| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের এই আন্দোলন নিয়ে অনেক অনেক কথা শুনলাম। আবার এমন অনেকেই আছেন যারা ঠিক বুঝতে পারছেন না যে আন্দোলন টা কি নিয়ে তাই অনেকেই অনেক রকম কমেন্ট করছেন। তাদের বলতে চাই আগে জানুন ও বুঝুন যে আমাদের আন্দোলন এর দাবী গুলো কি কি। অনেকেই বলছে আমরা নাকি Diploma কে BSC এর সমান করার জন্য আন্দোলন করছি। আমাদের দাবী এটা না যে আমাদের BSC Engineer দের সমান করা হোক । BSC আর Diploma Engineer দের মধ্যে যে পার্থক্য আছে এটা আমরাও জানি। আমরা চাই আমরা যেন ‘’Diploma in Engineering’’ লিখতে পারি। আমরা Supervisor কেন হবো চার বছর পড়ালেখা করে??? আর Buet এর স্যার কেন আমরা Buet এর ভাই দেরও সম্মান করি। সেই সম্মান নিয়ে বলতে চাই দেখেন স্যার (যিনি একুশে টিভি তে সাক্ষাতকার দিয়েছেন) আমার মনে হয় polytechnic institute সম্পর্কে আপনার ধারণা টা একটু কম। স্যার এখানে ৬ মাস না ৪ বছর এ যে যেই টেকনোলজির তাকে কমপক্ষে ৮০ টার মতো বই পড়ে এই Diploma Engineer হতে হয়। যার মাঝে টেকনোলজির বাইরের subject গুলোর নাম গুলো একটু জেনে নিবেন যেমন social science 1 & 2, physics 1&2,chemistry 1&2, Book keeping, Accounting, এমন আরও অনেক আছে। আমার মনে হয়না স্যার এতগুলো বই ৬ মাসে শেষ করা সম্ভব। স্যার এটা কোন Training center না যে ৬ মাসের বা ১ বছরের কোর্স থাকবে। এটা Engineering Institute স্যার... হয়তো আপনাদের টার মতো না কিন্তু খুব ১টা খারাপও না। যাই হোক আমাদের আন্দোলন এবং এর দাবী গুলো সম্পর্কে বিভিন্ন পেইজ আছে আপনারা বিস্তারিত জানতে চাইলে সেই পেইজ গুলো দেখতে পারেন।(বি দ্রঃ এখানে আন্দলনের দাবী নিয়ে লেখা হয়নি কিছু মানুষের ভুল ধারণা দূর করার চেষ্টা মাত্র।)
২|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৪৫
আমি মানুষ বলেছেন: আপনাদের আন্দোলন সম্পর্কে খুব একটা ধারনা নেই। কিন্তু ডিপ্লোমা ভর্তি হতে লাগে এসএসসি পাশ আর বুয়েটে ভর্তি হতে লাগে এইচএসসি পাশ। এইচএসসি পাশের দুই বছর social science 1 & 2, physics 1&2,chemistry 1&2, Book keeping, Accounting এগুলো পড়েই বুয়েটে ভর্তি হয়। আর তাই বুয়েটে ভর্তি হয়ে এসব না পড়ে আরো উচ্চতর বিষয় গুলো গড়ে। আপনারা ৮০ টা বই পড়েন পুরা কোর্সে। আর তারা ৮০টা বই পড়ে প্রতিটা বিষয়ে। অনেকেই দেখি ডিপ্লোমা পাশ করে নামের সাথে ইন্জিনিয়ার জুড়ে দেয়। তাহলে নার্সদেরও নামের সাথে ডাক্তার জুড়ে দিতে দোষ কোথায়?
