নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

সংসদের বায়না : ৩০ সেট গয়না

২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

একসময় এই প্রবাদটি খুব প্রচলিত ছিল, এমনকি পণ্ডিত মহলেও এটি নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা হতো।
সময় বদলে গেছে; যমুনা নদী দিয়ে বহু জল বয়ে গিয়ে সাগরে মিশেছে।


বাস্তবতার নিরিখে আমাদের সমাজে অনেক পরিবর্তন এসেছে; ৩০ সেট গয়না এখন ৫০ জনে পরিণত হয়েছে।
কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, আজকের বাস্তবতায় ৫০ সেট গয়না বলার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশ উচ্চ শিক্ষিত এবং দাপ্তরিক কাজে দক্ষতা প্রদর্শন করছে ।
তাই জনসাধরণের প্রত্যাশা অনেক । কেউ কেউ বলেন, বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা ছাড়া এগুলোর আর কোনো কাজ নেই।
সংসদ হলো আইন প্রণয়নের জায়গা। এখানে তাদের কাজ কী?
এই নিয়োগ রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কেবলই একটি বাড়তি সুবিধা, কারণ এই ধরনের অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রার্থীদের
কোনো নিয়ম নেই; সরকারপ্রধান বা বিরোধীদলীয় নেতার ইচ্ছাই হলো আইন।


আজকের সামাজিক বাস্তবতায় আমার পর্যবেক্ষণ ভিন্ন। আমি বিশ্বাস করি যে: -
১) ৬৪টি জেলার প্রতিটির জন্য একজন করে মোট ৬৪ জন মহিলা সাংসদ সদস্য থাকা অপরিহার্য (৫০ জনের পরিবর্তে)।
শুধুমাত্র নিজ দলের গুনগান না করে , দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার নারী ও শিশুর কল্যাণে আইনগত সহায়তার লক্ষ্যে
কাজ করবে, নিজ জেলায় অন্যান্য সাংসদের কার্যক্রমের আইনগত ত্রুটি সমূহ তুলে ধরবে এবং
উক্ত জেলার জনসাধারণের কি ধরনের আইনী সহায়তা প্রয়োজন তা উপস্হাপন করবে ।
যেহেতু তাহদের ভোটিং ক্ষমতা নেই, তাই উক্ত নারী সাংসদের একটি ফোরাম থাকবে,
যেখানে এইসব আইনী বিষয় আলোচনা করে সমন্বিত প্রস্তাব সংসদে উপস্হাপন করবে ।
তাহলে "সংসদের শোভাবর্ধন" বক্তব্যটি আর থাকবে না ।
২) অতীতে দেখা গেছে সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদরা কথা বলা বা কোন উপস্হাপনা করতে পারতনা,
এখন অবস্হা বদলেছে । বলা হয়ে থাকে এইসব নারী সাংসদরা অভিজ্ঞ হয়ে আগামী দিনে সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহন
করে জিতে আসবে এবং সংসদে তাহাদের অংশ গ্রহন বাড়বে ।এবার মাত্র ৭ জন নারী সাংসদ সরাসরি নির্বাচন
করে এসেছেন ( যাদের স্যালুট জানাই) ;অথচ কথা ছিল সব দল নির্বাচনে কমপক্ষে ৫% নারী প্রার্থী দেবে
, যা কোন দলই কথা রাখেনি । জানামতে একমাত্র রুমিন ফারহানা সংরক্ষিত আসন থেকে সরাসরি নির্বাচন করে
জিতে এসেছেন ।
৩) বর্তমান সরকার রীতি অনুসারে রাজনৈতিক বিবেচনায় ৫০জন সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদ নিয়োগের
ঘোষনা দিয়েছেন আসুন দেখি এইবার আমরা কেমন নারী সাংসদ পাচ্ছি ।
ক) বি.এন.পি আইন অনুসারে ৩৬ জন সাংসদ পাচ্ছে :-

.................. . নূরজাহান বেগম, সম্পাদক "বেগম " পত্রিকা, নারী জাগরনের প্রতীক ।..............................

