নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্ধকারের বাউল

অন্ধকারের বাউল

অন্ধ বাউল

অন্ধকারের বাউল

অন্ধ বাউল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টুডেন্ট বাস 'চৈতালী' অথবা একদল অমানুষের গল্প

১৫ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৪০









'মানিক, এ্যাই মানিক, তারাতারি কর বাবা দেরী হয়ে যাচ্ছে' ডাক দিলেন আব্দুল হক সাহেব। তার অনেক আদরের ছেলে মোজাফফর হোসেন মানিক। ছোটবেলায় অনেক শখ করে নাম রেখেছিলেন 'মানিক'। অনেক স্বপ্ন দেখেছেন তাকে নিয়ে। ছেলে অনেক বড় হবে, দেশজ়োড়া খ্যাতি হবে। দেশের সবচেয়ে ভাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়বে। জ়ীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সে সফল হবে। সমাজের দশজন তাকে দেখে বলবে ‘ওই দ্যাখ মানিকের বাবা যাচ্ছে।‘

ছেলের কোন ইচ্ছা বা শখ অপুর্ন রাখেননি তিনি, ছেলেও তাকে নিরাশ করেনি। ভাল স্কুলে ভর্তি করেছেন, ছেলে ভাল রেজাল্ট করে দেখিয়েছে। এস.এস.সি, এইচ.এস.সি তে ভাল নম্বর নিয়ে পাশ করেছে। অবস্থাপন্ন ঘরের ছেলে হয়েও কখনো খারাপ কোন কিছুর সাথে জড়ায়নি। নম্র, ভদ্র সর্বোপরি ভাল ছেলে হিসেবে সবাই তার সুনাম করে। তার বুকটা গর্বে ফুলে যায়। তবে তার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় দিন ছিল যখন মানিক দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল। ছেলেকে প্রান ভরে দোয়া করলেন। ছেলেও সুখের সাগরে গা ভাসিয়ে নাদিয়ে দিনরাত মেহেনত করল, ভারসিটিতে ক্লাশ করা, বাসায় পড়াশোনা করা, পাশাপাশি তার বাবার সাথে তাদের পারবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে বসা শুরু করল। মানিক অনার্সে প্রথম শ্রেণীতে পাশ করল। মাষ্টার্সেও প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ন হলো। বাবার স্বপ্ন পুরন করল। এখন একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ভাল চাকুরী করছে।

আবদুল হক সাহেব নামাজ পড়ার সময় আল্লাহ’র কাছে দুহাত তুলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তাকে এত ভাল একটি সন্তান দান করার জন্য। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে সব দিয়েছেন। যেখানে যান সবাই মানিকের প্রশংসায় পঞ্ছমুখ। এখন একটি ভাল মেয়ে দেখে যত তারাতারি সম্ভব ছেলের বিয়ে দিতে চান আবদুল হক সাহেব। এসব চিন্তা করতে করতে চোখ ভিজে যায় আবদুল হক সাহেবের। এমন সময় মানিক এসে দাঁড়ায় তার পাশে, তাড়া দেয় ‘চলেন বাবা, আপনাকে ধান্মন্ডিতে নামিয়ে দিয়ে আমি অফিসে যাব’। একটি মাত্র গাড়ি তাদের। প্রতিদিন ছেলে তাকে তার অফিসে নামিয়ে দিয়ে যায় তারপর নিজের অফিসে যায়, আবার রাতে তাকে বাসায় নিয়ে আসে। আজকাল এরকম দায়িত্ববান সন্তান পাওয়া দুষ্কর।

প্রতিদিনের মত মিরপুর থেকে ধানমন্ডি রওনা হলেন। খুব পরিচ্ছন্ন গাড়ি চালায় তার ছেলে। কখনোই তাড়াহুরা করেনা, সবসময় ট্রাফিক আইন মেনে চলে। তার অফিস ধানমন্ডি ৬ নম্বর রোডে, তো গণসাস্থ্য হাসপাতালের পাশে ধানমন্ডি থানাসংলগ্ন ৬ নম্বর সড়কের সিগন্যালে যে ক্রসিং আছে সেখান দিয়ে তাকে ডানে মোড় নিতে হয়। মানিক ডানে মোড় নেয়ার জন্য সিগন্যালে অপেক্ষা করছিল। মানিক হঠাৎ খেয়াল করল যে ডানদিক দিয়ে চৈতালি নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি দোতলা বাস এসে বায়ে মোড় নেয়ার জন্য থামল। এই গাড়িতে করেই মানিক ৮ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করেছে। এই বাসগুলি কখনোই সিগন্যাল বা ট্রাফিক আইন মেনে চলেনা। জ্যাম থাকলে সবসময় রং সাইড দিয়ে চলে যায়। কিন্ত মানিক যেহেতু আগে এসেছে তাই ওর গাড়ি নাগেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুটি বায়ে মোড় নিতে পারবেনা। দোতলা বাস থেকে কয়েকটি ছেলে ওর গাড়ির সামনে এসে গাড়ি সরানোর জন্য চীৎকার করতে লাগল। কিন্ত সামনে সিগন্যাল আর পেছনে গাড়ি থাকায় মানিক গাড়ি সরাতে পারছিলনা। কিন্ত ছেলেগুলোর সেদিকে নজর নেই তাদের চীৎকার তখন অশ্রাব্য গালাগালিতে রুপান্তরিত হয়েছে।

‘ওই শালা ড্রাইভারের বাচ্চা, গাড়ি সরা নাইলে পিটাইয়া তোর গাড়ি ভাইঙ্গা দিমু’।

‘খাড়াইয়া আছস কেন, ওর কানের নিচে দুইটা বয়রা দে নাইলে কাজ হইবনা’।

আরও কিছু ষ্টুডেন্ট নেমে এসে ওর গাড়ি ঘিরে ফেলে।যুগপৎ গালাগালির পাশাপাশি গাড়ির গায়ে আর কাচে কিল ঘুষি মারতে থাকে। পেছনে বসা মানিকের বাবা আব্দুল হক সাহেব অবাক হয়ে তাকিয় থাকেন। মানিক ততক্ষনে গাড়ির কাচ নামিয়ে বলে ‘তোমরা এমন করছ কেন, সিগন্যাল না ছাড়লে গাড়ি কিভাবে সরাবো? আর আমিও ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টুডেণ্ট ছিলাম, এই বাসে করে টানা ৮ বছর যাতায়াত করেছি। এরকম খারাপ আচরন কেন করছ? কোন ডিপার্টমেন্টে পড় তোমরা?’

‘কোন ডিপার্টমেন্টে পড়ি সেটা তোরে কইতে হইব, (গালি)’

মানিক অবাক হয়ে যায়, ওরই সাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোন ষ্টুডেণ্ট যে বিনা কারনে ওর সাথে এত খারাপ ব্যাবহার করতে পারে সেটা ও কখনো কল্পনাও করেনি। এটা ভাবতে ভাবতেই একটা ছেলে এগিয়ে এসে ওর কপালে খুব জোরে ঘুষি মারল, আরেকটি ঘুষি এসে পড়ল বামচোখের নিচে। সব অন্ধকার দেখতে লাগল মানিক। দরজা খুলে বের হয়ে বোঝাতে চাইল ওদের, কিন্ত কে শোনে কার কথা, বৃষ্টির মত কিল, ঘুষি আর লাথি মারতে লাগল ছেলেগুলো। মানিকের মনে হলো ও একদল ক্ষুধার্ত হায়েনার মাঝখানে পড়ে গেছে। আবদুল হক সাহেব গাড়ি থেকে বের হয়ে আসলেন, ‘থামো তোমরা, কেন মারছ আমার ছেলেকে! কি অন্যায় করেছে আমার ছেলে? ও তো তোমাদেরই মত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে, তবে কেন মারছ ওকে?’ অনেক চেষ্টা করেও আবদুল হক সাহেব ওদের থামাতে পারলেননা। ওনার সামনেই গনহারে সবাই মারতে লাগল মানিককে, তার মানিককে। যে ছেলেকে নিয়ে এত গর্ব তার, যার গায়ে কখনো একটা ফুলের টোকা পরতে দেননি, তাকে তারই চোখের সামনে মারতে মারতে রাস্তায় ফেলে দিল।

মার খেতে খেতে মানিক ভাবল এখান থেকে ছুটতে না পারলে আজকে ও মরেই যাবে, কোনমতে হাত ঝাড়া দিয়ে দৌড়ে রাস্তার ওইপাশে চলে গেল। কিন্ত ওর বাবা এখনো অই নরপশুদের মাঝখানে রয়ে গেছেন। সামনেই ধানমন্ডি থানা, দৌড়ে থানায় ঢুকল মানিক। কর্তব্যরত অফিসারকে দ্রুত খুলে বলে তার সাহায্য চাইল। তার সাথে কয়েকজন পুলিশ সেপাই পাঠাল। মানিকের শরীরে একফোটা শক্তি নেই, শুধু তার বাবা এখনো ওইখানে আছে এই দুশ্চিন্তায় সে পুলিশ সাথে নিয়ে রাস্তা পার হয়ে আসল। ছেলেগুলো তখনো দাঁড়িয়ে আছে। ওকে দেখে একদল দৌড়ে এসে ওর উপর ঝাপিয়ে পড়ল। মানিক পেছন ফিরে দেখে একজন পুলিশও নেই, পালিয়েছে। এবার ছেলেগুলো ওকে আবার পেটাতে লাগল, শুধু পার্থক্য এই যে এবার ওরা সংখ্যায় প্রায় দ্বিগুন। মারতে মারতে রাস্তায় ফেলে পারাতে লাগল, আবদুল হক সাহেব আর সহ্য করতে পারলেন না। ওদের থামাতে না পারলে তার ছেলেকে আজ ওরা মেরেই ফেলবে। তিনি দৌড়ে এসে মানিকের উপর শুয়ে পরলেন আর ছেলের প্রান ভিক্ষা চাইলেন। ওদের মনে একটুও দয় হলোনা, তাকে উপেক্ষা করেই অরা মারতে লাগল, মনে হলো তাদের অনেকদিনের পুরোন ক্ষোভ মিটিয়ে নিচ্ছে। একটা ছেলে হঠাৎ এগিয়ে এসে আবদুল হক সাহেবের মাথায় ঘুষি মারল। তার হাতে বোধহয় ধারালো কোন আংটি পরা ছিল সাথে সাথে মাথে কেটে রক্ত পরতে লাগল। তবুও তিনি ছেলেগুলোকে মারা থামনোর জন্য আবারো অনুনয়-বিনুনয় করতে লাগলেন। আরো প্রায় ৫ মিনিট মারার পর ছেলেগুলো থামল, প্রায় ২৫-৩০ জন ছেলে। তিনি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলেন এদের মধ্যে দেখতে অভদ্র একজনও নেই। সবার চেহারায় ভদ্রভাব রয়েছে। সব ভদ্র ঘরের সন্তান। এদের দেখে কেউ বলতে পারবেনা এরা খুনীর মত আচরন করতে পারে। কি অবলীলায় তারা বিনাদোষে তার ছেলেকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল।

মানিকের দিকে তাকিয়ে দেখেন মানিক নিথর হয়ে পরে আছে। প্রায় বেহুশ হয়ে গেছে। সারা শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে, মাথায় বোধহয় ধারালো কোন কিছু দিয়ে আঘাত করেছে , চার-পাচ জায়গা দিয়ে রক্ত বেরুচ্ছে । একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে বিনাকারন এরকম ভাবে মারতে পারে এটা উনি কখনো ভাবতে পারেননি। আশেপাশে কত কত লোক দাঁড়ানো ছিল, একজন মানুষ এগিয়ে আসেনি তাকে সাহায্য করার জন্য। মানুষের দোষ দিয়ে আসলে লাভ নেই এসময় কেউই এগিয়ে আসেনা। পুলিশ পালিয়ে গেল! পুলিশ ই বা কে পালাবেনা, ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেণ্ট, এদের গায়ে হাত তুললেই মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করে মেধাবী ছাত্রকে পুলিশ বিনাকারনে মেরে ফাটিয়ে দিয়েছে। এদের সাথে ঝামেলায় গেলে এরা শাহবাগে জ্বালাও-পোড়াও শুরু করে দিবে। তারপর আস্তে আস্তে পুরো দেশে সে আগুন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মত ছড়িয়ে যাবে। জীবনে প্রথমবারের মত আবদুল হক সাহেবের প্রচন্ড লজ্জা লাগল যে তার ছেলে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করেছে। যে ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্টরা বিনা কারনে তাদের সিনিয়র ভাইকে এভাবে মারতে পারে, তাদের বাবার বয়সী একজন লোককেও যারা একটূও ছাড় দেয়নি। তারা আর যাই হোক মানুষ না। কারন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে মনুষ্যত্ব প্রয়োজন নেই, নির্দিষ্ট পরিমান নাম্বার পেলেই চলে।

কোনমতে ছেলেকে নিয়ে গণসাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে ধুকলেন আবদুল হক সাহেব। কর্তব্যরত ডাক্তার মানিককে দেখে শিউরে উথলেন। সারা শরীরের রক্ত মুছে দেয়ার পর দেখেন মানিকের সারা শরীরে চাকা চাকা দাগ হয়ে গেছে। প্রচন্ড রাগে মনে হলো সব কিছু ধংস করে দেন। তার আদরের ধন তার সামনে পরে আছে। চোখ বেয়ে অঝোর ধারায় কান্না বেড়িয়ে আসল। কি দোষ তার? কি অন্যায় তার? কেন তার সাথে এ পাশবিক আচরন? ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে মানুষ তাদের ছেলেদের কে পাঠিয়ে কি ভুল করছে? এরা কি মানুষ নাকি মানুষ নামের ঘৃন্য নরকের কীট?



বিঃ দ্রঃ এটী কোন গল্প বা উপন্যাস নয়। খবরটি খুব ছোট করে ০২ অক্টোবরের প্রথম আলো তে এসেছিল। এই তার লিঙ্ক Click This Link । মোজাফফর হোসেন মানিক আমার খুব ছোটবেলার বন্ধু। ভাল এবং ভদ্র হিসেবে আমাদের বন্ধুমহলে তার সুনাম অনেকদিনের। তার উপর তারই ইউনিভার্সিটির ছেলেদের এরকম নির্মম আচরনে আমরা হতভম্ব এবং লজ্জিত। যাদের বাসাইয় ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া ছেলে, ভাই, বন্ধু, বা আত্মিয় আছে দয়া করে তাদের জিজ্ঞেস করুন তারা চৈতালী নামক বাসে যাতায়াত করে কিনা। যদি করে তবে ভালকরে তাদের হাত ধুয়ে দিবেন, কারন তাদের হাতে লেগে আছে আমার বন্ধু মানিকের রক্ত।

দয়া করে এই পোষ্টটিতে হিট দিন আর শেয়ার করুন সব জায়গায়। নইলে পরবর্তিতে যেকেউ তাদের এই পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে পারেন





ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টুডেন্ট বাস 'চৈতালী' অথবা একদল অমানুষের গল্প (শুধু মাত্র অবিশ্বাসিদের জন্য)

মন্তব্য ২৯৫ টি রেটিং +৯৫/-০

মন্তব্য (২৯৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২১

সামু ইজ ইলুইশন বলেছেন: মানুষ নামের ঘৃন্য নরকের কীট।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২০

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

২| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:১৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: দয়া করে এই পোষ্টটিতে হিট দিন আর শেয়ার করুন সব জায়গায়। নইলে পরবর্তিতে যেকেউ তাদের এই পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে পারেন।

৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪১

মির্জা জুনায়েদ বলেছেন: সত্য ঘটনা। আমার কলিগ এর বন্ধু। তার কাছে ঘটনা শুনে টাস্কি খাইসি:(

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৮

অন্ধ বাউল বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:১২

ভার্চুয়াল সাজ্জাদ বলেছেন: নির্বাক!

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২১

অন্ধ বাউল বলেছেন: আমিও....

৫| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৩০

লাজুকছেলে বলেছেন: ভাই, নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা লাগছে,। তারপরও সরি বলছি। সবার পক্ষ থেকে, জানি এটা ক্ষমাহীন

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৬| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৪২

কিবয়াল বলেছেন: make it a sticky post and let people know about this culprits! Me too studied at DU but never supported this type of behave.

৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৪৮

ইফতেখার5555 বলেছেন: প্রায় প্রতিটা বাসের কমিটিতেই এই রকম ফালতু পোলাপান থাকে, একটা বাস চালানোর জন্যে ৩০ জনের কমিটি হেহ , আর গেইটের কাছে সান গ্লাস পড়ে বুকের বোতাম খুলে আলগা পার্ট...... রিকশা ওয়ালা দের গালাগালি করে, মানুষের গাড়ি ভেঙে নিজেদের কিসের পর্যায়ে নিয়ে যায় হুশ থাকে না।

এরকম ঘটনা নতুন না, যথাযথ শাস্তি না হলে এ রকম আরো ঘটবে, মাঝেমধ্যে ঢাবির ছাত্র পরিচয় দিতে লজ্জা করে।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: যথাযথ শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। তবে ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। গুটি কয়েক ছাত্রের জন্য ঢাবির সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

৮| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:১৫

রিক্ত রায়হান বলেছেন: কোন আবাল গুলা ঐ বাসে যাই... শালা গো ধইরা ...। যদি চিনতাম তাইল ক্যাম্পাসে ডুকা বন্ধ কইরা দিতাম...। আবাল গুলা পারে নিরিহ মানুষ গুলার লগে...। আর কয় হলের পোলাপান নাকি খারাপ... মারামারি করে... আমরা দুঃখিত...