৩|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৪৭
শয়ন কুমার বলেছেন: ১)ব্যাঙ্গের ছাতার মত গড়ে ওঠা বেসরকারি পলিটেকনিক আর বাজে প্রাইভেট ভার্সিটিগুলো বন্ধ করা উচিৎ ।
২)ডিপ্লোমাদের সিলেবাস চমৎকার । কিন্তু পাঠদানের মান প্রশ্নবিদ্ধ!! সরকারিগুলোর মান উন্নয়নে সরকারের লক্ষ্য করা উচিৎ
৪|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৪৭
মিনহাজুল হক অনিক বলেছেন: সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারদের সিলেবাসে যদি পারেন পরীক্ষা দিয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করুন।
৫|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৫৪
ভুদাই আমি বলেছেন: ভাই, কিছু মনে করবেন না। আমি আসলে ভালো বুঝি না। তারপরও ডিগ্রীর নাম কি হলো সেটা নিয়ে এতো ভাংচুর করে লাভ কি?
আপনাদের কোয়ালিটি থাকলে সবাই আপনাদের অবশ্যই দাম দিবে।
আর ভর্তি হওয়ার আগেই নিশ্চয় জানতেন যে ওখান থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দেওয়া হয় না। তখনই ভর্তি না হলেই পারতেন।
পড়বেন নার্সিং এ আর লিখতে চাইবেন ডাঃ এটা কি ঠিক?
৬|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১:০৯
তন্দ্রা বিলাস বলেছেন: আমরা তো বিএসসি দের সাথে প্রতিযোগিতায় নামছি না আমরা চাচ্ছি আমাদের পদমর্যাদা ফিরিয়ে দেয়া হোক।
1. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের পেশাগত পদমর্যাদা পুনর্বহাল।
2. ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষন ভাতা বৃদ্ধি।
এই দুই দফাই তো আমাদের দাবী। এখানে বিএসসিদের তো জ্বলুনির কোন মানে হয় না।
ভুদাই আমি ভাই আপনার কথায় বলি, আমরা তো ভর্তি হয়েছি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য কিন্তু হঠাৎ আমাদের পদাবনতি দেয়া হল কেন?
ভাংচুর যেমন কাম্য নয় তেমনি পুলিশের হাতে গুলি খেতেও আমরা চাই না।
৭|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১:১২
তন্দ্রা বিলাস বলেছেন: আর একটা কথা যে মেধাবী সে সর্বস্থানেই মেধার পরিচয় দিবে। আমাদের ক্লাসেও যেমন প্রচণ্ড ট্যালেন্ট ছাত্র আছে ঠিক তেমনি সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি গুলোতেও ফেল করে এমন ছাত্র আছে।
৮|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১:৪১
শান্ত কুটির বলেছেন: কলেজেও বাংলা, ইংরেজী, ফিজিক্স ,কেমিস্ট্রি ম্যাথ পড়ায় আবার ক্লাস টেনের ছাত্ররাও তো স্কুলে এগুলাই পড়ে তো ওদের ডিগ্রী কেন এসএসসি হবে? স্কুলেও এখন থেকে এইচএসসি ডিগ্রী দেয়া হোক। স্কুলে কি কলেজের চেয়ে মেধাবী ছাত্র কম আছে?
দুনিয়াটা কি আবালে ভইরা গেল?
