নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাজনীতি - আপনার পরিচয় দিন

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:১১



জামাত শিবির ও আওয়ামী লীগ এখন একযোগে বিএনপির বিরুদ্ধে কাজ করছে। বিএনপির সাথে আওয়ামী লীগের সখ্য হওয়া কখনও সম্ভব না। নট পসিবল। তবে জামাত শিবিরের সাথে আওয়ামী লীগের সখ্য হতে পারে। ইহা সম্ভব। কারণ - আওয়ামী লীগ হচ্ছে মুরাদ টাকলার রাজনীতি, আওয়ামী লীগ হচ্ছে টাকলা কামরুল ইসলামের রাজনীতি। আওয়ামী লীগ হচ্ছে কাওয়া কাদের এর রাজনীতি, আওয়ামী লীগ হচ্ছে কালো বিড়াল সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের রাজনীতি। আওয়ামী লীগ হচ্ছে সোনালী ব্যাংক ও হলমার্ক কেলেংকারীর নাটবল্টু সুভাষ সিংহ রায়ের রাজনীতি। আওয়ামী লীগের পক্ষে অনেক কিছুই সম্ভব।

জামাত ও আওয়ামী পন্থী যারা আছে তারা বিএনপির বিরুদ্ধে লেখা চালিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণ - চাঁদগাজী, রাজীব নুর, ও আপনি। গাজী সাহেব ও রাজীব নুর আওয়ামী পন্থী। আপনি আওয়ামী নন বিএনপিও নন। আপনি কোন দলের?














মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: একটা বিষয় আমি সম্প্রতি উপলব্ধি করেছি, সেটা হলো, আপনাদের প্রজন্মই শেষ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম এবং রাজনীতির প্রগতিশীল ধারার প্রজন্ম।

মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে ঘিরে বাংলাদেশে যে প্রগতিশীল ধারাটা ছিল, সেটা আর কখনই মূলধারা হয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারবে না। হ্যাঁ, এটার জন্য প্রধানত আওয়ামী লীগ দায়ী, সাথে আওয়ামীপন্থী সুবিধাবাদী ও ভোগবাদী বুদ্ধিজীবীরা।

বিএনপি নিজেদের নতুন করে পূনর্গঠন করতে পারার সম্ভাবনা নেই। অতএব, সামনে বেশি জঙ্গি আর কম জঙ্গি - এই রকম কয়েকটি দল বাংলাদেশে রাজনীতি করবে। সবগুলিই হবে ধর্মব্যবসায়ী, মোল্লাতান্ত্রিক ও জঙ্গি বর্বরদের দল।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



সামনে বেশি জঙ্গি আর কম জঙ্গি - এই রকম কয়েকটি দল বাংলাদেশে রাজনীতি করবে। সবগুলিই হবে ধর্মব্যবসায়ী, মোল্লাতান্ত্রিক ও জঙ্গি বর্বরদের দল। - আপনার দেওয়া তথ্য ১০০ তে ১০০ ভাগ সঠিক।

বাংলাদেশের ভবিষ্যত আর ভালো হওয়ার সম্ভবনা নেই। ধর্ম ও আওয়ামী লীগ যা ক্ষতি করার করেছে। বাদবাকি যা আছে ধর্ম নামের অধর্ম এই দেশের ক্ষয় ক্ষতি করবে। দেশকে সিরিয়া ইয়েমেন করাই এদের একমাত্র লক্ষ্য।

আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন শুধু মাত্র ব্লগ না, ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার এক্স, ইন্স্টাগ্রাম সয়লাব হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতি নামের অপরাজনীতি আর ধর্ম নামের অধর্ম। ফেসবুক ইউটিউবে মন্তব্যগুলো পড়ে বোঝা যায় দেশের মানুষ রাজনীতি আর ধর্মের অন্ধকার কুয়াতে তলিয়ে যাচ্ছে। - জাতির পক্ষে এইখান থেকে উঠে আসা মনে হয় সম্ভব হবে না।


২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৯

আলামিন১০৪ বলেছেন: বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখাচ্ছে। সে বিষয়ে কিছু বলুন। আমরা পরিবর্তনের অনেক আশা করেছিলাম, সে গুড়ে বালি। বিএনপি তো লীগের সাথে সমঝোতা করেছে। চোখে দেখেন না নাকি?

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আওয়ামী লীগের সাথে জামাতের সখ্য হতে পারে। জামাতের সাথে আওয়ামী লীগের আত্মীয়তার সম্পর্ক ও আছে। গত সপ্তাহে এক ভদ্রলোক আপনাকে অকথ্য নোংরা ভাষায় গালাগালি করেছে - সেই লোক হচ্ছে আওয়ামী লীগের উচ্ছিষ্ট ও চরমপন্থী।

৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৫৩

মাথা পাগলা বলেছেন: আপনার অল্প কথার মধ্যেই অনেক কিছু মিনিং করে।

মূলত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার কারণে মূল্যবোধের জায়গা থেকে বিএনপি (রাজাকার নিয়ে প্রাথমিক দল গঠন) বা জামাতকে সমর্থন করতে পারবো না। আবার হাসিনার লীগকেও সমর্থন করতে পারছি না। তবে বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপি "মন্দের মধ্যে ভালো"। যদিও রাজাকারদের বিরুদ্ধে কথা বলার সময়, মাঝে মাঝে লীগের প্রশংসা করে ফেলি। বিএনপির উচিত ছিলো ইউনুস সরকারের আমলে যেসব মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে, সেগুলোর সংস্কারে পদক্ষেপ নেয়া।

ইদানিং তৌহিদী জনতার সন্ত্রাস কর্মকান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে তারেক রহমানকে পরিবারসহ নাটক-সিনেমা দেখার বিনোদনে ব্যস্ত হতে দেখা যাচ্ছে।

শ্রাবণধারা@ আপনার মন্তব্যের সাথে আমিও একমত। তবে আমি আশাবাদী হয়তো বা ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

আলামিন১০৪@ মতের সাথে মিল নাই থাকতেই পারে, অনুরোধ করছি আক্রমণাত্মক ভাষা থেকে বিরত থাকুন।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



বাংলাদেশে জামাতের মতো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো আর আওয়ামী লীগের মতো দুর্নীতি করা হয়তো কারোও পক্ষে সম্ভব না। আপনি দেখুন এখন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে - আওয়ামী লীগ নাকি বিএনপির সাথে আঁতাত করছে !

আপনি নোট লিখে রাখুন - আওয়ামী লীগ আঁতাত করবে জামাতের সাথে। এবং এটি চিরন্তন সত্য।

৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৫৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে মনে হলো যেন আমার কাছেই জানতে চেয়েছেন । :) । কোনো দলকে সমর্থন করি না ।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমি লোহা রেখেছি আপনি চুম্বকের মতো টেনে ধরেছেন। এখন মনে হয়েছে প্রশ্নটি আপনাকেই করেছি। আমার পোস্ট পড়ে আরও অনেকের কাছে মনে হবে, প্রশ্নটি তাকে করা হয়েছে।

কেউ যদি ধর্ম রাজনীতি করে এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তি স্বাধীনতা। কেউ যদি অধর্ম রাজনীতি করে এটি তার ব্যক্তি স্বাধীনতা। কেউ যদি আওয়ামী লীগ করে এটিও তার ব্যক্তি স্বাধীনতা। এখন কেউ যদি দেশের শেষ প্রদীপ বিএনপিকে সমর্থন না করে - এটিও তার ব্যাক্তি স্বাধীনতা।

আশা করি আপনি আমার ব্যাখ্যা বুঝতে পেরেছেন।

৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি বলেছেন , এখন কেউ যদি দেশের শেষ প্রদীপ বিএনপিকে সমর্থন না করে - এটিও তার ব্যাক্তি স্বাধীনতা।

এটা আমিও স্বীকার করি। তবে সেই সব এলাকার মানুষের কথাও ভাবতে হবে, যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছে—কিন্তু সমঝোতার রাজনীতির কারণে বিএনপি আসনগুলো জামায়াতের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তাহলে ওইসব এলাকার ভোটারদের অবস্থান এখন কী?

আমিও এমন একটি এলাকার বাসিন্দা। এখানে কেউ জামায়াতকে ভোট দেয়নি, অথচ এখন সেই দলের প্রার্থীই আমাদের এমপি। নির্বাচন হওয়ার আগে দেড় বছর তিনি এলাকায় আসেননি, এমনকি নির্বাচনের দুই মাস পার হলেও তাঁর কোনো খোঁজ নেই। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রতারিত মনে করছে।


১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনার মন্তব্যের শেষ তিন লাইন ১০০ তে ১০০ ভাগ সঠিক। এটিই বাংলাদেশের রাজনীতি। আপনি বারংবার প্রতারিত হবেন। প্রতারিত হতেই থাকবেন।

৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা।

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:২৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিএনপি, আওয়ামী লীগ বা জামাত শিবিরের কার্যক্রম দেখে
কোন সুস্হ বিবেকবান মন খুলে সমর্থন করবেনা ।

................................................................................
আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বাস্তবে মুদ্রার এপিট /ওপিট ।
রাজনীতিতে তারা দীর্ঘ সময় পেয়েছিলো , তাদের মধ্যে কমন
বৈরী ইস্যু সমূহ মিটিয়ে ফেলা । কিন্ত তা না করে দিন দিনে কঠিনতম
সমস্যা তৈরী করেছে , ফলে তাদের রাজনৈতিক সমঝোতায়, কাছাকাছি আসার
সুযোগ নাই ।
অন্যদিকে জামাত , আওয়ামী লীগকে গুপ্ত থেকে ক্ষমতা থেকে নামিয়েছে, তার ছলনার কাছে
বিএনপি বা আওয়ামী লীগ শিশু ।অতএব আওয়ামী লীগ তাদের কখোনই বিশ্বাস করবেনা ।
জামাতের মিথ্যাচার ও প্রত্যহ আচরন পর্যবেক্ষণ করে নিয়মিত প্রচার করতে হবে, তাহলে
সাধারন জনগণ তাদের মুখোশ খুলে ফেলবে ।