৯| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:১৭

পুচকী বলেছেন: ঘটনা কতটুকু সত্য জানা নেই .। এত বাজে একটা ঘটনা হওয়ার কথা না .।
সত্যি যদি হয়েই থাকে , ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিতে আমি লজ্জিত ... অপরাধীদের শাস্তি হওয়া উচিৎ .।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৩১

অন্ধ বাউল বলেছেন: ঘটনা ১০০% সত্য। ঘটনার দিন আমি নিজে মানিক এবং তার বাবার মুখে শুনেছি, ঢাকা ইউনিভার্সিটির দুইজন শিক্ষকও তখন মানিকের বাসায় ছিল।

১০| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:২২

রিক্ত রায়হান বলেছেন: এখানে আরো কিছু ব্যাপার থাকতে পারে যা আপনি বলেন নি অথবা জানেন না। ঢাকা শহরে যাদের একটা গাড়ি তারা গাড়ি বাচানোর জন্য জান দিয়ে দেয়.।।

হয়ত এমন কিছু বলছে নইলে এত গুলা পোলাপান পাগল হওয়ার কথা না.।.।.।.।।

সবাই ভদ্র ঘরের

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৩৮

অন্ধ বাউল বলেছেন: আরো কি ব্যাপার থাকলে পরে একজন মানুষকে তার বাবাসহ এভাবে মারা যায়?????
ভদ্রঘরে জন্মানোটা কারো ভদ্রতার সার্টিফিকেট হতে পারেনা। কে কেমন আচরন করছে সেটাই হয় তার ভদ্রতার সার্টিফিকেট।
কিছু পোলাপানের পাগল হওয়ার কোন কারন লাগেনা, ক্ষমতা আছে তাই পাগল হয়....

১১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৯

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন: প্রথম আলোতে পড়েছিলাম ।
মানুষ এতো নিকৃষ্ট হয় কিভাবে ?
এতো শিক্ষিত হয়ে কি হবে যদি মূল্যবোধটা উন্নত করতে না পারলাম ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: @মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন: এতো শিক্ষিত হয়ে কি হবে যদি মূল্যবোধটা উন্নত করতে না পারলাম ।এতো শিক্ষিত হয়ে কি হবে যদি মূল্যবোধটা উন্নত করতে না পারলাম ।

সহমত।

১২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১৯

নিবিড় বলেছেন: আন্তরিকভাবে লজ্জিত। আমিও ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে পাশ করেছিলাম। আজকাল প্রায়ই এ রকম শুনছি, পড়ছি। মানিকের কাছে মানুষ হিসাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। তবে ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। গুটি কয়েক ছাত্রের জন্য ঢাবির সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

১৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২১

শহিদশানু বলেছেন: মূল্যবোধ হারিয়ে গিয়েছে ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত

১৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫১

সাধারণমানুষ বলেছেন: সরি হামলাকারিদের কুত্তার বাচ্চও বলতে পারতেছি নাহ ........ এরা তার থিকাও অধম।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২১

অন্ধ বাউল বলেছেন: সাধারণমানুষ বলেছেন: সরি হামলাকারিদের কুত্তার বাচ্চও বলতে পারতেছি নাহ ........ এরা তার থিকাও অধম।


সহমত।
কিন্ত ওই বাসে আরো কমপক্ষে ৫০-৬০ ছাত্র ছিল যারা এর প্রতিবাদ করেনি। এরা তাদের চেয়েও অধম।

১৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৩

নোমান নমি বলেছেন: ছাত্রত্বের সুযোগ নিয়ে এসব করা ক্রেডিটের ব্যাপারও মনে করে তারা।

১৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৫

ইকরাম উল্যাহ বলেছেন: ছি

১৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৩

চৌধুরী ওসমান বলেছেন: আমার স্বপ্ন দেখার স্থান কতটা অপবিত্র তা সামান্য উপলব্ধি করতে পারছি.... :( :( :(

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: স্বপ্ন দেখা বন্ধ করবেননা তাহলে অপবিত্র কখনো পবিত্র হবেনা। ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। গুটি কয়েক ছাত্রের জন্য ঢাবির সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

১৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৮

শাও৫০৮ বলেছেন: মাঝে মাঝে ভাবি কোথা থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করলাম। যখন হলে থাকতাম তখন দেখতাম কিভাবে নেতা এবং তাদের সেনারা নিরীহ ছাত্রদের উপর নির্যাতন করত। মন বিদ্রোহী হতে চাইত, কিন্ত সবশেষে আমরা মানুষ, গল্প সিনেমার নায়কদের মত একদল হায়েনাদের সাথে কিভাবে পারব।

১৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৮

আমার- নাম- মেহেদী বলেছেন: পোস্ট স্টিকি হোক।

২০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৯

আন্ধা পোলা বলেছেন: মানুষ এমন হয়?

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: মানুষ কখনোই এমন হয়না.................
অমানুষ এমন হয়।

২১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৪

মাহ্‌মুদুল হাসান রাকিব বলেছেন: এমন ঘটনা আরো শত শত রয়েছে.. বাসে করে যাচ্ছিলাম, তাদের বাসটির সাথে আমাদের বাসটি একটু ধাক্কা লাগা মাত্রই ইট দিয়ে যাত্রীবাহী বাসটির সব গুলা কাঁচ ভেঙ্গে দিল কিছু মানুষ রুপি জানোয়ার গুলা.. একটা ভাঙ্গা কাঁচ এসে পড়লো আমার হাতে,ঐ দিনই প্রথম নিজের চোখে নিজের এত রক্ত দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম..

২২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৫

ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: থাবরাইয়া ঢাবির পোলাপানের দাত ফালাইতে ইচ্ছা করে..ভুদাইগুলার কোন কাম নাই খালি আকামে ফাল পারে....আর কেউ কিছু কইলে পুরুষত্ব দেখাইতে ঝাপায় পড়ে। নপুংশক পোলাপান..একদল পারে ভাংতে আরেকদল পারে চাইয়া চাইয়া দেখতে।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৮

অন্ধ বাউল বলেছেন: আরেকজনের কষ্টে গড়া জিনিস ভাংতে পুরুষত্ব লাগেনা, লাগে পশুত্ব।।
আর চাইয়া চাইয়া দেখতেতো মজাই লাগে.............।

২৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৯

মাধব বলেছেন: !!!

২৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩২

পাতিকাক বলেছেন: জানিনা এতো টা অমানুষ হয়ে যাচ্ছে কেন আমাদের ছেলে রা। এরা তো আর দুই দিন পর ই কোঁথাও না কোঁথাও চাকুরী করবে। বাড়ি হবে গাড়ি হবে। হইত তাদের গাড়ি ও একদিন তাদের ছোট ভাইয়েরা ভাংগবে। আমাদের পরিবার গুলো কে অনেক শক্ত হতে হবে সন্তান দের প্রতি।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৩১

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

২৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩৬

অন্ধকার অবচেতন বলেছেন: স্টিকি করা হোক।

এর জন্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি দায়ী নয়, দায়ী আমরাই, দায়ী আমাদের সমাজ...

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৫৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: অবশ্যই এর জন্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি দায়ী নয়, দায়ী আমরাই, দায়ী আমাদের সমাজ এবং এর সাথে দায়ী ঢাকা ইউনিভার্সিটির প্রশাসন, আর ছাত্র রাজনীতি।

২৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪১

রাশেদ হাসান নোবেল বলেছেন: লজ্জা

২৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪১

রাশেদ হাসান নোবেল বলেছেন: লজ্জা

২৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৪

দ্বিতীয়জন বলেছেন: একজন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র বলছি, রং সাইডে বাস চলাকালে আমার নিজেকে অপরাধীই লাগে, কিন্তু অনেক সময় এটা না করলে জরুরী পরীক্ষাগুলো দেওয়াই হত না। আমার এরকম কিছু অপরাধবোধ যেন পূর্ণতা পেল এই ঘটনা পড়ে। আমি দুঃখিত।

২৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৬

সাইকো সাইক বলেছেন: মাঝে মাঝে নিজেকে স্টুডেন্ট পরিচয় দিতে লজ্জা হয় :(

৩০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৫৫

জুনায়েদ রাহিমীন বলেছেন: প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুধু শিক্ষিতই করে, মানুষ করে না। এসব শিক্ষিত পশুরা ঘুরে বেড়ায় আমাদের আশেপাশেই...!

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১৯

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

৩১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৫৬

দ্যা অক্সি সেভেন বলেছেন: কিছু বলার নাই। পরেনা আবার আমারে কেউ মারধর করে B:-/

৩২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১৫

ইংলা বলেছেন: স্টিকি করা হউক

৩৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১৬

ইংলা বলেছেন: স্টিকি করা হউক

৩৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩৪

আফরিন জাহান বলেছেন: আামার নিজেরও লজ্জা লাগছে । আমি যদিও এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি তারপরেও লাল বাসে উঠি খুবই কম সময় । একদিন কাওরা বাজার থেকে মিরপুর যাব কোন গাড়ি পাচ্ছি না হঠাৎ দেখলাম আমাদের একটি গাড়ি ,নিরুপায় হয়েই উঠতে হল । কিন্তু কয়েকটা জুনিয়র ছেলে এটা নিয়ে আমার সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করল । আমার অপারাধ আমি মাঝপথ থেকে বাসে উঠেছি । বেয়াদবগুলোকে বলতে পারিনি তোদের আগে আমি এই ক্যাম্পাসে এসেছি ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৫৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: এরা কাউকে ছাড় দেয়না।

৩৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩৭

রূপস আমীন বলেছেন: ঢাকা ভার্সিটির পুলাপানের দোষ দিয়া লাভ কি? ঢাকা কলেজের পুলাপানরা কি কম যায়? এক পা বাসের ভিতর আর এক পা জানালার বাইরে। মনে হয় টাট্টু ঘোড়ায় উঠছে।

৩৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩৯

জাহাঙ্গীর কবীর বলেছেন: সবাই নিশ্চয় এমন নয়।ঢাক কলেজ ও তীতুমীর কলেজ সম্পর্কে প্রায়ই এমন কিছু শুনে থাকি।আজ ঢাবি সম্পর্কে শুনলাম।
ঐ ভাই সম্পর্কেও কেউ কেউ হয়ত,নিশ্চয় এমন কিছু বলেছন।এখনে কোন হয়তোর কারনেও কি এগুলো মেনে নেয়া যায় কি?
এসব উচ্চশৃক্ষলে পিছন কঠোর না হলে এগুলো আরো কতো দূর যাবে কে জানে।সেজন্যেই বলা হয়,শিক্ষিত হওয়া মনেই সভ্য হওয়া নয়।ঢাবির উপর মিডিয়ার তো একটা প্রভাব আছেই।তাদের যেন কোন অন্যায় নেই।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:০২

অন্ধ বাউল বলেছেন: কোন হয়তোর কারনেও কি এগুলো মেনে নেয়া যায়না।
এসব উশৃংখলতার পিছন কঠোর না হলে এগুলো আরো কতো দূর যাবে কে জানে, তবে ইতিমধ্যে অনেকদুর চলে গেছে...........।

৩৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪০

মিলন,ঢা বি বলেছেন: রিক্ত রায়হান ভাইর সাথে সহমত প্রকাশ করছি.........।এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুল নয়,ভুল কিছু ছাত্রর...।সত্তিই আন্তরিকভাবে দুঃক্ষিত...।কিন্তু আমার যে সকল ভাই এরা পরিচয় দিতে লজ্জা পান, না দিলেই পারেন...।

৩৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪৭

আদি মানব বলেছেন: জনগনের টাকায় পড়ে অথচ মানষিকতায় এরা শুয়োরের চেয়ে নিচু জাতের। বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখেছি তারা নিজেদের বিশেষ কিছু মনে করে, দাম্ভিকতার শেষ নাই। রাস্টের টাকায় কিছু শুয়োর লালন পালন হয় ওখানে।।

৩৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪৮

এরেল বলেছেন: নষ্ট রাজনীতির কারনেই দেশের ছাত্ররা আজ বুনো শুয়োরে পরিনত হচ্ছে। পোষ্ট স্টিকি করা হোক। পোষ্ট স্টিকি করা হোক। পোষ্ট স্টিকি করা হোক। পোষ্ট স্টিকি করা হোক। পোষ্ট স্টিকি করা হোক।

৪০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫০

আদিম যন্ত্র মানব বলেছেন: সবাই এখন যান্ত্রিক শিক্ষায় শিক্ষিত। বলতেগেলে আত্ম শিক্ষা, অন্তর শিক্ষায় শিক্ষিত হতছেনা কেউ ই ।

আমি সরকারি বেসরকারি ভারসিটি নিয়ে বলবনা, আসলে সবখানেই ভাল খারাপ আছে, কিন্তু বেশির ভাগ খারাপ, তাই ভালরা ও চুপ থেকে একি অপরাধের অন্তরভুক্ত হছে।

ওই বাসে ও যে কেউ ভাল ছিল না এমন হবার কথা নয়, তবে ভালরা কেন এগিয়ে আসেনি। আর যেহেতু আসেনি তাই বলতে গেলে তারাও একি অপরাধের অপরাধী।

আর পরিক্ষা মিসস করবেন কেন, সময় মত বের হন, দরকার হলে আগে আগে গিয়ে ভারসিটি গিয়ে বসে থাকুন। সিগ্নাল ভাঙ্গার কি দরকার।

পুলিশ টাকা খেলে ঘুশ (অবৈধ টাকা), বাবস্যায়ীরা এক টাকার জিনিস ১০ টাকায় বেচলেও অইটা বৈধ টাকা। বাসের ভারা লোকাল বানিয়েও সিটিং রাখা কিভাবে বৈধ। ইসলামি ব্যাঙ্কগুলো মুনাফা দেয়, আর অন্য ব্যাঙ্কগুলো সুদ দেয়। তফাত কই। সবাই বলে আমি যা করি বৈধ পথে করি, যার যার মত সম্পদ গড়ছে। শুধু নিজের বাদে অন্যের পন্থাটা অবৈধ। এমন কেন। মনুষ্যত্ব, বিবেক আজ খুব কম মানুষের মাঝেই দেখা যায়। সবাই মানুষ নামের পশু। কে বাঁচল কে মরল, কার কি অবুস্থা কেউ খোজ ও রাখেনা।

তবে কথা হচ্ছে যারা এমন করেছে তারা এর সাস্তি অবশ্যই পাবে। কারো না কারো কাছে চিপায় খাবে। ১০০% গ্রানটি।

................................


বিধতা সবাইকে সুবুদ্ধি দিন, সুমতি দিন সেই দোয়া করি।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত

৪১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৫

কে এম শিহাব উদ্দিন বলেছেন: কি আশ্চর্য ব্যাপার!!!!!!
আসলেই কি ঘটনা এতটাই নির্মম হইছে??
কোন ব্যাচের পোলাপান তা জানো??
নাকি সব ব্যাচেরই ছিল??

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: ঘটনা এতটাই নির্মম। ষ্টুডেণ্ট বাসে অনেক ব্যাচের ষ্টূডেণ্ট ই যাওয়া আসা করে।

৪২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৭

আদি মানব বলেছেন: পোস্ট টী স্টিকি করার আকুল আবাদন জানাচ্ছি।। বিবেকবোধ জাগ্রত হউক এই কামনায়।।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১৬

অন্ধ বাউল বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৯

ভদ্র পোলা বলেছেন: বলার মতন কিছু ই পেলাম না !!!

৪৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৯

কে এম শিহাব উদ্দিন বলেছেন: sorry ami kheyal kori nai...ami mone korsi amar ekfrnd er lekha .....o amke fb te link dilo to...tai tumi bole felsi :(:(

৪৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০৪

যাযাবর শফিক বলেছেন: পুলিশ, সাংবাদিক আর ভার্সিটির লাল গাড়ী; এগুলা বরাবরই বে-পরোয়া।



__________________________________
আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো আমাদেরকে নৈতিকতা শেখায় না।

৪৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০৯

আদি মানব বলেছেন: কল রাস্ট্রিয় শিক্ষা প্রতিস্টানের শিক্ষার্থীদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত সমাজ ও সমাজের মানুষের প্রতি এই কারনে যে তাদের পড়াশোনার খরচ কিন্তু আমরা জনগন ই দেই।। অতএব মানুষ হ মানুষের জন্য কিছু কর নইলে এ ঋণ শোধ করবি কি করে ? মাস্তান হয়ে অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ হওয়া উচিত।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত। ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। ভাল ছাত্রও আছে, কিন্ত , গুটি কয়েক ছাত্রের কাছে তারা বন্দি।

৪৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৩০

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পোষ্ট স্টিকি হোক। ছাত্রত্বের দোহাই দিয়ে এই ধরনের পাশবিকতা চিরতরে বন্ধ হোক।

৪৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৩১

নুর ফ্য়জুর রেজা বলেছেন: খারাপ লাগল খুব। আমি চৈতালী বাসে মাঝে মাঝে মিরপুরে যেতাম টিউশনীর জন্য। ক্ষমতার স্বাদ পেলে যে বাঙ্গালী কতটা খারাপ হতে পারে তার একটা উদাহরণ এই ঘটনাটা। সামান্য বাসের কমিটির সদস্য হয়ে যদি কারও এমন হামবড়া ভাব আসে তাহলেতো মুশকিল !! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র হিসেবে আমি এ ব্যাপারে চরম লজ্জিত। তবে ভাই সবাই এক না। ভালো-খারাপ সব জায়গায় আছে।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত। অবশ্যই ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। ভাল ছাত্রও আছে, কিন্ত , গুটি কয়েক ছাত্রের কাছে তারা বন্দি।

৪৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৪৬

যন্ত্রমানবী সত্ময়ী বলেছেন: আমি নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কিন্তু আজ আমার নিজের এ লজ্জা হচ্ছে এই পরিচয় টা দিতে.। মন থেকে ঘৃণা রইল ওইসব ছাত্র নামক পাষণ্ড নরপিশাচদের প্রতি.।।

৫০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৪৮

ইংলা বলেছেন: *কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পোষ্ট স্টিকি হোক। ছাত্রত্বের দোহাই দিয়ে এই ধরনের পাশবিকতা চিরতরে বন্ধ হোক।

৫১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৫৯

নিম আল আশফাক বলেছেন: লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল অনেক অনেক আগেই। আমি এইরূপ অনেক ঘটনার চাক্ষুষ সাক্ষী। প্রচন্ড প্রতিবাদ করতে মন চেয়েছিল, সেদিন নয়, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই। কিন্তু জানি কারও সহানুভুতি পাবোনা, সাহায্য পাবোনা, সমর্থন পাবোনা। আর যখন ফেসবুক আর ব্লগে কারও সাথে কোন কিছু নিয়ে ঝগড়া করি/তর্ক করি, তখন দেখেছি নিজের দলের/মতের/ধারনার/প্রতিষ্ঠানের/লোকজনের দোষ ঢাকতেই আগ্রহী বেশী। সবচেয়ে বিস্মিত হই যখন দেখি আমার নিজের বিভাগের/কাছের মানুষগুলো কতটা অমানুষের মত আচরন করে। নিজের ভাইকে পেটাতে ও নিজের ঢাক পেটাতে তাদের দ্বিধা এবং জুড়ি নেই।

হ্যাঁ, প্রচুর সুবিধা আমি ভোগ করি, তাই বলে অন্যদের মানুষ বলে গন্য না করার যে গুন এই গুন কি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা দিয়েছে আমাদের ? জানি না আমার এই পোস্টের পর সেইসব সুবিধা আর আমার কপালে জুটবে কিনা।

তবে আমি ধন্য, আমি মানুষ, আমার পরিবার আমাকে অপ্রয়োজনীয় নোংরামী করতে শেখায়নি।
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ও আমাকে এই শিক্ষা দেয়নি। আমি অপ্রয়োজনীয় জেদ ধরে রাখতে নিজের লোকের সুনাম করতে যাই না।



কেউ আবার ভাববেন না যে আমার নিজের গাড়ীর সুবিধার জন্য আমার এত আদিখ্যেতা !