৯|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ৮:১৫
তন্দ্রা বিলাস বলেছেন: @শান্ত কুটির এখান থেকে যেকোন বিভাগের SYLLEBUS ডাউনলোড করে পড়ে দেখুন আমাদের কি পড়ানো হয়। আচ্ছা একটা কথা বলি ইংরেজি তো ক্লাস ফাইভেও পড়ানো হয় আবার ক্লাস টেনেও পড়ানো হয় একই ভাবে অনার্সেও পড়ানো হয় বলি সকল ইংরেজি কি এক??? উত্তর দিয়ে যাবেন।
কেমিস্ট্রি ম্যাথ কিন্তু বিএসসিতেও পড়ায়।
১০|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ৮:১৭
তন্দ্রা বিলাস বলেছেন: সরি লিঙ্কের সমস্যা ছিল এখানে দেখুন
View this link
১১|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:৪৫
ইমরান হক সজীব বলেছেন: তাহলে তো ভাই নার্সরাও ডাক্তার বলার জন্য আবেদন করতে পারে । তাদের সিলেবাস ও কিন্তু কম না । তারপরও যারা মেডিকেলে ডিপ্লোমা পড়ে তাদের কিন্তু কখনো ডাক্তার বলা হয় না । তারা সে যোগ্যতাও রাখেন না । একি কথা আপনাদের বেলাতেও খাটে ।
আমি জাস্ট আমার মতামত তুলে ধরলাম ।
১২|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:২৭
মামুন রশিদ বলেছেন: মেডিকেলে যারা ডিপ্লোমা করে তাদের ডাক্তার বলা হয় । সরকারিভাবে তাদের পদের নাম 'সাব এসিস্টেন্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার' । সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি এবং ইউনিয়ন সাব সেন্টারে মুলত তারাই চিকিৎসা দিয়ে থাকেন ।
সম মানের ডিপ্লোমা করে পলিটেকনিকেনরা কেন ইঞ্জিনিয়ার হবে না ? তাদের সাব এসিসটেন্ট বা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বলা যেতে পারে ।
বিএসসি ইনঞ্জিনিয়ারদের নাকি প্র্যাকটিকেল নলেজ অতটা থাকেনা, প্রজেক্ট ওয়ার্কে তারা ডিপ্লোমাদের উপর নির্ভর করে । কথাটা বুয়েটের একজন অধ্যাপকের কাছেই শুনেছি । বিশ্বাস না হলে কোন রিয়েল এস্টেট বা রোড কন্সট্রাকশনের কাউকে জিজ্ঞেস করে নিবেন ।
ভাই, আমি কিন্তু ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার না
১৩|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:৩৪
প্রতিবাদী আদনান বলেছেন: কিসের মধ্যে কি পান্তা ভাতের ঘি... আপনারা BSC এর সাথে কেন তুলনা করছেন diploma এর সাথে!! diploma করার পর আমরা পাব 2nd class মর্যাদা। কিন্তু সেখানে আমদের অধিকারকে কেন তারা নিচে নামিয়ে দিচ্ছে? তাছারা আমরাও তো BSC করব diploma এর শেষে তাইনা??
১৪|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:৪৯
ওলট পালট বলেছেন: thik bolsen adnan bhai..
১৫|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৪৮
বিজন শররমা বলেছেন: বাংলাদেশের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জীনীয়ারিং এর আন্দোলনটি বড় মজার । তারা তাদের দাবী পুরনের জন্য ইতিপূর্বে কয়েকবার আন্দোলন করেছেন – নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত কাজ করে । (এ ধরনের দাবী করলে চাকরীদাতা সঙ্গতঃ কারনেই বড় খুশী হয় এবং হয়তো চেষ্টা করে কি ভাবে এদেরকে আরও আন্দোলনমুখী করা যায় ) । আন্দোলনের এই পন্থা কোন সাধারণ ডিপ্লোমা থেকে আসেনি, এসেছে তাদের কাছ থেকে যাদেরকে যোগ্য মনে করে তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে । (এই বিষয়টি নিয়ে বুয়েটের ছাত্ররা মাঝে মাঝেই হাসির মেলা বসায় এবং কি ধরনের ব্রেইন থেকে এসব আসতে পারে তা নিয়ে ব্যাপক গবেষনা করে ) । বর্তমান সমস্যার গলপটি আরও মজার । তাদের কিছু শিক্ষকের মনে হল, ডেমোনেস্ট্রেটর কথাটি ভালো শোনায় না, লেকচারার হতে হবে । তারা কাগজ ঘেঁটে দেখলো, চার বছরের ডিগ্রী না হলে বিদেশে এখন আর ব্যাচেলর ডিগ্রীর রিকগ্নিশন পাওয়া যায় না । আর এটা ডিপ্লোমার বদলে ‘ডিগ্রী’ হলেই তারা হয়ে যাবে লেকচারার, প্রফেসর ইত্যাদি । কিছু সত্য কিছু মিথ্যা বলে তারা ডিপ্লোমাদের আন্দোলনে নামাল । ভেতরের ব্যাপার যাদের ভালো জানা আছে তারা জানেন, এস এস সি-র জ্ঞান নিয়ে যারা ডিপ্লোমাদের জন্য নির্ধারিত কাজ করে তাদের তিন বছরের বেশী পড়ার দরকার করে না । যাই হোক নিজেরা ভেতরের ব্যাপার কিছু না বুঝে শিক্ষকদের প্ররোচনায় তারা এই আন্দোলনে নামে এবং অসংখ্য গরীব ছাত্রের টাকার শ্রাদ্ধ করে চার বছরের ডিগ্রীর দাবী আদায় করে । কিন্তু তাদের নিজেদের কোন উন্নতি না দেখে শিক্ষকেরা আবার অবাক হয় । আবার কাগজ ঘেটে দেখে, রিকগ্নাইজড ডিগ্রীর জন্য বার বছর স্কুলিং (অর্থাৎ এইচ এস সি) লাগবে । এটাকে দাবীতে পরিনত করতে আর তারা সক্ষম হয় না । তবে বিকল্প হিসেবে পদের নামে কিছুটা পরিবর্তন এনে ছাত্রদের আপাততঃ বুঝ দিতে সক্ষম হয় ।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে বিদেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার আছে । তারা সবাই মূল ব্যাচেলর ডিগ্রী নিয়ে তার পর কোন না কোন না বিষয়ে ডিপ্লোমা (এতা পোষ্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা নামে পরিচিত) করেছে এবং তার ফলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার হয়েছে । সেই হিসেবে এবং সঠিক অর্থে “এস এস সি প্লাস অনাবশ্যক ফোর পাশ” করারা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ারই নয়, এরা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনীইয়ারিং । এরা বিদেশে নিজেদেরকে ইঞ্জিনীয়ার বলে পরিচয় দিতে পারে না, কারন সেসব দেশে ইঞ্জিনীয়ার হতে হলে “১২ ইয়ার্স স্কুলিং প্লাস ৪ ইয়ার্স ডিগ্রী” লাগবেই । (তবে আমাদের দেশে ফরিদপুরে যারা ছাতা সারাই করে তাদেরকে ইঞ্জিনীয়ার বলে। বুয়েটে কোন ডিপ্লোমা নিজেকে ইঞ্জিনীয়ার পরিচয় দিলে এবং অন্যদের তাতে সন্দেহ হলে আড়ালে বলে – “ফরিদপুরী হবে”) ।
পৃথিবীর সব দেশেই কোন বিষয়ের সর্বোচ্চ শিক্ষার জন্য এমন ব্যবস্থা থাকে যেখানে “গবেষনা ও ডিজাইন” প্রধান । এটিই হচ্ছে মৌলিক ব্যাচেলর ডিগ্রী । বিদেশে এটি বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক বা টেকনোলোজী ইন্সটিটিউট-এ পড়ানো হয় । কোন কোন পলিটেকনিক বা টেকনোলোজী ইন্সটিটিউট খুব নাম করে ফেললেও সাধারন ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কেই সর্বোচ্চ দাম দেয়া হয় । ঠিক এই কারনেই আমাদের দেশের চারটি ইন্সটিটিউট অব টেকনোলোজী নিজেদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় করে ফেলেছে । “গবেষনা ও ডিজাইন” ধর্মী ডিগ্রীর পরে আছে “একজিকিউশন” ধর্মী ডিগ্রী । এরা প্রধানতঃ “গবেষনা ও ডিজাইন” ধর্মীদের তত্ত্বাবধানে একজিকিউশনের কাজ করে থাকে । এ কাজে উচ্চ ক্যালিবার বা বিষয়ের মৌলিক জ্ঞান দরকার হয় না, বরং অনেক ক্ষেত্রে তা ক্ষতিকর হয়ে যায় । সহজ বোদ্ধ্য যে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনীইয়ারিং এই উদ্দেশ্যেই চালু করা হয়েছিল । এর পর শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা, ছাত্রদের ভূল বোঝান এসবের মধ্য দিয়ে এটির মৌলিকত্ব নষ্ট হয়েছে ।
