| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২৫ মে, ২০১৪ (রবিবার)
আজ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৫ তম জন্মবার্ষিকী আজকের এই দিনে কবি আমাদের মাঝে অনুপস্থিত । তাই কবিকে দেওয়ার মত কিছু না থাকলেও আল্লাহ যেন কবিকে জান্নাত দান করেন সেই কামনাই রইল ।।
কবির ব্যক্তিত্ব আলোচনা করলে ফুটে ওঠে তার অসাধারন প্রতিভার অসামান্য কীর্তি । তিনি শুধু কবিই নন । তিনি একাধারে একজন - সঙ্গীতজ্ঞ, সুরকার, বাদক, অভিনেতা, গল্পকার, নাট্যকার এবং ঔপন্যাসিক । এখানেই শেষ নয় । কবি তার জিবনের বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনের তাগিদে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে । আজ কবির জন্ম দিন উপলক্ষে কবির জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য অংশ আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি ।।
..........পর্ব - ০১..........
কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ খ্রীষ্টাব্দের ২৫ শে মে (১১ ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্গত বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই কবিতা রচনার প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল । চুরুলিয়ার জনৈক সূফী সাধকের মাজারের খাদেম ও উক্ত মাজারের নিয়ন্ত্রণাধীন মসজিদের ইমাম কাজী ফকির আহমদ তাঁর পিতা । ফকির আহমদের মৃত্যুর (১৩১৪) পর কাজী পরিবার চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পতিত হয় । দশ বছর বয়সে গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাইমারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (১৩১৬) হন । সংসারের চাপে ঐ মক্তবেই তিনি একবছর শিক্ষকতা করেন। বার বছর বয়সে লেটোর দলে যোগদান এবং দলের জন্য পালাগান রচনা করেন । একজন দূরন্ত স্বভাবের বালক হিসেবে তিনি গ্রামবাসীর কাছে পরিচিতি লাভ করেন । তাঁর জ্বালাতন থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য গ্রামের কয়েকজন মাতব্বর ব্যক্তি কর্তৃক তাঁকে রাণীগঞ্জের কাছে শিয়ারশোল রাজ স্কুলে ভর্তি করা হয় । স্কুলের বাঁধা ধরা জীবনের প্রতি তিনি অনাগ্রহ প্রদর্শন করেন । সপ্তম শ্রেণীতে ওঠার কিছুদিন পর ১৩/১৪ বছর বয়সে স্কুল ত্যাগ করেন ও বাড়ি থেকে পলায়ন করেন ।
অতপর আসানসোল গিয়ে তিনি সেখানকার এক রুটির দোকানে মাসিক পাঁচ টাকা বেতনে চাকরি গ্রহণ করেন । কাজী রফিজউদ্দিন নামে আসানসোল থানার একজন দারোগা একদিন তাঁর কন্ঠে গান শুনে তাঁর প্রতি মুগ্ধ হয়ে তাঁকে নিজের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার কাজীর সিমলা গ্রামে নিয়ে গিয়ে ত্রিশাল বাজারের নিকটবর্তী দরিরামপুর স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে দেন । ১৯১৪-র ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পরেই তিনি কাউকে কিছু না বলে কাজীর সিমলা ত্যাগ করে রানীগঞ্জে প্রত্যাবর্তন করেন । নিজের ইচ্ছায় পুনরায় শিয়ারশোল রাজস্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হন । ক্লাসে ভাল ছাত্র ছিলেন বলে তাঁর স্কুলের বেতন ও বোডিং-এর আহার ছিল ফ্রি । তদুপরি রাজবাড়ি থেকে মাসিক সাত টাকা বৃত্তি লাভ করেন । প্রি-টেস্ট পরীক্ষাকালে পড়াশুনা ত্যাগ করে তিনি ৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে সৈনিক হিসেবে যোগদান (১৯১৭) করেন এবং নৌশেরাতে তিন মাস ট্রেনিং গ্রহণ করেন । অতপর করাচি সেনানিবাসে পোস্টিং লাভ করেন।।
[বাকি আংশ পরবর্তী পোস্টে পড়ুন]
©somewhere in net ltd.