নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

,লেখাপড়া করি। লেখাপড়া বলতে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার কথা বুঝাচ্ছি না,নিজেকে পড়ি। নিজেকে জানার চেষ্টা করি। আমার মধ্যে আমাকে খুঁজি।

হিমুয়ান

আমি মানুষ।

হিমুয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গণিতের সাথে কুরআন কি সাংঘর্ষিক, নাকি সাদৃশ্যপূর্ণ?

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১১:২০

পবিত্র কুরআনের গাণিতিক বিষ্ময়
(Mathematical miracles of the holy Quran)

পবিত্র কুরআন,যুগের সকল মাপকাঠি দিয়ে পরীক্ষিত গ্রন্থ।
পবিত্র যখন নাযিল হয় তখন ছিলো কাব্য - সাহিত্যের যুগ।সেই সময়কার কবি-সাহিত্যিকগণ পবিত্র কুরআনের ভাষা-ছন্দ দেখে মুগ্ধ হন;অনেকেই ইসলাম গ্রহণ করেন।
ইতিহাসবিদদের কাছে পবিত্র কুরআন একখানা ইতিহাস গ্রন্থ;বিজ্ঞ।নীদের কাছে পবিত্র কুরআন একখান বিজ্ঞ।নগ্রন্থ।

পবিত্র কুরআনে অনেক গাণিতিক সামঞ্জস্য পাওয়া যায়;যা বিশ্বসেরা অনেক অমুসলিম গণিতবিদের কাছে বিষ্ময়ের কারণ।
আসুন দেখে নিই পবিত্র কুরআনের কতিপয় গাণিতিক সামঞ্জস্য :

১. পবিত্র কুরআনুল কারীমে পৃথিবী শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে ১১৫ বার আর আখিরাত শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে ১১৫ বার।
২. জান্নাত শব্দটি এসেছে ৭৭ বার;জাহান্নাম শব্দটি ও ৭৭ বার।
৩. দিন (Day) একবচনে এসেছে ৩৬৫ বার!
৪. দিন(Days) বহুবচনে এসেছে ৩০ বার।
৫. মাস (সাহাদ) শব্দটির উল্লেখ করা হয়েছে ১২ বার!
৬. শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে ১১৭ বার আর ক্ষমার কথা উল্লেখ করা হয়েছে ২৩৪ বার অর্থাৎ দ্বিগুণ।
এটা মহান আল্লাহতালার করুণা।
৭.বিশ্বাস শব্দটি এসেছে ২৫ বার ঠিক কুফরি শব্দটি ও এসেছে ২৫ বার।

৮.শয়তান শব্দটি এসেছে ৮৮ বার আর ফেরেশতা শব্দটি ও উল্লেখ করা হয়েছে ৮৮ বার।
৯. যাকাত শব্দটির উল্লেখ করা হয়েছে ৩২ বার ঠিক সমপরিমাণ (৩২ বার) উল্লেখ করা হয়েছে করুণা শব্দটিও।
১০. বল(say) শব্দটি আছে ৩৩২ বার করে; তারা বললো(They said) শব্দটি ও আছে ৩৩২ বার।
১১. গ্রীষ্ম এবং গরম দুটো শব্দ আছে ৫ বার তেমনি শীত এবং ঠান্ডা শব্দ দুটো ও আছে ৫ বার করে।

১২.সূর্য(শামস) শব্দটি আছে ৩২ বার; চাদ(নূর) শব্দটিও আছে ৩২ বার।

১৩.ঐশ্বর্য শব্দটি এসেছে ২৬ বার;আর দারিদ্র শব্দটি এসেছে তার অর্ধেক ১৩ বার।
১৪. পুরুষ শব্দটি এসেছে ২৩ বার;আবার নারী শব্দটি ও এসেছে ২৩ বার!
আশ্চর্যজনকভাবে মানবদেহে মোট ৪৬ টি ক্রোমোজোম(২৩ জোড়া) তার মধ্যে ২৩ টি বাবার এবং ২৩ টি মায়ের।

১৫. পবিত্র কুরআনে ভূমি(land) শব্দটি এসেছে ১৩ বার আর সাগর শব্দটি এসেছে ৩২ বার।
আমরা যদি একে শতকরায় প্রকাশ করি তাহলে দেখতে পাই ভূমি = (১৩.১০০ /৪৫) ২৮.৮৮৮৮৮৮৯ % আর সাগর =(৩২.১০০/৪৫) ৭১.১১১১১১%
আজকে বিজ্ঞানের কল্যাণে আমরা জানতে পেরেছি পৃথিবীর প্রায় ৭১ ভাগ স্থলভাগ এবং বাকি ২৯ ভাগ জলভাগ।

