| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অর্ণব আর্ক
জগদ্ধাত্রীর অপরিশোধ্য ঋণে বাঁধাজীবনের তটিনী আজ পড়ে আছে তটে,ঘুম ভাঙানি গান সে কবেই থেমে গেছেএখন আর বাজে না মর্চে ধরা গ্রামোফোন।।ওষ্ঠ-শীর্ষে আকড়ে থাকা পিতৃপ্রদত্ত প্রাণটি সত্যি কেমন এক মূর্তিমান অভিশাপ,এখানে কেবলি বেজে ওঠে ,শ্মশানের সেই খট্টাঙ্গ পুরাণের বিলাপ,মুর্তিমান বিভীষিকায় আচ্ছন্ন এ এক অপলাপ। তবুও স্বপ্ন দেখি আকাশ ভরা জোছনায়,বৈশাখী পূর্ণিমায় এখনো বুক বাধিঁ আশায়। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম খামে মন আজ চিঠি পাঠায়কোনো অর্বাচীন ঠিকানায়। তাই দৃষ্টি আমার প্রসারিত ঐ নীলিমায়।
লুসি ওয়েস্টেনরা, আর্থার, জোনাথন হারকার, মিনা হারকার আর এমনি সব চরিত্রের পাশাপাশি এক পাগলা প্রফেসর ভ্যান হেলসিং। রসুনের টুকরা আর বুনো গোলাপের ডাল। আর কিছু কফিন।
হঠাৎ করে লুসি ওয়েস্টেনরা সন্দেহজনকভাবে শুকিয়ে যেতে শুরু করেন। সিউয়ার্ড আমস্টারডামে তাঁর বৃদ্ধ শিক্ষক অধ্যাপক আব্রাহাম ভ্যান হেলসিংকে ডেকে আনা হয়। বিজ্ঞ ভ্যান হেলসিং দেখামাত্র লুসির এই অবস্থার কারণটি বুঝতে পারেন।
তিনি জানতেন, ভ্যাম্পায়ারের কথা বললে তাঁর প্রতি সিউয়ার্ডের যে আস্থা আছে তা নষ্ট হয়ে যাবে। ভ্যান হেলসিং বিভিন্ন রকম ভাবে ব্লাড ট্রান্সফিউসন করে তাকে সারাবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। সিউয়ার্ডকে একটি চিঠিতে লুসির উপর নজর রাখার নির্দেশ দিয়ে ভ্যান হেলসিং এক রাত্রিতে আমস্টারডামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু এই চিঠি ভুল ঠিকানায় গিয়ে পড়ে। সেই রাতেই লুসি আর তাঁর মা-কে একটি নেকড়ে আক্রমণ করে। দুর্বল হৃদয়ের মিসেস ওয়েস্টেনরা ভয়েই মারা যান এবং লুসিও তার অনতিবিলম্বে মারা যান। নেকড়েটিকে লন্ডনের চিড়িয়াখানা থেকে ড্রাকুলাই ছেড়ে দিয়েছিলেন কিছু কাজ হাসিলের জন্য। এভাবেই কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে অনেক ডায়েরির কাহিনী বর্ণনার ঘনঘটায়। বলছি ব্রাম স্টোকারের ড্রাকুলার কথা।
ছেলেবেলায় দুষ্টুমিতে একটুখানি হলেও টান পড়েছিল। একটু হলেও গা ছমছম করে উঠেছিল ব্রামস্টোকারের এই রচনাটি পড়ার পর। রাতে ঘুমুতে গিয়ে বাতাসে জানালাটা একটু নড়ে উঠলেই মনে হতো ঐ বুঝি নেকড়ে মাথা নাড়া দিয়ে উঠলো। লিচু বাগানের নিচ দিয়ে হাটতে গিয়ে বাদুড় ডানা ঝাপটা গিলেও অজান্তে মাথায় হাত উঠতো। কিন্তু কোনোদিন সেই রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ারের দেখা পাইনি। দেখা পাইনি আর্থার, লুসি ওয়েস্টেনরা, জোনাথন হারকার, মিনা হারকার বা অমনি কোন পাগলা প্রফেসরের। তবে কফিন দেখেছি ঢের।
