নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Akib Artist

আমি ভিন্ন ধর্মী মানুষদের দলে থাকতে চাই। লেখালেখি করা আর ছবি আঁকানো আমার নেশা। এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট। সামাজিক কর্মকান্ড আর মানুষের জন্য কাজ করতে ছোটবেলা থেকেই ভাল লাগলেও এখন আর ভাল লাগে না। এর একটা কারণও আছে। কারন গুলো তৈরী হয়েছে ২০০৯ সন থেক

আকিব মাহমুদ

আমি ভিন্ন ধর্মী মানুষদের দলে থাকতে চাই। লেখালেখি করা আর ছবি আঁকানো আমার নেশা। এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে ইন্টারনেট। সামাজিক কর্মকান্ড আর মানুষের জন্য কাজ করতে ছোটবেলা থেকেই ভাল লাগলেও এখন আর ভাল লাগে না। এর একটা কারণও আছে। কারন গুলো তৈরী হয়েছে ২০০৯ সন থেকে এ যাবত পর্যন্ত। যা আমাকে অনেক বদলিয়ে দিয়েছে। আমার সম্পরকে আরও জানতে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করুন কিংবা প্রোফাইল দেখুন, ধন্যবাদ।

আকিব মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

হেফাজতের একজন কর্মীর সাথে আমার কিছুটা সময়

২২ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:০৮

কাল রাত সোয়া দশটার দিকে বাসা থেকে কিছুক্ষণের জন্য বেরিয়ে ছিলাম। মধুবাজারের গলির পাশ দিয়ে যাবার সময় এক বয়স্ক ভদ্রলোক আমাকে ডাকলেন। আমি তার কাছে গেলে তিনি দেওয়ালের পত্রিকাটার ঠিক নিচের একটা কলাম দেখিয়ে দিয়ে আমাকে বললেন পড়তে। বুঝতে পারলাম, তার বয়স হয়েছে।বাসা থেকে বেরুবার সময় হয়ত চশ্মাটা আনতে ভুলে গেছেন তাই এই আবছা আলোয় খুদ্র লিখাগুলো পড়তে কষ্ট হচ্ছে। আমি তাকে পড়ে শুনালাম শিরোনামটা- " নিখোঁজের ২ মাস ১৭ দিন পরে জামায়াত নেতার সন্ধানঃ পুনরায় নিরুদ্দেশ।"



খবরটা শুনবার পর তিনি কিছুটা কষ্ট পেলেন। ধীর স্বরে বললেন, প্রিন্সিপাল ভাইকে আবারও ধরে নিয়ে গেল? আমি বিষয়টা জানার জন্য তার সাথে হাটতে হাটতে সামনে এগুলাম। জানতে পারলাম, নিখোঁজ নজরুল তার স্কুল জীবণের সিনিয়ার। খুব ভাল লোক ছিলেন। সেখানকার একটি ইসলামিক কিন্ডার গার্ডেন এর প্রিন্সিপাল পদে বহাল ছিলেন। বেশ কিছুদিন আগে ১৫-২০ জন মানুষ গোয়েন্দা পরিচয়ের পর তাকে নিয়ে যায়। এর পর ২ মাস ১৭ দিন তার আর কোন খোঁজ ছিল না। হঠাত তাকে তার বাড়ীর কিছুটা আগে গাড়ীতে করে এনে কে বা কারা ফেলে দিয়ে যায়। তিনি কখন হেটে কখনও বসে অসুস্থ শরীর নিয়ে বাড়ী পৌঁছুলে তাকে ২ দিন স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়। এর পর তাকে আবার বেশ কিছু লোক এসে ধরে নিয়ে যায়। প্রথম নিখোঁজের পর তিনি আবার ফিরে এলেও এবার আর ফিরবেন না বলেই সবার ধারণা। আমি যার সাথে রাস্তায় হাটছিলাম তার চোখের মাঝে খানিক্টা কষ্ট দেখতে পেলাম। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তিনি জালিম সরকারের বিচারের জন্য মহান রব্বুল আ'লামিনের দরবারে ফরিয়াদ করেন।



আরও জানতে পারলাম, আমি যার সাথে কথা বলছি তার নাম মামুনুর রশিদ। আমার বাসার পাশে বাংলাদেশের বড় বড় হাসপাতালের একটিতে চাকুরি করেন। চারটি সন্তান। বড় মেয়ে ঢাকা ভারসিটির ইংলিশ বিভাগে পড়ছে। মেজো ছেলেটি জাহাঙ্গীর নগর বিশবিদ্যালয়ে পড়ে। হলেই থাকে। সেজো ছেলেটা এবার এস.এস.সি দিবে। আর ছোট মেয়েটা পড়ে ক্লাশ এইটে।



মামুনুর রশিদও ৬ এপ্রিল মতিঝিলে ছিলেন একজন হেফাজতের কর্মী হিসেবে। নিজের চোখের সামনে দেখেছেন শয়ে শয়ে হেফাজতের কর্মীদের মারতে। যারা নিরস্ত্রভাবে জিহাদি সমাবেশ করতে। নিরীহ মানুষগুলোকে মেরে রাস্তা রক্তে লাল করে দিয়ে সে রক্ত ঢাকা ওয়াসার পানি দিয়ে ধুয়ে দেয় সরকারের কর্মীরা। আর আজ জালিম নেত্রী বলে হেফাজতের কর্মীরা নাকি গায়ে রঙ মেখে সঙ সেজেছিল সেদিন। শুনলে হাসব নাকি গালি দিব বুঝে উঠতে পারি না। আল্লাহ পাক নিশ্চয় মুসলিম হত্যাকারী আর তার কিতাব ধ্বংসকারীর বিচার করবেন। তিনি সব দেখছেন সব কিছু জানে





মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.