আর সকলের জানার জন্য বলি, এই ঘটনা শুধু "গুটিকয়েক" অভদ্র/দলবাজী করা ছেলে ঘটায় না। এই কাজ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রই সিভিক সেন্স বলে মনে করেন, টপ-নচ কিছু পোলাপান বাদ দিয়ে।


ঘটনা আসলেই অনেক নির্মম হইসে, আমার যে কি হবে এখনও জানি না। আর এইটা ভার্সিটিতে প্রায়দিনের ঘটনা। এখানে যে মাইর খাইসে সে নিজেই তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বলে এত হাউকাউ হচ্ছে, আসলে এইটা প্রতিদিনের ব্যাপার।



আমার পয়েন্টটা একদম ক্লিয়ার, ভার্সিটি'র বাসের পোলাপান হিসাবে আমরা ব্যাপক মজা/সুবিধা উপভোগ করি। কিন্তু তার মানে এই না যে নিত্য নতুন ক্ষেত্রে মাইর দেওয়ার জন্য বইসা থাকুম। কিছু বড় ভাই তো এমনও দেখসি যে খালি তাদের হাত নিশপিশ করে, কোন বাস একটু লাগাইলেই তার ড্রাইভার/হেলপার এমনকি যাত্রী সুদ্ধা মারার ঘটনাও আমার চোখের সামনেই ঘটসে। একবার এক ভেন্ডররে যে লাত্থান লাত্থাইলো আমাদের এক বড় ভাই যে তারে আর আমার বড় ভাই মনে হয় না, পিশাচ মনে হয়। তার দোষ ছিল, তাকে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট না বলার পরও চিল্লাইতেসিল।

তবে হ্যাঁ, আমার একটা প্রশ্ন আছে, ঐ ভাইয়েরও কি দোষ নেই, সে কেন জানে না এই পরিস্থিতিতে কি করতে হবে ? সে ? কারন একজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হিসাবে তার জানা থাকা উচিত ছিল, গেটে দাঁড়ানো "ভাইয়ারা" কি কি করেন আর করতে পারেন !

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: নিম আল আশফাক বলেছেন: আমার একটা প্রশ্ন আছে, ঐ ভাইয়েরও কি দোষ নেই, সে কেন জানে না এই পরিস্থিতিতে কি করতে হবে ? সে ? কারন একজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হিসাবে তার জানা থাকা উচিত ছিল, গেটে দাঁড়ানো "ভাইয়ারা" কি কি করেন আর করতে পারেন !

হ্যা, এটা অবশ্যই মানিকের দোষ, ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেণ্ট হিসেবে ওর জানা উচিৎ ছিল গেটে দাঁড়ানো অমানুষেরা কি কি করে আর করতে পারে ! কিন্ত ভাইয়া এটা হয়ে গেল এরকম যে যার বাসায় চুরি হলো সব দোষ তার, চোরের কোন দোষ নাই।

৫২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৫৯

নিম আল আশফাক বলেছেন: লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল অনেক অনেক আগেই। আমি এইরূপ অনেক ঘটনার চাক্ষুষ সাক্ষী। প্রচন্ড প্রতিবাদ করতে মন চেয়েছিল, সেদিন নয়, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই। কিন্তু জানি কারও সহানুভুতি পাবোনা, সাহায্য পাবোনা, সমর্থন পাবোনা। আর যখন ফেসবুক আর ব্লগে কারও সাথে কোন কিছু নিয়ে ঝগড়া করি/তর্ক করি, তখন দেখেছি নিজের দলের/মতের/ধারনার/প্রতিষ্ঠানের/লোকজনের দোষ ঢাকতেই আগ্রহী বেশী। সবচেয়ে বিস্মিত হই যখন দেখি আমার নিজের বিভাগের/কাছের মানুষগুলো কতটা অমানুষের মত আচরন করে। নিজের ভাইকে পেটাতে ও নিজের ঢাক পেটাতে তাদের দ্বিধা এবং জুড়ি নেই।

হ্যাঁ, প্রচুর সুবিধা আমি ভোগ করি, তাই বলে অন্যদের মানুষ বলে গন্য না করার যে গুন এই গুন কি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা দিয়েছে আমাদের ? জানি না আমার এই পোস্টের পর সেইসব সুবিধা আর আমার কপালে জুটবে কিনা।

তবে আমি ধন্য, আমি মানুষ, আমার পরিবার আমাকে অপ্রয়োজনীয় নোংরামী করতে শেখায়নি।
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ও আমাকে এই শিক্ষা দেয়নি। আমি অপ্রয়োজনীয় জেদ ধরে রাখতে নিজের লোকের সুনাম করতে যাই না।



কেউ আবার ভাববেন না যে আমার নিজের গাড়ীর সুবিধার জন্য আমার এত আদিখ্যেতা !


আর সকলের জানার জন্য বলি, এই ঘটনা শুধু "গুটিকয়েক" অভদ্র/দলবাজী করা ছেলে ঘটায় না। এই কাজ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রই সিভিক সেন্স বলে মনে করেন, টপ-নচ কিছু পোলাপান বাদ দিয়ে।


ঘটনা আসলেই অনেক নির্মম হইসে, আমার যে কি হবে এখনও জানি না। আর এইটা ভার্সিটিতে প্রায়দিনের ঘটনা। এখানে যে মাইর খাইসে সে নিজেই তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বলে এত হাউকাউ হচ্ছে, আসলে এইটা প্রতিদিনের ব্যাপার।



আমার পয়েন্টটা একদম ক্লিয়ার, ভার্সিটি'র বাসের পোলাপান হিসাবে আমরা ব্যাপক মজা/সুবিধা উপভোগ করি। কিন্তু তার মানে এই না যে নিত্য নতুন ক্ষেত্রে মাইর দেওয়ার জন্য বইসা থাকুম। কিছু বড় ভাই তো এমনও দেখসি যে খালি তাদের হাত নিশপিশ করে, কোন বাস একটু লাগাইলেই তার ড্রাইভার/হেলপার এমনকি যাত্রী সুদ্ধা মারার ঘটনাও আমার চোখের সামনেই ঘটসে। একবার এক ভেন্ডররে যে লাত্থান লাত্থাইলো আমাদের এক বড় ভাই যে তারে আর আমার বড় ভাই মনে হয় না, পিশাচ মনে হয়। তার দোষ ছিল, তাকে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট না বলার পরও চিল্লাইতেসিল।

তবে হ্যাঁ, আমার একটা প্রশ্ন আছে, ঐ ভাইয়েরও কি দোষ নেই, সে কেন জানে না এই পরিস্থিতিতে কি করতে হবে ? সে ? কারন একজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হিসাবে তার জানা থাকা উচিত ছিল, গেটে দাঁড়ানো "ভাইয়ারা" কি কি করেন আর করতে পারেন !

৫৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:১০

উড়ালিয়া বলেছেন: X(( X(( X(( পোষ্ট স্টিকি হোক X( X( X( X(




ঘৃণা জানাই ঐ সব জানোয়ার দের। এই খানে একটা প্রশ্ন জাগছে, এরাই কি স্বাধীনতার কথা বলে, এরাইনা প্রগতির কথা বলে, এরাই কি সেই শূয়রের বংশ ধর যারা উৎসব গুলো পালন করে নিজেদের প্রকাশ করে, আর উৎসব শেষে সব ভুলে একেকটা হায়না। আমি মনে করি এদের পারিবারিক মূল্যবোধের অভাব, ধর্মীয় জ্ঞান এদের শুধু ধার্মিকদের ঠাট্টা করতে পারার মত। কোন মৌলবাদী এরকম বিনা কারনে জানোয়ারের মত ব্যবহার করতে পারতনা। এদের রক্তে মাদক আর সেমি পতিতার জীবাণু আছে। আফসোস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস এদের ধারন করার সৌভাগ্য হলনা।

এদের মানুষ করার দায়িত্ত সরকার নেবেনা। কারন এরাই রাজনৈতিক দল গুলোর হাতিয়ার, চাঁদাবাজির মাধ্যম। এদের নাখোশ করলে নিজেদের মাঠ ছাড়া হওয়া লাগতে পারে। পুলিশ এদের কেশ ও ছুতে পারবেনা। আমরা শুধু একটা প্রজন্ম কে নর্দমায় যেতে দেখছি।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

৫৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:৫৬

স্বপ্নবাজ শয়ন বলেছেন: ওরা জানবেও না কখন ওদের শাস্তি হয়ে গেছে,,,এসব শাস্তি দুনিয়তেই হবে । আশা করি খুব ভয়ানক হবে,,তারপর সব ভালো হয়ে যাবে ।

৫৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:১৪

সবুজ মহান বলেছেন: যে কোনো শিক্ষা প্রথিষ্ঠানেই এই ধরনের কিছু উশৃঙ্খল ছেলে থাকে ...তাই বলে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দোষ দেয়া যায় না...সবার মনে রাখা উচিত বাংলাদেশের সবচেয়ে মেধাবী ছেলেগুলোই ঢাবিতে পড়ে ...

ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: থাবরাইয়া ঢাবির পোলাপানের দাত ফালাইতে ইচ্ছা করে..ভুদাইগুলার কোন কাম নাই খালি আকামে ফাল পারে
...........আপনাকে শুধু একটা কথাই বলবো ..হারমজাদা তুই একটা ভুদাই ..ঢাবিতে চান্স না পাইয়া এখন রাগ ঝাড়তাসস

আমি নিজে ব্যাক্তিগতভাবে দেখেছি প্রাইভেটে পড়া ছেলেরা অনেকে বেশী
উশৃঙ্খল.......খালি সুযুগের অভাবে সত্
////////////
চৈতালি বাসে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা খুবই দুকক্ষজনক ..প্রতিটা বাসে ২০০ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ৭/৮ জন উশৃঙ্খল ছেলে থাকে যাদের জন্য পুরো ছাত্রসমাজকে লজ্জায় পড়তে হয় ..আর এদেরকে চেনা খুব সহজ....দেখবেন বাসের গেটে ঝুলে ঝুলে যায়

......................
ঢাবির বাস নিয়ে অভিযোগ ///////ঢাবির বাস রং সাইডে চলে
কেন চলে ? কখন চলে ?কেউ চিন্তা করেছেন ?নাকি ঢাবি শুনলেই গালাগালি করতে ইচ্ছা করে ?
আমাদের মত ঢাবির ছাত্র হলে বুঝতেন ....আর যারা ঢাবির ছাত্র হয়ে মুখে রং সাইডে চলার জন্য দিক্কার দিয়ে শুচিল হন ...মনে মনে কিন্ত তারাই কিন্ত সবচেয়ে খুশি হন বাস রং সাইডে গেলে
এখন বলি কেন রং সাইডে যায় ....ঢাবি বেশিরভাগ ডিপার্টমেন্টে ক্লাস শুরু হয় সকার ৮ টায় ..আর পরীক্ষাগুলো সকাল ৯ টায় ...আমি যদি উত্তরা থেকে একেবারে সকাল ৬:৪৫ এর বাসেও উঠি তারপরও দেখা যায় ক্যাম্পাস পৌছাতে প্রায় ৯ তা বেজে যায় ...আর কোনদিন একটা বাস মিস করলে কিংবা কোনো বাস না আসলে (যেটা প্রায়ই হয় ) সেদিন তো মাসাল্লাহ আর পরীক্ষা দিতে হবে না ...এখন বলেন বাস কেন রং সাইডে যাবে না ?..আর ঢাবির বাস রং সাইডে গেলে ট্রাফিক প্রবলেম হয় কখনো দেখি নাই....এরপরও যাদের ঢাবির বাস নিয়ে চুলকানি তাদের বলব ...ঢাবির বাসের দিকে নজর দেয়ার আগে দেখেন কয়টা বাস / প্রাইভেট কার লেন মেনে চালায় ...আর কারা সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে পতাকা ঝুলেয়ে তরতর করে চলে যায় ?
..........................
সবশেষে শুধু এটাই বলতে চাই ...যে ছেলেগুলো এই ন্যেক্কার জনক ঘটনা ঘটিয়ে ঢাবির মানহানি করল...তাদের প্রতি রইল ঘৃনা...মাঝে মধ্যে ঢাবির ছাত্র হিসেবে মাথা হেট হয়ে যায় যে এই ধরনের নগন্য কিছু থার্ড ক্লাস ছেলে ঢাবিতে পড়ে

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৩১

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত। অবশ্যই ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। ভাল ছাত্রও আছে, কিন্ত , গুটি কয়েক ছাত্রের কাছে তারা বন্দি।

তবে সবুজ ভাই, ঢাবির ৩৩০০০ ষ্টূডেন্টের মধ্যে কতজন ষ্টূডেণ্ট বাস ব্যবহার করেন, বলতে পারেন? বাংলাদেশে অন্তত ৫০ লাখ ষ্টুডেণ্ট প্রতিদিন ক্লাশ করতে বা পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে, আর কোন ষ্টূডেণ্ট বাস তো রঙ সাইডে চলেনা, শুধু ঢাবির বাস রং সাইডে চলে। এখন সব ষ্টূডেন্ট বাস যদি লেট হবার ভয়ে রং সাইডে চলে তবে রাস্তায় রাস্তার কি অবস্থা হবে।

৫৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:১৫

পৌরাণিক খড়গ বলেছেন: পোস্ট
স্টিকি হোক।

৫৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:১৮

স্বপ্নের বেলুন বলেছেন: ইয়াআআক থু!!!
থু থু ফেললাম এই মানুষরূপী জঘন্য প্রাণীগুলোর উপর X((

৫৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:৩৫

শিস্‌তালি বলেছেন: স্টিকি করা হোক.... ঢাবির ছাত্র হিসেবে আমি লজ্জিত... ক্ষমাপ্রার্থী :(

৫৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:০০

হিসলা সিবা বলেছেন: সবুজ মহান বলেছেন
.হারমজাদা তুই একটা ভুদাই ..ঢাবিতে চান্স না পাইয়া এখন রাগ ঝাড়তাসস

কৈ আমার মধ্যেতো এইরকম কপ্লেক্স কাজ করে না ??

অইদিন আমাদের এক বড় ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের শিক্ষক নিরঞ্জন মজুমদারকে এক বুয়েটের ছাত্র গালি দিয়া বলল তুই বুয়েটে চান্স পাস নাই তাই আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের শিক্ষক ।

পিচ্ছি পোলাপাইনরা ভদ্রতা কি জিনিস ভুইল্লা গ্যাসে

৬০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:০৩

শাফিন খান বলেছেন: ঢাকা উনিভার্সিটি তে মানুষ অহংকারী হইতে শিখায় ... X(

৬১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:১৪

কৌতুহল বলেছেন: আন্দাজে কথা বলার আর জায়গা পান নাই । সামনে পিছনে কোন দিকে গাড়ি যাওয়ার জায়গা নাই তারপরো পোলাপান গাড়ি না সরানোর জন্য গাড়ি ভেঙ্গেছে । এবং ওই লোক কোন কিছুই বলে নাই পোলাপান শুধু শুধুই ওই লোককে মারছে মনের আনন্দে । জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকা । এছাড়া লাইনে দাড়িয়ে থাকা আর কোন গাড়ি ভাংলো না শুধু ওইটা ভাঙ্গার জন্যই সবাই মুখিয়ে ছিলো, যেন গাড়ির মালিকের সাথে কোন পূর্বশত্রুতা ছিল সবার । আমি নিজেও ইউনিভার্সিটির গাড়িগুলোর সিগনাল না মেনে গাড়ি চালানোর বিপক্ষে । প্লিজ ঘটনা ভালো করে জানেন তারপর লেখেন । কোন মনগড়া, যুক্তিহীন এবং আবেগপূর্ণ গল্প বলে আপনি ঢাবির মান কমানোর চেষ্টা করবেন না । প্লিজ যে কেউ লেখা শেয়ার করার আগে ঘটনার সত্যতা যাচাই করুন ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৯

অন্ধ বাউল বলেছেন: ঘটনা ১০০% সত্য। ঘটনার দিন আমি নিজে মানিক এবং তার বাবার মুখে শুনেছি, ঢাকা ইউনিভার্সিটির দুইজন শিক্ষকও তখন মানিকের বাসায় ছিল।

আর কি বলে থাকলে পরে একজন মানুষকে তার বাবাসহ এভাবে মারা যায়?????

