| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বাংলাদেশের ৫শ বিঘা জমি অবৈধ দখলে রেখেছে ভারত। স¤প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমানা জরিপে এ তথ্য পাওয়া যায়। জরিপের ফলাফল অনুযায়ি, বাংলাদেশের সীমানা পিলার উঠিয়ে নিয়ে কৌশলে মানচিত্র পরিবর্তন করে দীর্ঘ দিন ধরে বাংলাদেশের প্রায় ৫শ বিঘা জমি অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ)। গত বছরের জানুয়ারি মাসে ভারতের রাজধানী দিল¬ীতে অনুষ্ঠিত ডিজি পর্যায়ে এক বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি এ বছর ১৪ ডিসেম্বর আন্তঃদেশীয় সীমানা জরিপ শুরু হয়। এ জরিপে বেড়িয়ে আসতে থাকে সকল গোপন রহস্য।
জরিপে জানা যায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমা সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ-ভারত সীমানা ভাগের সময় সীমান্তের চাম্পারায় চা-বাগানের পাশে একটি ছড়াকে ঘীরে এই সীমানা চিহ্নিত করে সেখানে পিলার পুতা হয়। ছড়ার গাঁ ঘেষে বাংলাদেশ সীমানার বেশ কিছু অংশ দীর্ঘদিন ধরে ছিল পরিত্যাক্ত। এর কিছু অংশ ব্যবহার করতো চাম্পারায় চা বাগানের শ্রমিকরা। এক পর্যায়ে এ সীমানার কিছু অংশ ভারতের অভ্যন্তরে চলে গেলে এসকল শ্রমিকরা ভারতে থেকেই ঐ জমি ব্যবহার করতে থাকে। মূল ছড়ার প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ বিঘা দুরত্বে বাংলাদেশী ভূখন্ডের চা বাগানের অভ্যন্তরে আরো একটি ছোট্ট ছড়া ছিল। বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘ দিন ধরে এসবের কোন খোঁজ না নেওয়ায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ) জায়গাটি দখলের পায়তারা খোঁজে। এ ভূমি দখলে নিতে তারা কৌশলে সীমানার সকল পিলার তুলে ফেলে এবং মূল ছড়ার অনেকাংশ ভরাট করে। ক্রমে ছোট্ট ছড়াটি তাদের সীমানায় নিয়ে গিয়ে তা চন্দননগরের জনগনকে উন্মুক্ত করে দেয়।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গলস্থ ১৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল নুরুল হুদা (ইঞ্জিনিয়ার) সাংবাদিকদের জানান, পুরাতন মানচিত্রের সাথে সরেজমিনের গড়মিল দেখা দিলে বিষয়টি নিয়ে জটিল সদস্যায় পড়তে হয়েছে তাদেরকে। পরবর্তীতে অনেক তদস্ত ও গবেষণার পর বিজিবি এটিকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে নিশ্চিত করে। বিষয়টি ভারতের বিএসএফ কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা তা অস্বীকার করে ভূমিটি ভারতের বলে দাবী করেন। ভূমি নিয়ে দু’দেশের মধ্যে সৃষ্ট জটিলতার সমাধানকল্পে বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারত যৌথ জরিপের অপেক্ষায় দীর্ঘদিন ডিসপোর্টেড রাখা হয়। গত ১৪ ডিসেম্বর দু’দেশের মধ্যে আন্তঃ সীমানা জরিপে ভারতের দখলে থাকা প্রায় ৫শ বিঘা জমি বাংলাদেশের বলে চিহ্নিত করা হয়। বিষয়টি ইতিমধ্যে বিজিবি’র উর্ধতন মহলকে অবগত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যপারে চাম্পারায় চা বাগানের হেড টিলা বাবু নজরুল ইসলাম জানান, ভূমিটি ডিসি খতিয়ানের খাস জায়গা বলে বাগান কর্তৃপক্ষ সে ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে নি। সেই সূত্র ধরে অত্যন্ত কৌশলে তা ভারতের ভেতরে নিয়ে যায় বিএসএফ।
বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারত এর যৌথ সীমানা জরিপে ভূমিগুলো বাংলাদেশের সীমানায় চিহ্নিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তা ফিরিয়ে আনার কোন উদ্যোগ নেয়া হয় নি। তবে ভারতের নিকট থেকে এ ভূমি ফিরিয়ে আনতে হলে সরকাররে উর্দ্ধতন মহলের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন রয়েছে।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:০৪
অনুজ কািন্ত দাশ বলেছেন: ভাইয়া আপনাকে ধন্যবাদ জানাবো না কি বলবো বুঝতে পাছি না, কারণ স্টিকি মানে কি তা আমি জানি না। বিষয়টা কি একটু বুঝিয়ে দিবেন ভাইয়া।
২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৫
রাজ০০৭ বলেছেন: জরুরি ভিত্তিতে এ কাজ করা উচিত। কারণ এখই সম্ভব তা বাস্তবায়ন
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:১৬
অনুজ কািন্ত দাশ বলেছেন: ঠিকই বলেছেন
৩|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০০
জাওয়াদ হাসান বলেছেন:
৪|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৪
মাহমুদডবি বলেছেন:
৫|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৭
মাহমুদডবি বলেছেন: বন্ধু তর লাইগারে আমার জমি দিলাম ছার মনে সব ছারি দেই তুই আমার ঘর বন্ধু তর লাইগারে।
৬|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৫৭
রিভাইভার-শাওন বলেছেন: bai India Bondhu country(so called),Aesob bolle sorker bidrohe hote paran.SABDAN.
৭|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:১১
হাসান খা বলেছেন: আচ্ছা ভাইজান আরেকটু বিস্তারিত লিখবেন কি? একেবারে সূত্র সহ। হাতে প্রামানিক দলিল থাকলে সেটাও দিতে পারেন। স্টিকি হলে সামুর প্রথম পেজে এটা স্থির হয়ে থাকবে কিছু দিন যতদিন মডারেটর চাইবেন। বিস্তারিত দিলে আমরাও প্রচারনা চালাতে পারি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৩
হাসান খা বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি করা হোক...জাতীর স্বার্থেই