![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
‘উহারা প্রচার করুক হিংসা বিদ্বেষ আর নিন্দাবাদ;/ আমরা বলিব সাম্য শান্তি এক আল্লাহ জিন্দাবাদ।/ উহারা চাহুক সংকীর্ণতা, পায়রার খোপ, ডোবার ক্লেদ,/ আমরা চাহিব উদার আকাশ, নিত্য আলোক, প্রেম অভেদ।_কাজী নজরুল ইসলাম
ঈদের আগে কয়েক দিন বেচাবিক্রির ব্যস্ততায় একদম ঘুমাতে পারেননি কসমেটিকস দোকানের বিক্রয়কর্মী আরাফাত হোসেন। ভোরে গাড়িতে উঠে মাকে ফোন দিয়ে বলেছিলেন, `মা, বিছানা রেডি করো। বাড়িতে এসে ঈদের নামাজ পড়ে ঘুমাব।’ কথামতো মা বিছানা তৈরি করে রেখেছিলেন। কিন্তু চির ঘুমে আচ্ছন্ন আরাফাতকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স এল বাড়ির উঠানে। মায়ের যত্ন করে গুছিয়ে দেওয়া বিছানায় নয়, আরাফাতকে শোয়ানো হলো মাটির বিছানায়।
এই ঈদের একটি বাস্তব সড়ক দূর্ঘটনার গল্প এটি। প্রথম আলো ঠিক এভাবে কোট করেছেন গল্পটির। জীবন নামক একটি অধ্যায় এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ার জন্য আসলে দায়ী কে?
বেপরোয়া গাড়িগুলো এভাবে আর কত মানুষের জীবন নিয়ে যাবে। চট্টগ্রাম হাটহাজারী থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত কিছু বাস আসা যাওয়া করে। এতো বেপরোয়া চলে বলার বাহিরে। এগুলোর নাম দিয়েছে আবার দ্রুতযান স্পেশাল সার্ভিস। রাস্তাকে নিজের বাপের মনে করে ওরা এগিয়ে চলে। মানুষও পাঁচ মিনিট সময় বাঁচানোর জন্য উঠে পড়ে। রাস্তায় টানের উপর লোক উঠায় কিংবা নামায়। থামা যাবে না।
বাংলাদেশে এমন আরো অনেক সার্ভিস আছে। যেমন ধরেন জা'ন্নাত সার্ভিস। হয়তো গন্তব্যে পৌছাবেন নয়তো একদম ঠিক জা'ন্নাতে।
শেষ কোথায় এসবের। এমন কোন দিন নেই যে এসবের বলি হচ্ছে না কেউ না কেউ। নিরাপদ সড়ক চাই এই আন্দোলনতো এখন চাঙ্গা হওয়ার কথা। না ক্ষমতা পেয়ে সবই ভুলে গেছেন? বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাথে যে আন্দোলন ওতপ্রোতভাবে জড়িত কিংবা সমসাময়িক ছিলো তা হলো নিরাপদ সড়ক চাই। এখন তো চোখেই পড়ে না।
©somewhere in net ltd.