নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আবু সিদ

আবু সিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘এ জমি কার?’

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩১


স্বাধীনতার পর ৪০ বছর পেরিয়েছে। যুদ্ধের রক্তক্ষয়ী দিন আর উত্তাল সময় এখন শুধু ইতিহাসের পাতায়; কারো কারো স্মৃতির মণিকোঠায় । রাজধানী ঢাকা সেই আগের মতো নেই। চারদিকে অপরিকল্পিত নগরায়ন, ধুলোবালি আর ইট-পাথরের ধূসর দালানকোঠা। অয়ন এই শহরের এক দৈনিক পত্রিকায় কাজ করে। বর্তমানে সে তার নিজ এলাকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটা প্রোফাইল তৈরি করছে। কাজটা করতে গিয়ে সে বিভিন্ন সত্যের মুখোমুখি হলো। নানান আর্কাইভ এবং জাতীয় সংবাদপত্র অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে নানা বিতর্ক চলেছে। অয়ন সরকারি গেজেট এবং স্থানীয় তালিকাগুলো মেলাতে গিয়ে বার বার হোঁচট খাচ্ছে ।

তালিকায় সে এমন অনেক নাম দেখল যুদ্ধের সময় যাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। এরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কিংবা অর্থের বিনিময়ে নিজেদের নাম এই তালিকায় লিখিয়ে নিয়েছে। এই সুযোগসন্ধানীরা রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতা, সন্তানদের জন্য কোটা সুবিধা এবং প্লট বরাদ্দসহ নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে।

অয়ন যখন তার এলাকায় অনুসন্ধান শুরু করল । সে দেখল যে তালিকার শীর্ষে থাকা অনেকে যুদ্ধের সময় ঢাকায় ছিল না, কিংবা সরাসরি হানাদারদের দোসর হিসেবে কাজ করেছিল। আর্কাইভের পুরোনো রিপোর্টগুলো বলছে, বারবার তালিকা সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হলেও প্রতিবার রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন ‘ভুয়া’ নাম যুক্ত হয়েছে। অয়নের মনে হলো, এই পাথরের জঙ্গলে শুধু দালানই বড় হচ্ছে না, মানুষের বিবেকও পাথর হয়ে যাচ্ছে। যে মানুষগুলো দেশের জন্য জীবন বাজি রেখেছিল, তাদের নাম এখন জালিয়াতদের পাশে। কাগজপত্র দেখে তার মনে হয়, আমরা কি সত্যিই স্বাধীন হয়েছি? নাকি আমরা শুধু শাসক বদলেছি, শোষণের পদ্ধতিটা নয়? সে ঠিক করল যে তৃণমূল পর্যায়ে গিয়ে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে বের করবে । সে ঢাকা শহরের অলিগলি ঘুরে ঘুরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজতে শুরু করল।


পুরনো ঢাকার রাস্তা মানে সরু গলি। এখানে ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস আজও বাতাসে ভাসে। এখানে এক গুমোট বিকেলে সে খুঁজে পেল একটি জীর্ণ, প্রায় ভেঙে পড়া দালান। দালানটির দেয়ালগুলো থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে, যেন কোনো অস্থিচর্মসার বৃদ্ধ তার ক্ষতচিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অয়ন থমকে দাঁড়াল। তার মনে হলো, এটা শুধু ইট-কাঠের কোনো কাঠামো নয়, এ যেন ইতিহাসের এক বিস্মৃত অধ্যায়ের দুয়ার।

এলাকার বয়স্কদের সাথে কথা বলে অয়ন জানতে পারল যে পুরনো বাড়িটির মালিক এস. এস. এম. এ. রায়হান। আলী রায়হানের পুত্র। স্বাধীনতার আগে, ১৯৬৮ সালে আলী রায়হান মারা যান। এরপর সংসারের দায়িত্ব এসে পড়ে তরুণ রায়হানের উপর। ১৯৭১-এ যখন হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলার ওপর, তখন রায়হান আর স্থির থাকতে পারেনি। তখন বেশ কিছু দিন সে তার মা ও ছোট বোনকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু যুদ্ধের ভয়াবহতা কাউকে ছাড় দেয়নি। রায়হান যোগ দিল মুক্তিবাহিনীতে। সম্মুখ সমরে লড়াই করতে করতে শহীদ হল সে। যুদ্ধের পর রায়হান পরিবারের কেউ আর বেঁচে রইল না। রইল শুধু এই ভিটাটুকু।

