নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমিল

আমিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

১২ ই রবীউল আউয়াল, সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বিরোধীদের কুফরীমূলক বক্তব্যের দাঁতভাঙ্গা জবাব-১

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩৫







ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে বলেছে, ‘মীলাদুন নবী’ শব্দের শরয়ী কোন ভিত্তি নেই, তাই এটি পরিত্যাজ্য। নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো- উক্ত উলামায়ে সূ’রা তাদের বক্তব্যে ‘ঈদ’ শব্দটি বাদ দিয়ে শুধু ‘মীলাদুন নবী’ শব্দ ব্যবহার করে প্রমাণ করেছে যে, তারা খোদ ইবলিসেরই একান্ত অনুসারী। কারণ নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যমীনে আগমন উপলক্ষে কেবল ইবলিস ও তার চেলারাই নাখুশি বা নারাজী প্রকাশ করেছিল। অথচ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার আগমন উপলক্ষে স্বয়ং আল্লাহ পাক- উনার নির্দেশে খুশি প্রকাশ করেছিলেন ফেরেশতাকুল, জান্নাতের অধিবাসীগণ এবং বনের পশু-পাখিরা পর্যন্ত। খুশি প্রকাশ করে উনারা ছানা-ছিফত বর্ণনা করেছিলেন এবং পাঠ করেছিলেন ছলাত-সালাম। সুবহানাল্লাহ!

অতএব, মুসলমানগণ শুধু ‘মীলাদুন নবী’ নয় বরং উনারা ‘ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পরিভাষা ব্যবহার করে থাকেন।

মূলত ‘ঈদ’ অর্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা। আর ‘মীলাদ’ ও ‘নবী’ দুটি শব্দ একত্রে মিলে ‘মীলাদুন নবী’ বলা হয়। ‘মীলাদ’-এর তিনটি শব্দ রয়েছে- ميلادমীলাদ, مولد মাওলিদ ও مولود মাওলূদ। ميلاد‘মীলাদ’ অর্থ জন্মের সময়, مولد ‘মাওলিদ’ অর্থ জন্মের স্থান, مولود ‘মাওলূদ’ অর্থ সদ্যপ্রসূত সন্তান। আর النبى ‘নবী’ শব্দ দ্বারা নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

অর্থাৎ আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থে ميلاد النبى ‘মীলাদুন নবী’ বলতে নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার বিলাদত শরীফকে বুঝানো হয়ে থাকে। আর পারিভাষিক বা ব্যবহারিক অর্থে ميلاد النبى ‘মীলাদুন নবী’ বলতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে উনার ছানা-ছিফত বর্ণনা করা, উনার প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা, উনার পুতঃপবিত্র জীবনী মুবারকের সামগ্রীক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করাকে বুঝানো হয়।

অতএব, ‘মীলাদুন নবী’ শব্দটি যদিও খাছ কিন্তু মাফহূম বা ভাবার্থ হিসেবে এটি আম বা এর অর্থ ব্যাপক। কেননা, ‘মীলাদুন নবী’-এর উদ্দেশ্য হলো নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা উনার আহকাম বা নির্দেশাবলী খাছভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া। যার মাধ্যমে মানুষ তাদের সৃষ্টি, তাদের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা সম্পর্কে। অবহিত হয়েছে, আরো অবহিত হয়েছে তাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে। অর্থাৎ তারা যদি আল্লাহ তায়ালা’ উনার সেই আহকাম মেনে চলে তাহলে তারা আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনাদের মুহব্বত-মা’রিফাত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দী লাভ করবে।

কাজেই, যেই হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার ওসীলায় সেই আহকাম বা নির্দেশাবলী এই উম্মত লাভ করলো সেই হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার মুবারক আগমন উপলক্ষে উনার স্মরণের জন্য এই উম্মতের উচিত তথা উম্মতের জন্য ফরয খুশি প্রকাশ করা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-