..............................................................................................................................
উদাহরন দিলাম : চারিদিকে যখন ১লা বৈশাখের প্রানবন্ত অনুষ্ঠান করছে, তখন তারা জনবিচ্ছিন
যেন না হয়, তাই তারাও বৈশাখের অনুষ্ঠান করল । যেখানে লোক নেই , নেই প্রানবন্ত অনুষ্ঠান
তবুও পিছিয়ে পড়া চলবেনা । একই অবস্হা দেখলাম এসসিপির , যে সকল গান বাজাচ্ছে তাতে
তাদের রুচি বোঝা যায় এবং বৈশাখের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ে তারা একেবারে অজ্ঞ !
সুতরাং, এখনও সময় আছে, সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাঝ দিয়ে, জনসাধারণের মাঝে
সত্য , শ্বাশত বিষয়গুলো জাগ্রত করা, যা সবাইকে সঠিক পথে ধাবিত করবে ।

৮| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



খুব সুন্দর একটি প্রশ্ন করেছেন । এর উত্তর এক কথায় দেয়া যাবেনা । কিছু প্রাসঙ্গিক কথা বলতেই হবে ।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস যেন এক পুনরাবৃত্ত নাট্যমঞ্চ যেখানে চরিত্র বদলায়, মুখোশ বদলায়, কিন্তু
কাহিনির অন্তর্নিহিত সুর প্রায় একই থেকে যায়। যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, ক্ষমতার সিঁড়িতে
উঠার আগে তারা নিজেদেরকে জনতার অকৃত্রিম প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরে বক্তৃতায় থাকে জনগণের অধিকার,
গণতন্ত্রের অঙ্গীকার, মানুষের কল্যাণ। কিন্তু ক্ষমতার মসনদে বসার পর যেন সেই প্রতিশ্রুতির ভাষা ধীরে ধীরে
রূপ নেয় আত্মকেন্দ্রিক, গোষ্ঠীকেন্দ্রিক, এবং অনেক সময় স্বার্থান্বেষী এক বাস্তবতায়।

তখন জনতার জনতার উচ্চারণটি হয়ে ওঠে অনেকাংশে অলংকারময় স্লোগান, আর বাস্তবে প্রতিফলিত হয় আমার
আমার মানসিকতা ক্ষমতা সংরক্ষণ, প্রভাব বিস্তার, এবং ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রবণতা।
এই দ্বৈততা কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে
আদর্শের চেয়ে বাস্তব স্বার্থই প্রাধান্য পায়।

অজকে প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদ ভাষ্যে দেখলাম
জ্বালানিসংকটের মধ্যেই অর্ধশত গাড়ি নিয়ে শোডাউন: সমালোচনার মুখে ছাত্রদল নেতা
একজন পাঠক দেখলাম মন্তব্য করেছেন “১৬ বছর ধান ক্ষেতে ঘুমাইছে , এখন অর্ধ শত গাড়ি নিয়ে শোডাউন,
এক মাসেই সোনার ছেলেদের কত উন্নতি” !

সত্যিই এ যেন এক নিঃশব্দ বৈপরীত্য বক্তৃতায় গণমানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা, আর কার্যক্রমে সীমিত
পরিসরের সুবিধাভোগীদের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ। ফলে সাধারণ মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা বারবার প্রতিশ্রুতির
ভাষায় আবদ্ধ থাকে, কিন্তু বাস্তবায়নের পথে পড়ে যায় নানা রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের জটিল জালে।

এই প্রবণতা আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও ছুঁড়ে দেয় রাজনীতি কি সত্যিই জনকল্যাণের জন্য, নাকি
তা ক্রমেই ক্ষমতা ও প্রভাবের এক স্বার্থান্বেষী খেলায় পরিণত হচ্ছে?

তাই রাজনীতির এ ধরনের কোন খেলাতেই আমি নাই । আমি চাই যেই সরকারে থাকুক না কেন তারা যেন
সামুতে প্রকাশিত আপনিসহ আমাদের বহুসংখ্যক ব্লগার প্রস্তাবিত প্রকল্প রূপকল্পগুলি গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন
করুক যথাযথভাবে । অন্যান্য প্রকল্প রূপরেখা গুলি না হয় বাদই দিলাম যদি সামুতে প্রকাশিত আমার নীজের
অনেক প্রকল্প প্রস্তাবনার মধ্যে শুধুমাত্র আমার তুলে ধরা এই
গ্রামীণ এলাকায় হরাইজনটাল এবং ভার্টিকেল গৃহ নির্মানের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সৃজনের লক্ষ্যে একটি রূপকল্প টি গ্রহণ ও
বাস্তবায়ন করে তাহলে বাংলাদেশের শহর ও গ্রামীন এলাকাকার চিত্রই বদলে গিয়ে সত্যিকার সোনার বাংলা হয়ে উঠবে । প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন কিভাবে হবে তাও প্রকল্প রূপকল্পটিতে তুলে ধরা হয়েছে ।

বাংলা নব বর্ষের শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.