| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
একসময় এই প্রবাদটি খুব প্রচলিত ছিল, এমনকি পণ্ডিত মহলেও এটি নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা হতো।
সময় বদলে গেছে; যমুনা নদী দিয়ে বহু জল বয়ে গিয়ে সাগরে মিশেছে।
বাস্তবতার নিরিখে আমাদের সমাজে অনেক পরিবর্তন এসেছে; ৩০ সেট গয়না এখন ৫০ জনে পরিণত হয়েছে।
কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, আজকের বাস্তবতায় ৫০ সেট গয়না বলার কোনো যৌক্তিকতা নেই।বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসনের
প্রার্থীদের অধিকাংশ উচ্চ শিক্ষিত এবং দাপ্তরিক কাজে দক্ষতা প্রদর্শন করছে ।তাই জনসাধরণের প্রত্যাশা অনেক ।
কেউ কেউ বলেন, বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা ছাড়া এগুলোর আর কোনো কাজ নেই। সংসদ হলো আইন প্রণয়নের জায়গা।
এখানে তাদের কাজ কী?
এই নিয়োগ রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কেবলই একটি বাড়তি সুবিধা, কারণ এই ধরনের অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রার্থীদের
কোনো নিয়ম নেই; সরকারপ্রধান বা বিরোধীদলীয় নেতার ইচ্ছাই হলো আইন।
আজকের সামাজিক বাস্তবতায় আমার পর্যবেক্ষণ ভিন্ন। আমি বিশ্বাস করি যে: -
১) ৬৪টি জেলার প্রতিটির জন্য একজন করে মোট ৬৪ জন মহিলা সাংসদ সদস্য থাকা অপরিহার্য (৫০ জনের পরিবর্তে)।
শুধুমাত্র নিজ দলের গুনগান না করে , দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার নারী ও শিশুর কল্যাণে আইনগত সহায়তার লক্ষ্যে
কাজ করবে, নিজ জেলায় অন্যান্য সাংসদের কার্যক্রমের আইনগত ত্রুটি সমূহ তুলে ধরবে এবং উক্ত জেলার জনসাধারণের
কি ধরনের আইনী সহায়তা প্রয়োজন তা উপস্হাপন করবে । যেহেতু তাহদের ভোটিং ক্ষমতা নেই, তাই উক্ত নারী সাংসদের
একটি ফোরাম থাকবে, যেখানে এইসব আইনী বিষয় আলোচনা করে সমন্বিত প্রস্তাব সংসদে উপস্হাপন করবে ।
তাহলে "সংসদের শোভাবর্ধন" বক্তব্যটি আর থাকবে না ।
২) অতীতে দেখা গেছে সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদরা কথা বলা বা কোন উপস্হাপনা করতে পারতনা, এখন অবস্হা বদলেছে ।
বলা হয়ে থাকে এইসব নারী সাংসদরা অভিজ্ঞ হয়ে আগামী দিনে সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহন করে জিতে আসবে এবং
সংসদে তাহাদের অংশ গ্রহন বাড়বে ।এবার মাত্র ৭ জন নারী সাংসদ সরাসরি নির্বাচন করে এসেছেন ( যাদের স্যালুট জানাই)
অথচ কথা ছিল সব দল নির্বাচনে কমপক্ষে ৫% নারী প্রার্থী দেবে , যা কোন দলই কথা রাখেনি ।
জানামতে একমাত্র রুমিন ফারহানা সংরক্ষিত আসন থেকে সরাসরি নির্বাচন করে জিতে এসেছেন ।
৩) বর্তমান সরকার রীতি অনুসারে রাজনৈতিক বিবেচনায় ৫০জন সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদ নিয়োগের ঘোষনা দিয়েছেন
আসুন দেখি এইবার আমরা কেমন নারী সাংসদ পাচ্ছি ।
ক) বি.এন.পি আইন অনুসারে ৩৬ জন সাংসদ পাচ্ছে :-
নূরজাহান বেগম, সম্পাদক "বেগম " পত্রিকা, নারী জাগরনের প্রতীক ।
বি.এন.পি কর্তৃক মনোনীতরা হলেন–
সেলিমা রহমান : আগেও তিনি দুবার সংরক্ষিত আসনের এমপি হয়েছিলেন এবং ২০০১-২০০৬ মেয়াদে
বিএনপি সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন ।২০০৮সালে নির্বাচনে বরিশালে প্রার্থী হয়ে
সাড়ে তিন হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরেছিলেন ।
শিরিন সুলতানা :২০০১ সালের সাংসদ ছিলেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকনের স্ত্রী।
রাশেদা বেগম হীরা : ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
রেহানা আক্তার রানু : ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
নেওয়াজ হালিমা আরলী : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামের বোন।
মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন : বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।
বিলকিস ইসলাম : ২০০১ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
সাকিলা ফারজানা : সাবেক হুইপ প্রয়াত সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী
হেলেন জেরিন খান : ২০০১ ও সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
নিলোফার চৌধুরী মনি : ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
নিপুণ রায় চৌধুরী : সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ছেলের বউ।
জীবা আমিনা খান:বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও অ্যাসিসট্যান্ট টু দ্য চেয়ারপার্সন
ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য
মাহমুদা হাবিবা:বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য
সাবিরা সুলতানা : এবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ( যশোর -২ ) ।
সানসিলা জেবরিন : এবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ( শেরপুর -০১) ।
সানজিদা ইসলাম তুলি : এবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন ( ঢাকা -১৪) ।
সুলতানা আহমেদ : ২০০১ ও সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
ফাহমিদা হক:তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের স্ত্রী। জিল্লুর রহমান বেসরকারি গবেষণা সংস্থা
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) নির্বাহী পরিচালক; আর ফাহমিদা হক পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য।
আন্না মিনজ: আদিবাসী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি,তিনি ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর অফ প্রোগ্রামস
হিসেবে কাজ করেছেন।
সুবর্ণা সিকদার : গোপালগঞ্জের মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি,
শামীম আরা বেগম স্বপ্না :কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলার প্রথম নারী পিপি।
শাম্মী আক্তার : ২০০৮ সালে সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ছিলেন ।
ফেরদৌসী আহমেদ : বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর বোন ঢাকা উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক
বীথিকা বিনতে হোসাইন : বিএনপি নেতা শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী
সুরাইয়া জেরিন : বগুড়া জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
মানসুরা আক্তার :ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী : সাবেক হুইপ এবাদুর রহমান চৌধুরীর মেয়ে
মমতাজ আলো :মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং ফ্রান্স মহিলা দলের সভাপতি
ফাহিমা নাসরিন :বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক
আরিফা সুলতানা :ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য
সানজিদা ইয়াসমিন :ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইডেন কলেজের সদ্য বিদায়ী সদস্য সচিব।
নাদিয়া পাঠান পাপন:ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক (রাজিব-আকরাম কমিটি)ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য
শওকত আর আক্তার :ইডেন কলেজ ছাত্রদলের নেতা ও ছাত্রদলের রাজিব-আকরাম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক
অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা : বান্দরবান জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সেলিনা সুলতানা :ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
রেজেকা সুলতানা : বর্তমানে দলের কোনো পদে না থাকলেও পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় আছেন
খ) জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সহযোগীরা কর্তৃক মনোনীত ১৩ জন সাংসদ :
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা : কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ,
মারজিয়া বেগম :সহকারী সেক্রেটারি ,
সাবিকুন নাহার মুন্নী : আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ,
মারদিয়া মমতাজ : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও নারী অধিকার আন্দোলন সদস্য ,
নাজমুন নাহার নীলু : মহিলা বিভাগের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি ।
অধ্যাপক মাহফুজা হাসান : অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্বে সিলেট মহানগরীর সাবেক সেক্রেটারি,
সাজেদা সামাদ : বগুড়া অঞ্চল পরিচালক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান
শামসুন্নাহার বেগম: চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি ।
গ) এনসিপির ২ জন মনোনয়ন পেয়েছেন
মনিরা শারমিন :নারী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক / বিকল্প প্রার্থী হিসেবে নুসরাত তাবাসসুম
মাহমুদা আলম মিতু:জাতীয় নারীশক্তির সদস্যসচিব ,
তাসমিয়া প্রধান: জাগপা সভাপতি ,
মাহবুবা হাকিম : বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য
রোকেয়া বেগম : জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা ।
ঘ ) স্বতন্ত্র থেকে ১ জন মনোনয়ন পেয়েছেন :
