![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুক্ত ও সাদা মনের মানুষ হতে আগে চাইতাম। এখন আর চাই না। এখন একটু মুক্তি চাই, চাই জীবনটা শেষ হবে এই অপেক্ষার অবসান। [ মৃত্যুটা খুব স্বাভাবিক; বেঁচে থাকাটা অস্বাভাবিক।]
জানেন কি চায়না তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তির উন্নতি কিভাবে ঘটিয়েছে? আমরা চায়নার টিকটককে গু-মুত দিয়ে গিলে খাচ্ছি কিন্তু সুন্দর শিক্ষাব্যবস্থাকে নিতে পারছি না। বসে বসে শুধু বাল ছিড়ে আটি বানছি-“ বুয়েট শেরা; ডিপ্লোমাদের ইঞ্জিনিয়ার বলা যাবে না” আংগুল দেওয়া ছাড়া আর কি করতে পেরেছেন আপনারা!!! আজ পর্জন্ত দেশের জন্য নতুন কি করতে পেরেছেন!!! ফালতু… মনে রাখবেন অহংকার পতনের মূল। একা কোন কিছু যেমন করা যায় না তেমনি দেশ সমাজের জন্যও কিছু করা যায় না ভাল কিছু। একত্রে মিলিত ভাবে করতে হয়। তাহলেই একটা দেশের উন্নতি সম্ভব।
দেশে চায়নার টিকটককে নিষিদ্ধ করুন আর গ্রহণ করুন চায়নার শিক্ষা নীতিকে। তাহলে যদি দেশের কিছুটা কল্যাণ হয়। উন্নতি যদি আসে।
আসুন দেখে নেই চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা কিভাবে গড়ে উঠেছে-ঠেছে-
চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তির উন্নতি আজ বিশ্বের অনেক দেশের জন্য শিক্ষণীয় মডেল হয়ে উঠেছে। বিষয়টা কয়েকটি ধাপে বোঝানো যায়:
চীনের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন
১. রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার
• শিক্ষা খাতকে “জাতীয় শক্তি বৃদ্ধির মূল চালিকা” হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
• সরকারি বাজেটে শিক্ষা খাতের জন্য বিশাল বরাদ্দ দেওয়া হয় (GDP’র প্রায় ৪%+)।
• Compulsory Education Law (১৯৮৬): ৯ বছরের বাধ্যতামূলক শিক্ষা চালু।
২. কেন্দ্রীয়কৃত পাঠ্যক্রম
• শিক্ষাক্রম একদম মানসম্মত ও সরকার নিয়ন্ত্রিত।
• বিজ্ঞান, গণিত, ও প্রযুক্তি বিষয়গুলিতে বেশি জোর দেওয়া হয়।
৩. শিক্ষকের মর্যাদা ও প্রশিক্ষণ
• শিক্ষকদের বেতন ও সামাজিক মর্যাদা তুলনামূলকভাবে উঁচু।
• নিয়মিত teacher training programs চালু আছে।
৪. প্রযুক্তি-ভিত্তিক শিক্ষা
• প্রাথমিক স্তর থেকেই কম্পিউটার ও ডিজিটাল শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত।
• অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্মে (যেমন XuetangX, iCourse, MOOCs) কোটি কোটি শিক্ষার্থী যুক্ত।
৫. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
• হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে আমেরিকা, ইউরোপ, জাপান ইত্যাদিতে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
• বিদেশে পড়াশোনা শেষে তারা চীনে ফিরে গিয়ে জ্ঞান প্রয়োগ করে।
চীনের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন
১. গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) বিনিয়োগ
• বর্তমানে চীন বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ R&D বিনিয়োগকারী দেশ (প্রায় ২.৫% GDP)।
• সরকার “Made in China 2025” পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক শিল্প গড়ে তুলছে।
২. STEM (Science, Tech, Engineering, Math) জোরদারকরণ
• স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে STEM শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব।
• গণিত ও রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে চীনা শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শীর্ষে।
৩. বিশেষ প্রযুক্তি জোন
• শেনজেন, সাংহাই, গুয়াংডং ইত্যাদি শহরে হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রি জোন তৈরি।
• সেখানে AI, Robotics, 5G, Quantum Computing-এ বিশ্বমানের গবেষণা হচ্ছে।
৪. সরকারি নীতি সহায়তা
• কোম্পানিগুলোকে ট্যাক্স ছাড়, ভর্তুকি ও গবেষণায় প্রণোদনা দেওয়া হয়।
• বিদেশি প্রযুক্তি আমদানি করে নিজস্বভাবে উন্নত করার নীতি (reverse engineering)।
৫. উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি
• আলিবাবা, টেনসেন্ট, হুয়াওয়ে, বাইদু, DJI’র মতো কোম্পানিগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্রের সাথে যুক্ত।
• সরকার venture capital funds দিয়ে নতুন প্রযুক্তি কোম্পানিকে সহায়তা করে।
চীনের শিক্ষা ও প্রযুক্তি উন্নয়নের প্রভাব
• ২০০০ সালের পর থেকে চীন বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী উৎপাদক দেশ।
• আজ চীন 5G, AI, ই-কমার্স, উচ্চগতির রেল, মহাকাশ গবেষণা-তে বিশ্বের নেতৃত্বে।
• Gaokao (চীনা ভর্তি পরীক্ষা) কে বিশ্বের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা ধরা হয়, যা শিক্ষার্থীদের উচ্চমানের প্রতিযোগিতায় অভ্যস্ত করে।
চীন শিক্ষা ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ, STEM-এ অগ্রাধিকার, শিক্ষক উন্নয়ন, প্রযুক্তিতে গবেষণা বিনিয়োগ, এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের শিক্ষা ও প্রযুক্তিকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। যা সত্যি এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
চীনের শিক্ষা ও প্রযুক্তি উন্নয়ন নিয়ে একটি চার্ট/ইনফোগ্রাফিক
এখানে একটি ভিজ্যুয়াল চার্ট দেখানো হলো যেখানে চায়নার শিক্ষা ও প্রযুক্তি উন্নতির প্রধান দিকগুলো (Education, STEM, Teacher Training, R&D, High-Tech Zones, International Collaboration) তুলে ধরা হয়েছে।
ইনফোগ্রাফিক আকারে টেক্সট+ছবি
৩০ শে আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ২:৫৪
ফেনা বলেছেন: কিন্তু কে শুনে কার কথা!!!
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ২:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: টিকটক আমাদের প্রজন্মের সর্বনাশ করে দিয়েছে।