| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো সাড়ে চার লক্ষ টাকা। আর, সবেচেয়ে জুনিয়র ডেভেলপার ছিলো সাইদা, সে পেতো দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার। এরকম আমার ২৪-জনের একটি টিম ছিলো। কিন্তু, শরীরের অবস্থা ভালো না থাকায় এরকম একটি ব্যবসা ছেড়ে দিতে হলো।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমি আমার সবচেয়ে সফল ব্যবসাটি শুরু করি। প্রথমে ক্লায়েন্ট হিসেবে আসে একজিওম নামের এক ব্রিটিশ আমেরিকান হেলথ টেঁক কোম্পানি। তাঁদেরকে চীফ টেঁক টেকনোলজি অফিসার আমার সাথে কথা বলে জানান যে, তাঁরা এমন একটা হিউম্যান রিসোর্স পলিসি চান যাতে তাঁদের কোম্পানি থেকে কখনই কোন ইঞ্জিনিয়ার ছুটে অন্য কোন কোম্পানিতে চলে যাবে না। আমি বললাম যে, আমাকে ১ মাস সময় দাও। আমি একটু রিসার্স করে বলি।
এক মাস পরে আমি তাঁদেরকে জানালাম - তোমরা যদি আমাদের বাংলাদেশী ইঞ্জিনিয়ারদের তিন গুণ সেলারি দাও, তখন জব এনভায়রনমেন্ট যতো খারাপই থাকুক না কেন, আমি তাঁদেরকে ধরে রাখতে পারবো। একজিওম কর্তৃপক্ষ রাজি হলেন। আমরা এপ্রিল মাস থেকে রিক্রুটমেন্টে গেলাম।
এরপরে, ২ বছর তাঁদের সাথে ব্যবসা করলাম। আমাদের কোন ইঞ্জিনিয়ার ছুটলো না। একজিওম ঠিক সময় মতো বেতন দিতো। মাসের ২৯ তারিখ ছিলো আমাদের পে ডে। তাঁরা মাসের একুশ তারিখের মধ্যে সুইফট কেউন্টের মাধ্যমে আমার ফার্মের পাওনা পাঠিয়ে দিতো।
একজিওম চলে যাওয়ার পরে, ২০২২ সালের প্রথম কোয়ার্টারে সিডার্স এলো। তখন তাঁরা ছুলো ইউকে-এর সবচেয়ে বড় ক্রাউডফান্ডীং কোম্পানী। এরপরে, আমেরিকার ফিন্টেক কোম্পানী রিপাবলিক তাদেরকে কিনে নিয়ে 'রিপাবলিক ইউরোপ' নামে পুরো ইউরোপে কাজ শুরু করে। এই কোম্পানীও আমার ক্লায়েন্ট ছিলো।
পুরো এশিয়ার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই তাদের অপারেশন ছিলো আমার ফার্মের মাধ্যমে। কিন্তু, আমি লক্ষ্য করে দেখলাম, আমার শরীর খারাপ হচ্ছে। টাকা আসছে, কিন্তু, আমি যেরকম চাপ সামলাতে অভ্যস্ত তার শক্যই ভাগও এখানে দিতে হয় না!!! ফলে, শরীরে মেদ জমতে থাকলো, ফেটী লিভার, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ সবই জেঁকে বসলো।
আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, আর নয়। টাকা পিছনে অনেক ছুটেছি। দেশ এই ছয় বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ফরেন কারেন্সি পেয়েছে। আমিও আগামী ৫ বছর চলার মতো টাকা হাতে পেয়ে গিয়েছি। এবারে, নিজেকে এবং পরিবারকে কিছু অতিরিক্ত সময় দেওয়া প্রয়োজন।
আমার ক্লায়েন্টকে ছেড়ে দিলাম। আমার ইঞ্জিনিয়াররা মিলে অন্য একটি ফার্ম তইরী করে আমার ক্লায়েন্টকে নিয়ে নিলো। আমি কিছু বললাম না। নিলে নিক না!!! তাতে যদি তাদের ও দেশের লাভ হয়, আমার বাঁধ সাধার কি দরকার!
এখন শান্তিতেই আছি, শুধু গ্যাস্ট্রিক হিসেবে চাদ্গাজী ঝামেলা করে আমাকে বায়ু দূষণ করতে বাধ্য করেন, এই যা!!!! ![]()
১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি একজন ছোট ব্যবসায়ী।
নিজের ঢোল নিজে অনেক বাজিয়ে ফেলেছি, চাঁদগাজি বাধ্য করেছেন।
তাই, আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।
এখন একটি এডূটেক ফার্ম বানিয়ে শরীর ও বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করছি।
পোস্টে অনেক বানান ভুল আছে।
শুভেচ্ছা নিরন্তর।
২|
১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:০৮
মাথা পাগলা বলেছেন: @লেখক
ভাব বুঝতে পারলেই হলো। বানান ভুল মনে হয় একটাই "এতো =< এত"। লিখে আবার ২~৩ বার পড়ে ঠিক করার ধৈর্য্য আমার নেই। আপনি আপনার ফার্ম নিয়ে অনেক কথা বলেন কিন্তু ফার্মের নাম এবং কাজ নিয়ে কিছু বলতে পারেন না কেন?
১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
লেখায় অনেকগুলো বানান ভুল আছে, এছাড়াও চীফ টেঁক টেকনোলোজি অফিসার লিখেছি। লেখার কথা 'চীফ টেকনোলোজি অফিসার'।
নিজের ফার্মের নাম বলা কি দরকার!!!
আমার ওয়েবসাইটটা এখনো রয়ে গিয়েছে যেখানে আমার ফোন নাম্বার আছে। ফার্মের নাম দিলে ইজিলি যে কেউ পেয়ে যাবেন।
পাবলিক ফোরামে সেটা দেওয়া কি উচিৎ হবে?
বুঝ বলুন তো দেখি!
ধন্যবাদ।
১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৩২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি আমার এক্স-ক্লায়েন্টদের নাম দিয়েছি।
তাদের অয়েবসাইগটে গেলেই আমাদের কাজ কি ছিলো বুঝতে পারবেন।
আমি পোস্টে লিখেছি ক্রাউড ফান্ডীং এবং ফিন্টেক কোম্পানি। এছাড়াও সূত্র দিয়ে বেশ কয়েকটা।
আপনি মনে হয় টেক জগতের মানুষ নন!?
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
মাথা পাগলা বলেছেন: সামুর ভাগ্য আপনার মতো এতো বড় ব্যবসায়ী সময় বের করে এখানে কিছু লিখছেন। আপনার ফার্মের নাম কি? কি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করেছিলেন? আর আপনার এনজিওর খবর কি?