| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন তেল গ্যাস সংকট। ছাত্রদলের এই সহিংসতা বিপদে ফেলে দিবে তারেক রহমানের রাজনীতিকে। ১৫০ টাকার খাবারের নিউজ আর কেউ খাবে? ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে। পড়ার পরিবেশ নষ্ট হবে।
জগন্নাথের নতুন ক্যাম্পাসের কাজ সেনবাহিনীর হাতে দিতে বাধা দিচ্ছে ছাত্রদল। তাতে তাদের টেন্ডারবাণিজ্য, চাঁদাবাজির কোন সুযোগ থাকবে না। তাই আজকের হামলা।
ভিসিকে হুমকি দিয়েছে ছাত্রদল। ছাত্রদলের ক্যাম্পাসে শুধু ছাত্রদল থাকবে। আর কারো জায়গা হবে না। আপনাকে আগেই আমরা হুশিয়ার করে ছিলাম!
ছাত্রদলের ক্যাম্পাস হলো কবে থেকে? নির্বাচিত ভিপি জিএসকে যেভাবে মেরেছে তাতে নতুন নজির স্থাপন করলো ছাত্রদল যেমন ছাত্রলীগ ইলেকশনে হেরে ডাকসু ভবনে হামলা করে ভিপি নূরকে পিটিয়েছিল। আজকে ছাত্রদল একই স্টাইলে জকসু ভবনে প্রবেশ করে ভিপি- জিএস-এজিএস সবাইকে পিটিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে।
কিন্তু এখানেই তো শেষ না। এর জবাব আসা শুরু হলে ছাত্রদল টিকতে পারবে তো? তবে বড় বিপদে পড়বে সাধারন ছাত্ররা। ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধে বড় দলগুলোর একসাথে বসা দরকার।
ভাবুন ভাবুন। ভাবতে থাকুন। ভাবা প্রাক্টিস করুন।
২|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬
রাজীব নুর বলেছেন: ছাত্রদল, শিবির একই জিনিস।
দুটাই ভয়ংকর।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ছাত্রদলকেও ভারত পাঠিয়ে দিতে হবে ।