| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২০১৮ সালে যখন কোটা আন্দোলন হয়, সর্বস্তরের শিক্ষার্থী তাতে অংশগ্রহণ করে। সারাদেশে হইচই পড়ে যায়। আমিও উত্তরায় লক্ষ করি, সরকারি ও আধাসরকারি সব স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিয়েছিল। আমি উত্তরার পাশে থাকি বলে উত্তরার কথা বলছি। কিন্তু এবার উত্তরায় তেমন কোনো কার্যক্রম দেখতে পেলাম না। এবার কি আন্দোলনটা সর্বাত্মকভাবে হচ্ছে না? কোটা আন্দোলন হয়েছিল ২০১৮ সালে, অর্থাৎ আজ থেকে ৬ বছর আগে, তখন আমি সামুতে প্রথম প্রোফাইল খুলি। কোটা নিয়ে সামুতেও খুব লেখালিখি দেখেছিলাম। কিন্তু সেবার আন্দোলন সফলতার আলো দেখেনি। এবারও তা-ই হচ্ছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের এই আন্দোলনে টিয়ারশেল ছোড়া হয়েছে, রক্তাক্ত করা হয়েছে নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদেরকে। কোটা নিয়ে যেই আন্দোলনটা যেই দাবিটা, এটা তো আসলে অযৌক্তিক কিছু না। তবুও কেন সফলতা পাচ্ছে না? কারা এর পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে? কেন বারবার ব্যর্থ হচ্ছে ছাত্রজনতার প্রাণের দাবি? কেন উপেক্ষিত হচ্ছে রাষ্ট্রের কাছে? এ নিয়ে কি বুদ্ধিজীবী, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট ও ইনফ্লুয়েন্সাররা আওয়াজ তুলবেন না? এভাবেই কি ব্যর্থ হতে দেওয়া হবে একটা শিক্ষাব্যবস্থাকে?
©somewhere in net ltd.