তবে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনীয়ারিংদের প্রমোশন কি করে হবে এটা সব দেশেই সমস্যা । এ বিষয়ে বিদেশে যা করা হয়েছে, তা হলো, এদেরকে “গবেষনা ও ডিজাইন” ধর্মী ডিগ্রীর সঙ্গে না মিলিয়ে (সেটা যে করা ঠিক নয় তা একটু বুদ্ধি থাকলে যে কেউ বুঝবে) একটি সমান্তরাল একজিকিউশন ধর্মী পদ সৃষ্টি করা । বিদেশে এজন্য বি টেক সমান্তরাল পদগুলি সৃষ্টি করা হয়েছে, যেখানে প্রফেসনাল পরীক্ষা পাশ করে ডিপ্লোমারা উচ্চতর বেতন ও পদ লাভ করতে পারে । কিন্তু তা না করে তাদেরকে “গবেষনা ও ডিজাইন” ধর্মী ডিগ্রীধারীদের পাশে বসানোর মানে হচ্ছে (ক) বিভিন্ন বিষয়ের গবেষনা ও ডিজাইন-এর বারোটা বাজানো, (খ) তেল আর ঘি এক দামে বিক্রী করা আর (গ) ক্ষেত্র বিশেষে ডিপ্লোমাদেরকেও বিপদে ফেলা ।
এই অবস্থায় এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে ঃ (১) ডিপ্লোমা কোর্স তিন বছর করা, (২) তাদের উচ্চতর বেতন ও পদের জন্য বি টেক ধরনের ক্যাডার সৃষ্টি করা এবং (৩) ইতিমধ্যে তাদের চাকুরীর ক্ষেত্রে যে সমস্যা হচ্ছে তার সমাধান কল্পে কয়েকটি পলিটেকনিককে ডিগ্রী ইঞ্জীনিয়ারিং এ রূপান্তর করা এবং ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জীনীয়ারিং এর সিট সংখ্যা হ্রাস করা ।
১৬|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৯
স্বস্তি২০১৩ বলেছেন: একটাই দাবী, ২ দফা মানতে হবে ।
১৭|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৩৬
চে সিমান্ত বলেছেন: বিজন শররমা ভাই,
diploma পড়া শেষে কি বিদেশে under-graduation করা যায়?
১৮|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:৫১
ফারহান আহমেদ বলেছেন: ইমরান হক সজীব বলেছেন: তাহলে তো ভাই নার্সরাও ডাক্তার বলার জন্য আবেদন করতে পারে । তাদের সিলেবাস ও কিন্তু কম না । তারপরও যারা মেডিকেলে ডিপ্লোমা পড়ে তাদের কিন্তু কখনো ডাক্তার বলা হয় না । তারা সে যোগ্যতাও রাখেন না । একি কথা আপনাদের বেলাতেও খাটে ।
আমি জাস্ট আমার মতামত তুলে ধরলাম ।
বিজন শররমা ইনি যেখানে যান না পড়ে একই গু দিয়া আসেন ।
আর যে
নার্স কথা কইলেন না ধরেন রাত ১ টায়
রোগী সমস্যা হয়ইলে আফার কাস এ না গিয়া ডাক্তার এর কাছে যাবে ।
কানসার উপর দিবো এমন সিস্টেম আপনে ও সময়ই পাশের বেডে চলে আসবেন।তখন নার্স ই আপনারে ঔষধ দিবো
ডাক্তার লগে এটা ও কইবো আমি ব্যাটা ডাক্তার ( ব্যাচেলর ডিগ্রি ) । আমার সহকারীরে ( ডিপ্লোমা ) কও । এটা স্বাভাবিক
আপনাদের কথা টা হইলো
আমি ব্যাটা ডাক্তার ( ব্যাচেলর ডিগ্রি ) । আমার ক্লিন্ নারে ( ডিপ্লোমা ) কও । আসলেই পদবিতে কি এসে যায় ।
আপনি রাজি এমন করতে ?
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:১৯
তন্দ্রা বিলাস বলেছেন: অবশ্যই মানতে হবে।