এছাড়াও পবিত্র কুরআনে আরো অনেক গাণিতিক বিষ্ময় বিদ্যমান।
পবিত্র কুরআন যে মহান আল্লাহর বাণী সে সম্পর্ক এ কোনো সন্দেহ নাই।
মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা নিসায়(আয়াত নং ৮২) বলেন,
"এটা(কুরআন) যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বাণী হতো তাহলে তোমরা এর মধ্যে অনেক বৈপরীত্য দেখতে পেতে"।

#উনিশের_জাল

১৯ এর জাল(Mathematical Web Of number 19)
পবিত্র কুরআন যে এক বিজ্ঞানময় গ্রন্থ তা বলার আর অপেক্ষা রাখেনা।

মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ১৯ সংখ্যার এক বিষ্ময়কর বন্ধন এঁকেছেন।
যার কয়েকটি উদাহরণ :
#১: 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' এতে মোট হরফ রয়েছে ১৯ টি।
#২: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমের মধ্যে মূল শব্দ চারটি।যেমন:
'ইসম' শব্দটি পবিত্র কুরআনে এসেছে ১৯বার।
'আল্লাহ' শব্দটি পবিত্র কুরআনে এসেছে ২৬৯৮ বা;যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (১৪২)।
'আর-রাহমান' শব্দটি এসেছে ৫৭ বার;যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (৩)।
'আর-রহিম' শব্দটি এসেছে ১১৪ বার;যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (৬)।
#৩: পবিত্র কুরআনে মোট সূরা সংখ্যা ১১৪ টি;যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য (৬)
#৪: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এর জি ম্যাট্রিকাল ভ্যালু:
বিসম:২+৬০+৪০=১০২
আল্লাহ:১+৩০+৩০+৫=৬৬
আর-রাহমান :১+৩০+২০০+৮+৪০+৫০=৩২৯
আর-রহিম:১+৩০+২০০+৮+১০+৪০=২৮৯
যার যোগফল (১০২+৬৬+৩৩৯+২৮৯) ৭৮৬;যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।
#৫: আমরা যখন সূরা ফাতেহা তেলাওয়াত করি তখন আমাদের উপরের ঠোট এবং নিচের ঠোট ঠিক ১৯ বার স্পর্শ করে(বা ৪ বার এবং মিম ১৫ বার)।
#৬:আশ্চর্যের বিষয় হলো পবিত্র কুরআনে ১১৪ টি সূরার মধ্যে কেবল সূরা তওবা ছাড়া বাকি ১১৩ টি সূরার প্রারম্ভে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রয়েছে।
কিন্ত মহান আল্লাহ ১৯ এর বন্ধন অটুট রাখতে ২৭ নং সূরা নমলের ২৯ নাম্বার আয়াতে বিসমিল্লাহ সংযোজন করেছেন।
#৭: পবিত্র কোরআনে 'কোরআন' শব্দটি এসেছে ৫৭ বার;যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।
#৮: পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বিভিন্ন রকমের ৩০ টি সংখ্যা উল্লেখ করেছেন।
যেমন:,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,১০,১১,১২,১৯,২০,৩০,৪০,৫০,৬০,৭০,৮০,৯৯,১০০,২০০,৩০০,১০০০,২০০০,৩০০০,৫০০০,৫০০০০,১০০০০০।
এদের যোগফল ১৬২১৪৬ যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।
#৯: পবিত্র কুরআনে 'ওয়াহিদ' শব্দটি এসেছে ২৫ বার। কিন্ত ১৯ টি আয়াতেই ওয়াহিদ বলতে আল্লাহর একত্ববাদ বোঝানো হয়েছে।
অন্যান্য আয়াতে খাদ্য,পানি,দরজা ইত্যাদি বোঝানো হয়েছে।
#১০: কোরআনের ৭২ নং সূরার ২৮ নং আয়াতে আল্লাহ পাক এরশাদ করেন,"...এবং (এ সৃষ্টি জগতের) সবকিছুরই হিসাব একমাত্র তিনিই অবগত আছেন"
এখানে দেখার বিষয় যে, ৭২ এবং ২৮ পাশাপাশি লিখে যদি যোগ করি তাহলে যোগফল দাড়ায়(৭+২+২+৮) ১৯!!
মহান আল্লাহই তো সবকিছুর গণনা করে রেখেছেন।
কী চমতকার অবতারণা!

এভাবেই পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ১৯ সংখার আরো অনেক অবতারণা করেছেন।

বিজ্ঞানময় কোরআন অনুসন্ধান করলে এভাবেই সৃষ্টিকর্তার প্রজ্ঞার নিদর্শন পাওয়া যায়। জৌতির্বিদ গ্যালিলিও র মতে,
"Mathematics is the language with which GOD(ALLAH)created the Universe . "

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:০৫

আতিক রহমান (স্বপ্ন) বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি স্থলভাগের জায়গায় জলভাগ লিখেছেন আবার জলভাগের জায়গায় স্থলভাগ লিখেছেন।
আশা করি ঠিক করে নেবেন।
সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.