| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইউনুস খান
অন্যায়ের প্রতিবাদ করে লাশ হতেও আপত্ত নাই। শুধু মিনতি লাশটা যেন শেয়াল-কুকুরে না খেয়ে ফেলে, আমার মা-বাবার কাছে যেন পৌছে দেয়া হয়।
আমাদের গ্রামের বাজারে স্বপনদার দোকান। পেশায় পোদ্দার মানে জুয়েলারীর কাজ করে। বাড়ী হলো নদীর ওপারের গ্রামে। স্বপনদার কথা এতো বলছি কারন উনিই ছিলো আমার প্রথম ভাগ্যবান রোগী
।
স্বপনদার সমস্যা ছিলো গিয়া চুলকানী। বলা নেই কওয়া নেই লজ্জা নেই শরম নেই খালি চুলকাইতো
। লুঙ্গীর উপর দিয়া তার চুলকানী দেখলে আমার হাসিও পাইতো আবার মেজাজও বিগড়াইতো। একদিন বিকেল বেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতাছি ঐ সময় স্বপনদা হাজির। কিছুই না দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমাদের কথা শুনে। হঠাৎ করে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে শুরু করে দিলো চুলকানী
। চেয়ারম্যানের চেহাড়াটা তখন দেখার মতো হইছিলো
। আমি স্বপনদারে দূরে ডাইকা নিয়া কইলাম ভাই তোমার সমস্যাটা কি? স্বপনদা কইলো ছোডভাই খাউজ্জাইতে খাউজ্জাইতে জীবন শেষ
। আমি কইলাম ভাই চিন্তা কইরোনা সন্ধায় আইসো আমি ওষুধ দিবোনে।
সন্ধা হইতে না হইতেই স্বপনদা হাজির। আমি ভাব লইয়া কইলাম তোমারে না সন্ধায় আসতে কইলাম। যাও একশিশি নারিকেল তেল নিয়া আইসো। স্বপনদা কইলো আগেতো কইবা ওষুধটা কি। টেনশন লইয়োনা ভাই যা কইছি তাই করো। এক্কেবারে ভালা হইয়া যাইবো
। যাও তেল লও, আরেকটা টর্চ লাইট নিয়া আসো। তুমারে লইয়া চরে যামু।
চরে যাওয়ার কথা শুইন্যা মনে হয় স্বপনদা ভয় পাইছে
স্বপনদা কই বাদ দেও তেল লাগবোনা এইভাবেই চলো। আমিও আমার ওষুধ লইয়া চরে রওনা হইলাম। চরে গিয়া স্বপনদারে কইলাম ভাই লাইটটা আমার কাছে দেও। চারদিকে তাকাইয়া দেখো কি ভীষণ অন্ধকার। এই অন্ধকারে আমাদেরকে কেউ দেখবোনা। স্বপনদা কই দূরো মিয়া কি কও
আমি কইলাম হ ভাই হাছাকথা কেউ দেখবোনা
তুমি এককাজ করো ভালো কইরা চুলকানীর জায়গাগুলিতে চুলকাও আমি দূরে গিয়া দাঁড়াইতেছি। স্বপনদার মনে হয় জানে পানি আইছে। দূরো মিয়া আগে কইবানা। খাড়াও আমি চুলকাচ্ছি। তুমি আবার লাইট মাইরোনা। চুলকানীর শেষে আমি আমার কাছে থাকা তরল পদার্থটি উনার হাতে ঢেলে দিলাম। দিয়া কইলাম ভাই সব জায়গায় লাগিয়ে দাও।
ও বাবাগো কইয়া এমুন জোড়ে স্বপনদা চিক্কুর দিলো যে আমার কানে তালা লাইগ্যা গেলো। ওমা স্বপনদা দেহি দৌড়াইতাছে
লাইট মাইরা দেহি লুঙ্গি ছাড়াই দৌড় লাগাইছে। আমি লুঙ্গিটা কুড়াইয়া লইয়া তার পিছনে পিছনে দৌড় লাগাইলাম। স্বপনদা....