قل بفضل الله وبرحمته فبذلك فليفرحوا هو خير مما يجمعون

অর্থ: হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, আল্লাহ পাক ফযল-করম হিসেবে তাদেরকে যে দ্বীন ইসলাম দিয়েছেন এবং রহমত হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে। এই খুশি প্রকাশ করাটা সেসবকিছু থেকে উত্তম যা তারা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে। (সূরা ইউনুস-৫৮)

এ প্রসঙ্গে বিশ্ব সমাদৃত ও সুপ্রসিদ্ধ ‘আন্ নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-

قال على رضى الله تعالى عنه وكرم الله وجهه من عظم مولد النبى صلى الله عليه وسلم وكان سببا لقرائته لايخرج من الدنيا الا بالايمان ويدخل الجنةبغير حساب.



অর্থ: হযরত আলী কররামাল্লাহু ওয়াজহাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, যে ব্যক্তি মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করলো এবং তাতে সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী খুশি প্রকাশ করলো সে অবশ্যই ঈমানের সাথে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে এবং বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সুবহানাল্লাহ!(চলবে ইনশাআল্লাহ)

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩৮

নিশ্চুপ শরিফ বলেছেন: গোশত আমার প্রিয় খাবার। কিন্তু এখন গোশত খামু কেমনে? জবাব পড়ে যে দাত সব ভেঙ্গে গেলো :P

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪১

আমিল বলেছেন: স্যুপ বানিয়ে খান।

২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৫০

নতুন বলেছেন: আপনারা ব্লগে মানুসকে মটিভেট করছেন মিলাদুন্নবীর জন্য>..

আপনার পীর বলতেছে দান করার জন্য....

উদ্দেশ্যটা পরিস্কার... কিন্তু ধম`ভীরু মানুষ পুরাটা দেখেনা... তারা মনেকরে তারা আল্লাহর পথে দান করে...

কিন্তু ঐদান... দিয়া পীর দামী গাড়ী চড়ে.... খাদেমরা আয়েশ করে...

এই ব্যবসা বন্ধ করতে হবে..

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৫৩

আমিল বলেছেন: আয়েশ করে কিনা সেটা আয়াস(কষ্ট) করে দেখে যাবেন।

৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৫০

নতুন বলেছেন: >>> ভন্ডপীরের আবেদন .>>>
=============================================
"" মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-উনার ক্বওল শরীফ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি তোমাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তোমরা খরচ করো।
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সখী‘ বা দানশীল হচ্ছে ‘হাবীবুল্লাহ’।’
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে যে ব্যক্তি এক দিরহাম খরচ করবে সে ‘হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম’ উনার সাথে জান্নাতে থাকবে, পবিত্র বদর ও পবিত্র হুনাইন জিহাদে শরীক থাকার ফযীলত পাবে, উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ দান করার ফযীলত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ!
তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে সাধ্য সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করা বা খিদমতের আঞ্জাম দেয়া।
=============================================
এখানে আল্লাহের কথা বলে>>> রিযিকের থেকে খরচা করতে বলতেছে....
রাসুলের কথা বলে>>>>>> দানশীল হচ্ছে হাবিবুল্লাহ>>

যেই ব্যাক্তি ১ দিরহাম দান করবে... সে ‘হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম’ উনার সাথে জান্নাতে থাকবে,

সে >>> পবিত্র বদর ও পবিত্র হুনাইন জিহাদে শরীক থাকার ফযীলত পাবে,

সে >> উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ দান করার ফযীলত লাভ করবে

তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে সাধ্য সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করা বা খিদমতের আঞ্জাম দেয়া


এইটা হইলো আসল কথা.... ঈদ - ই- মিলাদুন্নবী হইলো কথার কথা মাত্র...

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৫৭

আমিল বলেছেন: খরচ করার বিষয়টি হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। কিন্তু আমরা আমাদের মাহফিলে দাওয়াত দিচ্ছি মাত্র। আপনি খরচ করবেন, কোথায় করবেন তা আপনার ব্যাপার।

৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৫৯

উদাসীফাহিম বলেছেন: miladunnobi [aloner pokke.kintu vondo peer bewan bagir bipokke.o manush ke bippoth gaami kortese.....