অয়ন দেখল যে রায়হানদের ভিটা আজ জবর-দখলে জরাজীর্ণ । স্বাধীনতার এত বছর পর এই এলাকার চেহারা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। দালানটি দাঁড়িয়ে আছে বটে কিন্তু এর আয়তন কমে এসেছে অনেক। চারপাশের আকাশচুম্বী দালানগুলো যেন একে গিলে ফেলতে চাইছে। জানা গেল, এলাকার ক্ষমতাধর ব্যক্তি, প্রভাবশালী আমলা, ধূর্ত রাজনীতিবিদ, এমনকি সাংবাদিক মহলের কিছু পরিচিত মুখও এই দখলবাজিতে জড়িত। তারা সবাই মিলে রায়হানদের জমির অংশ নিজেদের সীমানায় ঢুকিয়ে নিয়েছে।

যেহেতু রায়হান পরিবারের কেউ আজ আর নেই, তাই তাদের জমি দখল করা পানির মতো সহজ হলো। অয়ন দেখল, রায়হানদের সেই বিশাল বাড়ির বাগান আজ ঢুকে পড়েছে প্রভাবশালী কোনো ব্যক্তির লন বা গ্যারেজে। যেখানে রায়হানের বোন হয়তো একসময় খেলা করত, সেখানে এখন বিলাসবহুল গাড়ির সারি। যেখানে তাদের অন্দরমহল ছিল সেখানে এখন টেরাকোটার দেয়াল । আজ শুধু পুরনো সেই দালানের কঙ্কালটাই অবশিষ্ট আছে ।

অয়ন দেখল, একজন মুক্তিযোদ্ধা নিজের জীবনের বিনিময়ে যে মাটি স্বাধীন করেছে, আজ সেই মাটিতে তার কোন অধিকার নেই । প্রভাবশালীরা ক্ষমতার দাপটে ইতিহাসকে বদলে দিচ্ছে প্রতিদিন। অয়ন ভাবল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি শুধু বইয়ের পাতায়? নাকি তা আমাদের চারপাশের এই দখল হওয়া ভিটাগুলোয়? সে প্রতিটি সীমানা প্রাচীরের ছবি তুলল। পুরোনো দলিল সংগ্রহ করল। কীভাবে জাল পর্চা তৈরি করে, প্রভাব খাটিয়ে জমির মালিকানা বদলে ফেলা হয়েছে, তার প্রতিটি প্রমাণ অয়ন জোগাড় করল।

এই কাজ করতে সে অনেক হুমকির মুখোমুখি হলো। সাংবাদিক মহলের পরিচিত অনেকে বলল, অয়ন, এসব নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। যার কেউ নেই, তার জমি নিয়ে ঘাটাঘাটি করে কী হবে? কিন্তু অয়ন অবিচল। সে পণ করল, এই জীর্ণ দালানটি তার কাছে শুধু একটি বাড়ি নয়, এটি একটি জীবন্ত ইতিহাস। এই ইতিহাসের মর্যাদা রক্ষা করার দায়িত্ব এখন তার কাঁধে।


বিকেলের সূর্য ডুবু ডুবু । আকাশটা লালচে । অয়ন বাড়িটির সামনে দাঁড়িয়ে ভাবতে লাগল, রায়হান কি জানত যে তার স্বপ্নের স্বাধীন দেশে তার শেষ চিহ্নটুকুও এভাবে লুট হবে? অয়নের বুকের ভেতর নিরন্তর হাহাকার। যে বীরের রক্তে এই মাটি স্বাধীন, আজ সেই মাটি তার নিজের নেই! সে সিদ্ধান্ত নিল এর শেষ দেখে ছাড়বে। এ বিষয়ে অয়ন তথ্য সংগ্রহ করা শুরু করল । অবশেষে তার পত্রিকায় 'এ জমি কার?' শিরনামে একটি বিশেষ কলাম বের হলো ।

পরপর তিন দিন ‘এ জমি কার?’ বের হল। প্রতিটি লেখায় সে নথিপত্র আর সরেজমিন অনুসন্ধানের প্রমাণ হাজির করল। দেখাল, কীভাবে শহরের প্রভাবশালী আমলা, ক্ষমতাধর রাজনীতিবিদ, এমনকি পত্রিকার পরিচিত মুখগুলো পর্যন্ত রায়হানের জমি গ্রাস করেছে।