মনগড়া, যুক্তিহীন এবং আবেগপূর্ণ গল্প!!! হয়তো আপনি নিজে এধরনের সমস্যায় পড়লে বুঝতে পারবেন, কেউ যদি এরকম মার খায় হয়তো সহ্য হয়, কিন্ত এরকম মন্তব্য সহ্য হয়না।

কিছু পোলাপানের পাগল হওয়ার কোন কারন লাগেনা, ক্ষমতা আছে তাই পাগল হয়....

৬২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:১৬

কৌতুহল বলেছেন: আন্দাজে কথা বলার আর জায়গা পান নাই । সামনে পিছনে কোন দিকে গাড়ি যাওয়ার জায়গা নাই তারপরো পোলাপান গাড়ি না সরানোর জন্য গাড়ি ভেঙ্গেছে । এবং ওই লোক কোন কিছুই বলে নাই পোলাপান শুধু শুধুই ওই লোককে মারছে মনের আনন্দে । জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকা আর কোন গাড়ি ভাংলো না শুধু ওইটা ভাঙ্গার জন্যই সবাই মুখিয়ে ছিলো, যেন গাড়ির মালিকের সাথে কোন পূর্বশত্রুতা ছিল সবার । আমি নিজেও ইউনিভার্সিটির গাড়িগুলোর সিগনাল না মেনে গাড়ি চালানোর বিপক্ষে । প্লিজ ঘটনা ভালো করে জানেন তারপর লেখেন । কোন মনগড়া, যুক্তিহীন এবং আবেগপূর্ণ গল্প বলে আপনি ঢাবির মান কমানোর চেষ্টা করবেন না । প্লিজ যে কেউ লেখা শেয়ার করার আগে ঘটনার সত্যতা যাচাই করুন ।

৬৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:১৯

হেইল হিটলার বলেছেন: Dhakar pran kendre ei rokom bishwabidyaloy rakha thik na.

৬৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৪৯

হাসান খা বলেছেন: আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারিনি। এখনো এটা আমাকে পোড়ায়। কিন্তু যখন দেখি ঢাকা ভার্সিটির ছাত্রদের দেখলে এলাকার বাসের কন্ডাকটাররা ভাড়া নেয় না, তখন ভেবে পাইনা তারা বাসের স্টাফদের আত্মিয় না মাস্তান। লাল বাসগুলা রং রোড দিয়ে চলে, তাদের বাসে কিছূ মেধাবী মাস্তান ছাত্র আশেপাশের বাস চালকদের কাছ থেকে চাদা তোলে তখণ ভাবি, এরা এমন কেণ। মূখ ফূটে শুধু বলি এরা ভাল মানুষের ......... না ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৪২

অন্ধ বাউল বলেছেন: আমি নিশ্চিত যে যারা ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেন তাদের বেশির ভাগেরই বাবা-মা প্রতিমাসে মোটা টাকা পাঠায়। কিছু ষ্টূডেণ্ট আছে যাদের নিজেদের খরচ নিজেদের চালাতে হয়, তবু ও বেশির ভাগ ষ্টূডেণ্টরাই বাসের ভাড়া দিতে চান না। এমনো ষ্টূডেণ আছে যে প্রতিদিন ৩০০ টাকা মোবাইল বিল্ দেয়, দামী দামী ব্রান্ডের পোষাক পরে কিন্ত বাস ভাড়া দেয়না। হাতে iPhone নিয়ে বাস ভাড়া দেয়না শুধু এই কারনে যে তারা ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেণ্ট।

তবে ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। ভাল ছাত্রও আছে, কিন্ত , গুটি কয়েক ছাত্রের কারনে তারাও ধিক্কারের সম্মুখিন হন।

৬৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৫২

অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: ঘটনাটি খুবি দু:খজনক। আমি আরেকজনের কাছে এর কাছাকাছি একটা ঘটনা আগেও শুনেছি। লাল বাসে করে চলার সৌভাগ্য আমার আছে। আমি নিজেও দেখেছি এই বাসে যারা নিচে দাঁড়ায় তাদের একটা অংশ কিভাবে রাস্তায় দাপট দেখানোর চেষ্টায় থাকে। সবসময় একটা ব্যাপার থাকে সবাইকে বুঝিয়ে দেয়ার যে, এইটা ঢাবির লাল বাস, খুব সাবধান! নেমে রিকশাওয়ালা বা সিএনজি ড্রাইভার বা অন্য বাসের হেল্পারকে দু চার ঘা দিয়ে দেয়া খুবি স্বাভাবিক ঘটনা। এবং অধিকাংশ এই ব্যাপারটা করতে এবং দেখতে খুব এনজয় করে। আমার মতো যারা পছন্দ করতোনা তারা ভয়ে বা ঝামেলা এড়ানোর জন্য কোনদিন কিছু বলবেনা। রং সাইডে গাড়ী চালানো কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না, ঢাকা শহরে সবসময় জ্যাম থাকে, সবার জন্যই এই সমস্যা। রং সাইডে গিয়ে অন্যের দেরী করিয়ে দেয়া বা বিপদে ফেলানো কোনভাবেই সমর্থন করা যায়না। আমাদের মানসিকতায় বিরাট পরিবর্তনের দরকার আছে।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১১

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

৬৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৫৩

হাসান খা বলেছেন: ইয়াআআক থু!!!
থু থু ফেললাম এই মানুষরূপী জঘন্য প্রাণীগুলোর উপর

৬৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:০১

এবিডি বলেছেন: আমি এই বাসের নিয়মিত যাত্রী। বাসের নিচে কিছু জারজ জানোয়ার দাঁড়ায়। এগুলো তাদের কাজ। প্রতি সপ্তাহে এই রকম ঘটনা কয়েকবার হয়। আমাদের কেবল উপরে বসে মনে মনে গালি দেওয়া কিছু করার থাকে না।

৬৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:০৬

বিডিওয়েভ বলেছেন: নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা লাগছে,। তারপরও সরি বলছি। সবার পক্ষ থেকে, জানি এটা ক্ষমাহীন

৬৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১০

এবিডি বলেছেন: গতমাসে সাড়ে সাতটার বাস রং সাইডে যেয়ে এক তরকারিওয়ালা রিকশাওয়ালার রিকশা গুড়াগুড়া করে দেয়। ওই রিকশাওয়ালা তার ভাঙ্গা রিকশা আর ছড়ানো ছিটানো তরকারি নিয়ে রাস্তায় বসে ছিল। আর হারামজাদারা একটু থামলোও না।

৭০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১৬

স্বপ্ন দিগন্ত বলেছেন: ঢাকা ভার্সিটি দেশের একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হলেও এখানে এমনি কিছু ছোটলোকের বাচ্চারা পড়াশোনা (!) করে, শুনতে খারাপ শোনালেও এটা সত্য যখন অশিক্ষিত মানুষের হাতে হ্ঠাৎ করেই টাকা আর ক্ষমতা চলে আসে, তখন তারা মাথা ঠিক রাখতে পারেনা, সেটার বহিঃপ্রকাশ এই ঘটনা ও আরো ঘটে যাওয়া শত ঘটনা।

এই সকল ছোট লোকদের জন্য কিছু প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম খারাপ হচ্ছে। আমাদের কিছু করার নেই, কিছু বলার নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিছু বলবে না। এভাবেই ঘটনা গুলো কিছু বিচ্ছিন্ন অঘটন হিসেবেই রয়ে যাবে।

৭১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১৯

এবিডি বলেছেন: http://www.facebook.com/groups/choitaly.du/

৭২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:২০

না বি ল বলেছেন: খুবই অমানবিক!!! এমন খবরগুলো পড়ে প্রায়ই শিউরে উঠতে হয়... মানুষ নামের অমানুষগুলো'তে ভরে গেছে দেশ। শিক্ষিত হয়েও মূর্খের মত আচরন করছে...

" এ কেমন দুঃসময় যখন দেখি সারা পথ জুড়ে
নিত্য মৃত্যু, জীর্ন মানুষের দীর্ঘশ্বাস ওড়ে বাতাসে

এ কেমন সুখ যখন দেখি ক্ষুধার্ত মুখ
এ কেমন স্বাধীনতা যেখানে কোটি মানুষ শেখে অধীনতা
এ দেশ ভুল পথে বিকৃত ভাঙ্গা হাতে লাঞ্ছিত
কৃষকের স্বপ্ন বিষন্ন বিবর্ন
কালো কাচে ঢাকা এ শহর মত্ত
কি বেদনাময় এ বিশ্বাসহীনতা হায়……

এ কেমন রাজনীতি যারা ভোলায় সে প্রতিশ্রুতি
মোরা অভিভুত হয়ে মাতি কবিতা উৎসবে
শিল্প, কালচার, নাটক ও সংগীতে
বস্ত্রহীনেরা বিপন্ন বিস্ময়ে
এখনো কাঁদে ক্ষুধার কোরাসে হায়…… "

৭৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:২৩

ওিহদুর বলেছেন: ভাই খুবই সুন্দর লিখেছেন । কবে হবে আমাদের বোধোদয়? আমাদের বোধোদয় না হওয়া পর্যন্ত এই রকম আরো অনেক ঘটনা ঘটবে থামাতে পারবেনা কেউই । লেখাটি স্টিকি করা হোক ।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৪২

অন্ধ বাউল বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৩২

মেঘেরদেশ বলেছেন: শুধু ঢাকা উনিভার্সিটি কেন সে দিন জাহাঙ্গীর নগরের বাস থেকে কিছু পোলাপান নেমে আমাদের বাসের ড্রাইভারদেরও এভাবে মারধর করে,এরকম কয়েকটা ছেলের জন্য সব ছাত্রের বদনাম হয়,সাধারন ছাত্র গুলো ও ভয়ে কিছু করতে পারে না :(

৭৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৫২

তামীম বলছি বলেছেন: কিছু বলার ভাষা নাই।

৭৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৫৭

আরজু পনি বলেছেন:
খুবই দুঃখজনক!

কিছু কিছু উদ্ধত মনোভাবাপন্ন শিক্ষার্থীর জন্যে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের বদনাম !!

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৪৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

৭৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:০০

মোঃ মুজিব ঊল্লাহ বলেছেন: কলম নয় কি-বোর

৭৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:০৪

সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: speechless. ছিঃ !

৭৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:০৯

বাংলাদেশি পোলা বলেছেন: পড়ালেখা করে বইতে ছাপানো কিছু তত্ত্ব শেখা যায়, কিন্তু মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটানো যায় না। মনুষ্যত্বের বিকাশ তখনই ঘটবে যখন নিজে মানুষ হয়ে উঠতে চাইবে। :|| /:) B:-)

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৪৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

৮০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১১

চানাচুর বলেছেন: দু:খজনক:(

৮১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৩

কলমবাঁশ বলেছেন: এরা লেখাপড়া শিখে মানুষ না এক একটা বেজম্মা তৈরী হচ্ছে। আর জানেন তো ওরা সব প্রায় রামছাগল। (সার্টিফিকেটের হিডেন লোগোতে আছে)।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৪৬

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।
তবে সবাই খারাপ না। এরকম কয়েকটা ছেলের জন্য সব ছাত্রের বদনাম হয়,সাধারন ছাত্র গুলো ও ভয়ে কিছু করতে পারে না ।

৮২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৫

আছিব চৌধুরী বলেছেন: খুবই অবাক হলাম, ওরা আসলে ছাত্র না, ছাত্র নামের কলঙ্ক !!!! গুটি কয়েকজন অছাত্র এর কারনে আমাদের পুরো ছাত্র সমাজের বদনাম। আমি যদিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি না, পড়ি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তারপর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এমন একটি ঘৃণিত ঘটনা আমার বিবেককে নাড়া দিয়ে গেছে। ওদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হউক।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৪৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: ধন্যবাদ। দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি না হলে আবারও এরকম ঘটনা ঘটবে।

৮৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৩০

আমি মাসুদ বলেছেন: ছিঃ ছিঃ ছি যারা এ কাজ করেছে তাদের মুখে থু থু । এসব ফকরানীর পোলাপাইন ক্ষ্যাত...।

৮৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৩৪

মাক্স বলেছেন: লজ্জাজনক

৮৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৩৬

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: ছি:

৮৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৪৬

কোডনেম ৬৬৬ বলেছেন: একজন ছাত্র হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে লজ্জিত। আউল-ফাউল পোলাপানরা যখন এরকম করে তখন তো অন্তত বলতে পারি- ওরা সুশিক্ষা পায় নি তাই এরকম আচরণ করছে। কিন্তু দেশের সবচেয়ে প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা যখন এরকম পশুর মত আচরণ করে এর কি ব্যাখ্যা দেব? ওরা তো দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের শিক্ষা পাচ্ছে।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৫০

অন্ধ বাউল বলেছেন: ওরা দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের শিক্ষা পাচ্ছে, কিন্ত এবার ওদের উচিৎ দেয়া দরকার যাতে এরকম ঘটনা আর না ঘটে।

৮৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৫৬

সাহস বলেছেন: সব কিছুর একটা সীমা থাক উচিত

৮৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:০৭

আমি বিবেক বলছি বলেছেন: মন্তব্য অনেক, ভাল কথা। কিন্তু ব্যাপারটার সুরাহা হল কিছু? ঘটনার সংশ্লিষ্ট কাউকে কি ধরা হয়েছে? বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও অগ্রগতি কি আছে? কেউ জানান দয়া করে।

একজন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে জেনে এসেছি, একজন এলামনাইকে সবসময় সম্মান করতে হবে। চেইন অব কমান্ড। ঢাবিতে এলামনাই এসোসিয়েশন কি এ ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ নিয়েছে? শুধু কমেন্ট করে লাভ কি?

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৫৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জনানো হয়েছে। ঘটনার সংশ্লিষ্টদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

৮৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:২২

আমিনুল ইসলাম বলেছেন: উপরে একজন দেখলাম লিখেছেন ঐ ভাইয়েরও নাকি সাবধান হওয়া দরকার ছিল এই দরজায় দাঁড়ানো ভাইয়েরা কী করতে পারে তা ভেবে।

অবাক হলাম। এই রকম কাজ যেন না হয় তা না ভেবে নিজেদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। সতর্ক থেকেই বা কতটুকু কী করা যায়?

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৫৯

অন্ধ বাউল বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির বাসগুলোর সামনে পাগলা ঘন্টা বেধে দিতে হবে, যাতে রাস্তার মানুষ সাবধান হতে পারে যে কারা আসছে। অথবা মন্ত্রী, এম পি দের মত প্রটোকল দিতে হবে। কিন্ত সাধারন মানুষের ক্ষতি যেকোন উপায়ে থামাতে হবে।

৯০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:২৮

ৈহমনতী বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক।
নিজেকে কি ভাগ্যবান ভাবব? যে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রি না!!!!
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ এ কি এইসব শেখান হয়???!!!
এদের বিবেক কি এতোটাই নিচে নেমে গেছে??!!!
শুধু উচ্চ নাম্বার পেয়ে এখানে ভর্তি হওয়াটাই কি আসল কথা??!!!
নাকি এইখানে ভর্তি হবার মানে যা ইচ্ছে তাই করে বেড়ানোর সুযোগ পাওয়া??!!!
এইসব প্রশ্নের উত্তর কি????
কাকে জিজ্ঞাসা করব???
এই যদি হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়া ছাত্রদের আচরণ, এই যদি হয় এদের শিক্ষা।তবে আমাদের দরকার নাই এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের,যেখানে মানুষরূপী হায়েনাদের জন্ম হয়।
আমার জিবনের বড় একটা সময় আমি আফসোস করে কাটিয়েছি এখানে ভর্তি হবার সুযোগ না পেয়ে।এখন মনে হচ্ছে, আমি হয়ত উচ্চ নাম্বার পেয়ে এখানে ভর্তি হতে পারিনি কিন্তু এইরকম অমানবিক ইতিহাসের অংশ হবার হাত থেকে বেঁচে গেলাম।এইখানে ভর্তি হবার মানে যদি হয় ভালো স্টুডেন্ট নামের ট্যাগ লাগানো, আর এমন বীভৎস ঘটনার অংশিদারিত্ত পাবার।তবে আমার ভালো স্টুডেন্ট হবার সাধ নাই।তার চেয়ে বরং আমি একজন ভালো মানুষ হতে চাই।একজন ভালো মানুষ।

৯১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৪

চিরহরিত বলেছেন: সবার প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেই বলছি, "আমরা সবাই চাইলে ৭ দিনের মধ্যে অন্তত ঐ ছেলেগুলাকে সনাক্ত করতে পারি।" এই ব্লগ স্টিকি হোক চাই না হোক। আমরা ১০ জন এই ব্লগ এ এসে মন্তব্য করি চাই না করি। তাতে মানিক এর কিংবা তার হতভাগা পিতার ভাগ্যের কোন পরিবির্তন হবে না। এমন দূর্ভাগা একজন পিতার জন্য কিংবা এই ধরনের যাবতীয় সকল পরিস্থিতির ক্ষেত্রেই আমরা সবাই মিলে অন্তত ঐ ছেলেগুলোকে সনাক্ত করতে পারি। হতে পারে কোন ছেলে আমারই ছোট ভাইয়ের বন্ধু অথবা আমারই ছোট ভাই। আমরা চাইলে পারি - অন্তত আমি তাই বিশ্বাস করি। কেউ কি এমন টা মনে করেন?