ইতিহাস পড়তে পড়তে এক সময় খুজে পেলাম সত্যিকারের ড্রাকুলা ভ্লাদ দ্য ইমপেলারকে। বস্তুত ব্রাম তাঁর স্টোকার ড্রাকুলা চরিত্রটিই খুঁজে পান ব্রিটিশ মিউজিয়ামে গবেষণা করতে গিয়ে।
রক্তচোষা
রোমানিয়ার প্রাচীন এক রাজ্যে কাউন্ট ভ্লাদ নামে এক নিষ্ঠুর শাসক ছিল। যার নিষ্ঠুরতা ছিল তুলনাতীত। মানুষকে শূলে চড়িয়ে আর পাথরে থ্যাতলা করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ছিল তার কাছে অনেক আনন্দর বিষয়। রাজ্যের প্রায় ৫ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিলেন পিশাচ ভ্লাদ!
রোমানিয়ার রাজ্য ওয়ালাচিয়ারের শাসক ভ্লাদ পরিচিত ছিলেন 'ভ্লাদ দ্য ইমপেলার' নামে। এর অর্থ করলে দাঁড়ায় 'শূলবিদ্ধকারী/হত্যাকারী ভ্লাদ'। নিষ্ঠুর ভ্লাদ রাজ্য শাসন করতেন কঠোর হাতে। কথার অবাধ্য হলেই সঙ্গে সঙ্গে চড়িয়ে দিতেন শূলে। টুপি খুলে সম্মান না জানানোর জন্য দু'জন ভ্রমণকারীর শিরচ্ছেদ করা হয়েছিল সেই সময়।
শোনা যায় ভ্লাদ ছিলেন নেক্রোফিলিক। অর্থাৎ পিশাচ ভ্লাদ ছিলেন মৃতদেহে আসক্ত। তিনি প্রেমে প্রতারণাকারী এক নারীকে হত্যা করে দীর্ঘদিন তার সাথে বাস করেছিলেন। ব্রাম স্ট্রোকার ইতিহাসের এই ঘটনাকে উপজীব্য করেই তার কাহিনী ফেদে আপামর শিশুদের মনে ত্রাস সৃষ্টি করে থাকতে পারেন। প্রেমে প্রতারণাকারিনীদের অতি মাত্রায় বিদ্বেষী ভ্লাদ প্রতারক প্রেয়সীদের সরাসরি হত্যা না করে খুলে নিতেন গায়ের চামড়া। কিংবা উত্তপ্ত কড়াইয়ে তেল ঢেলে ঝলসে ফেলা হতো তাদের। অনেক সময় তাদের শিরা কেটে ভ্লাদ তার ভোজন করতো রক্ত দিয়ে! ভ্লাদের নিষ্ঠুরতার হাজারো কাহিনী সেখানকার মানুষের মুখে কিংবদন্তির মতো আজও ঘুরে বেড়ায়। যেগুলো বিশ্ব ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে পৈশাচিকতার অধ্যায় হিসেবে।
পিশাচ ভ্লাদ দ্য ইমপেলার
প্রবল সাহসী তুর্কি সেনারা বার বার ভ্লাদের বাহিনীকে পর্যূদস্ত করে আসছিল। কিন্তু বন্যার কারণে তুর্কিরা দুর্বল হয়ে পড়ে। সুযোগ বুঝে ভ্লাদের সৈন্যরা বন্দি করেছিল প্রায় ২০ হাজার তুর্কিকে। যাদের প্রত্যেককে শূলে চড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। পরবর্তিকালে শক্তি সঞ্চয় করে ১৪৫৯ সালে তুর্কি সেনাবাহিনী ভ্লাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালায়। তুর্কি বাহিনীর হাতে মার খাওয়ার পর ভ্লাদের শক্তিমত্তা স্তিমিত হয়ে আসতে থাকে।
ব্রাম স্ট্রোকার