সুলতানা জেসমিন জুঁই : ছাত্রদলের সাবেক (শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির) সহসভাপতি।
রিটার্নিং অফিসার ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, ‘বিএনপি এবং জোটের ৩৬, জামায়াতের জোট ১৩,
স্বতন্ত্র জোট থেকে ১ জনের মনোনয়নপত্র পেয়েছি। আরও তিনজনের মনোনয়নপত্র পেয়েছি। বুধ ও বৃহস্পতিবার (আজ ও কাল) মনোনয়নপত্র বাছাই হবে। আপিল নিষ্পত্তি শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ এপ্রিল।
ভোটের তারিখ ১২ মে হলেও, তা আর প্রয়োজন হবে না।’
''
সাংসদ নারীরা কেমন করবেন , এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জনমনে প্রচুর : তাসনিম জারার প্রতিক্রিয়া :
বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশী জনসংখ্যা নারী উল্লেখ করে ডা. তাসনিম জারা লেখেন, নারীদের প্রতিনিধিত্ব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আসা উচিত। সংরক্ষিত আসন যদি থাকতেই হয়, সেগুলোও জনগণের ভোটে নির্ধারিত হোক।
তিনি আরও বলেন : ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘোষণা হয়েছে। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করে
এবং সহানুভূতি জানিয়ে লিখেছেন যে, আমি সংসদে থাকছি না। আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ।
সংরক্ষিত আসনে যাওয়ার জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তা ফিরিয়ে দিয়েছি।
সাংসদ নারীরা কেমন করবেন , এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জনমনে প্রচুর : সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি প্রতিক্রিয়া :
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি।দলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপিকে ‘লাল সালাম’ জানিয়েছেন।আজ ২১ এপ্রিল নিজের ফেসবুক পোস্টে ন্যানসি লিখেছেন, ‘গায়িকা-নায়িকা, অভিনেত্রী-মডেল—এসব তারকাকে শোপিস না বানিয়ে ত্যাগী, যোগ্য ও রাজনৈতিক জ্ঞানসম্পন্ন নারীদের মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে জানাই লাল সালাম।ন্যানসির এই মন্তব্যের পর পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও সমর্থনের ঝড় ওঠে। অনেকেই তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।একজন লিখেছেন, ‘এ জন্যই আপনাকে এত পছন্দ প্রিয় শিল্পী।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘আপনার সঙ্গে আমিও একমত।’
উল্লেখ্য যে , ১০ এপ্রিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে বিএনপি। তিন দিনে প্রায় এক হাজার ৩০০ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেন।তাদের মধ্যে ছিলেন কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, দিলরুবা খান, দিঠি আনোয়ার, রিনা খান ও রুকাইয়া জাহান চমকসহ শোবিজ অঙ্গনের আরো কয়েকজন পরিচিত মুখ।তবে ২০ এপ্রিল প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে জানা যায়, মনোনয়ন পাননি কোনো তারকাই।
বেগম রোকেয়া, নারী আন্দোলন ও জাগরণের মাইল ফলক হিসাবে বিবেচিত হন ।
সাংসদ নারীরা কেমন করবেন,এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জনমনে প্রচুর: জনাব জিল্লুর রহমানের একটি প্রতিক্রিয়া দেয়া হলো ।
ফাহমিদা হক তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও জনসম্পৃক্ততার ধারাবাহিকতায় সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন বলে দাবি
করেন জিল্লুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, ফাহমিদা হক বাংলাদেশের সংসদীয় কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক আলোচনায় ইতিবাচক অবদান রাখবেন৷স্ত্রী একটি দল থেকে সংসদ সদস্য হলে তার পেশাগত কাজ বিঘ্নিত হবে না, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে জিল্লুর রহমান বলেন, ‘‘আমার পেশাগত জীবন—একজন সাংবাদিক, কলামিস্ট, টক শো উপস্থাপক এবং একটি নীতি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দীর্ঘ কয়েক দশকের স্বাধীন পেশাগত কাজের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে৷ সেই পেশাগত দায়িত্ব ও অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে৷''দুজন
এক সংসারের হলেও তাদের নিজ নিজ কাজে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না বলে মনে করেন জিল্লুর রহমান৷ তিনি বলেন,
‘‘গণতন্ত্রে একই পরিবারের মানুষ ভিন্ন ভিন্ন জনভূমিকা পালন করতে পারেন, কিন্তু পেশাগত সততা সব সময় স্বাধীন থাকতে হবে৷
©somewhere in net ltd.