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২২

অন্ধ বাউল বলেছেন: ১০০% সহমত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ওদের যদি দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা যায়, তবে হয়তো ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পরিমান কমতে পারে। আমাদের সবারই কেউ না কেউ পরিচিত আছে যারা ষ্টূডেণ্ট বাসে যাতায়াত করে। তারাই অপরাধীদের নির্ভুল ভাবে সনাক্ত করতে পারবে।

৯২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৩

ভাবুক তুষার বলেছেন: কি আর বলবো বা লিখবো, দেশের সেরা বিদ্যাপীঠের ছাত্ররা যদি এমন হয় ! এদের আমি ছাত্র বলে মনে করি না, ছাত্রের লেবাসে উগ্র কিছু মানুষ, ধ্বংসাত্মক চিন্তা ভাবনা।

৯৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৭

প্রল্ল্যেখ বলেছেন: ঢাকা ভার্সিটি বলেন, আর নামকরা প্রাইভেট ভার্সিটি বলেন, সব জায়গার পোলাপানের ই সমস্যা আছে। দিন দিন আমরা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছি। পরিবার থেকে এখন শিক্ষা দেয়া হয় না, সমাজের চারপাশের সবাইকে লুটতরাজে ব্যস্ত দেখে নতুনরাও এতে অংশ নেয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের এইসব সমস্যা সমাধানের খুব কার্যকরী একটা উপায় হবে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেয়া। আর যারা দোষী, তাদের কে সঠিক বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হউক যাতে আর কেউ কোনদিন এমন কাজ করার সাহস না পায়।


আর সবার শেষে একটা কথা বলি, একান্তই ব্যক্তিগত মতামত, অনেক কেই হয়ত আঘাত করবে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজাইরা সাবজেক্ট গুলা বন্ধ করে বাস্তব জীবনে প্রয়োজনীয় এমন বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া উচিৎ। আজাইরা সাবজেক্ট গুলা বন্ধ না করা যদি হয়ও এইগুলার সিট সংখ্যা কমিয়ে দেয়া উচিৎ, যাতে করে কিছু প্রয়োজনীয় ইন্টেলেকচুয়াল বের হতে পারে। এটা বলার কারন, অপেক্ষাকৃত কম বাজারমুল্যের ছাত্ররা বেশি হতাশ থাকে এবং তাদের দ্বারা এইসব অঘটন বেশি ঘটে ।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: প্রল্ল্যেখ বলেছেন: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের এইসব সমস্যা সমাধানের খুব কার্যকরী একটা উপায় হবে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেয়া।






সহমত।

৯৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৭

আরেফিন ইশাত বলেছেন: পোস্ট পইড়া ঢাকা পড়ার আশা ফুরাইল ...

৯৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:০৪

গুগলরকস বলেছেন: মনে দুঃখ নিয়ে পড়া শেষ করলাম। আসলে এরা কুত্তার জাতও না। সব ফকিন্নির পোলাপাইন একএকটা। এদের ফিলোসফি হলো বড়লোকের পাছায় কামরাতে হবে। গাড়ি দেখলেই ভাঙ্গতে হবে। গালাগাল ছাড়া কথা বলা যাবেনা। আর এই হারামির বাচ্চা গুলাই বাস চাপায় মরে। তারপরে আবার বাস গাড়ি ইত্যাদি সামনে যা পাবে কুত্তার দলের মত ভাংবে।
নেতাদের পা চাটে এরা। আসলেই পা চাটে।
কুত্তারবাচ্চা গুলা ঐতিহ্য নিয়েই পরে আছে। এদের মুখে থু! এদের শিক্ষক দের মুখে থু! অমানুষ হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছে।
এই ঢাবি সেই ঢাবি না! এই ঢাবি সেই ঢাবি না!

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৬

অন্ধ বাউল বলেছেন: গুগলরকস বলেছেন: এই ঢাবি সেই ঢাবি না! এই ঢাবি সেই ঢাবি না!


সহমত।
তবে ঢাবির সব ছাত্র এরকম না। গুটি কয়েক ছাত্রের জন্য ঢাবির সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

৯৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:১০

ইংলা বলেছেন: ফেসবুকে ৩০৮০ বার শেয়ার হওয়া এই পোস্টটা কি স্টিকি হবে না???

৯৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:১৫

সুদীপ্ত কর বলেছেন: :(( :(( :((

৯৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২৪

কাব্য সরকার বলেছেন: :|

৯৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৩২

আবু সায়েম বলেছেন: @সবুজ মহান, কৌতুহল কত সুন্দর সাফাই গাইলেন । বুঝতে আর বাকি নাই । এমন ঘটনা তো নতুন না । আমার মতো পিচ্চিরা আপনাদের কাছ থেকে কি শিখবে!

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:০০

অন্ধ বাউল বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট বাস থেকে দূরে থাকুন, ভাল থাকুন।

১০০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৩৩

কলম11 বলেছেন: vai ekhane jara nijeder DU er student hisabe lojjito bolchen tara kosto kore Chutalir je FB group link deya ache sekhane giye post r comment gula porun.......... liggito hoye chup-chap bose na theke nijeder vai vhonder sodranor chesta korun.....

১০১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৪৭

আবু সায়েম বলেছেন: ঢাবির ভাইয়েরা যেভাবে সাফাই গাইছে লজ্জা না করুক বিবেক না থাকুক অন্তত মানুষ নামের চিজ না । এটাই যদি একটা ঘটনা হত তাও হতো । এরকম ঘটনা তো মানুষ কম দেখে নাই

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:৫৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: এরকম ঘটনা তো মানুষ কম দেখে নাই এবং এখনই ব্যবস্থা না নিলে বার বার দেখবে।

১০২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১২

আরাফাত৫২৯ বলেছেন: ঘটনা সত্যি হলে ঘৃণা ছাড়া বলার কিছুই নাই। যারা অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করছেন/আছেন বা যারা চৈতালী বাসে ভ্রমণ করেন না তারা ব্যাপারটাকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান না বলে পাস কাটবেন না। আমরা এখন রুখে না দাড়ালে আজকে যা ঢাবিতে হয়েছে কালকে আমার প্রতিষ্ঠানে হবে।

চৈতালী বাসের কমিটিতে যারা আছে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক। বচার প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:০১

অন্ধ বাউল বলেছেন: আরাফাত৫২৯ বলেছেন: আমরা এখন রুখে না দাড়ালে আজকে যা ঢাবিতে হয়েছে কালকে আমার প্রতিষ্ঠানে হবে।

সহমত।

১০৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১৯

আহাদিল বলেছেন: দুঃসময় যাচ্ছে আমার! কোন কিছুতেই অবাক হই না আর আগের মতো...কোন দুঃসংবাদেই না!

কিন্তু এই সংবাদটা পড়ে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম!
ঢাকা ভার্সিটির লাল বাস সম্পর্কে অনেকেই সাবধান করে এর রাস্তার ভুল সাইডে চলাচলের জন্যে... কিন্তু এর ভিতরে যারা যাওয়া-আসা করে তারা এতটা পাশবিক আচরণ কীভাবে করতে পারে!!

কীভাবে এতটা বর্বর হতে পারে দেশের ভবিষ্যত এই তরুণেরা!!

১০৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২১

ৈজয় বলেছেন: আমাদের পাঠ্যসূচীতে নৈতিক শিক্ষা আবশ্যিক হওয়া প্রয়োজন।

১০৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩০

পাথুরে সুমন বলেছেন: সবুজ মহান বলেছেন: ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: থাবরাইয়া ঢাবির পোলাপানের দাত ফালাইতে ইচ্ছা করে..ভুদাইগুলার কোন কাম নাই খালি আকামে ফাল পারে
...........আপনাকে শুধু একটা কথাই বলবো ..হারমজাদা তুই একটা ভুদাই ..ঢাবিতে চান্স না পাইয়া এখন রাগ ঝাড়তাসস

সবুজ মহান ভাই কে বলছি, যখন এই ধরনের ঘটনাগুলো দেখি তখন মনে হয়না ওইখানে চান্স না পাইলে কোন বিবেকবান মানুষ এইভাবে রাগ ঝাড়বে।

আর রং সাইডে বাস চলার যে যুক্তি আপনি উপস্থাপন করলেন সে ব্যাপারে আমার মনে হয় সব শিক্ষার্থী -র ই উচিত নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঠিক সময় আসা যাওয়া করার জন্য নিজ দায়িত্বে বাসস্থানের ব্যাবস্থা করা। আর যাই হোক এই কারনে রং সাইডে বাস চলাটা যুক্তিযুক্ত হতে পারে না। তাই বলছি, সাফাই গাওয়ার আগে একটু হিসেব করে নিবেন। আপনার হয়তো এই ধরনের ঘটনায় লজ্জা না লাগতে পারে, তাই বলে নিজের নিরলজ্জতা কে এই ভাবে প্রকাশ করবেন ? :P

আর এই ব্যপার গুলি ঢাকার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যেই দেখা যায়, এমনকি নবম-দশম শ্রেণীর স্কুল পড়ুয়া ছেলেদের মাঝেও, যারা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে।

এগুলো দেখে দেখে লজ্জিত হওয়াও ভুলে গেছি।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৪৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: ধন্যবাদ,
পুরোপুরি সহমত।

১০৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩৩

প্রিয়ভাষিণী বলেছেন: :(

১০৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪০

জুয়েল বলেছেন: মাঝে মাঝে এদের আচরণ দেখলে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয় যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িনি। এরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকে মানুষ হয়ে, কিন্তু ঢোকার পরপরই যেন হায়েনা হয়ে যায়। অনেকে হয়তো বলবেন সবাই এক না, কিন্তু আমি যতদুর দেখেছি, বেশিরভাগ ঢাবি ছাত্রই এরকম। আমার কিছু ভদ্র, নিরীহ টাইপ ফ্রেন্ড ঢাবিতে ভর্তি হয়েছিল, ভর্তির কিছুদিন পরই শুনলাম সিগারেট ধরেছে, বিভিন্ন টাইপ মদও নাকি টেস্ট করেছে। এসব জিনিস নাকি হলগুলোতে খুবই স্বাভাবিক।

১০৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫০

অদম্য শার্দূল বলেছেন: ২০০৯ সালে আমি নিজ চোখ দিয়ে দেখেছি, একজন জুনি্যর হেলপার বাসের মেয়েদের ওড়না টান দিল, বাস কমিটির মদদে

১০৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫৩

তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: এ ব্যাপারে বেশ কয়েকজন বড় ভাইয়ের কথা থেকে যা জানতে পেরেছি তাতে ঐদিন তারা সেই বাসে উপস্থিত ছিলেন না! আর গত ২ বছরে ভর্তি হয়া Student দের নিয়ে তারা নিজেরাও বিব্রত।

১১০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫৭

অদম্য শার্দূল বলেছেন: বাসটির নাম baishakhi

১১১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫৯

আবু সায়েম বলেছেন: @সবুজ মহান, কৌতুহল :ধিক্কার আপনাদের মতো বিবেকহীনদের ।

১১২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫৯

তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: @লেখক: মানিক ভাইয়ের সর্বশেষ অবস্থা কি সেটা অনুগ্রহ করে জানান..

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪০

অন্ধ বাউল বলেছেন: মানিক এখন শারীরিক ভাবে আশংকা মুক্ত, তবে মাঝখানে ওর মাথার তিন চার টা ক্ষতের একটাতে ইনফেকশন হয়ে গিয়েছিল।
তবে মানসিক ভাবে এখনও পুরোপুরি সামলে উঠতে পারেনি।

১১৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১০

ভোজন রসিক বলেছেন: ধিক্কার এসব মনুষ্যত্বহীন দের, এদের কে সনাক্ত করে কঠোর বিচার কামনা করছি . . .

১১৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১২

মাধুকরী বলেছেন: সবুজ মহানের মন্তব্য পড়লেই কিছু কুলাঙ্গারের মানসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায় , রং সাইডে চলার যে যুক্তি দেখাল, এই গর্দভ কে ঢাকা শহরে একাই সময়মতো পরীক্ষা দিতে হয় , স্কুল, কলেজ ,অন্য ভার্সিটি, মেডিকেল, বুয়েট কারো কোন পরীক্ষা থাকেনা, কারন কোন ফিক্সড টাইম অফিস থাকেনা !

১১৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২১

মাধুকরী বলেছেন: ঢাবির ফ্যাকাল্টি গুলোর প্রথম দিকের ৪-৫ টা সাবজেক্ট যে মেধাবীরা চান্স পায়না তারা এখানে পরের বালছাল ফালতু সাবজেক্টে না পড়ে অন্য ভার্সিটি তে যায় বা প্রাইভেটে যায় দেখেই কিছু ফালতু পোলাপাইন নিচের দিকের মেক্সিমাম ফালতু সাবজেক্টে পড়ে , আর এই ফালতু পোলাপাইন গুলোই এই অমানুষের কাজ করে, সাইন্সের ভাল সাবজেক্টের বা আইবিএ এর কোন পুলাপাইন এগুলো করেনা, ব্যাতিক্রম আছে সব জায়গায়ই ! কিন্তু মেক্সিমাম ফালতু সাবজেক্টে পড়া ছেলেরা ঢাবির মেধাবী মুখের লেবাস লাগিয়ে কুকাম গুলো করে , আর নিজেরে হামবড়া মনে করে । এরকম বলতাম না , কিন্তু ঢাবির কিছু পুলাপাইনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলছি !
(আমি নিজে সরকারী মেডিকেল থেকে পাশ করেছি, বুয়েটে চান্স পেয়ে পড়িনি, সো এই ফালতু কমপেয়ার করার আগে চিন্তা করিয়া )

১১৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২৬

মাধুকরী বলেছেন: আমার নিজের দুই ফ্রেন্ড সিএসই পড়তে চাইছিল, কিন্তু বুয়েটে চান্স পাইছে ওয়াটার রিসোর্সে একজন আরেকজন মেকানিক্যালে , আবার ঢাবিতে একজন বায়োকেমিস্ট্রি আরেকজন ফিজিক্সে , তারা কোনটাতে ভর্তি না হয়ে এআইইউবি তে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিঙে ভর্তি হয়েছে , প্রাইভেটে ভর্তি হয়েছে বলে কি তারা মেধাবী না ! তারা ঢাবিতে প্রথম দিকের সাবজেক্ট ছেড়ে দিছে যেগুলোতে চান্স পেলেই অনেকএর লাইফ বনে যায় ,
আর বালের সামাজিক বিজ্ঞান পড়ে হামবড়া আর সন্ত্রাসী করে পুলাপাইন

১১৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:১৫

ফাটা বাশঁ বলেছেন: "দুর্জন জ্ঞানী হইলেও পরিত্যাজ্য"

ঢাবির এরা মনে করে দেশটা ওদের বাপে কিনে নিছে। আরে ব্যাটা ঢাবিতে পড়তাছোছ মাইনশের ট্যাক্স এর টাকায়। কথাটা মাথায় রাখিস X((

১১৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৩১

উম্মে মারিয়াম বলেছেন: মন ঘটনা আমিও ঘটতে দেখেছি অহর্নিশ।

একদিনের ঘটনা। সময়টা মনে নেই। । তবে কিছুটা ব্যতিক্রমে। আমারবেলায় বাস ছিল ক্ষণিকা আর ঘটনা ঘটেছিল কোন মানুষের সাথেনা। তা ঘটেছিল একজন ড্রাইভারের(?) সাথে।

কোন এক প্রথম রোযারদিন। মহাখালি রেইলগেটে একটা ট্যাক্সিকে ওভারটেক করতে চাচ্ছে ক্ষণিকা। কিন্তু কোন কারণবশতঃ ট্যাক্সিড্রাইভার তা হতে দিচ্ছেনা।
যার পরিণতিতে তার উপর নেমে এল ভয়াবহ দূর্যোগ। আমার চোখের সামনে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হতে লাগল ড্রাইভারের হাত দিয়ে।
কোন এক ছাত্রের হাতে ধরা ছিল মামার কাছে সঞ্চিত একখানা রড। অথচ পুলিশ দূরে দাঁড়িয়ে নির্বিকারে টহল দিচ্ছিল।
সেইবার কয়েকদিন আমার মনটা খুব খারাপ ছিল।
কিন্তু আজও জানিনা মন খারাপের কারণ কি ছিল? কারণ আমরা কি মানুষ? মানুষেরাইতো কেবল কাঁদতে জানে।

১১৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৭

আমি তুমি আমরা বলেছেন: দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

মানিক ভাইয়ের সর্বশেষ অবস্থা কি সেটা অনুগ্রহ করে জানান..

১২০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৪১

টিটু রহমান বলেছেন: আদি মানব বলেছেন: জনগনের টাকায় পড়ে অথচ মানষিকতায় এরা শুয়োরের চেয়ে নিচু জাতের। বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখেছি তারা নিজেদের বিশেষ কিছু মনে করে, দাম্ভিকতার শেষ নাই। রাস্টের টাকায় কিছু শুয়োর লালন পালন হয় ওখানে।।

১২১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৫

ৈহমনতী বলেছেন: তখন মন্তব্য করে গিয়েছিলাম,কিন্তু ব্লগার সবুজ মহান এর মন্তব্য টা পড়ে দেখি নাই। পড়ার পর এখন রিপ্লাই না দিয়ে আর থাকতে পারলাম না।
ভাই সবুজ মহান,আমি যতটুকু জানি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, মেডিক্যাল, বুয়েটেও মেধাবীরা পরে। এরকম আরও হাজারও উদাহ্ররন দেয়া যাবে। প্রাইভেটেও অনেক মেধাবীরা পড়ছে।আমি অত মেধাবী নই,কিন্তু সরকারি জায়গায় পড়ার কারনে এইটা অন্তত বুঝি যে,এইখানে আমরা জনগণের টাকায় পড়াশুনা করি।সেই হিসেবে দেশের জনগণের প্রতি মিনিমাম দায়িত্ত ও বিনম্রতা থাকা টা মনে হয় জরুরি। বিনম্রতা প্রকাশ করা দুর্বলতা নয়। জানেন তো ব্যবহারেই বংশের পরিচয়। সকাল ৮টায় পরীক্ষা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না, আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়। আর ভাই,মেধাবি হবার মানে নিশ্চয়ই এটা নয় যে,আপনার যা ইচ্ছা তাই করবেন।ইচ্ছা হ্ল সিগন্যাল ভাঙ্গবেন,ইচ্ছা হ্ল গালি দিবেন।সেটা তো সেচ্ছাচারিতা হয়ে গেল।পাব্লিকের পয়সায় পড়ে যা ইচ্ছা তাই করলেন, সেটা কি খুব ভালো কথা,নাকি গৌরবের কথা??
সহজ ভাষায় একটা কথা বলে যাই,
দুর্জন বিদ্যান হইলেও, পরিত্যাজ্য।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

১২২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৮

গোধুলী রঙ বলেছেন: কুকুর ও পাললে সেটা পোষ মানে, কিন্তু আফসোস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও এই কুকুর গুলি তাদের হিংস্রতা কে থামাতে পারে না।

১২৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৫

চিকন আলি বলেছেন: ঢাবিতে মেধাবীদের চেয়ে কুলাঙ্গারের সংখ্যা এখন বেশি.....

