নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঈদ মোবারক ! খুশীর দিনের ভাবনা

২১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৫৩

ঈদ মোবারক ! খুশীর দিনের ভাবনা




সামুর সকল সদস্যর প্রতি থাকল ঈদ মোবারক ! খুশীর আনন্দ বয়ে আনুক সারাদিন !!!

আমরা সবাই রীতি অনুসারে পারস্পরিক শুভেচ্ছা জানাই এই দিনে ।
ইসলামী রীতি অনুসারে শত্রু , মিত্র সবাই এই শুভেচ্ছা পায় ।
কিন্ত আমাদের অন্তর কি চায় ? কি প্রত্যাশা করে ???

যেহেতু আমরা তৃতীয় দরিদ্র বিশ্বে বসবাস করি তাই প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা অনেক , যেমন :-


ব্যক্তিগত প্রত্যাশা :

১। প্রতিবেশীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে তার মঙ্গল কামনা করি ।
সুসর্ম্পক বজায় রাখতে চাই যেন বিপদ আপদে সাহায্য পাই।
পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তুলতে চাই ।

২। বন্ধুকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে তারসাথে বন্ধুত্বর মঙ্গল কামনা করি ।
সুসর্ম্পক বজায় রাখতে চাই যেন বিপদ আপদে সবার আগে বন্ধুর সাহায্য পাই।
পারস্পরিক বিশ্বাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গড়ে তুলতে ও অটুট রাখতে চাই ।

৩। নিকট আত্নীয়র সাথে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে তার মঙ্গল কামনা করি ।
ভেঙ্গে পড়া সংযোগ পূণ:স্হাপন করতে চাই ।
পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তুলতে চাই যেন গ্রামে গেলে তার সাহচর্য পাই ।

৪। বান্ধবীকে (যদি থাকে ) ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে তারসাথে বন্ধুত্বর মঙ্গল কামনা করি ।
তার প্রতি আমার অনুরাগ ভালোবাসার প্রমান দিতে চাই ।
পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তুলতে ও অটুট রাখতে চাই, যেন বউর চেয়ে বেশী বেশী আদর যত্ন পাই ।

৫। নিজ প্রিয়তমাকে (বউ, যদি থাকে ) ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে ইসলামী রীতি পালন করি ।
সুসর্ম্পক বজায় রাখতে চাই ,যেন প্রমান হয় আমি তাকে সবার চেয়ে বেশী ভালোবাসি ।
হাদীস বলে বউকে বেশী বেশী সম্মান ও যত্ন করলে তা অধিক গুনে ফেরত পাওয়া যায় ।



রাজনৈতিক প্রত্যাশা :

১। দেশে সঠিক গণতন্ত্র প্রতিষ্টা লাভ করুক, যেন জনগণ তার অধিকার সমূহ ভোগ করতে পারে ।
২। রাষ্ট্রর মূল দ্বায়িত্ব জনসাধারণের ৫টি চাহিদা পূরন করতে পারে ।
৩। গনতন্ত্রর মধ্য দিয়ে গুপ্ত ডানপন্থীর উত্থান না ঘটে ।
৪। দেশে আর যেন ইন্ট্রীম সরকার না আসে, গোলামী চুক্তি না করে ।
৫। কারাগারে শত শত জনগণ বিনা অপরাধে কষ্ট পাচ্ছে, তাদের ভূয়াঁ মামলা সমূহ দ্রুত খারিজ করে মুক্তি দেয়া হয় ।

আপনার প্রত্যাশা কি ? এই খুশীর দিনে , লিখুন , মনের কথা বলে নির্মল বায়ু সেবন করুন ।




বি.এন.পি বর্তমান সরকারে আছে, তাই জনসাধারণের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা এখন এই সরকারের কাছে অনেক ।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঈদ মুবারক ।

২১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনাকে ও ঈদ মোবারক !
এই ঈদে আপনার ভাবনাগুলি কি ?
মনের মাঝে তাড়ায়ে বেড়াচ্ছে
বলে ফেলুন ।

২| ২১ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৪

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনাকে ঈদের শুভেচ্ছা।

২১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ঈদের শুভেচ্ছা থাকল।
এই ঈদে আপনার ভাবনাগুলি কি ?

৩| ২১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৮

সামিয়া বলেছেন: ঈদ মোবারক

২১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ঈদের শুভেচ্ছা থাকল।
এই ঈদে আপনার ভাবনাগুলি কি ?