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে : ---
বি.এন.পি কর্তৃক মনোনীতরা হলেন–

সেলিমা রহমান : আগেও তিনি দুবার সংরক্ষিত আসনের এমপি হয়েছিলেন এবং ২০০১-২০০৬ মেয়াদে
বিএনপি সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন ।২০০৮সালে নির্বাচনে বরিশালে প্রার্থী হয়ে
সাড়ে তিন হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরেছিলেন ।
শিরিন সুলতানা :২০০১ সালের সাংসদ ছিলেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকনের স্ত্রী।
রাশেদা বেগম হীরা : ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
রেহানা আক্তার রানু : ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
নেওয়াজ হালিমা আরলী : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামের বোন।
মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন : বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।
বিলকিস ইসলাম : ২০০১ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
সাকিলা ফারজানা : সাবেক হুইপ প্রয়াত সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী
হেলেন জেরিন খান : ২০০১ ও সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
নিলোফার চৌধুরী মনি : ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
নিপুণ রায় চৌধুরী : সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ছেলের বউ।
জীবা আমিনা খান:বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও অ্যাসিসট্যান্ট টু দ্য চেয়ারপার্সন
ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য
মাহমুদা হাবিবা:বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য
সাবিরা সুলতানা : এবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ( যশোর -২ ) ।
সানসিলা জেবরিন : এবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ( শেরপুর -০১) ।
সানজিদা ইসলাম তুলি : এবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ( ঢাকা -১৪) ।
সুলতানা আহমেদ : ২০০১ ও সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
ফাহমিদা হক:তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের স্ত্রী। জিল্লুর রহমান বেসরকারি গবেষণা সংস্থা
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) নির্বাহী পরিচালক; আর ফাহমিদা হক পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য।
আন্না মিনজ: আদিবাসী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি,তিনি ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর অফ প্রোগ্রামস
হিসেবে কাজ করেছেন।
সুবর্ণা সিকদার : গোপালগঞ্জের মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি,
শামীম আরা বেগম স্বপ্না :কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলার প্রথম নারী পিপি।
শাম্মী আক্তার : ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
ফেরদৌসী আহমেদ : বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর বোন ঢাকা উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক
বীথিকা বিনতে হোসাইন : বিএনপি নেতা শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী
সুরাইয়া জেরিন : বগুড়া জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
মানসুরা আক্তার :ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী : সাবেক হুইপ এবাদুর রহমান চৌধুরীর মেয়ে
মমতাজ আলো :মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং ফ্রান্স মহিলা দলের সভাপতি
ফাহিমা নাসরিন :বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক
আরিফা সুলতানা :ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য
সানজিদা ইয়াসমিন :ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইডেন কলেজের সদ্য বিদায়ী সদস্য সচিব।
নাদিয়া পাঠান পাপন:ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক (রাজিব-আকরাম কমিটি)ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য
শওকত আর আক্তার :ইডেন কলেজ ছাত্রদলের নেতা ও ছাত্রদলের রাজিব-আকরাম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক
অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা : বান্দরবান জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সেলিনা সুলতানা :ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
রেজেকা সুলতানা : বর্তমানে দলের কোনো পদে না থাকলেও পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় আছেন

খ) জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সহযোগীরা কর্তৃক মনোনীত ১৩ জন সাংসদ :
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা : কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ,
মারজিয়া বেগম :সহকারী সেক্রেটারি ,
সাবিকুন নাহার মুন্নী : আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ,
মারদিয়া মমতাজ : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও নারী অধিকার আন্দোলন সদস্য ,
নাজমুন নাহার নীলু : মহিলা বিভাগের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি ।
অধ্যাপক মাহফুজা হাসান : অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্বে সিলেট মহানগরীর সাবেক সেক্রেটারি,
সাজেদা সামাদ : বগুড়া অঞ্চল পরিচালক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান
শামসুন্নাহার বেগম: চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি ।