১২৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১০

আমি সুফিয়ান বলেছেন: জীবনে ভাবি নি, আমাকে বলতে হবে ঢাকা ভার্সিটির স্টুডেন্ট হিসেবে আমি লজ্জিত। কোন কথা না বলে ঐ কুলাঙ্গার গুলোর ছাত্রত্ব কেঁড়ে নিতে হবে এবং এদের কে সোজা জেল হাজতে পাঠাতে হবে।
ঢাবির ছাত্র হিসেবে আমি অবশ্যই গর্বিত। কিন্তু গর্বিত হওয়া এক জিনিস আর ঢাকা ভার্সিটির ইমেজ ব্যবহার করে সন্ত্র‌‌াসী কর্মকাণ্ড চালান সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।

১২৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:২৯

আবীর চৌধুরী বলেছেন: মেধাবী হওয়া আর চরিত্রবান হওয়া এক কথা নয়।

মানুষ-কে প্রচলিত অন্ধকারাচ্ছন্ন ধ্যান-ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

পাবলিকে পড়লেই মেধাবী-সংগ্রামী-ভালো মানুষ আর প্রাইভেটে পড়লেই বড়লোকের আদরের-উচ্ছন্নে যাওয়া-টাকা দিয়ে গড়া মানুষ নয়!

সে যে দেশের-ই হোক না কেন, মুসলিমের ঘরে জন্ম নেওয়া (শুধু নামে মুসলমান হলেও) কেউ অপরাধ করলে সন্ত্রাসী (অবিচারযোগ্য অপরাধ), আর অন্য কেউ অপরাধ করলে শুধু অপরাধী!

১২৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:২৮

হুদাই পেচাল বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেণ্ট, এদের গায়ে হাত তুললেই মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করে মেধাবী ছাত্রকে পুলিশ বিনাকারনে মেরে ফাটিয়ে দিয়েছে।

একদম উচিত কথা, মিডিয়া চুপ কেনো? প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টরা এমন করলে তো ফাটাইয়া ফেলতো ধনীর দুলাল দুলালীরা করছে।

বিচার চাই। সবাই শেয়ার করেন।

১২৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:৪২

মশিউর রহমান অনির্বাণ বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি আমাদের দেশের এক উজ্জ্বল শম্ভবনা !!! কি বলেন ?
ছাত্র রা দেশ টাকে এগিয়ে নিয়ে জাচ্ছে শম্ভবনার (!) দিকে, বলেন জয় বাংলা!!!

১২৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:৪২

মশিউর রহমান অনির্বাণ বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি আমাদের দেশের এক উজ্জ্বল শম্ভবনা !!! কি বলেন ?
ছাত্র রা দেশ টাকে এগিয়ে নিয়ে জাচ্ছে শম্ভবনার (!) দিকে, বলেন জয় বাংলা!!!

১২৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:৫২

জাহিদ ফারুকী বলেছেন: খুব ই দুঃখজনক। কুত্তাদের ধরে থাপড়ানো উচিত। ঢাকা ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট হইছে জন্যে দেশ কিনে নিয়েছে নাকি?

১৩০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:০৫

টেস্টিং সল্ট বলেছেন: খুব কষ্ট লাগছে, জানি এসব চোখের সামনে দেখেছি অনেক বার। কিন্তু একজন কি করতে পারে। মানুষ হিংস্র হয়ে গেছে রে ভাই :(( :((

১৩১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৩০

সবুজ মহান বলেছেন: অনেককেই দেখছি আমার আগের মন্তব্যটি বুঝতে পারেন নি .....সেটার জন্য আমি আপনাদেরকে দোষ দিচ্ছি না .....আশা করি এখন বুঝতে পারবেন
................
প্রথমে আমার আগের মন্তব্যের কিছু প্রতিমন্তব্যের জবাব দিয়ে নেই
@হিসলা সিবা
ভাঙ্গা হৃদয়ে পুরো ঢাবি ছাত্রসমাজকে উদ্দেশ্য করে গালি দিয়েছিল, যার পরিপেক্ষিতে আমার মন্তব্যটি ছিল (আর আপনি এটাই বুঝতে ভুল করেছেন )
শুধু ওই জগন্য পিচাশদের উদ্দেশ্য করে গালি দিলে আমি কিছুই বলতাম না
@পাথুরে সুমন
আমি কখন বললাম আমি এই ঘটনার জন্য লজ্জিত নই?
@আবু সায়েম
আমি কেন বিবেকহীন সেটা জানলে ভাল লাগতো?

মাধুকরী বলেছেন: সবুজ মহানের মন্তব্য পড়লেই কিছু কুলাঙ্গারের মানসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায় , রং সাইডে চলার যে যুক্তি দেখাল, এই গর্দভ কে ঢাকা শহরে একাই সময়মতো পরীক্ষা দিতে হয় , স্কুল, কলেজ ,অন্য ভার্সিটি, মেডিকেল, বুয়েট কারো কোন পরীক্ষা থাকেনা, কারন কোন ফিক্সড টাইম অফিস থাকেনা !
@মাধুকরী
আপনেরে কে কইসে অন্য ভার্সিটির বা বুয়েটের বাস রং সাইডে চলে না ?
না জাইনা শুইনা আজাইরা কথা বৈলেন না
@ৈহমনতী
ইচ্ছা হ্ল গালি দেয়া কখন সমর্থন করলাম ?
...........
এবার আমার আগের মন্তব্যটি ব্যেক্ষা করি
আমার মন্তব্যে দুটি অংশ ছিল যেটা অনেকে ধরতে পারেননি ....দয়া করে আরো একবার পড়ে আসুন

প্রথমত আমি মানিকের প্রতি আক্রমনকারীদের প্রতি আমি কিন্ত ঘৃনাই প্রকাশ করেছি ....সেটা অনেকের চোখে পড়েনি !!!!!

দ্বিতীয়ত আমি ঢাবির বাস রং সাইডে কেন চলে সেই কারণগুলো দেখিয়েছি ....আমার নিসস্ব অভিমত থাকতেই পারে কিন্ত তার জন্য আপনি আমাকে গালাগালি করবেন সেটা কেমন কথা ?

রং সাইডে চলা মানে কি ?
আপনি রাস্তার ডিভাইডারের বাম পাশে জ্যামে আটকে আছেন ...অথচ দেখছেন ডান পাশে রাস্তা খালি ...তখন আপনি ডান পাশে গাড়ী ডুকিয়ে দিলেন সেটা হচ্ছে রং সাইডে চলা ...আর সেটা করার জন্য বাসের ড্রাইবার মামাই করতে পারেন ......ছাত্রদের নেমে রাস্তা খালি করতে হয় না
মানিকের ক্ষেত্রে কি ঘটেছিল ?...মানিকের পিছনে ঢাবির বাস দাড়িয়ে ছিল ...মানিক তাদের সাইড দিয়ে সিগনাল ভঙ্গ করে এগিয়ে যেতে দেয়নি ......আমার বলা রং সাইড আর এই ক্ষেত্রে ঘটা ব্যাপারটি যে এক নয় সেটা অনেকে বুঝতে পারেন নি !!
আমি কখনোই বলি নাই আপনি সামনের সব গাড়ী, ট্রাফিকদের গালি গালাজ ভাংচুর করে চলে যান ....আশা করি বুঝতে পেরেছেন

দেশের সর্বোচ্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে সাধারণ মানুষ নিঃসন্দেহে ভাল, মার্জিত ও পরিপক্ক আচরণ প্রত্যাশা করেন.....গালি গালাজ, ভাংচুর, মারধর কাম্য নয় কখনোই

ঢাবির প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে মানিক পরিপক্কতার পরিচয় দেন নি (আমার মতে )
যেহেতু তিনি জানেন এই বাস কখনোই সিগনাল মানে না ....সুতরাং তার উচিত ছিল এই উশৃঙ্খল বাসকে(তর্ক না করে) সাইড দিয়ে পরিপক্কতার পরিচয় দেয়া

আরেকটি ব্যাপার সকলের নজরে আসা উচিত
১১০ নং মন্তব্যে অদম্য শার্দূল বলেছেন: বাসটির নাম baishakhi
সেটা আসলেই চৈতালী বাস কিনা সন্দেহের সৃষ্টি হল .....কারণ খুব কমন ঘটনা যে ঢাবির এক রোডের বাস অন্য রোডে ব্যাবহার করা হয় ...সামনে হয়তো লেখা হৈমন্তী কিন্ত বাস আসলে ফাল্গুনী ....তাই সেটা আসলে কোন বাস ছিল যাচাই করা জরুরী

এইবার কিছু কথা ...সবাই জানেন এবং মানেন বাঙালী এক হুজুগে ও আবেগী জাতি ...এই পোস্টটি পড়ার পর অনেকেই তাই ঢাবির সাধারণ ছাত্র ও এইসব কিছু স্টুপিডডের মধ্যে পার্থক্য করতে পারছেন না
তাই একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখেন ..বাঙালী ক্ষমতা পেলে কখনো অপব্যাবহার করে না দেখেছেন ?এই ছাত্রদের ক্ষেত্রেও তাই

বাংলাদেশের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ট্রান্সপোর্ট সুবিধা আছে ?
ঢাবি, বুয়েট ,জগন্নাথ, জাহাঙ্গীরনগর ও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়?
আর এরাই সিগনাল না মেনে গাড়ী চালায়..ঠিক ?
কেন করে ...কারণ তাদের ছাত্রশক্তি(বা ক্লাস বা পরীক্ষার তাড়া, যার কাছে যেটা ) বলে একটা ব্যাপার আছে ?
আর তারা এরই অপব্যাবহার করে ?..ঠিক ?
তাহলে প্রাইভেটের ছাত্ররা কেন করে না ?তারা কি একেক জন সোনার চান ?..না ....তাহলে
কারণ তাদের নিজস্ব ট্রান্সপোর্ট নাই ....
নিজস্ব ট্রান্সপোর্ট থাকলে কি করত না ?...
অবশ্যই করতো ....কিভাবে বুঝলাম করতো ?
কারণ আমরা সবাই যে সেই বাঙালী .....প্রাইভেটেও আজকাল নতুন ভর্তি হওয়া ছাত্রদের রেগ দেয়া হয়(সেটা ঢাবিতেও হয় না ) ...আর সেটা এমন জগন্যভাবে যে সামুতে প্রকাশ করার মত নয়(আমার অনেক বন্ধুকে এর স্বীকার হতে দেখেছি)
(প্রাইভেটের ছাত্রদের প্রতি আমার ক্ষোভ নাই, শুধু পুরো ব্যাপারটি বুঝানোর জন্য প্রসঙ্গটি আনলাম )

...অনেকে খেয়াল করেছেন কিনা জানি না
....আজকাল স্কুলের ছাত্ররাও বাসে উঠে ভাড়া দেয় না ...ঢাবির ছাত্ররা অন্তত পাবলিক বাসে ভাড়া দিয়ে যায়
তারপরও যারা ঢাবি শুনলে নাক শিটকান তাদের বলব আপনার স্টিকারবিহীন গাড়ীকে ঢাবি ক্যাম্পাসের ভিতর দিয়ে চালাইযেন না ...আর আপনার ভাই বা বোনকে ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে না
(এই কথাগুলো এই পোস্টার প্রেক্ষিতে বলি নাই ,,শুধু কিছু পাঠকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললাম)

তাহলে এটা অন্তত বলা যাই এই সমসসা একা ঢাবির না পুরো ছাত্রসমাজের একটা অংশের ছোট চিত্র
আমাদের ঘুনে ধরা সমজের ছায়া যে ছাত্রসমাজকেও পেয়ে যাচ্ছে সেটা এই ঘটনাই প্রমান করে দিচ্ছে ....সবশেষে আবারও আলোচিত ঘটনার দোষীদের প্রতি জানাচ্ছি আমার তীব্র ঘৃনা ...আশা করি এখন সবাই আমার ব্যাপারে ভুল ধারনা ভেঙ্গেছে

১৩২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৪৭

খন্দ.লিমন বলেছেন: সত্যই খুব দুঃখজনক । আসলে যারা ছাত্র তারা কিভাবে যে এমন আচরন করে বুঝতে পারি না । নিজেকে ছাত্র ভাবতেই লজ্জা লাগে । :( :(

১৩৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৪৮

খন্দ.লিমন বলেছেন: পোষ্টটা স্টিকি করা হোক ।

১৩৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৫৬

বাচ্চা ছেলে বলেছেন: আমি এবার ঢাবি তে পরীক্ষা দিচ্ছি..................... লিখাটা পরার পর আমি ঠিক কি ভাবছি বুঝতে পারছি না.................. হয়তো চিন্তাশক্তি কিছুক্ষনের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেছে..............................

১৩৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:০১

অনিক০০৭ বলেছেন: ঢাবি'র সকল ছাত্রেরই ওই ঘটনায় লজ্জিত হওয়া উচিৎ, ঢা বির ছাত্র হয়ে এরকম অশিক্ষিত গার্মেন্টস্‌ শ্রমিকদের মতো আচরণ তারা কীভাবে করেন?

১৩৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:০২

নীল-দর্পণ বলেছেন: এরা আসলে যদিও দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়ছে, তবুও এরা সর্বোচ্চ শিক্ষা টা নিতে পারেনি!
শিক্ষা মানে শুধু ক্লাস পার আর সার্টিফিকেট না।

আমি নিজেও কয়েকবার দেখেছি এদের কান্ড

১৩৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:০৬

জীবনকেসি বলেছেন: আদি মানব বলেছেন: জনগনের টাকায় পড়ে অথচ মানষিকতায় এরা শুয়োরের চেয়ে নিচু জাতের। বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখেছি তারা নিজেদের বিশেষ কিছু মনে করে, দাম্ভিকতার শেষ নাই। রাস্টের টাকায় কিছু শুয়োর লালন পালন হয় ওখানে।।

১৩৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:০৭

শার্লক বলেছেন: সব গুলারে ন্যাংটা করায় রাস্তার মাঝখানে নিয়া পিটানো উচিত। @ সবুজ কেন ঢাবি কি আপনার পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি যে ভিতর দিয়া স্টিকারবিহীন গাড়ি চালানো যাবে না। ঢাকায় নয়া আইছেন নাকি সব কিছু লাল-নীল মনে হয় ঢাবিতে পইড়া?

১৩৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:০৮

ওয়াইল্ডফায়ার বলেছেন: এটা কি শুধু ঢাবির সমস্যা? বর্তমানে দেশে এমন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে যেখানে পেশির জোরের চর্চা করা হয়না? ঘটনাটা শুধু দুঃখজনক নয় অবশ্যই লজ্জাজনকও বটে। ভিক্টিম নিজেও সাবেক ঢাবি স্টুডেন্ট। কিন্তু কিছু ব্লগার যেভাবে ঢাবির বিশোদ্গার করা শুরু করেছে তাতে মনে হচ্ছে বাংলাদেশে এই প্রথম এইধরনের ঘটনা ঘটলো। মনে রাখা উচিৎ ঢাবি মানিক যেমন আছে তেমনি আছে সেঞ্চুরিয়ান মানিকও। সুতরাং শুধু বিশ্ববিদ্যালয়য়ের নাম না তুলে আসুন ছাত্র সমাজের একটা অংশের এই ব্যাধির বিপক্ষে সমস্বরে আওয়াজ তুলি।

১৪০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:২৪

ঝরনা-কলম বলেছেন: কিছু অমানুষের নেক্কারজনক কর্মকান্ডে একটা প্রতিষ্ঠানকে কখনো দোষ দেয়া উচিত না; ভাল-মন্দ সবখানেই আছে। এখানে যারা দোষী তাদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া দরকার। ভবিষ্যতে যাতে এরকম না হয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আর আমাদের ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে স্কোরের উপর নির্ভর করে ভর্তি করানো হয়। তাই এদের মত পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট সবখানেই আছে, নীরবে ক্ষোভ প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই করার নাই।

১৪১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:২৭

অদ্ভূত একজন বলেছেন: ঘটনা সত্যি হলে ঠিক হয়নি কাজটি।

১৪২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:২৭

নিঝুম কালকূট বলেছেন: একটা বিষয় বুঝলাম না, ঢাবির পুলাপান কিসু করলেই মাইনষে ঢাবির চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার কইরা দেয়! কমেন্টগুলা পইড়া মনে লাগে যে, যেইসব পুলাপান (ঢাবি) গুন্ডামি করতেসে, তাদের থেকেও পাবলিকের বেশি রাগ ঢাবির উপর!
ওয়েল, এইরকমই যদি অবস্থা হয়, তাইলে এই এলাকায় তো ভার্সিটির স্টিকার ছাড়া যে কোনো গাড়ি ঢোকাই নিষিদ্ধ-তাও মানুষ ক্যান গাড়ি এইখান দিয়াই চালায়? নিয়ম আছে, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গাড়ির গতি কমায়া চলতে হয়। মজা হইলো, এই পট্টিতে ঢুকার পর সবাই গাড়ির গতি পরীক্ষার রেস লাগায়া দেয়!
আর রাইতের বেলা বিভিন্ন প্রাইভেট ভার্সিটির মহান, স্মার্ট, আদর্শ সুবোধ বালকেরা চানখাঁরপুলের রাস্তা থেইকা মহসীন হল মাঠ পর্যন্ত 'বাইক স্টান্ট' খেলা খেলে থাকেন-এইটার কথা নাই বা বললাম!
যেই সিস্টেমে ঢাবির পুলাপানরে ঢাবি মিসইউজ করার গালি দেয়া যায়, সেই সিস্টেমে ঢাবির বাইরের পুলাপানদেরও ঢাবি মিসইউজ করার গালি দেয়া যায়। ঢাবির স্টুডেন্ট হিসেবে আমি কখনোই লজ্জিত না, কারণ আমি কোনো এ্যানার্কি করি নাই, আমার প্রতিষ্ঠান কোনো এ্যানার্কি করে নাই। যারা গুন্ডামি করসে, দোষ তাদের ব্যক্তিগত, সেইখানে ঢাবির দোষ কই? আর বাই দ্য ওয়ে, ঢাবি নিয়া যাদের এতই অরুচি, তারা পরিচিতদের যতটা পারেন এইখানে আসার ব্যাপারে নিষেধ করেন। যেহেতু এইখানকার সবাই 'একদল অমানুষ', এইখানে কাউরে খারাপ হওয়ার জন্য পাঠায়েন না। অমানুষেদের আখড়ায় ভালো লোক না ঢোকাই কল্যাণকর বোধ করি!