লেখাগুলো বের হতে পুরো শহর আর দেশ জুড়ে তোলপাড়। সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের আগুন। বীর শহীদের প্রতি অবমাননা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে চায়ের দোকান থেকে সর্বত্র আলোচনার ঝড় । চতুর্থ দিন অফিসের পরিবেশ অনেক ভারী। কিছুক্ষণের মধ্যে পিয়ন এসে জানাল যে সম্পাদক তাকে কামরায় ডেকে পাঠিয়েছেন। দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতে অয়ন দেখল, সম্পাদকের টেবিলের ওপর তার সেই কলামের কাটিংগুলোর স্তূপ।

সম্পাদক চেয়ারে বসে, তার মুখ গম্ভীর। তিনি অয়নের দিকে সরাসরি তাকালেন না। কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর শান্ত অথচ ভারী গলায় বললেন, অয়ন, তুমি গত তিনদিন ধরে অসাধারণ কাজ করেছ। সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব আর সাহসের পরিচয় দিয়েছ । কিন্তু আর নয়। এখানেই থাম ।

অয়নের বুঝতে পারল যে তার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। যে পত্রিকার শক্তিতে সে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছিল, সেই পত্রিকা আজ তাকে থেমে যেতে বলছে। সম্পাদকের কণ্ঠে পরিস্থিতির অসহায়ত্ব। অয়ন বুঝতে পারল যে প্রভাবশালীদের চাপে সম্পাদকের মাথা ন্যুব্জ । অয়ন জিজ্ঞেস করল, কেন স্যার? আমি তো কোনো ভুল লিখিনি। তথ্য সব সঠিক। সম্পাদক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, আমার ওপর অনেক চাপ। দয়া করে তুমি থামো।

সম্পাদকের কামরাটা এখন আশ্চর্য নীরব। শুধু শোনা যাচ্ছে ঘড়ির কাঁটার টিকটিক যা হিসাব কষছে আমাদের জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডের। টেবিলের ওপারে বসে থাকা প্রবীণ সম্পাদক চশমাটা খুলে টেবিলের ওপর রাখলেন। তার কপালে চিন্তার ভাঁজ, কণ্ঠে জড়তা।

অয়ন শান্ত গলায় উত্তর দিল, আমি বুঝতে পারছি স্যার, আপনি চাপের মুখে আছেন। কিন্তু আমি তো শুধু কয়েক কাঠা জমি উদ্ধার করতে চাইনি। আমার স্বপ্ন, এই শহীদের শেষ স্মৃতিটুকু রক্ষা করা। আমি চেয়েছিলাম এই ভিটায় একটি সবুজ বাগান হবে আর সাধারণ মানুষের জন্য একটি সামাজিক কেন্দ্র গড়ে উঠবে । সেখানে শহীদ রায়হানের নামে একটি পাঠাগার থাকবে। আগামী প্রজন্মের বাচ্চারা সেখানে বসে ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখবে, তারা জানবে একজন বীরের নিঃস্বার্থ ত্যাগের কথা। আমরা কি এতটাই ছোট হয়ে গেছি যে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রাপ্য সম্মানটুকুও দিতে পারছি না?

অয়নের এই দৃঢ়তা সম্পাদকের পাথরের মতো শক্ত মনেও ফাটল ধরাল। কিন্তু বাইরে ঝড়ের পূর্বাভাস। সকাল থেকে মা একাধিকবার ফোন করেছেন। অয়নের বাবাও হতাশ। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। সারাজীবন তিনি নিয়ম মেনে চলেছেন। এখন জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ছেলের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি আতঙ্কিত। মায়ের চোখের জল আর বাবার দীর্ঘশ্বাসে অয়ন বিচলিত। কিন্তু সে জানে, আজ যদি সে পিছিয়ে যায় তবে নিজের বিবেকের কাছে তার ক্ষমা নেই।


রাজু অয়নের অফিসে ফটোগ্রাফার। অয়নের প্রতিটি অনুসন্ধানে সে ছায়া হয়ে ছিল। অয়নের এই সাহসী কলামের পেছনে রাজুর তোলা ছবিগুলো ছিল এক বড় শক্তি। কিন্তু আজ সকালে অফিসে ঢোকার পথে রাজু তাকে সতর্ক করেছে, তুই যাদের বিরুদ্ধে লিখছিস, তারা কেবল ক্ষমতাবান নয়, তারা মাফিয়া। তোর ফোন ট্র্যাক হচ্ছে, গতিবিধি নজরদারিতে আছে।

