নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...

অর্ক

Mail: [email protected]

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-২

১৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৪



ইরান বিশ্বসভ্যতার জন্য এক অভিশাপ; এক কলঙ্ক। কাঠমোল্লারা ক্ষমতা পেলে একটি রাষ্ট্রের যে কি পরিণতি হয়, তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ ইরান। সম্পূর্ণরূপে বর্বর অসুস্থ একটি রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে। যেখানে স্কার্ফ ঠিকঠাক না পরার জন্য মাসা আমিনি নাম্নী বাইশ বছর বয়সের এক টগবগে তরুনীকে মোরাল পুলিশিংয়ের নামে পিটিয়ে, নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। এবং পরবর্তীতে এর প্রতিবাদে আন্দোলন ফুঁসে উঠলে, সেখানেও নির্বিচারে হাজারো নিরপরাধ মানুষ হত্যা করা হয়। ফাঁসি দেয়া হয় অগুনিত নির্দোষ তরুণ তরুণীকে। সবকিছুর রেকর্ড আছে, তথ্য আছে। এগুলো হাওয়ায় বলা কথা নয়। সেসব তরুণতরুণীরা ভিডিওচিত্র ধারণ করে সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বিশ্বকে জানিয়েছে, কিভাবে তাদের অত্যাচার নির্যাতন করছে ইরানের শাসন প্রশাসন। পরবর্তীতে অনেকের ফাঁসি হয়। অনেকে হতাশা নিয়ে আত্মহত্যা করে। ইরানি সরকার অফিসিয়ালি জানিয়েছে যে, পাঁচ হাজার মানুষ মারা যায় সে আন্দোলনে। কিন্তু বিভিন্ন নিরপেক্ষ সামাজিক, মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, সংখ্যাটা কোনওরকমেই পনেরো হাজারের নিচে নয়। এভাবেই গত পঞ্চাশ বছর ধরে ইরানের জনসাধারণ বিরতিহীনভাবে কট্টরপন্থী মোল্লাদের দ্বারা নির্যাতিত, নিষ্পেষিত হয়ে আসছে। লাখো নিরপরাধ মানুষ জীবন দিয়েছে। মোল্লাতন্ত্র ইরানের সমাজব্যবস্থাকে চূড়ান্তরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার বলে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। আইনের শাসন শূন্য। ভিন্নমতের প্রচার প্রসারণ সুদূর পরাহত। এই কাঠমোল্লারা ক্ষমতা পেয়ে শুরুতেই ইসলাম বিরোধী আক্ষ্যা দিয়ে ইরানের কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকর্মীদের জবাই করে হত্যা করে। পরবর্তীতে পুরো কমিউনিস্ট আন্দোলনকেই সেখানে সমাপ্ত করা হয়। সে বর্বরতা, নৃশংসতার ধারাবাহিকতা চলমান। শুরুতেই যেমন বলেছি, ইরান বিশ্বসভ্যতার বুকে আজ এক অভিশাপ, এক কলঙ্কের নাম; আতঙ্কের নাম। একেবারেই বর্বর জঙ্গি রাষ্ট্র। এরা কিছুতেই এভাবে টিকে থাকতে পারে না পৃথিবীতে। এদের আমাদের ধ্বংস করতেই হবে। নাহলে এরাই আমাদের ধ্বংস করে দিবে। তাই ইরানবিরোধী চলমান যুদ্ধে আমি সর্বাত্মকভাবে আমেরিকা ইসরায়েলের সাথে আছি। এ যুদ্ধ ইরানের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে নয়। সেখানকার বর্বর জঙ্গি কাঠমোল্লা শাসনের বিরুদ্ধে। জানি, এর জন্য প্রচুর রক্তপাত, প্রচুর ত্যাগ ক্ষয়ক্ষতি মেনে নিতে হবে সাধারণ ইরানিদের। যা সত্যি দুর্ভাগ্যজনক।

(চলবে)

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইরান কে দেখতে পারেন না বলে আমেরিকা-ইসরায়েল কে কেন support করতে হবে ?

১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১

অর্ক বলেছেন: ইসরায়েল নিয়ে কি জানেন?

২| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৫১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি ইসরায়েল–আমেরিকা নিয়ে কতটুকু জানি, সেটার চেয়ে এখন অনেক বেশি জরুরি এই যুদ্ধের দ্রুত সমাপ্তি হওয়া। কারণ এই সংঘাত যদি ছয় মাস পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে বাংলাদেশের পরিস্থিতিও খারাপ হয়ে যেতে পারে। এমনিতেই ট্যারিফ নিয়ে বিশ্ববাণিজ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা সিদ্ধান্তের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি অনেকটা অস্থির হয়ে পড়েছিল।

ইরানকে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব পছন্দ করি না। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি জোরপূর্বক সেখানে রেজিম চেঞ্জ ঘটানোর চেষ্টা করে, তাহলে সেটি গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ভয়াবহ অস্থিরতা ডেকে আনতে পারে। আর এর প্রভাব সরাসরি পড়বে আমাদের ওপরও ; কারণ লাখ লাখ বাংলাদেশি সেই অঞ্চলের দেশগুলোতে কাজ করে এবং তাদের আয়ের ওপরই অনেক পরিবার নির্ভরশীল।

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫

অর্ক বলেছেন: এসব ভালো কথাবার্তা বলে কোনও লাভ নেই। ইসরায়েলের যুদ্ধের বিকল্প নেই। আমেরিকার নিজের স্বার্থ আছে যুদ্ধে নিঃসন্দেহে। রেজিম চেঞ্জ না হলে ইরান টিকতে পারবে না। দেশ ভাগ হতে পারে। আপনার এসব আদর্শ কথায় চিড়া ভিজবে না। ইসরায়েলকে যুদ্ধ করতেই হতো। আগের লেখায়, আপনার লেখায় এাব নিয়ে বলেছি। ভালো থাকবেন।

৩| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯

আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: হিন্দিতে একটা বাক্য আছে — “ কীচড় সে ভি কমবখ্ত! ”
এই জাতীয় নোংরা, নরকের কীট, কমবখ্ত প্রজাতির লোকেরাই শুধু ইরানের শাসকদের ঘৃণা করার জন্য ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসন, গণহত্যা আর শিশু হত্যাকে চোখ বন্ধ করে সমর্থন করতে পারে। যারা এমন করে, তারা নিজেরাই মানবতার সবচেয়ে নীচু, ইতিহাসের নরপিশাচ — কোনো মানুষ নয়!

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯

অর্ক বলেছেন: এভাবে অকথ্য গালাগালি করছেন কেন ভাই! যুক্তিতর্কের এতো কাঙ্গালি! যুদ্ধ যেন না হয় তার জন্য কাজ করতে হবে সবাইকে। ওআইসি, আরব লীগ, মুসলিম উম্মাহর উচিত ছিলো ইরানের জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদ দমনে কঠোর হওয়া। যাই হোক এরকম গালিবাজের সাথে কথা বাড়াতে চাই না। পরবর্তীতে ব্লক করবো।

৪| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: আপনি ইরানের বিরুদ্ধে তো কি হয়েছে? এমন কিছু রাজাকার পৃথিবীতে সকল ক্ষেত্রেই থাকে।

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

অর্ক বলেছেন: আরে ঝাড়ফুঁক গবেষক এভারেজ ইরানিরা দেখা যাবে আপনাকে বানর মনে করে! এতো উতলা হবেন না ইরানের হয়ে। ধন্যবাদ।

৫| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০৯

এইচ তালুকদার বলেছেন: লিবিয়া, আইরাক বা এখনকার সিরিয়ায় তো আপনার বর্ননার কাঠ**রা নেই তো সেখানে সাবার সমান অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে তো? সেখানে কি আইনের শাসন কায়েম হয়েছে?

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

অর্ক বলেছেন: পৃথিবীতে সমস্যা আছে কমবেশি। আগেও ছিলো। সামনেও থাকবে। আমাদের দেশও এর মাঝে। ইরানের কাঠমোল্লাদের অত্যাচার নির্যাতন নিয়ে লিখেছি। এখনও ইরানিরা মুক্ত হয়নি সে অভিশাপ থেকে। শরম পান না ভয়? বলেন কাঠমোল্লা, মোল্লাতন্ত্র।

৬| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১২

নতুন বলেছেন: তাই ইরানবিরোধী চলমান যুদ্ধে আমি সর্বাত্মকভাবে আমেরিকা ইসরায়েলের সাথে আছি। এ যুদ্ধ ইরানের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে নয়। সেখানকার বর্বর জঙ্গি কাঠমোল্লা শাসনের বিরুদ্ধে। জানি, এর জন্য প্রচুর রক্তপাত, প্রচুর ত্যাগ ক্ষয়ক্ষতি মেনে নিতে হবে সাধারণ ইরানিদের। যা সত্যি দুর্ভাগ্যজনক।

অবশ্যই ইরানের খামিনি বুড়ো ভাম, নতুন প্রযন্মের জন্য ভালো কিছু করেনাই, শিয়াদের অধীপত্তি বাড়াতে বিভিন্ন দলকে ফাইনান্স করেছে মধ্যপ্রাচ্যে। তারাও লাখো মানুলে মৃত্যুর জন্য দায়ী।

কিন্তু এই যুদ্ধ ইসরাইলের, নেতানইয়াহুর ক্ষমতায় থাকার জন্র, ইতিমধ্যে ২ হাজারের মতন মানুষ মারা গেছে। আরো যাবে।

