| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অজয়
যা ভালো লাগে তাই করি। মিথ্যার সাথে দিয়েছি আড়ি
কোথায় গেল সেই গয়নার বাক্স টা যেটা রাসমনি রেখে গিয়াছিলেন?
.
...
....
অনেক দিন পর এমন একটা বাংলা ছবি দেখে সত্যি মাথা ঘুরে গেছে......ফিল্ম মেকিং এ এত নিখুঁত হাত, এত ভালো মানের কেমেরার কাজ এটা আসলে বাংলা ছবিতে দেখে আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি... তাই লিখতে বসে গেলাম...
ছবি টাতে সবকিছুই ছিলো একদম এ টু যেড সবকিছু। সুন্দর কিছু প্লট ছিল...
ছবিটার শুরু ১৯৪৯ সাল থেকে। আর শেষ হয় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস টেনে... ছবিটার নাম “গয়নার বাক্স”। শীর্ষেন্দু মুখপধ্যায়ের “গয়নার বাক্স” উপন্যাস অবলম্বনে। ছবিটার পরিচালক অপর্না সেন জাদুর কাঠি দিয়ে উপন্যাস টি রাঙ্গিয়েছেন ছবির মাধ্যমে
বাক্স টা ঘিরেই ছবির মূল কাহিনী...১১ বছরের একটি মেয়ের বিয়ে দিয়ে কাহীনি শুরু। তাঁর বিয়ে হয়ে যায় ১১ বছর বয়সেই আবার বিধবা হয়ে যায় ঠিক তার পরের বছর ই। বৃদ্ধ বর আর কিছু না দিতে পারলেও দিয়ে গিয়ে ছিলো ৫০০ ভরী গয়নার একটা বাক্স। অনেক ছোট বেলায় বিধবা হওয়ার কারনে শ্বশুর বাড়ী তে আর থাকা হয়নি তার জীবনের বাকি টা সময় ছিলেন বাপের বাড়ীতেই।।আর গয়নার বাক্সের জন্য তার কদর ও ছিল অনেক। এই চরিত্রের নাম রাসমনি।
ছবির প্রতিটা মুহূর্তে দেখতে পাবেন একটা বিধবা নারীর আর্তনাদ। কিভাবে সে পার করলো তার জীবন, কি কি ধরনের কষ্ট মনের ভেতর চাপা থাকত ওই সময়ের বিধবা দের ভেতর সব উপলব্ধি করতে পারবেন...
এর পরের দৃশ্যে কঙ্কনা সেন শর্মার আগমন রাসমনির ভাই এর ছেলের বউ হয়ে। প্রথা অনুযায়ী রাসমনী নতুন বউদের দেখে আশীর্বাদ স্বরুপ একটা করে গয়না বের করে দেন। সবার নজর ও ঠিক ঐ বাক্সের দিকে। নিজের অনিচ্ছা শর্তেও রাসমনি কে একটি একটি করে গয়না বের করে দিতে হচ্ছে। একদিন হঠাত রাসমনি মারা যান। মারা যাওয়ার সাথে সাথেই বাক্স খোঁজার হিরিক পরে যায়। কিন্তু মজার ব্যাপার হল কেউ বাক্স টা খুঁজে পায়না। কারন মরার পর প্রথম রাসমনির ঘরে ঢুকেন সোমলতা (কঙ্কনা সেন শর্মা) এবং তাকেই তিনি তার বাক্স টি লুকিয়ে রেখে রক্ষনা বেক্ষন এর দায়িত্ব দেন এবং বলেন যে কেউ যদি জানে আর বাক্সের একটা গয়নার ও যদি কিছু হয় তাহলে তার ঘাড় মটকাবে।
এই নিয়েই ছবি... তবে মজার ব্যাপার হল রাসমনি মরার পরেও গয়নার লোভ সামলাতে পারেনা তাই তার আত্মা সোমলতার সাথেই থাকে। অন্য কেউ তাঁকে দেখতে পায়না সোমলতা ছাড়া। এই হচ্ছে মূল কাহীনি কিন্তু আরো মজার মজার কিছু ব্যাপার আছে যা না দেখলে উপভোগ করা যাবেনা আর বলে দিলে দেখে আর কি লাভ।
ছবিটার মাধ্যমে উঠে এসেছে বাংলার ইতিহাস যেখানে তখনকার সময়ের জমিদারের উচ্চাভিলাষী চিন্তা ভাবনা। বংশের আত্মমর্যাদা এবং বঙ্গভঙ্গ এর পরের কিছু চমৎকার জিনিস। আশা করি সকলে ছবি টি দেখে মজা পাবেন......আর আমার লেখায় কমেন্ট করতে ভুলবেন না। কারন আপনাদের কমেন্ট ই আমার অনুপ্রেরনা। সবাই ভালো থাকবেন।
২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:২৮
অজয় বলেছেন: সত্যি তাই..অসাধারন..
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য
২|
২০ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৩
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন:
আমি অনেক দিন আগে মুভিটা লোড করেছিলাম , কিন্তু প্রাথম ২০-২৫ মিনিট দেখে বিরক্ত হয়ে মুভিটা ডিলিট করেছিলাম
এখন আপনার রিভিও শুনে আবার লোড করতে ইচ্ছা করতাছে :প
২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:২৯
অজয় বলেছেন: আমি কথা দিচ্ছি মুভিটা আর ডিলিট করতে ইচ্ছে হবেনা।
৩|
২০ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৮
আম্মানসুরা বলেছেন: আগ্রহ তৈরি করে দিলেন, দেখতে হবে তো।
২১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:৩০
অজয় বলেছেন: মুভিটা দেখে আবার এসে কমেন্ট করে যাবেন
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৭
পথহারা নাবিক বলেছেন: অসাধারন একটা চলচিত্র!! বাঙালি স্বাধীনতার পর ছবি বানানো ভুলে গেছে!!