সবচেয়ে বেশি চিন্তায় আছে তানিয়া। তানিয়ার সাথে অয়নের বিয়ের কথা পাকা। আগামী মাসে তাদের বিয়ের দিন ঠিক করা। তানিয়া ফোনে কেঁদে ফেলল, অয়ন, এই শহর খুব ভয়ংকর। তুমি কি একবারও ভেবেছ, তোমার কিছু হলে আমার কী হবে? আমি কি শুধু তোমার নামের পাশে 'শহীদ' বা 'নিখোঁজ' শব্দটা শোনার জন্য অপেক্ষা করছি? আমাদের ভবিষ্যৎ, আমাদের সংসার সবকিছুর চেয়ে ওই পুরনো ইট-কাঠ কি বেশি দামী?

তানিয়ার কথাগুলো অয়নের কানে বাজছে। তার মনে পড়ছে তাদের বাগদান অনুষ্ঠানের কথা। তানিয়া বলেছিল যে সে অয়নের সাহসে গর্বিত। আজ সেই সাহসেরই বলি হতে যাচ্ছে তাদের সংসার। একদিকে পরিবার ও প্রিয়তমার ভালোবাসা, অন্যদিকে একজন অজানা বীরের ঋণের দায়—এ এক ভয়াবহ দোলাচল।

সন্ধ্যায় অয়ন অফিস থেকে বেরল । এ সময় সামনের রাস্তায় দুটি কালো গাড়ি। অন্ধকার কাঁচের আড়াল থেকে কারা যেন তাকে দেখছে । সে বুঝতে পারল, তার কলম শুধু শব্দ লিখছিল না। কলম আর সে, দুজনে মিলে একটি শক্ত দেয়ালের গায়ে সামান্য হলেও আঁচড় কাটছিল, আঘাত করছিল !

রাতে সে ঘরে ফিরতে মা দৌড়ে এলেন। বাবা গম্ভীর মুখে বললেন, অয়ন, আমি তোমাকে সাংবাদিকতা করতে বারণ করিনি, কিন্তু নিজের জীবন বাজি রেখে কেন? যাদের ক্ষমতা পাহাড়সমান, তাদের গায়ে হাত দেয়া তোর কাজ নয়। অয়ন কোনো উত্তর দিল না। সে জানে, সত্যের পথ সবসময় কঠিন। সে তার পকেট থেকে তার মোবাইল ফোন বের করল। সেখানে তানিয়ার মেসেজ ঝিলিক দিয়ে উঠলঃ আমি তোমার পথ চেয়ে আছি। তোমার জীবনের নিরাপত্তাটা আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অয়ন বুঝল যে তার চারপাশে আজ অজস্র শিকল, আর সে এক বন্দী মানুষ । কিন্তু তার মনের ভেতরে রায়হানদের সেই জীর্ণ ভিটা। সেখানে এখন অন্ধকার, ধুলোবালি আর দখলদারদের দাপট।

রাতে অয়ন ঘুমতে পারল না। নিজের ঘরে বসে সে রায়হানদের ভাঙা দালানের একটি স্কেচ আঁকল। যেখানে এখন ধুলোবালি, সেখানে সে কল্পনা করল একটি বাগান। যেখানে এখন অন্ধকার, সেখানে সে দেখল একটা পাঠাগার।

শেষ রাতের আধোঘুমে অয়ন স্বপ্ন দেখল। স্নিগ্ধ ভোর চারদিকে। রায়হানদের ভাঙা ভিটেয় রোদের খেলা। সেখানে কোনো দখলদার নেই, আছে কেবল ফুলে ভরা বাগান। চারদিকে শিশুদের কোলাহল আর হাসি আনন্দ । সেখানে, সেই পাঠাগারের প্রতিটি বই শিশুদেরকে মানবতা, মনুষ্যত্ব আর শহীদদের আত্মত্যাগের গল্প শোনাচ্ছে।


মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: অয়নের গল্প পড়লাম।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০১

আবু সিদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, রাজীব! রায়হানের কাহিনীটা বাস্তব, আয়নের চরিত্রটা তৈরি করা - তবু কোন বাস্তব চরিত্রের সাথে হয়ত মিলে গেছে। গল্পটার মাধ্যমে বোঝাতে চাওয়া হয়েছে যে, আমরা মুখে যতই স্বাধীনতার স্বপ্নের বাস্তবায়নের কথা বলি না কেন, কাজে তার কোন প্রমাণ নেই। যাই হোক, পড়ার জন্য আপনাকে আর সব পাঠককে ধন্যবাদ।

২| ১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.