নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন জেনারেল ব্লগারের নিজের সম্পর্কে বলার কিছু থাকে না ।

আবদুর রব শরীফ

যদি তোর লেখা পড়ে কেউ না হাসে তবে একলা হাসো রে!

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার দুই বার সাক্ষাত মৃত্যু থেকে ফিরে আসার কাহিনী !

২৬ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৭

জোঁকের উপর লবন ছিটালে কোন পয়দা নেই, সে উল্টো যা খেয়েছে সাথে তার বদ রক্তগুলো আপনার শরীলে বমি করে দিবে, নিজেও মরবে আপনাকেও অসুস্থ করে ছাড়বে, সব চেয়ে ভালো উপায় তাকে রক্ত খেতে দিন, রক্ত খেয়ে অটোমেটিক কিছুক্ষণ পর পড়ে যাবে, ততক্ষণ জোঁক ধরেছে না ভেবে গার্লফ্রেন্ড কিস করতেছে ভেবে চোখ বন্ধ করে রাখুন, এটা আমার গুরু বেয়ার গ্রিলসের কথা,


সমাজের মানুষরূপি জোঁকদের ক্ষেত্রে এটা এপ্লাই করতে পারেন, এক্ষেত্রে ধৈর্য ধরাটা কঠিন কিন্তু সমস্যা হলো ওদের ব্যক্তিত্ব জোঁকের চেয়েও দেখতে উপলব্দি বিভৎস, তবে ধৈর্য ধরতে পারলে উপকার আছে অপকার নেই,


আল্লাহ নিজেই বলছেন তিনি ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন থাকবেন, আমরা যেন বেশী বেশী ধৈর্য ধরি, মান সম্মান ইজ্জত রিজিক দেওয়ার মালিক আল্লাহ, আর গুলো সব উছিলা, মহান আল্লাহ যেন আমার এবং আমাদের উপর অসুন্তষ্টি না হন এ জন্য আমাদের আল্লাহরপ্রতি সর্বদা ভীত থাকতে হবে,


জানেন, আপনি যখন মহা সমুদ্রে বৃষ্টির কবলে পড়বেন তখন আল্লাহ ছাড়া কেউ থাকবে না, আমার বাড়ি সন্দ্বীপ হওয়ায় দুই একবার এমন ফিলিংস হয়েছে, সদ্য মৃত্যু থেকে বেঁচে আসার ফিলিংস এমনি,


একবার চল্লিশ জনের একটা গ্রুপ নিয়ে রাঙ্গামাটি যাচ্ছিলাম, আমি বাসের সিটে বসা, হঠাৎ করে গাড়ি ব্রেক ফেইল করে, ড্রাইভার ব্রেকের তার ছিড়ে গাড়ির চাকার মত ঘুরতেছে, হেলপারকে বলল মুগুর নিয়ে আসতে, সামনে যারা বসছে তার টের পেয়েছে, হঠাৎ করে গাড়ি থাকে ধোয়ার কুন্ডলি বের হতে শুরু করলো, হেলপার চাকার মধ্যে মুগুর নিক্ষেপের চেষ্টা করছে, আল্লার কি অসীম রহমত সামনে একটা উচু পাহাড়ের রাস্তা থাকাতে গাড়ি থেমে গেল,



আরেকবার দাদাকে রিসিভ করার জন্য বটতলী স্টেশনে গিয়েছিলাম, প্রাইভেট কারে বেল্ট ছিড়ে যাচ্ছে এমন একটা আওয়াজ দিচ্ছিল, হঠাৎ এসি বন্ধ হয়ে গেল, দাদার মনে সন্দেহ হলো, বাঙ্গালী ড্রাইভার সব কিছু সিম্পল মনে করে গাড়ি চালাতে লাগলো, হঠাৎ গাড়িতে রেড চিহ্ন উঠল, ড্রাইভারের হুদিশ নেই, এগুলো বুজে না, ইংলিশ কম জানে তাই, হঠাৎ দাদা খেয়াল করে আমাকে,দাদা- দাদী, ড্রাইভারকে তাড়াতাড়ি নেমে যেতে বলল, পরে বেল্ট চেক করে দেখে পুরো বেল্ট জ্বলে আঙ্গার হয়ে গেছে, আর পাঁচ মিনিট চললেই আমরাসহ গাড়ি জ্বলে যেত, রাস্তায় লাগেজ নিয়ে রাত সাড়ে বারটায় দাড়ায় থাকলাম, পরে ফোন করে আরেকটা গাড়ি আসলে আমাদের লিফ দিল, আবারো মৃত্যু থেকে ফিরে আসলাম আল্লাহর রহমতে,