গ) এনসিপির ২ জন মনোনয়ন পেয়েছেন
মনিরা শারমিন :নারী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক / বিকল্প প্রার্থী হিসেবে নুসরাত তাবাসসুম
মাহমুদা আলম মিতু:জাতীয় নারীশক্তির সদস্যসচিব ,
তাসমিয়া প্রধান: জাগপা সভাপতি ,
মাহবুবা হাকিম : বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য
রোকেয়া বেগম : জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা ।

ঘ ) স্বতন্ত্র থেকে ১ জন মনোনয়ন পেয়েছেন :
সুলতানা জেসমিন জুঁই : ছাত্রদলের সাবেক (শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির) সহসভাপতি।


রিটার্নিং অফিসার ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, ‘বিএনপি এবং জোটের ৩৬, জামায়াতের জোট ১৩,
স্বতন্ত্র জোট থেকে ১ জনের মনোনয়নপত্র পেয়েছি। আরও তিনজনের মনোনয়নপত্র পেয়েছি। বুধ ও বৃহস্পতিবার (আজ ও কাল) মনোনয়নপত্র বাছাই হবে। আপিল নিষ্পত্তি শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ এপ্রিল।
ভোটের তারিখ ১২ মে হলেও, তা আর প্রয়োজন হবে না।’
''

সাংসদ নারীরা কেমন করবেন , এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জনমনে প্রচুর : তাসনিম জারার প্রতিক্রিয়া :
বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশী জনসংখ্যা নারী উল্লেখ করে ডা. তাসনিম জারা লেখেন, নারীদের প্রতিনিধিত্ব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আসা উচিত। সংরক্ষিত আসন যদি থাকতেই হয়, সেগুলোও জনগণের ভোটে নির্ধারিত হোক।
তিনি আরও বলেন : ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘোষণা হয়েছে। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে
এবং সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন যে, আমি সংসদে থাকছি না। আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ।
সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তা ফিরিয়ে দিয়েছি।

সাংসদ নারীরা কেমন করবেন , এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জনমনে প্রচুর : সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি প্রতিক্রিয়া :
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি।দলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপিকে ‘লাল সালাম’ জানিয়েছেন।আজ ২১ এপ্রিল নিজের ফেসবুক পোস্টে ন্যানসি লিখেছেন, ‘গায়িকা-নায়িকা, অভিনেত্রী-মডেল—এসব তারকাকে শোপিস না বানিয়ে ত্যাগী, যোগ্য ও রাজনৈতিক জ্ঞানসম্পন্ন নারীদের মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে জানাই লাল সালাম।ন্যানসির এই মন্তব্যের পর পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও সমর্থনের ঝড় ওঠে। অনেকেই তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।একজন লিখেছেন, ‘এ জন্যই আপনাকে এত পছন্দ প্রিয় শিল্পী।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘আপনার সঙ্গে আমিও একমত।’
উল্লেখ্য যে , ১০ এপ্রিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে বিএনপি। তিন দিনে প্রায় এক হাজার ৩০০ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেন।তাদের মধ্যে ছিলেন কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, দিলরুবা খান, দিঠি আনোয়ার, রিনা খান ও রুকাইয়া জাহান চমকসহ শোবিজ অঙ্গনের আরো কয়েকজন পরিচিত মুখ।তবে ২০ এপ্রিল প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে জানা যায়, মনোনয়ন পাননি কোনো তারকাই।

...............বেগম রোকেয়া, নারী আন্দোলন ও জাগরণের মাইল ফলক হিসাবে বিবেচিত হন ।...................