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৮

আমিল বলেছেন: শুকরিয়া

৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৫

নতুন বলেছেন: ভাইরে আপনার কথায় বোঝা যাইতেছে...আপনি ঐ ধান্ধার সাথি...

আপনার পীর কতটাকার গাড়ীতে চড়ে?
আপনার পীরের বাড়ীতে গিয়েছেন কখনো? তারা কেমন আরাম আয়েশে থাকে?

পীরের বাড়ীতে...দরবারে এসি লাগানো আছে?
পীরের বিছানায় জাজিম না স্পিং মেট্রেস???

দেশে মানুষ এখনো খাবার কস্ট করে...রাস্তায় ঘুমায়.. ঢাকায় ৭ডিগ্রী শীতে রাস্তায় কাথা গায়ে মানুষ ঘুমায়...

আপনার পীর আল্লাহের সাথে কানেকসান আছে...তার আরাম আয়েসের দিকে কেন খেয়াল?

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৩

আমিল বলেছেন: যদিও পোষ্টের সাথে আপনার মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিক তারপরও উত্তরটা দিতে চাই। আপনি আমাকে বলতে পারেন কি? কেন আমি রাজারবাগের মুর্শিদ ক্বিবলা-উনাকে অনুসরণ করি? আপনি যে লিখলেন ঐ ধান্ধার সাথি, আপনি কি আমাকে চেনেন যে আপনি তা দাবী করছেন?
আমি উত্তরটা দিচ্ছি, আপনি আমাকে চেনেনেও না, আর আপনি আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন নিজের বানোয়াটি টা কে সত্য প্রমানের জন্য। যদি ইলম থাকে তবে তো জানা থাকা উচিত মিথ্যা অপবাদ কে দেয় এবং শাস্তি কি?
আমি আরও পরিস্কার ভাবে বলতে চাই, আপনি আমার মুর্শিদ ক্বিবলা- উনাকেও চেনেন না। না চিনে কারও সম্পর্কে মন্তব্য করতে যার একটুও বাধে না, তার আদব ইলম নিয়ে আর যাই হোক আমার সংশয় নেই। আপনার জন্য শুধু এতটুকু বলে দিতে চাই, আমরা শুধুমাত্র আল্লাহ পাক-উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের খাছসন্তুষ্টি হাছিলের জন্যই কোশেষ করি, আর এলক্ষে জরুরত আন্দাজ পর্যন্তই খরচ করি। বিলাসের জন্য কিছুই খরচ করা হয় না।
দেশের মানুষের কথা বল্লেন কিন্তু আমাদের পক্ষ হতে কিছু করা হচ্ছে না এই মিথ্যারোপ কেন? শুধু বিরোধীতার জন্যই বিরোধীতা!

৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৪

নতুন বলেছেন: নতুন বলেছেন: ভাইরে আপনার কথায় বোঝা যাইতেছে...আপনি ঐ ধান্ধার সাথি..

আমি বলেছি আপনার কথায় বোঝা যায়তেছে..... >> আমি জানি তা দাবি করি নাই...

কস্ট পাইলে আমি দুক্ষিত...

কিন্তু ভন্ডপীরের ব্যবসায়ীক ধান্ধানাই এইটা মানা যায়না..

আপনার জন্য শুধু এতটুকু বলে দিতে চাই, আমরা শুধুমাত্র আল্লাহ পাক-উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের খাছসন্তুষ্টি হাছিলের জন্যই কোশেষ করি, আর এলক্ষে জরুরত আন্দাজ পর্যন্তই খরচ করি। বিলাসের জন্য কিছুই খরচ করা হয় না।




উপরের ছবিতে দেখেন.... মুরিদ দের জন্য এই খরচ কে ফরজ বলা হয়েছে....

নামাজ..রোজা..হজ্ব ও ফরজ.... তেমনি এই খরচাও ফরজ??????????