আমরা কমবেশি ট্রান্সসিলভেনিয়া অঞ্চলে বেথলেন গাবোরের আক্রমণের কথা জানি। বেথলেন গাবোরের আক্রমণের কিছুদিন পূর্বে ভ্লাদের জন্ম হয়েছিল এই ট্রান্সসালভানিয়ারই কাছাকাছি কোনো একটি স্থানে। কিশোর বয়স থেকেই পৈশাচিক স্বভাবের অধিকারী ভ্লাদকে অনেক সময় কাটাতে হয়েছে জেলখানার অন্ধ প্রকোষ্ঠে। হটাৎ মুক্ত হয়ে অনেকটাই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন ভ্লাদ। মাত্র ছয় বছরের শাসনকালের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছিলেন তিনি।
তুর্কিদের বিরুদ্ধে বার বার অভিযান চালিয়ে অনেক চেষ্টা করেও বার বার ব্যর্থ হয়েছিল পিশাচ ভ্লাদ। তুর্কি বাহিনীর প্রবল আক্রমণে পশুর মতো মরতে হয়েছিল তাকে। ভ্লাদের মৃত্যুতে মানুষ হাফ ছেড়ে বাচলেও সে রেখে গেছে ইতিহাস। আর নিষ্ঠুর শাসক ভ্লাদের কথা সময়ের আবর্তনে হারিয়ে যেতে দেননি বিখ্যাত লেখক ব্রাম স্টোকার। অমর সৃষ্টি 'ড্রাকুলা' উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি অমর করেছেন এই নিষ্ঠুর শাসককে। আমরা পাঠকরা পেয়েছি অদ্ভুদ সব চরিত্রগুলোকে।
তথ্যসূত্র:
1. উইকিপিডিয়া
2. ব্রাম স্ট্রোকারের ওয়েবসাইট
3. Leonard Wolf (2004), The Essential Dracula, Chapter 13, Note 31. "Bloofer lady" is explained as baby-talk for "beautiful lady."
4. Schaffer, Talia. A Wilde Desire Took Me: the Homoerotic History of Dracula, in: ELH - Volume 61, Number 2 (1994), pp. 381–425.
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৪
অর্ণব আর্ক বলেছেন: এবার সত্যি ডরাইছি। আমার পোস্টে ড্রাকুলা আইয়া হানা দিছে। সর্বনাশ। আন্নে কুইত্তে আইলেন। প্রফেসর ভ্যান হেলসিং কি জানে আন্নে আইছেন।
২|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৭
কাউন্ট ড্রাকুলা বলেছেন: ভ্যান হেলসিং হের নতুন বউরে নিয়া ব্যস্ত আর জোনাথন মিনাকে নিয়া। সেই ফাকে রাইতের বেলা একটু বের হলাম আরকি। :#>
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৯
অর্ণব আর্ক বলেছেন: কিন্তু লাভ নাইক্যা ড্রাকুলা ভাই। ভ্যান হেলসিং না আন্নের কফিনের উপ্রে নগদে গোলাপের ডাল আর বুনো রসুনের কোয়া ছিটাই দিয়া গেছে গা।
৩|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৩
চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।ড্রাকুলার মুভি মেলা দেখছি,বাট কাহিনি কিছুই জানতাম না।নিজেরে মেলা গিয়ানি গিয়ানি লাগতেছে এখন ![]()
+++
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫০
অর্ণব আর্ক বলেছেন: গিয়ান এমুনি। এই গিয়ান আমার মুণ্ডুর উপ্রে ঘোড়ার জিনের মতো চাইপ্যা বইয়া ছিল। অহন নাইম্যা গেলগা।
৪|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩২
রক্তভীতু ভ্যাম্পায়ার বলেছেন: ঐ মিয়া ভ্যাম্পায়ারের দেখা পান নাই!!!!! কিন কি!!!!!!!!!!! আমি কি গাং দিয়া ভাইসা আসছি!!!!!!!