সাংসদ নারীরা কেমন করবেন,এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জনমনে প্রচুর: জনাব জিল্লুর রহমানের একটি প্রতিক্রিয়া দেয়া হলো ।
ফাহমিদা হক তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও জনসম্পৃক্ততার ধারাবাহিকতায় সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন বলে দাবি
করেন জিল্লুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, ফাহমিদা হক বাংলাদেশের সংসদীয় কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক আলোচনায় ইতিবাচক অবদান রাখবেন৷স্ত্রী একটি দল থেকে সংসদ সদস্য হলে তার পেশাগত কাজ বিঘ্নিত হবে না, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে জিল্লুর রহমান বলেন, ‘‘আমার পেশাগত জীবন—একজন সাংবাদিক, কলামিস্ট, টক শো উপস্থাপক এবং একটি নীতি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দীর্ঘ কয়েক দশকের স্বাধীন পেশাগত কাজের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে৷ সেই পেশাগত দায়িত্ব ও অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে৷''দুজন
এক সংসারের হলেও তাদের নিজ নিজ কাজে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না বলে মনে করেন জিল্লুর রহমান৷ তিনি বলেন,
‘‘গণতন্ত্রে একই পরিবারের মানুষ ভিন্ন ভিন্ন জনভূমিকা পালন করতে পারেন, কিন্তু পেশাগত সততা সব সময় স্বাধীন থাকতে হবে৷

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার এই পোষ্টের সারমর্ম কি?

২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:১৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একজন নির্বাচিত এম.পি মাসে কত টাকা বেতন ভাতা পায় ?
এই গরীব দেশে সংসদ চালু রাখতে কি পরিমান খরচ হয় ?

....................................................................................
অথচ জনগনের অনির্বাচিত এম.পি যার কোন দ্বায়বদ্ধতা নেই ।
অথচ ১৯৭৩ সালে যখন ১৫ জন সংরক্ষিত আসন চালু হয়, তখন
বলা হয়েছিল , এইসব মহিলা এম.পি রা আগামী দিনে এগিয়ে
আসবে এবং নারী ক্ষমতায়ন পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে ।
বর্তমানে তাদে র ক্ষমতা ও কার্যক্রম নি র্বাচি ত এম.পি র মতো হবে ।
তাহলে তাদের কাছে জনগণ কেন প্রত্যাশা করবেনা ।

.........................................................................................
আনুমানিক একজন সাংসদ ১,৬০,০০০.০০ বেতন ও ভাতা পাবেন ।
এছাড়াও ১,২০,০০০.০০ ভ্রমনভাতা,
১০,০০,০০০ টাকার বীমা সুবিধা,
১০০০.০০ প্রতিদিন সংসদ চলাকালিন ভাতা
শুল্ক ও কর মুক্ত গাড়ী, এবং এসবই শুল্ক ও কর মুক্ত !

.........................................................................................
এবার বলুন জনগণের ট্যাক্সের টাকা, কেন আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করবনা ।

২| ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জিললুর রহমানের বিএনপির লোক ভাবতেই পারছি না ।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:২২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জিল্লুর রহমান পড়েছেন বিপদে,
প্রচুর সমালোচনার কারনে এপর্যন্ত তিনি
২ বার বিবৃতি দিয়েছেন ।

.................................................................................................................................................
চ্যানেল আই-এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘তৃতীয় মাত্রা’-এর উপস্থাপক, জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ফাহমিদা হক; জাতীয় সংসদের
সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঘোষিত ৩৬ জন প্রার্থীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
জিল্লুর রহমান বর্তমানে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন
এবং ফাহমিদা হক সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।
এছাড়া তিনি বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
..................................................................................................................................................
আমি মনে করি তিনি অন্য নারীর তুলনায় অনেক বেশী যোগ্যপ্রার্থী ।