৪| ২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:







এবারের এই খুশীর ঈদের দিনে প্রতীয়মান হয়
সরকারের কাছে জনগনের নেই কোন প্রত্যাশা
ঘরে ঘরে বেকারের হাহাকার আর কান্নার ভাষা
পরিচিত জনদের কাছে ফোনে ঈদ মোবারক
জানাতে গেলে শুনা যায় অনেক নিরব গোঙ্গানী
যতটুকু পারা যায় তাদেরকে দেই আশার বাণী
যুদ্ধের বিভিসিকাময় দিনের প্রভাবের কারণে
রেমিটেন্সেও দেশের স্বজনদের কঠিন প্রত্যাশা
সরকারের প্রতিও কারোর নাই তেমন কোন ভরসা
ক্ষমতায় টিকে থাকা্ই যেন এখন সরকারের প্রত্যাশা।

ঈদের শুভেচ্ছা রইল

২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকারের প্রতিও কারোর নাই তেমন কোন ভরসা
ক্ষমতায় টিকে থাকা্ই যেন এখন সরকারের প্রত্যাশা।

...........................................................................
একটি নূতন সরকার ১০০ দিনের কর্মশালা দেয় ,
যা দিয়ে জনগণের মনে আস্হা অর্জন করে ।
তবে বর্তমান সরকার ১৮০ দিনের চ্যালেন্জ দেয়া হয়েছে ।
প্রতি দিনই সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে এবং সকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন
চলেন যুদ্ধে যাই ।
সাধারন জনগন কিছু কিছু সুবিধা পেতে শুরু করেছে , অনেক বোদ্ধা সমাজ থেকে
বলা হচ্ছে , এই সরকারের কার্যক্রম অত্যন্ত ভিন্ন ও আশাব্যন্জক ।
দেশে কিছু পা চাটা কুকুর আছে , যা এখনই কান্ডজ্ঞানহীন ঘেউ ঘেউ শুরু করেছে
তাদের অধিকার কমে যাচ্ছে বলে ।
সকলের মঙ্গলের জন্য তাদের এখনই থামাতে হবে ।

৫| ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারের জন্য বর্তমান সময়টি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জপূর্ণ। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নানা সংকট এক
যোগে প্রভাব ফেলছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্যের
সংঘাতের কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহে ব্যপক অনিশ্চয়তা এবং মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব
পড়ছে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সার উৎপাদন খাতে। ফলে শিল্প, কৃষি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে গিয়ে সামগ্রিক জীবন
যাত্রার খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়া আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে
রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ার সমুহ সম্ভাবনা এবং অনেক প্রবাসী শ্রমিকের দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনাও দেশের
বৈদেশিক আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে অচিরেই । এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অভ্যন্তরীণ বেকারত্বের
বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যস্ফীতি, যা সাধারণ মানুষের জীবনে চাপ সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, টাকার মান কমে যাওয়ার প্রবনতা , ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা এবং ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা অর্থনীতিকে
আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে, দিতে পারে কী অলরেডি দিচ্ছে।নিয়মিত বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের কারণেও
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়ে যাওয়াও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

এই জটিল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির উস্কানিতে আন্দোলন ও অস্থিরতা সৃষ্টি হলে নবগঠিত
সরকারের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক অসন্তোষ এবং
রাজনৈতিক অস্থিরতা একে অপরকে প্রভাবিত করে একটি সংকটময় পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো বহুমাত্রিক ও সম্ভাব্য এই সংকটগুলোকে দক্ষতার সাথে
মোকাবিলা করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ক্ষমতায় টিকে থাকা। এর জন্য প্রয়োজন কার্যকর
অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, জনবান্ধব নীতি গ্রহণ, এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুসমন্বিত কৌশল প্রয়োগ।
সরকারের ১০০/১৮০ দিনের জনবান্দব নীতি যথা দরিদ্র মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড কিবা ধর্মসেবাদান কারীদের
বেতন ভাতাদি প্রদানের মত ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবেনা, পুরা সমষ্টিক ইকনমি নিয়ে
একসাথে দক্ষতার সহিত কর্ম পরিচালনা করতে হবে , আর এটাই হলো সরকারের প্রতি সমাজের বোদ্ধাজনের
প্রত্যাশা । তা না হলে যাদের এখন্ই দমনের কথা বলছেন তারা দমে গেলেই কী উপরে বলা কথাগুলি থেমে যাবে?
তাই সংসদে বসে গণপরিষদ গণপরিষধ বলে চিল্লাচিল্লী না করে সকলকেই একসাথে দেশের অর্থনীতির চাকা
সচল রাখার কথা বলতে হবে । এটাই এখন যেভাবেই বলেন বোদ্ধা কিংবা বুদ্ধু জনগনের প্রত্যাশা ।

২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পুরা সমষ্টিক ইকনমি নিয়ে
একসাথে দক্ষতার সহিত কর্ম পরিচালনা করতে হবে ,

..............................................................................
সরকার দক্ষতার সহিত কার্যক্রম করবে বিধায় এমন সব মাথার সন্নিবেস
করেছে যে , অনেকে বিস্মি ত ।
আর এই ফলাফল পেতে হলে ১৮০ দিন অপেক্ষা করতে হবে ।
অন্যদিকে রাজনীতি সবার জন্য উন্মুক্ত করা বা নাকরা , সাখেঁর
করাতের মতো দু দিকেই কাটছে !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.