আপনারা ছবি তুলতে হয় বলে... হজ্বে যানা না? ফরজ বাদ দিতে পারেন... আর ঈদেমিলাদুননবী উপলক্ষে পীরের বাক্সে দান কে ফরজ বলতে পারেন???

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৩

আমিল বলেছেন: আপনি যে অংশটুকু চিহ্নিত করেছেন এটা আকাইদের একটি মাছায়ালা। এটা শুধু এখানকার সালিকগণের জন্য নয়, এটা সারা কায়িনাতের জন্য। এটা হুব্বে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অংশ হিসেবে।

নামায, রোযা, যাকাত ও হজ্জ্ব এসমস্ত বিষয়সমূহ হচ্ছে আমল। নামায যেমন ওয়াক্ত হলে আদায় করা ফরয হয়। তেমনি রোযা নির্দিষ্ট মাস উপস্হিত হলে ফরয হয়। তেমনি ভাবে যাকাতের জন্য নিসাব পরিমান সম্পদ ও সময়, যাকাত আদায়ের হক। তেমনি হজ্জ্বের জন্য আর্থিক ও শরীরিকসহ শর্তসমূহ পুরা হওয়ার পর হজ্জ্ব ফরজ হয়। একটি ফরজ আদায় করতে যেতে যদি একটিমাত্র কবিরা গুনাহ করতে হয় তা হলে তা আর ফরজ থাকে না । আর ছবি তোলা, রাখা, দেখা-দেখানো সব কিছুই শরিয়ত দ্বারা প্রমাণিত হারাম।

আর একজন সালিক(মুরিদ) সে নিজে আয়োজন করতে পারবেনা এটা কোথায় বলা হয়েছে? একজন সালিক কোথায় খরচ করবে তা তার ব্যাপার।

৭| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩১

ডাঃ মারুফ বলেছেন: এদের বুঝিয়ে লাভ নাই । এদের সম্পর্কে বলা হয়েছে ,
আল্লাহ পাক সূরা আ’রাফ-এর ১৭৯ নম্বর আয়াত শরীফ-এর মধ্যে ,
لقد ذرانا لجهنم كثيرا من الجن والانس لهم قلوب لا يفقهون بها ولهم اعين لايبصرون بها ولهم اذان لا يسمعون بها اولئك كالانعام بل هم اضل اولئك هم الغفلون.
অর্থ: “আমি জিন-ইনসানের মধ্য হতে অনেককে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ অনেকেই তাদের বদ আক্বীদা ও বদ আমলের কারণে জাহান্নামী হবে। তাদের অন্তর থাকার পরও তারা বুঝবে না, চক্ষু থাকার পরও তারা দেখবে না এবং কান থাকার পরও তারা শুনবে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মতো। বরং তার চেয়েও নির্বোধ। এবং তারা হচ্ছে চরম গাফিল অর্থাৎ তারা আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে চরম জাহিল। উনাদের যিকির ও ছানা-ছিফত করার ব্যাপারে অমনোযোগী।” (সূরা আ’রাফ, আয়াত শরীফ ১৭৯)

৮| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৫

সকাল>সন্ধা বলেছেন: কুরআন শরীফে আছে কুরআন শরীফ উনার আয়াত মুবারকের কিছু মানবে আর কিছু মানবেনা তা হবেনা। তারা হজ্জ ফরজ মানে কিন্তু ছবি তুলা হারাম তা মানেনা। নামাজে মহিলারা মুখের উপর কাপড় রাখতে পারেনা কিন্তু ঐ সময় যদি অন্য বেগানা পুরুষ দেখে ফেলে তাহলে তার নামাজ ভঙ্গহয়ে জায় কারন কবিরা গুনাহ্ করা অবস্থায় নামাজ আদায় হয় না। তাহলে ছবি তুরে সিসি ক্যমেরার সামনে হজ্জএর মত ফরজ আমাল কি ভাবে কবুল হতে পারে? আর তারা জি জানেনা হজ্জ ফরজ হবার পিছনে শর্ত যুক্ত আছে।

৯| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৫

নতুন বলেছেন: উপরের ছবিতে দেখেন.... মুরিদ দের জন্য এই খরচ কে ফরজ বলা হয়েছে....