৩| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৩৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও কোনো পার্থক্য নেই। ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিক ও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী তারা সরাসরি নির্বাচিত এমপিদের মতোই সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। সর্বশেষ ২০১৬ সালে এই আইনে সংশোধন আনা হয়।
..........................................................................................................................................................
এরপর থেকেই ধাপে ধাপে সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষীত আসনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। যা নবম জাতীয় সংসদে বেড়ে ৫০টিতে দাঁড়ায়।জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়ানো হলেও তাদের নির্বাচন পরোক্ষভাবে হওয়ায় নারীর ক্ষমতায়ণ কতখানি নিশ্চিত করা গেছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
সংবিধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে বলছেন, ভোটারদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বদলে দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিয়মে পরিণত হওয়ায় এক্ষেত্রে পরিস্থিতি খুব একটা বদলায়নি।

৪| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:১৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
গয়না না হয়ে জনগনের জন্য আয়না হোক। তবেই কল্যাণ।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অ্যাডভোকেট ফওজিয়া করিম বলছেন, নানা সময় সরাসরি নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ
বাড়ানোর কথা বলা হলেও কোনো সরকারই কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

................................................................................................................................
দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন ছাড়াই সংসদে যেসব নারী আসছেন তাদের অনেকের দক্ষতা নিয়েও সংশয় জানিয়েছে এই নারী অধিকার কর্মী।তিনি বলছেন, "তৃণমূলের সঙ্গে যেসব নারী যুক্ত তারা নারীর অধিকার, প্রয়োজন এগুলো সম্পর্কে অবগত কিন্তু বিশাল এই জনগোষ্ঠির সমস্যা সম্পর্কে অনেকে হয়তো অবগত নন, দলীয়ভাবেও তাদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।"
এছাড়া নারীর আর্থিক সক্ষমতা এবং দেশের সামাজিক বাস্তবতায় নারীদেরকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার মতো উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হয়নি বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ মোহাম্মদ সাহান বলছেন, "নারী প্রার্থীদের মধ্যে যাদের ফ্যামিলি লিগ্যাসি থাকে তারা হয়তো কিছু গুরুত্ব পান, এর বাইরে যারা আছে তারা সংসদে নানা বিষয় নিয়ে হয়তো কথা বলতে পারেন কিন্তু ভোটারদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা নেই বললেই চলে।"
নারীদেরকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ না দিলে নির্বাচনী এলাকার প্রতি তার জবাবদীহি যেমন তৈরি হবেনা তেমনি নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যও বাস্তবায়ন হবেনা বলেই সবাই একমত পোষন করে ।

৫| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে গত কয়েক দশকে দৃশ্যমান ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হলেও,
পূর্ণ ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে এখনো বেশ কিছু কাঠামোগত ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান।

...............................................................................................................................
বিশেষ করে রাজনীতি, শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নিরাপত্তার
ক্ষেত্রে এখনো ঘাটতি রয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নের বর্তমান পরিস্থিতির মূল দিকগুলো নিম্নরুপ :
১) রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ: বাংলাদেশ রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশ্বে সপ্তম স্থানে রয়েছে। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে শীর্ষ নারী নেতৃত্ব দেশ পরিচালনা করছে এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৫০টি।
তবে সমালোচকদের মতে, সংরক্ষিত আসনের নারীরা সরাসরি ভোটের মাধ্যমে না আসায় অনেক ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে
সিদ্ধান্ত গ্রহণে বা মূলধারার রাজনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বাধাগ্রস্ত হন।
২) অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ: তৈরি পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ বহুগুণ বেড়েছে। বর্তমানে নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার প্রায় ৪০%, যদিও পুরুষদের (৮০% এর বেশি) তুলনায় এটি অনেক কম।
নারীদের একটি বড় অংশ এখনো অনানুষ্ঠানিক খাতে কম মজুরিতে কাজ করেন।
৩) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ সন্তোষজনক এবং মাতৃ মৃত্যুর হার
উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। উচ্চশিক্ষা এবং বিশেষায়িত পেশায় নারীদের উপস্থিতি আগের চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান।
৪) সামাজিক ও কাঠামোগত বাধা: অগ্রগতি সত্ত্বেও বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং সম্পদে নারীর অসম অধিকার
এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে নারীরা পারিবারিক ও
সামাজিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনা।

শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীরা অনেক এগিয়ে গেলেও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা
ও সমান মজুরি নিশ্চিত করা এখনো একটি চলমান প্রক্রিয়া।

৬| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম । ভালো লিখেছেন ।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নারীদেরকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ না দিলে নির্বাচনী এলাকার
প্রতি তার জবাবদিহি তৈরি হবেনা। তেমনি নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যও বাস্তবায়ন হবেনা
বলেই বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন।

...........................................................................................................
"জুলাই সনদেও এই নির্বাচনে অন্তত পাঁচ শতাংশ নারী প্রার্থী রাখার কথা বলা হয়েছিল।
কিন্তু কোন দলই পাঁচ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি,
জামাত তো কোন প্রার্থীই দেয়নি ।

৭| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


ছবি সুন্দর হয়েছে ।

সংসদের বায়না-৩০ সেট গয়না

সংসদের ঘরে উঠল সুর
বায়না যেন ভীষণই বড়
ত্রিশটি আসন, সাজাও রঙে
গয়না পরে বসুক ঢঙে!

কেউ বলে এ তো সম্মান বেশ
কেউ বলে আছে স্বার্থের রেশ
জনতার চোখে প্রশ্ন ভাসে
কাজের আলো কতটুকু আসে?

গয়না যদি হয় কণ্ঠের ভাষা
জনদুঃখে কিছু মিলবে আশা
তবে সে গয়না হোক অমূল্য
দেশের তরে হোক না মূল্য।

নইলে শুধু অলংকার হয়
চকমকে রূপে মনটা ক্ষয়
সংসদের বায়না,গয়নার মেলা
জনতার ভাগ্যে না হোক খেলা?

শুভেচ্ছা রইল

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: চমৎকার বলেছেন !
বাস্তবতা অনেক কঠিন এবং নারী নেত্রীরা কি বলে দেখুন ... ...

.....................................................................................
সংরক্ষিত নারী সাংসদদের ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে কারণ এই আসনগুলি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয় না; বরং রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত হন। ফলে, তাদের জবাবদিহিতা ও জনগণের প্রতি গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতা সীমিত।
এমনকি বাংলাদেশে নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে চালু হওয়া এই ব্যবস্থা এখন প্রশ্নবিদ্ধ—
প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর পরিবর্তে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করছে। সংসদে তাদের প্রভাব কম এবং প্রকৃত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ সীমিত।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনগুলো (বর্তমানে ৫০টি) নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কতটা ভূমিকা রাখছে, তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও পর্যালোচনা রয়েছে। বিশ্লেষক, সাবেক সংসদ সদস্য এবং নীতিনির্ধারকদের মতে,
এই ব্যবস্থাটির ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি বেশ কিছু মৌলিক সীমাবদ্ধতাও রয়েছে:
ইতিবাচক দিক ও ক্ষমতায়ন:
সংসদে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ: সংরক্ষিত আসনগুলো সংসদে নারীদের সংখ্যাগত উপস্থিতি নিশ্চিত করে এবং নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের কণ্ঠস্বর পৌঁছাতে সাহায্য করে।
রাজনৈতিক চর্চা: সরাসরি নির্বাচনের সুযোগ না থাকলেও, এটি নারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব তৈরির সুযোগ তৈরি করে।
সীমাবদ্ধতা ও নেতিবাচক দিক (ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রশ্ন):
দলের ওপর নির্ভরতা: সংরক্ষিত আসনের সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না, বরং দলের মনোনয়নে নির্বাচিত হন। ফলে, তারা জনগণের চেয়ে দলের প্রতি বেশি জবাবদিহি করেন, যা প্রকৃত ক্ষমতায়নের পরিবর্তে দলীয় নিয়ন্ত্রণকে সুদৃঢ় করে।
'অলংকার' বা দ্বিতীয় শ্রেণীর এমপি: অনেক ক্ষেত্রে সংরক্ষিত নারী এমপিদের 'অলংকার' হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাদের নিজেদের এলাকার জন্য কোনো বাজেট বা সরাসরি ক্ষমতা থাকে না, যা তাদের কার্যকর ভূমিকা পালনে বাধা সৃষ্টি করে।
কার্যকর ভূমিকা না থাকা: বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত আসনের নারীরা প্রায়শই নীতিনির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন না এবং সাধারণ আসন থেকে নির্বাচিত এমপিরা তাদের খুব একটা গুরুত্ব দেন না।
সংস্কারের দাবি: বিশেষজ্ঞ ও সাবেক এমপিরা সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে নারী আসন পূরণের দাবি জানিয়ে আসছেন, যাতে তারা প্রকৃত ক্ষমতাপ্রাপ্ত জণ-প্রতিনিধি হতে পারেন।
মোদ্দা কথা : সংরক্ষিত নারী আসন নারীদের সংসদে আসার সুযোগ তৈরি করলেও, বর্তমান পরোক্ষ নির্বাচনের পদ্ধতিটি তাদের প্রকৃত ক্ষমতায়নের চেয়ে 'দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার' বা 'নামমাত্র' আসনে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে বলে বিশেষজ্ঞ এবং বোদ্ধা সমালোচকরা মনে করেন।
..............................................................................................................................................................
এ বিষয়ে ড: তাসনিম জারা,্আ্যাডভোকেট পাপিয়া বা অ্যাডভোকেট ফওজিয়া করিমের বক্তব্য দেখে আসতে পারেন ।

