| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডিম আমার খুব প্রিয় । অনেকে ডিমের সাদা অংশ খায় অনেকে আবার শুধু কুসুম।কিন্তু আমি সবটুকুই খাই।সাদা অংশ আর কুসুম ২টাই আমার কাছে সমান প্রিয়।কিন্তু সমাস্যা হলো কয়েকদিন থেকে আমার এই প্রিয় ডিম খেতে সমাস্যা হচ্ছে।আর এই সমাস্যার সৃষ্টি করেছে ফেসবুকে পাওয়া একটা ছবি।ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটা পথশিশু বাস্তার পাশে দাড়িয়ে পাশের হোটেলের কড়াইয়ে ভাজা ডিমটার দিকে খুব করুন ভাবে তাকিয়ে আছে।আর দশটা ছবির মত ই এই ছবিতাও আমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করবর না এতাই স্বাভাবিক।কিন্তু হঠাং আমার চোখ পড়লো শিশুটির চোখের চাহনির দিকে।কোন কিছু পাবার জন্য মানুষের চোখের ব্যাকুলতা এত তীব্র হতে পারে!!! তাও আবার সামান্য ৬-৭ টাকার ডিমের জন্য? আমার জানা ছিল না।
মধ্যবিত্তের কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে মা মা ব্যাসার্ধ পার করে সীমানা পর্যন্ত আমি যেতে পারি।প্রয়োজন আর বিলাসিতা পার্থক্য শিখেছি আনেক ছোট থেকে। কিন্তু এই শিশুটি !! বিলাসিতা করে 5 star হোটেল এ গিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে চা ,২০০০-৪০০০ টাকায় রুফে ডিনারে যাবার স্বপ্ন ও ওরা দেখেনা কখনো।বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন ...FC যাবার ইচ্ছা ওদের নেই।কিন্তু সামান্য ডিমের দিকে এত ব্যাকুল ভাবে তাকিয়ে থাকা এটা কি ভাবে সহ্য করা সম্ভব আমার জানা নেই। আর তাই প্রতিবার ডিম মুখে তুলতে গেলেই ওই দুটো চোখ আমার সামনে ভেসে উঠছে।
ওই শিশুটাকে তো আর পাবো না । তাই সিদ্ধান্ত নিলাম যে কয়জন পথশিশুকে কে সম্ভব ডিম খাওয়ারো।আমার কথা শুনে হাসি পাচ্ছে যাদের তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি আপনিও একবার ছবিটার শিশুর চোখের দিকে তাকান।আমি নিশ্চিত আপনিও আমার পাগলামিতে যোগ দেবেন।আর যাদের আবস্থা ইতমধ্যে আমার মত হয়েছে তারা ইচ্ছা করলে আমার সাথে যোগ দিতে পারেন পথশিশুদের ডিম খাওয়ানোর উংসবে। সবাই কার রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ডিম খাওয়াবো আর ওদের কাছে চেয়ে নেবো যে আমরা আমান্য ৬-৭ টাকার একটা ডিম খাবার নিশ্চায়তা ওদের দিতে পারিনি!!
©somewhere in net ltd.