আর অর্থনৈতিক প্রভাবে লাখো মানুষের জীবন জিবিকা হুমকির মুখে।

যুদ্ধে আমেরিকা তেলের উপরে নিয়ন্ত্রন চায়। ইরানের মানুষের স্বাধীনতা তাদের মাথা ব্যাথার কারন না। :|

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫

অর্ক বলেছেন: বাকি সব মোটামোটি ওকে। কিন্তু কি বললেন যে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকার জন্য যুদ্ধ করছে! এ ধরণের মহা জোকারি মন্তব্য করবেন না প্লিজ। এগুলো লজ্জা, শরম! বহু পুরনো ব্লগার আপনি। নেতানিয়াহু সম্পর্কে কি জানেন? কিছুই না! মনে আসলো অমনি বলে দিলেন! নেতানিয়াহুর জন্মের আগেও ওখানে যুদ্ধ হয়েছে। বৈশ্বিক সমস্যা। আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদের শিকার ইসরায়েল। যুদ্ধ করে টিকে আছে। পুরো জীবন দেশের সেবা করা নেতানিয়াহু, ক্ষমতায় থাকতে দেশকে যুদ্ধে জড়াবে! হায়রে অজ্ঞতা! খুবই লো আই-কিউ লেভেল থেকে এরকম চিন্তা আসতে পারে!

আর মন চাইলো অমনি এক দেশ আরেক দেশের তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে না। বিজনেস করতে পারে। সরকারের থেকে সুযোগসুবিধা নিতে পারে। কিন্তু একদল আমেরিকান রাতারাতি যেয়ে দখল নিতে পারে না। যুদ্ধে আমেরিকার স্বার্থ তো আছেই। যাই হোক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন ভাই।

৭| ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫

অর্ক বলেছেন: যাই হোক মন্তব্যের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। সবার জন্য সম্মান, ভালোবাসা।

৮| ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:১৬

নতুন বলেছেন: কিন্তু কি বললেন যে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকার জন্য যুদ্ধ করছে! এ ধরণের মহা জোকারি মন্তব্য করবেন না প্লিজ। এগুলো লজ্জা, শরম! বহু পুরনো ব্লগার আপনি। নেতানিয়াহু সম্পর্কে কি জানেন? কিছুই না! মনে আসলো অমনি বলে দিলেন! নেতানিয়াহুর জন্মের আগেও ওখানে যুদ্ধ হয়েছে। বৈশ্বিক সমস্যা। আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদের শিকার ইসরায়েল। যুদ্ধ করে টিকে আছে। পুরো জীবন দেশের সেবা করা নেতানিয়াহু, ক্ষমতায় থাকতে দেশকে যুদ্ধে জড়াবে! হায়রে অজ্ঞতা! খুবই লো আই-কিউ লেভেল থেকে এরকম চিন্তা আসতে পারে!

ভাই আপনাদের আইকিউ লাই লেভেলের তাই আপনারা সব কিছুই বোঝেন, আমরা যেটুকু বুঝতে পারছি সেটাই বললাম আরকি। B-)

আমাকে ওস্তাদ বলছিলো যে বেশি বোঝে তার সাথে আলোচনা করার দরকার নাই। সে তো সবই বোঝে :D

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

অর্ক বলেছেন: ওকে ভাই, আপনি যা বোঝেন, তাই ঠিক। আগের মন্তব্য ফিরিয়ে নিয়ে আপনার সাথে সহমত জানাচ্ছি, নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকার জন্য যুদ্ধ করছে। ঠিক আছে। আপনাকে আমার সম্মান, শুভকামনা জানাচ্ছি। ভালো থাকবেন।

৯| ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:২৩

নতুন বলেছেন: ভাই ইরান, ইসরাইল, আমেরিকা কেউই আমার দোস্তো না।

যারা মানুষ হত্যার পক্ষে মদদ দেয় আমি তাদের পক্ষে না।

বর্তমান যুদ্ধে আমার নিজেরই কাজ হুমকির মুখে।

ভাই নেতানিয়াহু , ট্রাম্প নিয়া আমাদের মাঝে কোন ক্যাচাল আমি করতে চাইনা। :D

১৮ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬

অর্ক বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন ভাই। যুদ্ধের প্রতিদিনই ভয়ানক ধ্বংসের দিন। ভাই, মানুষের মৃত্যু কারোই কাম্য না। আমি তো পশুপাখিদেরও হত্যার বিরুদ্ধে। সারা পৃথিবী বিপদে। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। এজন্যই লিখছি। আমরা সচেতন হই। আর যেন কোথাও যুদ্ধ না হয়। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। সাবধান হতে হবে।

অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.