রাখে আল্লাহ মারে কে, জোঁক থেকে কোথায় চলে গেলাম, মোদ্দা কথা কি জানেন, আল্লাহ আপনাকে বাচালে কেউ মারতে পারবে না, ক্ষতি করতে পারবে না, জাস্ট জোকের মত সাময়িক রক্ত চুষে খাবে, তাই আল্লাহ ধৈর্য ধরার উপর বেশী জোর দিয়েছেন ৷

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১:৪৭

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: জোক রক্ত খেয়ে নিজে পরে যাবার পরেও বেশ কিছুক্ষন রক্ত পড়তে থাকে বললাম।

গাড়ির ব্রেক ফেল করলে চালাইতেছিলো কিভাবে? আবার পরের ঘটনার সময় কি রেডিয়েটরের পানি ছিলোনা একেবারেই?

রাখে আল্লাহ মারে কে? আর হায়্যাত আ থাকলে বাচায় কে?

২৬ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৩:০৯

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: ড্রাইভার সিটে বসে ব্রেক ঘুরাচ্ছিল কিন্তু ওটা ফ্যানের মত ঘুরতে ছিল, কাজ হচ্ছিল না, সেকেন্ডটাতে প্রাইভেট কারের যন্ত্রাংশের ভিতর বেল্ট ছিল ওটা জ্বলে গেছিল..প্রথম অংশটা বেয়ারের কথা, রেডিয়েটরের বেপারটা জানি না..

২| ২৬ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৩:০৬

জনাব মাহাবুব বলেছেন: কঠিন বিপদ থেকে বেচে ফিরছেন। B:-)

২৬ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৩:১২

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: ঠিক ভাই, সবি আল্লাহর রহমত...

৩| ২৬ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৩:২৬

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: ফেসবুক লিংকঃ Click This Link

৪| ২৬ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৮

নক্‌শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: কিছু মনে করবেননা, সাক্ষাৎ মৃত্যু মুখ থেকে ফেরা বলতে যা বোঝায়, ঘটনা দুইটা মোটেই সেরকম নয়। বিপদ থেকে বেঁচেছেন, ঠিক আছে, কিন্তু যতটা ভাবছেন ততটা বিপদ না এটা। গাড়ির ইন্জিনে আগুন লাগলে ধোয়া টের পেতেন, গাড়ির ভেতর আগুন লাগার অনেক আগেই আপনারা নিরাপদে বের হয়ে যেতে পারতেন। আর ব্রেক ফেল করলে মুগুর দিয়ে গাড়ি থামানো লাগেনা, গাড়ির এক্সেলারেটর ছেড়ে দিয়ে ক্রমাগত লোয়ার গিয়ারে দিতে থাকলে ইন্জিনটাই ব্রেকের কাজ করে, একে বলে ইন্জিন ব্রেকিং।

২৬ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩২

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: ভাই গাড়ির অতকিছু বুজি না, যেটুকু জানি ততটুকু বলছি... রাঙ্গামাটির রাস্তায় একটু এদিক ওদিক হলে একশ ফিটের মত নিচে গিয়ে পড়বে গাড়ি সোজা...

৫| ২৬ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪০

নক্‌শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: "ড্রাইভার সিটে বসে ব্রেক ঘুরাচ্ছিল কিন্তু ওটা ফ্যানের মত ঘুরতে ছিল, কাজ হচ্ছিল না"

-ব্রেক ঘুরায় কি করে বলেনতো? বুঝলামনা ব্যাপারটা।

২৬ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪৭

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: ভাই আমি নিজ দেখছি শুনছি তা লেখছি, গাড়ি সম্বন্ধে অতকিছু জানার সুযোগ হয় নি, তবে এইটুকু বুজেছি একটু এদিক ওদিক হলে মৃত্যু নিশ্চিত ছিল..

৬| ২৬ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪৩

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: ড্রাইভার সিটে বসে যেটা ঘুরায় ওটার কথা বলছি...

৭| ২৬ শে মে, ২০১৫ রাত ৯:৪৩

নক্‌শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: ড্রাইভার সিটে বসে যেটা ঘোরায় ওটা স্টিয়ারিং।

২৬ শে মে, ২০১৫ রাত ১০:৫৪

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: সেটাই... ওটা মাথায় ছিল না লেখার সময় হাহা, ধন্যবাদ মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য... :)

৮| ২৭ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১:৩৬

টি এম মাজাহর বলেছেন: পরের ঘটনাটা খুব সাধারণ এবং কমন। রেডিয়েটরে রেগুলার পানি না দিলে এমটা ঘটেই থাকে। এতো অতিরঞ্জিত করে বলবার দরকার ছিলো না।

২৭ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৩:৩০

আবদুর রব শরীফ বলেছেন: আমার দাদা আমাকে যা হতে পারত বলেছে আমি তা ই লেখলাম.

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.