ধরাম কইরা শব্দ হইলো। স্বপনদা লাফ দিয়ে নদীতে পড়ছে। লাইট মাইরা দেখি স্বপনদা নদী সাঁতড়াইয়া পার হইয়া যাইতাছে। আমি চিক্কুর পাইরা স্বপনদারে ঢাকলাম। ছোট নদী দুই মিনিটে পার হইয়া গেছে স্বপনদা। এইপাড়ে আমি উনার লুঙ্গী এবং লাইট নিয়া দাঁড়াইয়া আছি।
ঐ পাড়ে উনি কাদাঁয় বইসা বইসা বিলাপ করতাছে ওমাগো..... ওবাবাগো......। ঐ পাড়ের তীর দিয়া কয়েকজন যাইতেছিলো তারা বললো - ঐ কেডা? কেডা কান্দে এইখানে। স্বপন্যানা। স্বপনদা আবার লাফ দিয়া নদীতে পড়লো। সাঁতার কাইট্যা এই পাড়ে আইসা গলা পানিতে দাঁড়াইয়া রইলো। আমারে কইলো মিয়া কি দিসো কও। আমিও ঘটনার আকস্মিকতায় হাসি এবং ভ্যাবাচ্যাকা দুইটায় খাইছি। আমি কইলাম চিন্তা কইরোনা স্বপনদা ভালা হইয়া যাইবা। আগেইতো কইছিলাম তেল মিশাইয়া লও। প্রায় আধঘন্টা নদীতে থাকার পর আমার সাথে বাজারে আসলো।
পরেরদিন সারাবেলা উনারে না দেইখ্যা টেনশন করতে লাগলাম। বিকেলবেলা সে আমারকাছে হাসিমুখে আইসা কয় ভাই আমিতো ভালা হইয়া গেছি। চলো তোমারে মিষ্টি খাওয়ায় ![]()
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪২
ইউনুস খান বলেছেন: আইচ্ছা ![]()
২|
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৯
নূহান বলেছেন: আমারও একশিশি লাগপো ![]()
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৩
ইউনুস খান বলেছেন: ওখে
মাইনাসের জন্য থ্যাঙ্কু ![]()
৩|
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৫
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ইউনুস খান, উপরের "ইউনুস কবিরাজের কবিরাজী চিকিৎসা" লেখাটা পইড়া বলেন কি বুঝলেন ?
আমি কইলাম কিছুই বুঝি নাই।
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৯
ইউনুস খান বলেছেন: হুমম। ব্যাপারটা ছিলো- এইরকম বেশ কয়েকটি থেরাপি দিয়ে আমি স্বল্পকালীন সময়ের জন্য কবিরাজী খেতাব পাইছিলাম। ইউনুস কবিরাজ কইয়া নিজেরে ঐ ঘটনাকালীন সময়ে নিয়ে গেছিলাম কিছুক্ষণের জন্য।
৪|
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০১
লুলুপাগলা বলেছেন: মাথায় কিছু ঢুকতাছেনা...........
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০৫
ইউনুস খান বলেছেন: আরে লুলুভাইযে!
আছেন কেমন? ঘটনাতো একদম সোজা পানির মতো সোজা ![]()
৫|
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১২
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আরে গল্প তো মজারই হইসে, কিন্তু ওষুধটা আসলে কি আসিলো সেইটা না বুঝায় মজাটা নষ্ট।
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১৭
ইউনুস খান বলেছেন: এইটা কিন্তু একদম ইচ্ছে করেই করা ![]()
এটা ছিলো "আবেশেফা"। যা রিংডনের চেয়ে মারাত্নক কড়া। অনেকরকম অসুখে এটা কাজে লাগে। নিয়ামাবলী দেওয়া আছে সেইভাবে ইউজ করলেই হয়।
৬|
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: +
১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫
ইউনুস খান বলেছেন: ধইন্যাপাতা ![]()
৭|
১৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৮
যুগান্তকারী বলেছেন: খেকজ+
১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:০২
ইউনুস খান বলেছেন:
![]()
৮|
১৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬
অক্ষর বলেছেন: ইউনুসরে ঘন ঘন ব্লগে দেইখা ভালো লাগতাছে
১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
ইউনুস খান বলেছেন: আপনার ভালো লাগছে দেখে আমারো ভালো লাগলো
৯|
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬
নীল-দর্পণ বলেছেন: আপনে ত জব্বর এক কবিরাজ......![]()
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
ইউনুস খান বলেছেন: খেক খেক খেক
১০|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০০
রায়হান(তন্ময়) বলেছেন: আমি হাসতে হাসতে শ্যাষ। ++ এবং প্রিয়তে গেল ![]()
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৬
ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
১১|
২১ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: নারকেল তেলের সাথে কী মেশানো হয়েছিল? চিকিৎসা কাজে দিয়েছিল, সেটাই শেষ কথা এবং ইউনুস কবিরাজের সাফল্য।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৮
ইমন১৯২৪ বলেছেন: অবিবাহিতা মায়ের সংখ্যা বেড়ে চলায় যুক্তরাষ্ট্রে উদ্বেগ---২০০৭ সাল থেকে জন্ম নেওয়া ১০টি শিশুর মধ্যে ৪টিরই জন্ম দিয়েছে অবিবাহিত মায়েরা
Click This Link