৮| ০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১২:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সংরক্ষিত নারী আসন নারীদের সংসদে আসার সুযোগ তৈরি করলেও, বর্তমান পরোক্ষ নির্বাচনের পদ্ধতিটি
তাদের প্রকৃত ক্ষমতায়নের চেয়ে 'দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার' বা 'নামমাত্র' আসনে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি
করে বলে বিশেষজ্ঞ এবং বোদ্ধা সমালোচকরা মনে করেন।

বক্তব্যটির বিষয়ে আমি সহমত পোষন করি ।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের সাংবিধানিক পথ উন্মুক্ত করেছে
এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক কাঠামো এবং নির্বাচন
পদ্ধতির প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমান পরোক্ষ নির্বাচনী ব্যবস্থা নারীর প্রকৃত রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত
করার ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না। বরং বহু ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা দলীয় আনুগত্যের স্বীকৃতি, রাজনৈতিক সমীকরণ রক্ষা,
কিংবা প্রতীকী প্রতিনিধিত্বের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

কারণ, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হওয়ায় তাঁদের রাজনৈতিক জবাবদিহিতা
মূলত জনগণের কাছে নয়, বরং দলীয় নেতৃত্বের কাছে অধিকতর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এর ফলে সংসদে তাঁদের স্বাধীন মতপ্রকাশ, নীতিনির্ধারণে কার্যকর অংশগ্রহণ এবং নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান গড়ে তোলার ক্ষেত্র অনেক সময় সংকুচিত
হয়। জনপ্রতিনিধিত্বের মৌলিক ভিত্তি জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট অনুপস্থিত থাকায় তাঁদের সাংবিধানিক অবস্থান থাকলেও রাজনৈতিক কার্যকারিতা তুলনামূলকভাবে সীমিত থেকে যেতে পারে।

অন্যদিকে, নারী নেতৃত্ব বিকাশের যে বৃহত্তর লক্ষ্য যেমন তৃণমূল থেকে নেতৃত্বের উত্থান, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্য
দিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন, এবং নিজস্ব গণভিত্তি তৈরি বর্তমান কাঠামো তা পর্যাপ্তভাবে উৎসাহিত করে না। ফলে অনেক
যোগ্য, সংগ্রামী ও জনসম্পৃক্ত নারী নেতৃত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়, বিপরীতে দলীয় মনোনয়ননির্ভর প্রতিনিধিত্বের সংস্কৃতি শক্তিশালী হয়।

