নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেমন হবে সেই দিনকার অনুভূতি ভাবতে পারেন?

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৮

শীতের শুষ্কতা এখনো অনেক বাকী তারপরও একটু ভেবে দেখুন না? শীতের গাছেদের ফুল ফোটানোর উৎসাহে কেমন ভাটা পড়ে এবং

পাতা ঝরানোয় কত ব্যস্ত। কি অদ্ভুত সেই সেই পাতা ঝরার দৃশ্য! সম্মোহিতের মত তাকিয়ে থাকেন, দেখেন গাছদের মাথা ঝাঁকিয়ে সেই অবাঞ্চিত পাতা ঝরানোর দৃশ্য।



ইস কতই না সুন্দর হত। এমনি করে যদি জীবনের নেতিবাচক দিকগুলো ঝরিয়ে ফেলতে পারতাম জীবন হতে। জীবনের এতটা বেলায় এসে কি কেউ বলতে পারবো দৃঢ়তার সাথে - কখনো আমরা কারো ব্যাথার কারণ হইনি। আমাদের অনিয়ন্ত্রিত আচরণে আহত হয়নি কোন হৃদয়। কিংবা আমাদের আচরণের নেতিবাচক দিকগুলো কখনো আঘাত করেনি কাউকে। জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোর অযাচিত কোন ভুলের স্মরণ আজো আমাদের বিব্রত করেনা কেন?



জীবনের যে নেতিবাচক আচরণগুলো আমাদের অনুশোচিত আত্নার রোদন ঝরাবে। অথবা আমাদের ব্যাথার স্মরণ হয়ে রইবে চলার পথে। কি লাভ তাকে শুধু শুধু ঝিইয়ে রেখে? সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে।



আসুন না আজ হতে ঝরিয়ে ফেলার চেষ্টা করি -অযথা অন্যকে কটু কথায় আহত করা, অন্যের অধিকার নষ্ট করা, পরনিন্দা ,লোভ ,মিথ্যে বলাসহ সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলো।



সেই বয়সী গাছেদের মত নিজেদেরকে ঝাঁকিয়ে ,নিজেদেরকে বিশ্লেষণ করে আচরণের সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলোকে বিদায় জানাই। শুধু সত্য আর সুন্দরের চাষ করি নিজেদের মাঝে।



আজ হতেই চেষ্টা করি আসুন। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সকাল হতে রাত অবধি আমরা আমাদের আচরণের সমস্ত কদর্য দিকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবো। পরের সপ্তাহে একে দুই দিনে রুপান্তরিত করি। তার পরের সপ্তাহে তিন দিনে। এভাবে ধীরে ধীরে আত্ননিয়ন্ত্রনের ভিতকে মজবুত করি। ইনশাআল্লাহ দেখা যাবে, একদিন জীবনের বেলাভূমিতে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। সত্য ও সুন্দররের প্রতিমূর্তি হয়ে।

দেখা যাবে, সুন্দরের জোসনায় স্নাত হয়ে আমরাও এক জোৎস্নালোকিত মানুষ হয়ে গিয়েছি। কদর্যতা আর সংকীর্ণ আচরণের সাথে পাকাপোক্ত ভাবে আমাদের জনমের মত আড়ি হয়ে গেছে। কেমন হবে সেই দিনকার অনুভূতি ভাবতে পারেন?





















মন্তব্য ৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১১

এসএমআর বলেছেন: আজ হতেই চেষ্টা করি আসুন। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সকাল হতে রাত অবধি আমরা আমাদের আচরণের সমস্ত কদর্য দিকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবো।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৮

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আসুন আজ হতেই চেষ্টা করি।

২| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৭

অরণ্যের রোদন বলেছেন: আসুন আমরা নিয়ন্ত্রণ করি আমাদের কদর্য দিকগুলোকে।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৮

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আসুন আজ হতেই চেষ্টা করি।

৩| ০১ লা মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: বেশ ভালো লিখেছেন। +
এটা অভ্যেস করতে পারলে আমরা নিজেরাই ধীরে ধীরে আত্মশুদ্ধির দ্বারা 'জ্যোতস্নালোকিত মানুষ' (আপনার ভাষায়) হতে পারবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.