১৪৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৪২

নক্‌শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র বলে গালি দিয়ে লাভ নেই, পুরা দেশটাই আমাদের এরকম, পুরা দেশের মানুষই এরকম। যেকোন জায়গায় যে কোন অযুহাতে এই হারামী টাইপ মানুষগুলো এই সমস্ত কুকর্ম করতে প্রস্তুত আছে। অনেকটা পিরানহা মাছের মতো, অন্য মাছেদের ধরেতো খায়ই, নিজেদের মধ্যে কাউকে দূর্বল দেখলেই সবাই মিলে মুহুর্তে খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। আমরা হচ্ছি ঐ পিরানহার মানুষ ভার্সন। কাজেই এরকমটাই হবার কথা। যা হয়েছে সেটাইতো স্বাভাবিক। সব ঠিকইতো আছে? এই পোস্ট স্টিকি হতে যাবে কেন শুধু শুধু? অস্বাভাবিক কোন ঘটনা এটা না যে আমরা এটাকে স্টিকি করবো। কেমন মার মারলো যে একটা লাশ ফেলতে পারলোনা? এই ব্যার্থতার দায়ভার এখন কে নেবে? সামান্য একটা মানুষ পিটায় মারতে পারলামনা, এটা কোন কথা?

১৪৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৪৪

ইমরুল_কায়েস বলেছেন: বদ গুলারে খুঁজে পাওয়া যাবে না কোন দিনই। কর্তৃপক্ষ বিবৃতিতে অনেক মশা মাছিই মারবেন কিন্তু কাজের বেলায় লবডঙ্কা। ধিক্কার ওদের যারা মানুষবেশে জানোয়ার, শ্বাপদের মত আচরণ করে।

১৪৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৪৫

একাকী আমরা বলেছেন: আগে বাস সোজা পথে আনা হোক।

আইন মানতে হবে সবাই কে।

আর মানুষ রুপি পশুগুলা'র বিচার চাই।
X(( X(( X((
X(( X(( X((
X(( X(( X((

১৪৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১৩

ভালোরনি বলেছেন: * কোনো ধরনের বিচার বিশ্লেষন বা পক্ষপাতিত্ত ছারাই যে কোনো মানুষ (সভ্য) বলবে এইটা একটা ঘৃনিত কাজ। আমি এর তিব্র ঘৃনা জানাই।

* ঢাবির সবাই এক রকম না। কিছু ঢাবির ছাত্র এই ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছে, লজ্জিত হচ্ছে ব্লগে।আমি সাধুবাদ জানাই তাদের সৎ সাহসের জন্য।

* কিছু ছাত্র একদম চুপ হয়ে গেছে। লজ্জায়।

* কিছু ঢাবির ছাত্র (সংখ্যায় খুবি কম ) নগন্য/জঘন্য/ফালতু উছিলা খুজতেছে বেপারটাকে জায়েজ বানানোর জন্য। হতে পারে ইগো প্রবলেম। হতে পারে ঘাওরামি। কিন্তু ব্রাদার দিন বদলাইছে। যারা আপনাদের ক্রিটিছাইজ করতেছে তাদের খুব কমই ঢাবি তে চান্স না পেয়ে এইসব করতেচে। বরং এমন পোলাপাইন ই বেসি যারা ঢাবি তে চান্স পাইলে যা হইতো তার চাইতে চান্স না পায়া বা ভর্তি না হয়ে ভালো কিছু হইছে। দেশের এক নাম্বার ইউনিভার্সিটি র খেতাব আপনারা অনেক আগেই হারাইছেন। যাও কাম ব্যাক করার চান্স ছিলো তাও হারাচ্ছেন আপনাদের ফেক ইগো প্রবলেমের জন্য। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে খুবই কস্ট পাবো যদি দেখি ঢাবি বিকেইম এ ডেড লিজেন্ড, এ লিগেছি, এ মিউজিয়াম কিপিং দা হিস্ট্রি ওফ ওল্ড নাম্বার ওয়ান ওনলি ফর কালপ্রিটস লাইক ইউ।

১৪৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২২

নাঈম_নাজিউর বলেছেন: শার্লক বলেছেন: সব গুলারে ন্যাংটা করায় রাস্তার মাঝখানে নিয়া পিটানো উচিত। @ সবুজ কেন ঢাবি কি আপনার পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি যে ভিতর দিয়া স্টিকারবিহীন গাড়ি চালানো যাবে না। ঢাকায় নয়া আইছেন নাকি সব কিছু লাল-নীল মনে হয় ঢাবিতে পইড়া?

সব জায়গাতেই একি অবস্হা হুদাই ঢাবিরে দোষ দিয়া লাভ নাই। যে যেমনে পারতাছে পার্ট লইতাছে আর আরেক দূর্বলরে চোদা দিতাছে :)

নিম্নবিত্ত/গরিব মেধাবি পোলাপাইন সব জায়গাতেই আছে হঠাৎ হেডাম আর মাথা উচায়া কিছু বলার চান্স পাইলেই এরা কামে লাগায়। সারাদিন বই পড়া ছাড়া পরিবার থেইকা আর কোনো নৈতিক শিক্ষা এরা পায় না এই জন্যই এই অবস্হা। যাইয়া দেখেন যারা এই ভাংচুর করছে বা পিটাইছে এডি কোনো এলাকায় কোনোরকমে ভাড়া থাকে আর এলাকায় বিলাইয়ের মত থাকে।

১৪৮| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৪

অসম সমীকরন বলেছেন: "দুর্জন জ্ঞানী হইলেও পরিত্যাজ্য"

ঢাবির এরা মনে করে দেশটা ওদের বাপে কিনে নিছে। আরে ব্যাটা ঢাবিতে পড়তাছোছ মাইনশের ট্যাক্স এর টাকায়। কথাটা মাথায় রাখিস X((

১৪৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩৪

অহর বলেছেন: ঢাকা কলেজের বাসে নিয়মিত যাতায়াত করার ফলে, এই ধরনের অভিজ্ঞতা আমারও আছে, পুরা কান্ডকির্তীটাই করে পলিটিক্স করা পোলাপাইন( আমার নিজের চোখে দেখা)!! সাধারন ছাত্রদের খারাপ লাগলেও কিছু বলতে পারে না, কারন প্রাণের ভয় সবার-ই আছে!! দোষটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নয়, কালো রাজনীতির!!

১৫০| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪১

kabbyo বলেছেন: একটা সময় ছিল, যখন ছাত্রদের সকলে স্নেহের চোখে দেখত। বাসে উঠলে ছাত্র বলে তাদের কাছ থেকে অর্ধেক ভারা নিত।

আর এখন নিজেকে ছাত্র বলে পরিচয় দিতে লজ্জা করে। ছাত্র বলে পরিচয় দিলে আসেপাসের কিছু লোকের বাকা চাহনি আমাকে নিক্ষেপ করে। মনে হয় আমি ভিনগ্রহের কেউ। এর জন্য কে দায়ি??? এ দায়ভার কে বহন করবে?

আজ কিছু কুলাঙ্গার, পিচাশের কারনে এ অবস্থা। ছাত্র বলেই সে ভাব নিয়ে চলে ক্যডারের। এদের মুল্যবোধের অবক্ষয়ের কারনে মূল্য দিতে হচ্ছে নিরীহ মানুষের।

এই ঘটনার মত অহরহ ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে। অপরাধিরা ছার পেয়ে যাচ্ছে। কারন তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, ঢাকা কলেজের ছাত্র। কিংবা এদের কোন এক রাজনৈতিক আশ্রয় স্থল আছে।

ধিক হে ছাত্র সমাজ, ধিক!!!!! এ দায়ভার সকল ছাত্রের।

১৫১| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৫৯

কৌতুহল বলেছেন: কিছু না জেনে না বুঝেই হাম্বা হাম্বা । যাক অবশেষে চান্স না পাওয়ার যত রাগ ছিলো তা ঝেড়ে ফেলার ভালো একটা উপলক্ষ্য আর ময়দান পাওয়া গেল । সিম্পল লজিক বিবেচনা না করেই স্রোতে গা ভাসানো । বাংগালী বলে কথা । নিজে আগে যেতে পারবোনা এবং আমার পেছনের গাড়িকেও আগে যেতে দেবনা এমন ভাব দেখিয়েছেন বলেই উনি এমন পরিস্হিতির শিকার হয়েছেন সেটা কেউ বোঝারই চেষ্টা করেননি এবং খোঁজ নিয়ে জানেনওনি । এবং আমি আগেও বলেছি এখন আবার বলছি লেখক পুরো ব্যাপারটাকে রংচং মিশিয়ে, যুক্তিহীন এবং অনেকটা অতিরন্জ্ঞিত করে উপস্হাপন করেছেন লেখক । আর তাতেই বীর বাংগালীর পিত্তি জ্বলে উঠল । জ্বলে উঠার মতো এমন কারন পাওয়াটা দুস্কর বলেও হতে পারে । ঘটনার সত্যতা যাচাই করার সময় কোথায় তাদের । ব্লগে আর ফেসবুকে বসে বড় বড় বুলি কপচাতে সবাই পারে কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে সত্‍ কয়জন থাকতে পারে ? প্রতিদিন যে শত শত মোটরসাইকেল ফুটপাত দিয়ে আইন না মেনে চলে কৈ এসব চুশীলদের মুখ থেকে তো তখন দেখিনা একটা টু শব্দ বেরুতে । কিন্তু আজ ঢাবির ছাত্ররা একজনকে মেরেছে দেখে তাদের কি লম্পঝম্প !!
কয়েকজনকে তো দেখলাম উনারা জানেনই না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া গাড়ি ঢুকতে পারে না । কিন্তু ভিসি ঢুকার অনুমতি দিয়েছেন শুধুমাত্র জ্যাম কমানোর জন্য । অথচ সেই কারণে যে প্রতিবছর অনেক ছাত্র গাড়িতে পরে মারা যায় আর উনারা উনাদের কর্মক্ষেত্র দু ঘন্টা আগে পৌছাতে পারেন তা নিয়ে কিন্তু কোন কৃতজ্ঞতা বোধ তাদের নেই । সুবিধাবাদীদের দলে থাকাটাই শ্রেয় । ভাবটা এমন গাড়ি কিনেছেন বলে ঢাকা শহরের রাস্তাগুলো উনাদের বাপের দিনের সম্পত্তি হয়ে গেছে , ইচ্ছে হলেই ভার্সিটির স্টুডেন্টদের গায়ে লাগিয়ে দেবেন, আর বিকেল হলেই ফুলার রোডে এসে মোটরসাইকেল আর নতুন কেনা গাড়ির রেসিং কম্পিংটিশন করবেন আর ছাত্ররা কিছু বল্লেই তারা বেজন্মা, ক্ষ্যাত, ছোটলোক ইত্যাদি ইত্যাদি । আমি বলছি না আমি এমন ঘটনা সাপোর্ট করছি । আগেও করিনি এখনো করছিনা । শুধু যারা বড় বড় কথা বলছেন আর ডায়ালগ দিচ্ছেন এখানে এসে তাদের বলছি সাধু সাজবেন না সাধু হোন । নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন দৈনন্দিন জীবনে আপনি নিজে কতটা সত্‍ হতে পেরেছেন ?

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৪৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: কৌতুহল বলেছেন: বাংগালী বলে কথা | নিজে আগে যেতে পারবোনা এবং আমার পেছনের গাড়িকেও আগে যেতে দেবনা এমন ভাব দেখিয়েছেন বলেই উনি এমন পরিস্হিতির শিকার হয়েছেন সেটা কেউ বোঝারই চেষ্টা করেননি এবং খোঁজ নিয়ে জানেনওনি।

আপনি জেনেছেন? কার কাছ থেকে জেনেছেন। যারা মেরেছে তাদের কাছ থেকে? নাকি যারা বাসের ভিতর চুড়ি পরে বসেছিল তাদের কাছ থেকে । নাকি আপনিও তাদের মধ্যে একজন?
মুখে বলছেন আপনি এমন ঘটনা সাপোর্ট করেন না, আবার বলছেন লেখক পুরো ব্যাপারটাকে রংচং মিশিয়ে, যুক্তিহীন এবং অনেকটা অতিরন্জ্ঞিত করে উপস্হাপন করেছেন!!!

সাধু সাজবেন না, সাধু হওয়ার ও দরকার নেই কিন্ত প্লিজ মানুষ হন, মানবতা দেখান। বিনা কারনে এত মার ও হজম হয় কিন্ত এরকম মন্তব্য হজম হয়না।

১৫২| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০০

হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: আমরা সমাজের মানুষজন দিন দিন অসহনশীল হয়ে যাচ্ছি। আইন নিজের হাতে নিয়ে নিচ্ছি, কারো উপর হাত তুলতে একটুও খারাপ লাগে না।

১৫৩| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩০

আততায়ী০০৬ বলেছেন: Is this our next generation who will hold the vital positions of different sectors of the country???? - Then what is our future!!!!

১৫৪| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:০৬

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: খুব লজ্জা হচ্ছে... আমার ভাই আর একটি বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আছে।

১৫৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:০৩

সবুজ মহান বলেছেন: শার্লক বলেছেন: সব গুলারে ন্যাংটা করায় রাস্তার মাঝখানে নিয়া পিটানো উচিত। @ সবুজ কেন ঢাবি কি আপনার পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি যে ভিতর দিয়া স্টিকারবিহীন গাড়ি চালানো যাবে না

নাঈম_নাজিউর বলেছেন: শার্লক বলেছেন: সব গুলারে ন্যাংটা করায় রাস্তার মাঝখানে নিয়া পিটানো উচিত। @ সবুজ কেন ঢাবি কি আপনার পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি যে ভিতর দিয়া স্টিকারবিহীন গাড়ি চালানো যাবে না। ঢাকায় নয়া আইছেন নাকি সব কিছু লাল-নীল মনে হয় ঢাবিতে পইড়া?

