| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাহ, আইনের শাসন নেই! চারিদিকে হত্যা ধর্ষণসহ বিভিন্ন জঘণ্য অপরাধ ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। যে কোনও সমাজ রাষ্ট্র জাতির জন্যই অশনি সংকেত। কোথায় যাচ্ছি আমরা? কোন অন্ধকার অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে দেশ? পুলিশের ভয়, আইনের শাসন সম্পূর্ণরূপে উঠে গেছে। স্কুল ছাত্ররাও আজ এক পয়সা দাম দেয় না পুলিশকে। এভাবে কোনও দেশ চলতে পারে না। এর জন্য সম্পূর্ণ দায়ী জল্লাদ, খুনি, নরপশু ইউনুস। মব কালচারকে প্রশ্রয় দিয়ে দিয়ে বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে দেশের। একশন তো দূর, উল্টো সুগার কোটিং করে প্রেসার গ্রুপ নাম দিয়ে প্রকারান্তরে উৎসাহ দিয়েছে বারবার। বাংলাদেশের ওপর বোধহয় গত জন্মের দুশমনির প্রতিশোধ নিয়েছে ইউনুস। একদম ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউনুস যেন পালাতে না পারে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখলেই পালাবে। ওকে কোনওরকমেই পালাতে দেয়া যাবে না। ওর বিচার হতেই হবে দেশের মাটিতে। ক্ষমা নেই। একটা স্বাধীন সার্বভৌম অগ্রসরমান সুখী দেশকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিলো! শাস্তি পেতেই হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে শিশু রামিসার ঘটনা অত্যন্ত মর্মভেদী। এসব আসলে দেখা যায় না, শোনা যায় না; এতোটাই বীভৎস, পাশবিক, নির্মম। হরহামেশাই ঘটছে। মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার আড়ালে শিশু বলাৎকার বহু আগে থেকে চলে আসছে। এগুলো বরাবরই লোকলজ্জার ভয়ে, ধর্মীয় ভাবাবেগের কারণে ধামাচাপা দেয়া হতো। কিন্তু ইদানীং এতোটাই বেড়ে গেছে যে, নিত্যই প্রকাশ্যে আসছে। তাছাড়া এখন অপরাধীদের সাহসও বেড়ে গেছে বহুগুণ। এরা বলাৎকার করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, কোনওরকম বাধার মুখে পড়লে বা প্রকাশের ভয় থাকলেই নৃশংসভাবে হত্যা করে বসছে। এসব জঘন্য অপরাধ আগের যে কোনও সময়ের থেকে এখন অনেক বেশি হচ্ছে। বহু খবর জনসম্মুখে আসছে না, আসতে দেয়া হচ্ছে না।
সবমিলিয়ে নানান সমস্যায় জর্জরিত দেশ। অর্থনীতি বেহাল। বিনিয়োগ নেই। অভাব, দারিদ্রতা জেঁকে বসছে। উন্নয়ন উন্নতি সুশাসন সুদূর পরাহত। জান নিয়েই টানাটানি! অথচ সরকার পড়ে আছে কার্ড বিতরণ, খাল খননের মতো ছোটোখাটো কাজ নিয়ে। এরা কি উদ্ধার করবে দেশ বোঝা হয়ে গেছে। আমার কথা লিখে রাখেন, সামনে এমন দূর্দশা হবে যে জনগণ মাঠে নেমে কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতাচ্যুত করবে। এভাবে পাঁচ বছর থাকতে পারবে না। করোনাসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকট শেখ হাসিনা যেভাবে মোকাবেলা করেছে, তা অতুলনীয়। সবখানে আলোচনা, শেখ হাসিনার শাসনামলে একদিনের জন্য এতো দুরাবস্থা ছিলো না। সুখেদুখে খেয়েপরে মোটের ওপর ভালো ছিলাম। আইনের শাসন ছিলো, বিচার ছিলো। মাঝরাতেও কাজ শেষে নিরাপদে ফেরা যেতো।
মানুষ আজ ফুঁসছে। যে কোনও সময় বিস্ফোরণ হবে। আমেরিকার পেট্রো ডলারের জোরে নাজুক বয়সের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা যায়। কিন্তু ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে হলে কাজ করতে হয়, পারফরম্যান্স দেখাতে হয়। নাহলে কোনও ষড়যন্ত্র, কোনও পেট্রো ডলারেই কিছু হবে না, জনরোষে পালাতে হবে। পরিস্থিতি ঘুরে যাচ্ছে ক্রমশ। পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে।
২|
২২ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
কাঁউটাল বলেছেন: শিশু রামিসা হত্যার দিন (মে ১৯ ২০২৬ তারিখে) তারেক রহমান কি কোন অন্যায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন? সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধান কোন খারাপ নিয়্যত করলে দেশের উপর তার প্রভাব পড়ে।
২৩ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:২২
অর্ক বলেছেন: ঠিক আছে। এক্ষেত্রে তাকে দোষী করিনি। তারেক রহমান দেশকে ব্যক্তিগত টাকশাল ছাড়া কিছুই ভাবেন না। তার কাছে কোনও আশা নেই আমার।
ধন্যবাদ ভাই। ভালো থাকবেন।
৩|
২২ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৬
রাসেল বলেছেন: আইনের শাসন কবে ছিল ?
৪|
২২ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৯
নিমো বলেছেন: বসুন্ধরার কুপুত্রর মুনিয়া পাখির শিকারের সময় ক্ষমতায় কে ছিল? আমওন জুয়েলার্সের কুপুত্রর রোইনট্রির সময় ক্ষমতায় কে ছিল? সোহেল রানাদের নিয়ে বলা সহজ গরীবের বাচ্চা। ক্ষনতাশালীদের কুপুত্র নিয়ে কিছু বললে চাকুরি থাকবে না।
৫|
২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:৩১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমি তো দেখছি চারিদিকে শনৈ শনৈ উন্নতি। নতুন এই বাংলাদেশে দূর্ণীতি আজ ইতিহাসের নাম মাত্র-- এখন ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, নির্মূল হয়েছে আজ যত দুর্ণীতি, বন্ধ হয়েছে সকল অন্যায়, অত্যাচার এবং অপকর্ম; যুগ যুগ ধরে এমন একটি বাংলাদেশের অপেক্ষায়'ই তো আমরা ছিলাম।
৬|
২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:৩২
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বিএনপি সারকার ক্ষমতা গ্রহণ করার মাধ্যমে দেশকে অন্ধকার অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মানুষের নৈতিক অবক্ষয় দেখায় দিয়েছে তাই ।