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৩
অর্ণব আর্ক বলেছেন: আন্নেরে পছন্দ হৈনাই।
আন্নে বাচ্চা কাচ্চাদের লাহান হা কৈরা আচেন কিল্লাই ![]()
৫|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৭
বাহাদুর বাপ্পী বলেছেন: ভস রাইতবিরাইর কি সব পোস্টাইছ ? ভয়েত আমার অবস্থা কাহিল ।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৭
অর্ণব আর্ক বলেছেন: ধুর কন কি ?
৬|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৫
উদাস যুবক বলেছেন: কাউন্ট ড্রাকুলা বলেছেন: পরসোনাল লাইফ নিয়ে আবার টানাটানি কেন? /![]()
হাহাহা...ব্যাপুক মজা পাইলাম।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৭
অর্ণব আর্ক বলেছেন: আকাম কর্লে প্রচার পাবেই।
ধর্মের ঢোল আপনি বাজে।
৭|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:১০
টিনটিন` বলেছেন: ইনাকে নিয়ে আমিও কিঞ্চিত লিখেছিলাম একসময়, পড়তে পারেন। ![]()
{মিথ নাকি বাস্তব? (পর্ব-২)} ড্রাকুলা (Dracula)
লিংক বিতরনের জন্য দুঃখিত।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৮
অর্ণব আর্ক বলেছেন: আরে ভাই। অনেক সুন্দর পোষ্টের লিংক। ধন্যবাদ দিলাম। এই রকম লিংক হাজারটা বিতরণ করতে পারেন।
৮|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:১৯
ঘর কুনো বলেছেন:
মুভির চেয়ে পড়তে মজা লেগেছে বেশি
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৯
অর্ণব আর্ক বলেছেন: মুভিতে যে কৃত্রিমতা ছিল লেখাতে তেমন ছিলনা। গল্পটা পড়েছেন এমন বয়সে যখন মন ছিল কল্পনাবিলাসী। আর এখন হয়ে গেছে যান্ত্রিক। তাই কল্পনা বিলাসী মনের বাস্তবতা আর যান্ত্রিক মনের আবদার এক হতে পারে না। এই জন্য প্রথম ভালোলাগা তো হবে তখনকারই।
৯|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৯
দূর্যোধন বলেছেন: ছোটবেলার একটা সময় কত ফ্যান্টাসী ছিলো এই ড্রাকুলা নিয়ে,ভাবতাম ইউরোপের রোমানিয়া মানেই ড্রাকুলার অভয়ারণ্য
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২০
অর্ণব আর্ক বলেছেন: ভাই আমরা প্রায় সবাই অমন ভাবতাম। তবে সবথেকে মজা লাগে যখন মনে পড়ে রাতে বাতাসে জানালা নড়লে পকেট থেকে রসুনের কোয়া বের করতাম। বাড়ির উঠানে দুটো গোলাপ গাছ লাগিয়েছিলাম ঐ ড্রাকুলার ভয়েই। ![]()
১০|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ২:২০
নুর ফ্য়জুর রেজা বলেছেন: +++++
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২০
অর্ণব আর্ক বলেছেন: ধন্যবাদ।
১১|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২০
কামরান মানছুর বলেছেন: অনেক দিন পর কাহিনীগুলো আবার সামনে আনার জন্যে ধন্যবাদ।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২১
অর্ণব আর্ক বলেছেন: সবথেকে মজা লাগে যখন মনে পড়ে রাতে বাতাসে জানালা নড়লে পকেট থেকে রসুনের কোয়া বের করতাম। বাড়ির উঠানে দুটো গোলাপ গাছ লাগিয়েছিলাম ঐ ড্রাকুলার ভয়েই।
