা সুরের সন্ধানে পিছুপা অভিযান।” পুলিশ বলল, “তাহলে অনুমতি কোথায়?” শাইয়্যান বললেন, “সুরের অনুমতি লাগে না, শুধু শ্রোতার ধৈর্য লাগে!”
শেষে রাগিণীরা ক্লান্ত হয়ে একটি পার্কে বসে পড়লেন। শাইয়্যান-ও দূরে বসে হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, “আপনারা রাগ করলে আমার ভয় হয়, আর রাগ না করলে গান গাওয়ার ভয় হয়!” রাগিণীরা হেসে বললেন, “আপনি গান গাইবেন না, শুধু চুপচাপ থাকবেন।” শাইয়্যান মাথা নেড়ে বললেন, “তাইলে আজ থেকে আমি নীরবতার ওস্তাদ।” সেই থেকে শহরে তাঁর নতুন পরিচয় হলো - রাগিণীদের পিছুপা, কিন্তু সুরের কাছে চিরপলাতক!
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
যমুনার ওপারেতে
আছে কতো সুখ,
নারীদের অবলা বলে যে
সেই ব্যাটাই তো দূর্মুখ
২|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
যমুনার ওপারেতে
আছে কতো সুখ,
নারীদের অবলা বলে যে
সেই ব্যাটাই তো দূর্মুখ!
৩|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৮
অধীতি বলেছেন: দারুণ দারুণ!
বেঁচারা বিড়াল কি এখন স্বস্তিতে ঘুমাচ্ছে ?
৪|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: কোন সাহসে হইলা তুমি এতো বাহাদুর? ![]()
৫|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৮
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: গানটি ভালো লেগেছে তাই একটা লাইক দিলাম।
৬|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১৪
শায়মা বলেছেন: রাগ রাগিনীরা নাগ নাগিনী হয়ে ছুটে আসবে যদি এই গানা শুনে ..... ![]()
৭|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২
হুমায়রা হারুন বলেছেন: ছবিতে আপনার মত প্রায় দেখতে ছেলেটির পেছনে তিন রঙের জামা পড়া মেয়েদের চেহারা একই চেহারা।
ওরা কি জমজ?
৮|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪২
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আহা, শাইয়ান সাহেবের বাহাদুরির তো সীমা-পরিসীমা দেখি না!
গান গাইলে রাগিণীদের রাগ, গান না গাইলেও রাগিণীদের অভিমান অর্থাৎ গান গাইলেও বিপদ, না গাইলেও বিপদ;
শাইয়ানের জীবনটাই যেন ‘রাগ-রাগিণী’ নামের এক আজীবন জরুরি অবস্থা!
তবে আসল বাহাদুরি বোধহয় এখানেই রাগিণীরা যখন পালাচ্ছেন, তখনও শাইয়ান তাঁদের পিছু নেওয়ার মতো
সাহস রাখেন! ট্রাফিক পুলিশ পর্যন্ত যেখানে থমকে গেছে, সেখানে আমাদের শিল্পী মহাশয় ‘সুরের সন্ধানে
পিছুপা অভিযান’ চালিয়ে যাচ্ছেন এমন সাংস্কৃতিক দুর্ধর্ষতা সত্যিই বিরল!
তবে একটি প্রশ্ন থেকেই যায় কোন সাহসে শাইয়ান হইলা এত বাহাদুর?
রাগিণীদের রাগকে ভয় পাও, অথচ রাগিণীদের পিছু ছাড়ো না!
গানকে ভয় পাও, অথচ হারমোনিয়াম ছাড়ো না!
শ্রোতার ধৈর্যের কথা বলো, অথচ সেই ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে একেবারে মহড়া দিয়ে বসো!
শেষে এসে ‘নীরবতার ওস্তাদ’ হওয়ার ঘোষণাটিই সবচেয়ে সন্দেহজনক। কারণ যিনি এতক্ষণ ধরে
রাগিণীদের পিছুপা করিয়েছেন, তিনি নীরব থাকবেন এ কথা বিশ্বাস করতে হলে শ্রোতার কানে নয়,
হৃদয়ে তুলো গুঁজে রাখতে হবে!
আমার ধারণা, শাইয়ান আসলে গান থেকে পালাচ্ছেন না তিনি রাগিণীদের রাগের মধ্যে নিজের পরবর্তী
গানের শ্রোতা খুঁজছেন।
তাই রাগিণীরা সাবধান! আজ তিনি নীরবতার ওস্তাদ, কাল আবার হারমোনিয়াম নিয়ে হাজির হয়ে বলতে পারেন
রাগ কইরেন না, গানটা শুধু আপনাদের জন্যই!
সুতরাং রায় একটাই শাইয়ান সাহেব, বাহাদুরি কমান; রাগিণীদের একটু বিশ্রাম দেন। নইলে একদিন তাঁরা
রাগিণী থেকে ‘বিরাগিণী’ হয়ে গেলে, সেই দায় কিন্তু আপনারই!
শুভেচ্ছা রইল
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: “আপনারা যদি রাগ না শুনে রাগ করেন, তাইলে বিপদ!”
..........................................................................
এখন আর নারীদের অবলা বলা যাবেনা ,
তাহলে ভাই , জেন-জি'দের ঠেলা তুমি খাবেনা ,
অবলাদের শিং হলে ভাই গুঁতো গুতি করে
প্রাণ বাঁচাতে যেতে হবে যমুনার ও পাড়ে !!!