সুতরাং, সংরক্ষিত নারী আসনের ধারণাকে বাতিল না করে এর নির্বাচন-পদ্ধতির মৌলিক সংস্কার নিয়ে নতুন করে ভাবার
সময় এসেছে। নারীর প্রকৃত রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন তখনই নিশ্চিত হবে, যখন তাঁদের প্রতিনিধিত্ব কেবল সাংবিধানিক
উপস্থিতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোট, স্বাধীন রাজনৈতিক বৈধতা এবং কার্যকর আইন প্রণয়ন ভূমিকার
মাধ্যমে বাস্তব ক্ষমতায় রূপান্তরিত হবে।

শুভেচ্ছা রইল

০৫ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ৪৯ জন সদস্য শপথ নিয়েছেন।
....................................................................................................................................
গতকাল রোববার (০৪.০৫.২০২৬) রাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে তাঁদের শপথ পড়ান। বিএনপি জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্য থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে ১ জন সদস্য শপথ নেন।
শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নবনির্বাচিত সদস্যরা জাতীয় সংসদে পৌঁছানোর সময় একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে জামায়াতের মারদিয়া মমতাজকে সংসদ ভবনে ঢুকতে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘সংরক্ষিত নারী আসনের শপথ নিতে সংসদে জামায়াতের ট্রফি নেত্রী মারদিয়া মমতাজ!’
প্রশ্ন উঠেছে যারা সরাসরি জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চাইতে পারেনা, তারা জনগণের কল্যাণ সাধন করবেন
কিভাবে ?
নাকি আগের মতই সংসদের শোভা বর্ধন করবেন ?
আর সরকারী কোষাগার থেকে বেতন ভাতা নিবেন ???

৯| ০৫ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হয়েও সংসদের পদ গ্রহণ সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক চর্চা ও জনগণের অর্থের অপচয় বলে আমার মনে হয়। নারীরা যদি পুরুষের মতো রাজনৈতিক মাঠে প্রতিদ্বন্দিতা না করে এভাবে কেবল নারী হওয়ার কারনে সংসদ সদস্য পদ অর্জন করেন তবে সেটা আবারও প্রমাণ করে যে নারীরা পুরুষের সমকক্ষ নয় অথবা প্রচলিত ধারায় পুরুষের মতো রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্ষম নয়। যেহেতু সংসদে ইতোমধ্যেই সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে তথা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে অনেকে নারীই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেহেতু সংরক্ষিত নারী আসন কেবল হাস্যকর নয় বরং অগ্রহনযোগ্য ও বিপরীত লিঙ্গের প্রতি অন্যায় আচরণ যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্ববিরোধী নীতি। নারীর অগ্রগতি, উন্নয়ন তথা রাষ্ট্র বির্নিমানে সমঅংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নারীদের অবশ্যই সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত।

০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সংরক্ষিত নারী আসন কেবল হাস্যকর নয় বরং অগ্রহনযোগ্য ও বিপরীত
লিঙ্গের প্রতি অন্যায় আচরণ যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্ববিরোধী নীতি।

................................................................................................
সে কারনে তাসনিম জারার মতো সচেতন নারীরা এই ব্যবস্হায় নারী সাংসদ হতে
রাজী হয়নি । সবচেয়ে বড় কথা কোন বড় দলই চায়না তাদের রাজনতৈিক উন্নতি,
তাই এই কোটা ব্যবস্হা ।
অথচ কোটা ব্যবস্হা অমানবিক ,এমন কথা বলে অতি সম্প্রতি ব্যাপক
আন্দোলন হয়ে গেল । তাহলে আমাদের চরিত্রর ব্যাখ্যা কী ?
নিজ স্বার্থে সব হালাল অন্যর বেলা হারাম ???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.