১২|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৫২
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ++++++
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৩
অর্ণব আর্ক বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৩|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৮
samolbangla09 বলেছেন: সেই ক্লাশ সেভেন কিংবা এইটে ড্রাকুলা পড়েছিলাম। আজকে আপনার লেখা পড়ে কাহিনিগুলো মনে পড়ে গেল আবার।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২১
অর্ণব আর্ক বলেছেন: সবথেকে মজা লাগে যখন মনে পড়ে রাতে বাতাসে জানালা নড়লে পকেট থেকে রসুনের কোয়া বের করতাম। বাড়ির উঠানে দুটো গোলাপ গাছ লাগিয়েছিলাম ঐ ড্রাকুলার ভয়েই। হাহাহা।
১৪|
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০৮
শিবলী১২৩ বলেছেন: ভ্লাড দা ইম্পেলার সম্পর্কে কথিত আছে, প্রতি সকালে সে নাস্তা খাবার সময় তার সামনে কিছু মানুষকে কাঠের গজালে গেথে হত্যা করা হতো। এ দৃশ্য না দেখলে নাকি তার সকালের নাস্তা জমতো না।
তার মারা যাবার ব্যাপারেও কিছু কাহিনী শোনা যায়। সে মারা যাবার কিছুদিন পর নাকি রাজ্য থেকে ছোট ছোট বাচ্চারা উধাও হয়ে যেতে লাগলো। একসময় লোকজনের ভ্লাডকেই সন্দেহ হতে থাকে এবং কবর খুরে দেখা যায়, সেখানে তার লাশ নেই। এখান থেকেই মূলত ভ্যাম্পায়ারের উদ্ভব। ব্রাম স্ট্রোকার এই মিথটিকেই তার কাহিনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন।
ইতিহাসবিদরা অবশ্য ভ্লাডের অন্তর্ধান রহস্যের এভাবেই ব্যাখ্যা দেনঃ রাজ্যে ভ্লাডের প্রচুর অনুসারী ছিল যারা নেক্রোমেন্সি চর্চা করত। জনতার মাঝে ভীতি তৈরীর জন্য তারাই বাচ্চাদের অপহরন করে নিয়েছিল এবং ভ্লাডের লাশ সরিয়ে রেখেছিল।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৬
অর্ণব আর্ক বলেছেন: তবে প্রচুর ইতিহাসের বৈ পড়ে আমার কেনো যেনো মনে হয় এগুলো উপনিবেশিকতার নির্মাণ ও হতে পারে। যেখানে ভারত, বাংলা, ফাকিস্তান, আফ্রিকা বা ম্যারিকার কাউকে কলংকিত করতে পারলে ইউরোপের জন্য অনেকসহজ হৈতো তাদের উপনিবেশ বিস্তৃতি ঘটানোর।
০৯ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৭
অর্ণব আর্ক বলেছেন: অ. ট. আফ্রিকার উপনিবেশিক প্রত্নতত্ত্ব চর্চার কাহিনী আর এডওয়ার্ড সাইদের চুলচেরা বিশ্লেষণমূলক বৈ গুলো পড়ার পর আমার কাছে পশ্চিমের লেখা সব কাহিনীকেই জোনাথন সুইফটের গ্যালিভার ট্রাভেলসের মিথ বলে মনে হয়।
১৫|
১১ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৯
অ্যানোনিমাস বলেছেন: ৮ম ভালোলাগা দিলাম ![]()
১৫ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪২
অর্ণব আর্ক বলেছেন: লগে ধইন্য লও।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫২
কাউন্ট ড্রাকুলা বলেছেন: পরসোনাল লাইফ নিয়ে আবার টানাটানি কেন?