নামাজ..রোজা..হজ্ব ও ফরজ.... তেমনি এই খরচাও ফরজ??????????


আপনার ভন্ডপীর বাবা ফরজ বানাতে পারেন??

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৩

আমিল বলেছেন: @নতুন আপনি উত্তর পাওয়ার পরও কথা প্যাচাচ্ছেন। আর আপনি যে একজন আগাগোড়া বেয়াদব।
আপনার কমেন্টে স্যরি বলেন অনথ্যায় আপনার "সত্য যাই হোক তাল গাছ আমার" এটিচ্যিউডের জন্য ব্লক করা হবে।

১০| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: @নতুন আপনি উত্তর পাওয়ার পরও কথা প্যাচাচ্ছেন। আর আপনি যে একজন আগাগোড়া বেয়াদব।
আপনার কমেন্টে স্যরি বলেন অনথ্যায় আপনার "সত্য যাই হোক তাল গাছ আমার" এটিচ্যিউডের জন্য ব্লক করা হবে।


আপনি উত্তর কই দিলেন????????

ব্লক আপনারা অবশ্যই করবেন... কারন ভন্ডামীর প্রতিবাদ আপনাদের কাছে ভাল লাগবেনা.. :)

একটু বুঝিয়া বলবেন কিভাবে ঈদেমিলাদুননবী উপলক্ষে পীরের বাক্সে দান কে ফরজ বলতে পারেন???

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫০

আমিল বলেছেন: একটু বুঝিয়া বলবেন কিভাবে ঈদেমিলাদুননবী উপলক্ষে পীরের বাক্সে দান কে ফরজ বলতে পারেন???
অবশ্যই বলব কি ভাবে সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ উপলক্ষ্যে দান করা ফরজ। (চোখ রাখুন সিরিজ লিখাতে) কিন্তু আমার মুর্শিদ ক্বিবলাজানের কাছে দিতেই হবে এটা আপনি কৈ পাইলেন?

মি: ভন্ড ওরফে নতুন, আপনি নিজে ভন্ড বলে সবাইকে ভন্ড ভাববেন এটাই স্বাভাবিক।
আপনার ভন্ডামির হাকিকত হচ্ছে: আপনি ছবি যে তুলা, রাখা, দেখা-দেখানো হারাম তা অস্বীকারকারী। ইসলামী শরিয়তের হালালকে হারাম বা হারামকে হালাল স্বীকার করলে তা কুফরী হয়। আর দায়েমি কুফরীর পরিণতি হচ্ছে কাফির। এখন আমাকে বলেন, মুসলিমগণের পোস্টে আপনার পোষ্ট বাঞ্ছনীয় নয়। আপনি একজন ভন্ড। ভন্ড মুসলিম।

১১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:০২

আমিল বলেছেন: @আলতামাশ, আমার ব্লগে ছবি পোষ্ট করার জন্য মন্তব্য মুছে দেয়া হয়েছে।

আরেকটা কথা ব্যবহারে কিন্তু বংশের পরিচয়!

১২| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২১

দিশার বলেছেন: ভালই মাল কমাইসে দেখা যায় রাজার বর্গী , কোরান শরিফ, হাদিস শরিফ, তেনাদের আল বায়য়েনাত ও শরিফ, তবে মাসিক। দেয়াল ye চিকা মারা বাদ দিয়া এরা ব্লগ যে কাসা দিয়া নামসে ভালো খবর। কিন্তু এদের কথা বাত্রা যে মানুষ রে খালি বিনোদন দিতেসে আর কিসু এটু টুকু বুঝার জ্ঞান তাদের নাই। টোটালি Brainwashed. complete and utter moronik activities and attitude.

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:১৩

আমিল বলেছেন: আস্ত এক কার্টুন এসে বলে, আপনার কথায় আমি বিনোদন পাইলাম। আহা, মরি মরি!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.