নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন জেনারেল ব্লগারের নিজের সম্পর্কে বলার কিছু থাকে না ।

আবদুর রব শরীফ

আমি এখন ব্লগের জন্য সেইফ না । দূরত্ব বজায় রাখুন ।

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে শহরে বেঁচে থাকা একটি রম্য!

১৫ ই মার্চ, ২০২১ রাত ১১:২২

ভাড়াটিয়া ছয় মাস বাসায় থেকে একমাসের ভাড়া দিয়ে চলে যাওয়ার পরও বাড়িওয়ালা তাকেই খুঁজছেন ৷
.
কোন রকম ভাড়া আদায় করে তাকেই ভাড়া দেওয়া ছাড়া তার যেনো গতি নেই! দেশে কি ভাড়াটিয়ার অভাব আছে!
.
ভাড়াটিয়ার কোন সন্ধান না পেয়ে তিনি জিডি করবেন বলে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন ৷ পোস্ট দেখে ভাড়াটিয়া ফেইক আইডি থেকে নক দিলো ৷ তিনি আবারো ভাড়া থাকতে আগ্রহী তবে পূর্বে যে ভাড়া তিনি পরিশোধ করেননি তা মাফ করে দিতে হবে ৷
.
বাড়িওয়ালা এই শর্তে রাজী হয়ে তাকে পুনরায় ফিরে আসতে বললেন ৷ তবে সামনের দিনগুলোতে অবশ্যই ভাড়া পরিশোধ করতে হবে এমন মর্মে মুচলেকাও নিয়ে রাখলেন ৷
.
ভাড়াটিয়া গাট্টিগুট্টা নিয়ে আসলেন ৷ এক মাস থাকলেন আবার উধাও হয়ে গেলেন ৷ শহুরে বাড়িওয়ালা তা জানার পর মাইকে ঘোষণার ব্যবস্থা করলেন, 'একজন ভাড়াটিয়া পালিয়ে গিয়েছে, অনুগ্রহপূর্বক কেউ তার সন্ধান পেলে অমুক নাম্বারে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না ৷'
.
ঘটনা কি জানতে চেয়ারম্যান বাড়িওয়ালাকে ফোন দিয়ে জানতে চেয়েছেন, 'এলাকায় তো ভাড়াটিয়ার অভাব নেই, আপনি কেনো বারবার ঐ প্রতারকটাকে বাড়িতে রেখে চলছেন! আপনার মতলব কি!'
.
বাড়িওয়ালা বললো, 'আমার বাড়িতে কেউ থাকতে ইচ্ছুক হয় না, সে ভাড়া তো দেয়না তার উপর এলাকায় রটিয়ে দিয়েছে এই বাসায় ভূত আছে! রাতে তাকে খুবই জ্বালাতন করে!'
.
চেয়ারম্যান স্বয়ং নিরুপায় হয়ে তার থেকে আবারো মুচলেকা নিয়ে, সেই বাসায় তাকে আরো এক মাসের ভাড়া মওকুফ করে থাকার অনুমতি দিলেন ৷
.
সে আরো এক মাস থাকলো ৷ বাড়িওয়ালা তাকে ভাড়ার জন্য চাপ দিয়ে মোবাইল করলে সে চেয়ারম্যানকে কনফারেন্স নিয়ে বললো, 'আমার পূর্বের বাড়িওয়ালাও আমাকে তার বাসায় থাকার জন্য অনুরোধ করে যাচ্ছেন ৷ সেই বাসায়ও নাকি কেউ থাকতে চায় না ৷ এখন আমাকে যে বাড়িওয়ালা আরো একমাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত ফ্রি রাখবে আমি তার বাসায় থাকবো ৷ আমি মানুষ একজন দুই বাসায় তো থাকতো পারবো না ৷'
.
যাই হোক, নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো ৷ ভাড়া না দিলেও ভাড়াটিয়ার কথাবর্তা চলাফেরা নম্র ভদ্র অনেকটা সভ্য... সে নিশ্চিন্তে থাকতে লাগলো ৷
.
সেই মাসও ফুরিয়ে গেলো ৷ শহুরে মালিক ফোন করে অনুরোধ করলো, ভাড়া কিছু হলে দেন ৷ সে বিচানা থেকে উঠে হাত মুখ ধৌত করা ছাড়া ই চেয়ারম্যান সাবের কাছে গিয়ে বললো, চেয়ারম্যান সাব্! ও চেয়ারম্যান সাআব্, ঘরে আছেন নি?
.
চেয়ারম্যান চোখ টিপটিপ করে বের হলে সে চিল্লাআইইয়া বলতে শুরু করলো, 'ঐ বাসায় রাতে জ্বিন ভূতের উৎপাত, রাত হলে আমি একদিনও ঘুমাতে পারিনা, আমি আর ঐ বাসায় থাকুম না, যদি বাধ্য হয়ে থাকতেই হয়, আমাকে মাসে মাসে কিছু টাকা বেতন দিয়ে রাখতে হবে ৷'

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মার্চ, ২০২১ রাত ১২:২১

রাজীব নুর বলেছেন: হৃদয়ের স্পন্দন 'বাম' দিকেই থাকে-
মাধ্যাকর্ষণের বিপরীতে
'ডান' দিকের টান ফেলে বিপাকে...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.