@শার্লক@নাঈম_নাজিউর
আপনাদের মত বড়লোকের বেজন্মা পোলাপাইনের কাছ থেকে এর চেয়ে আর বেশী কি আশা করা যায় ?...ঢাবি ক্যাম্পাসের একটা ফুটফাটের শিশু পর্যন্ত জানে ক্যাম্পাসের ভিতর দিয়ে স্টিকারবিহীন গাড়ী চালানো যায় না

ঢাবির ছাত্ররা মেধাবী....এইতো আপনাদের দুকক্ষ
ছোটলোকের ছেলে হয়ে ঢাবিতে চান্স পায় আর আমি ঢাকায় আলিশান ফ্ল্যাট, গাড়ীওয়ালা বড়লোকের ছেলে হয়ে ঢাবিতে চান্স পেলাম না !!!
ওই ছোটলোকরা কেন মেধাবী হবে ...মেধাবী হওয়াতো একমাত্র আমাদের অধিকার !!!
আপনাদেরকে বলি ....
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাই বড়াই করতে পারে...কারণ তারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে ঢাবিতে চান্স পেয়েছে...তারা জনঘনের টাকায় পড়ে ...তাই তাদের শক্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষের শক্তি
আর আপ্নে তো পড়েন বাপের টাকায় ....বাপের টাকায় আমোদ করা যায় ..গর্ব করা যায় না
পারলে ঢাবির ছাত্রদের মত নিজ যোগ্যতায় বড় হয়ে ব্লগে এসে লম্ফ জম্প করেন
ব্লগে, ফেইসবুকে লম্পজম্ফ ছাড়া আর কি পারবেন ?..আপনারাতো একেকজন বড়লোকের ফার্মের মুরগী ...খালি বইয়ে পড়বেন ঢাবির ছাত্ররাই ৫২,৬৯, ৭১,৯০ ও ২০০৭ ..এই আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ দিয়েছিল
সবশেষে বলি যে বাপের টাকার জন্য এত লাফাচ্ছেন সেই বাপ কয় জন গরীব লোকের পেটে লাথি মেরে আপনার মুখে ফিডার তোলে দিচ্ছে খেয়াল কইরেন
আর আপ্নের মুখের ভাষাও যে ঢাবির ছাত্ররাই আন্দোলন করে এনে দিয়েছে সেটাও মনে রাইখেন

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১১

অন্ধ বাউল বলেছেন: পুরো ব্যাপারটা ভুল ডিরেকশনে যাচ্ছে। এই পোষ্টের মুল লক্ষ্য ছিল তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যারা ইউনিভার্সিটির বাসে করে আসা যাওয়া করার সময় বিভিন্ন অন্যায় করে এবং যেহেতু তারা ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট তাই তারা পার পেয়ে যায়। এই অন্যায় গুলো করে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ব্যানারে।

এখানে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাওয়া, না পাওয়া, ধনী-গরীব, মেধাবী- অমেধাবী নিয়ে তর্ক কেন হবে।

মনে হচ্ছে আপনি নিজে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন ষ্টূডেন্ট। আপনি নিশ্চয়ই সারাজীবন ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট থাকবেননা। পাশ করে বের হওয়ার পর আপনার সাথে যদি এ ঘটনা হন তখন হয়তো বুঝতে পারবেন যে এর যন্ত্রনা আর লজ্জা কিরকম।

মনে আছে ঢাবির ছাত্ররাই ৫২,৬৯, ৭১,৯০ ও ২০০৭ ..এই আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ দিয়েছিল, এটাও মনে আছে আমাদের মুখের ভাষাও যে ঢাবির ছাত্ররাই আন্দোলন করে এনে দিয়েছে, সাথে আপনিও এটা মনে রাইখেন এগুলোর কোনটাই আপনাদের যেকোন অন্যায় করার সমর্থন দেয়না।

১৫৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৫২

সিয়ন খান বলেছেন: ধিক.....। X(( X(( X(( X(( X(( X(( X((

১৫৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১৭

ইজি কাজে বিজি বলেছেন: আমি ঢাবি থেকে বের হয়েছি প্রায় ১ বছর। ঘটনার সত্যতার ব্যাপারে আমার কিছু সন্দেহ আছে। এটা সত্য যে রাস্তায় জ্যাম থাকলে ঢাবির গাড়ি রং সাইড দিয়ে যায়। কিন্ত সিগন্যালের গাড়ি না সরাতে পারার কারনে মারধর করছে এ ব্যাপারটা খুব সম্ভবত ঠিক না। কারন আমি যখন স্টুডেন্ট ছিলাম তখনও দেখেছি যে সামনে শুধু একটি সি এন জি থাকার কারনে বাস স্যিগনালে আটকে ছিল। বা গাড়ি সরার জায়গা থাকলে গিয়ে বলে সারানো জন্য। কিন্তু গাড়ী সরানোর জায়গা আছে কিন্তু ড্রইভার ইচ্ছাকরে গাড়ি না সরালে তখনই বাজে বিপত্তি। এই ঘটনাটি সে রকম হবার সম্ভবনা ই বেশী। এধরনের ঘটনা না ঘটুক এটাই আসা করি, কেননা এটা আমারই মান সম্মানের ব্যাপার।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির অনেক ষ্টূডেণ্টই ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষমা চাচ্ছে কারন তারা অনেকবার এরকম ঘটনা দেখেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। মনেহচ্ছে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেণ্ট হিসেবে আপনি গর্ব বোধ করেন । এখন আপনার সাথে যদি এ ঘটনা ঘটে তখন হয়তো বুঝতে পারবেন যে এর যন্ত্রনা আর লজ্জা কিরকম।

আপনার যথেষ্ট পরিমান সন্দেহও মারপিট করা অমানুষদের সাফাইএর জন্য যথেষ্ট নয় ।

১৫৮| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৪০

মর্জি বলেছেন: কার কাছে সুবিচার চাব আমরা? রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন তো আর কিছুই বলার থাকে না। প্রতিদিন আমরা কোন না কোন অন্যায় কার্যকলাপ আমরা দেখতেছি কিন্তু আমরা কিছু করতে পারতেছি না। যারা প্রতিকার করতে পারবেন, তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই, যাদের মাথা ব্যাথা হচ্ছে তারা কিছু করতে পারতেছে না।(স্ট্রং প্রশাসন) শর্ষের মধ্য থেকে ভূত না সরাতে পারলে কোন পজেটিভ ফল পাবে বলে মনে হয় না।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫০

অন্ধ বাউল বলেছেন: শর্ষের মধ্য থেকে ভূত না সরাতে পারলে কোন পজেটিভ ফল পাবে বলে মনে হয় না







সহমত।

১৫৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৫

কাল্পনিক চরিত্র বলেছেন: এখন তো মনে হয় ভালোই হইছে ঢাবি তে টিকি নাই । মনুষত্ব বোধ টা অন্তত হারাতে হচ্ছে না ।

১৬০| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৫

কাল্পনিক চরিত্র বলেছেন: এখন তো মনে হয় ভালোই হইছে ঢাবি তে টিকি নাই । মনুষত্ব বোধ টা অন্তত হারাতে হচ্ছে না ।

১৬১| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১৫

মেহদি বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করেছেন তারা নিজেরা কতটুকু সভ্য তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। লেখক যেভাবে ইনিয়ে বিনিয়ে বলেছেন তা সত্য নয়। ঐ দিনের ঘ্টনার প্রত্যক্ষদর্শিদের মত অনুযায়ী ঐ মানিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৫৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: প্রত্যক্ষদর্শি কে? সেকি মারপিট করা দলের একজন নাকি বাসের ভিতর চুড়ি পরে বসে থাকা একজন। ইনিয়ে বিনিয়ে কি বলেছি? মানিক নিজে ঢাকা ইউনিভার্সিটির অনার্স আর মাষ্টার্সে প্রথম শ্রেণী পাওয়া ছাত্র। ঢাকা ইউনিভার্সিটিই ছিল তার গর্বের কারন। আর আপনি বলছেন মানিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হয়ে যায়!!!

আপনার যথেষ্ট পরিমান সন্দেহ মারপিট করা অমানুষদের সাফাইএর জন্য যথেষ্ট নয় ।

১৬২| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৭

মেহদি বলেছেন: @কাল্পনিক চরিত্রকে বলছি আপনি মনে হয় ভুলে গেছেন ঈশপের গল্পে শৃগাল ও বলেছিলো আঙ্গুর ফল টক।

@ আদি মানব: কে শুয়োর তা কমেন্টের ভাষা দেখলেই বুঝা যায়।


অন্যদের নিয়ে মন্তব্য নাই করলাম।

১৬৩| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৭

আবু মান্নাফ খান বলেছেন: যারা এ ধরনের কাজ করে, তারা যে প্রতিষ্ঠানের ই হোক তাদের বিচার হওয়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুজগ হয়নি কিন্তু তার পরও ওটা একটা গর্বের যায়গা আমার কাছে। সেখানকার কোন ছাত্রদের আচরন এমন হতে পারে না।
শুধু কমেন্টস আর শেয়ার করে কিছু হবে না আমাদের জাগতে হবে জাগাতে হবে।

১৬৪| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৯

আমি ইহতিব বলেছেন: প্রচন্ড লজ্জা হচ্ছে আজ, কারন আমি নিজে একজন ঢাবির ছাত্রী, ২০০১ - ২০০৮ সালে নিয়মিত বাসে যাতায়াত করেছি, কিন্তু কখনও কোনদিন ও আমাদের বাসে ছেলেদের অনৈতিক কিছু করতে দেখিনি, অবাক লাগছে এখনকার প্রজন্মের এই ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের কথা ভেবে, এরা মনুষ্যত্ব বিহীন প্রাণী হয়ে গেল কেন সামান্য একটা ঘটনা যা কথাবার্তার মাধ্যমে সমাধান করা যেত সেখানে কেন এই পাশবিক উন্মত্ত আচরণ, এরা কি সব জায়গায় তাদের সন্ত্রাসী ভূমিকার নিদর্শণ রাখতে চায়, ধিক এসব ছাত্র লেবেলধারী সন্ত্রাসীদের, এদের জন্ম পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে, ঘৃণা প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা।

১৬৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৫

নাজমুস চৌধুরি বলেছেন: বহুদিন পর আবার সামুতে ঢুকলাম। এই পোস্টটি ফেসবুকে দেখে। কি আর বলব এ পর্যন্ত অনেক তর্ক বিতর্ক হয়ে গেল। আসলে আমার একটা কথাই বলা উচিত, এই যদি হয় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ কি? ছোট্ট একটা ঘটনা বলি, যখন ছাত্র ছিলাম আমরাও আমাদের সিনিওরদের সম্মান করতাম। সিগারেট খাইতে থাকলে, সামনে দিয়ে কোন সিনিওর ভাই গেলে, সিগারেট লুকায় ফেলতাম। সামনে পরে গেলে দেখে সালাম দিতাম। কিন্তু এখনকার পলাপাইন গুলা এতই বেয়াদব যে আর কি বলব। চোখের সামনে গাঁজা সেবন করে, বারন করলে উলটা তেড়ে আসে মারতে। আসলেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কি শিক্ষা নিচ্ছে। এদের কি বাবা মা নাই? এগুলা কি সব বেজন্মা নাকি? শুধুই ঘৃণা এদের জন্য

১৬৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২৬

গ্রাস ফডিং বলেছেন: আসলে আমরা ''ভয়ঙ্কর শিক্ষিত'' হচ্ছি।

১৬৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১২

১১স্টার বলেছেন: ভার্সিটির পোলাপানগুলো একজন সন্ত্রাসীর থেকেও ভয়ঙ্কর আর একজন চরম বেয়াদপের থেকে ও বেয়াদব (হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া)

১৬৮| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১৪

সাইলেন্ট কিলার বলেছেন: পোষ্টটা স্টিকি করা হোক ।

১৬৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২১

কলম11 বলেছেন: salis mani kintu tal gass amar.........
@নিঝুম কালকূট, apni ki pura nischit okhane kono public er student thake na...........r amar jana mote honda stant sudhu DU charao....dhanmondir vitor r nikunjoteo hoye thake

১৭০| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৯

দেশটা অস্থির বলেছেন: লেখক যেভাবে কল্পনার রং মিশিয়ে পোস্টটি লিখেছেন তাতে এর কতখানি সত্য সেটা নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে
লেখক পোস্টটিতে যেভাবে হিট চেয়েছেন তাতে ঢাবির মানহানি ছাড়া তার অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে বলে মনে হচ্ছে না
কোন মন্তব্যেরই ওনি কোন প্রতিউত্তর দিচ্ছেন না
মানিকের ভাল চাইলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করেন , এইভাবে সামুতে পোস্ট দিয়ে কি হবে?

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:০৯

অন্ধ বাউল বলেছেন: কার বিরুদ্ধে মামলা করব অস্থির ভাই? ওরা কি নাম-ঠিকানা লিখে দেয়ার পর মেরেছে?
ঢাবির প্রতি আমার কোন ক্ষোভ নেই, কিন্ত ঢাবির প্রতি এত প্রেমও নেই যে সত্য ঘটনাকে কল্পনার রং মেশানো গল্প বলব।

১৭১| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩৩

রক্ত গরম বলেছেন: এই ধরনের কুলাঙ্গার দের জন্য পথের মুরব্বিরা ছাত্র বলতে কিছু উশৃঙ্খল মানুষকে বুঝে , তারা বলে "এই যুগের ছাত্ররা বেয়াদ্দপ , অভদ্র "
এই কুলাঙ্গার দের জন্য আমাদের এই ধরনের কথা শুন্তে হয়।

তারা যেই ঐক্য দেখাইছে তা যদি দেশের জন্য কাজে লাগাত , তা যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কাজে লাগাত তাহলোধারন জনতা উপকৃত হত।
তাদের মাঝে ও একটা ভালো মানুষ বাস করে।সেই মানুষটাকে জাগ্রত করতে পারলে তারাই হবে দেশ এর কাণ্ডারি

১৭২| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩৭

সমাপ্তি জাহিদুল বলেছেন: আমাদের দেশে আর আগের সেই পণ্ডিত মশাইও নাই আর পন্ডিত মশাইয়ের আমলের ছাত্ররাও নাই। বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় কোন খানেই আর নৈতিকতা, সততার চর্চা হয়না। আজকাল শিক্ষক ক্লাসে যায় ব্যাবসা করতে নইলে পেটের তাগিদে, জীবিকার সন্ধানে। আর ছাত্ররা যায় নানা ধান্দায়। এত ধান্দার কথা লিখে বোঝান যাবে না। আর কয়জন মা-বাবা তার সন্তানের খোঁজ নেন তাও গুনে বের করা যাবে। সরকার, প্রশাসন আর আইনের প্রয়োগকারী সংস্থার বিষয়ে কিছু বলতে ভয় হয়। আমারতো আর চাচা, মামা, খালু নাই বাপের কাড়িকাড়ি টাকাও নাই যে, ব্লগে মন্তব্য লেখার জন্য যদি পুলিশ ধরে তবে ছুটাইয়ে আনতে পারবে। তাই বাংলাদেশে জন্মাইছি এই মনে করে সব অনিয়ম মেনে নিতে হবে আর ভাগ্য খারাপ থাকলে এইরকম মারধর খেতে হবে। ধিক বাংলাদেশ! তোকে শত ধিক্কার!!!

১৭৩| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:০৬

বাংলার নবাব নাজমুলউদ্দৌলা বলেছেন: নিঝুম কালকূট বলেছেন: একটা বিষয় বুঝলাম না, ঢাবির পুলাপান কিসু করলেই মাইনষে ঢাবির চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার কইরা দেয়! কমেন্টগুলা পইড়া মনে লাগে যে, যেইসব পুলাপান (ঢাবি) গুন্ডামি করতেসে, তাদের থেকেও পাবলিকের বেশি রাগ ঢাবির উপর!
ওয়েল, এইরকমই যদি অবস্থা হয়, তাইলে এই এলাকায় তো ভার্সিটির স্টিকার ছাড়া যে কোনো গাড়ি ঢোকাই নিষিদ্ধ-তাও মানুষ ক্যান গাড়ি এইখান দিয়াই চালায়? নিয়ম আছে, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গাড়ির গতি কমায়া চলতে হয়। মজা হইলো, এই পট্টিতে ঢুকার পর সবাই গাড়ির গতি পরীক্ষার রেস লাগায়া দেয়!
আর রাইতের বেলা বিভিন্ন প্রাইভেট ভার্সিটির মহান, স্মার্ট, আদর্শ সুবোধ বালকেরা চানখাঁরপুলের রাস্তা থেইকা মহসীন হল মাঠ পর্যন্ত 'বাইক স্টান্ট' খেলা খেলে থাকেন-এইটার কথা নাই বা বললাম!
যেই সিস্টেমে ঢাবির পুলাপানরে ঢাবি মিসইউজ করার গালি দেয়া যায়, সেই সিস্টেমে ঢাবির বাইরের পুলাপানদেরও ঢাবি মিসইউজ করার গালি দেয়া যায়। ঢাবির স্টুডেন্ট হিসেবে আমি কখনোই লজ্জিত না, কারণ আমি কোনো এ্যানার্কি করি নাই, আমার প্রতিষ্ঠান কোনো এ্যানার্কি করে নাই। যারা গুন্ডামি করসে, দোষ তাদের ব্যক্তিগত, সেইখানে ঢাবির দোষ কই? আর বাই দ্য ওয়ে, ঢাবি নিয়া যাদের এতই অরুচি, তারা পরিচিতদের যতটা পারেন এইখানে আসার ব্যাপারে নিষেধ করেন। যেহেতু এইখানকার সবাই 'একদল অমানুষ', এইখানে কাউরে খারাপ হওয়ার জন্য পাঠায়েন না। অমানুষেদের আখড়ায় ভালো লোক না ঢোকাই কল্যাণকর বোধ করি!
......সহমত

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:৫৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: 'একদল অমানুষ' বলতে আপনি কি বুঝেছেন জানিনা, তবে আমি বুঝিয়েছি তাদেরকে যারা ইউনিভাসিটির গাড়ির দরজার সামনে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে আর উছিলা খুজতে থাকে কাকে কিভাবে মারা যায়।
ঢাকা ইউনিভার্সিটির সব ছাত্রকে খারাপ কেউ বলেনি আর বলাটা বোকামী। তবে ভাল ছাত্ররা থাকে নিরবে নিভৃতে । সেকারনে ভালটা বেশিরভাগ মানুষের চোখে পরে না।

যারা গুন্ডামি করছে, দোষ তাদের ব্যক্তিগত, সেইখানে ঢাবির দোষ নাই। কিন্ত এই যে গুন্ডাগুলো গুন্ডামি করেই যাচ্ছে, আর আপনারা শুধু দেখেই যাচ্ছেন। এই দোষ কার??? ঢাবির ৩৩০০০ ষ্টূডেণ্ট মিলে পারেনা এই গুন্ডাগুলোকে শায়েস্তা করতে? যদি না পারে তবে এটাই ঢাবির দোষ যে তার ষ্টূডেণ্টরা সত্য কথা বলা আর সৎ পথে চলার সাহস হারিয়ে ফেলেছে।

ঢাবির স্টুডেন্ট হিসেবে আপনি কখনোই লজ্জিত না, কারণ আপনি কোনো এ্যানার্কি করেননাই, আপনার প্রতিষ্ঠান কোনো এ্যানার্কি করে নাই।যারা গুন্ডামি করছে, দোষ তাদের ব্যক্তিগত, সেইখানে ঢাবির দোষ নাই। কিন্ত এই এ্যানার্কি র বিরুদ্ধে ঢাবি কি করেছে?? এই যে গুন্ডাগুলো গুন্ডামি করেই যাচ্ছে, আর আপনারা শুধু দেখেই যাচ্ছেন। এই দোষ কার??? ঢাবির ৩৩০০০ ষ্টূডেণ্ট মিলে পারেনা এই গুন্ডাগুলোকে শায়েস্তা করতে? যদি না পারে তবে এটাই ঢাবির দোষ যে ৫২,৬৯, ৭১,৯০ ও ২০০৭ ..এই আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ দেয়া ষ্টূডেণ্টরা সত্য কথা বলা আর সৎ পথে চলার সাহস হারিয়ে ফেলেছে।

১৭৪| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৩

আমি গরীব কৃষক বলেছেন: ব্লগার সবুজ মহান বলেছে.. আপনারাতো একেকজন বড়লোকের ফার্মের মুরগী ...খালি বইয়ে পড়বেন ঢাবির ছাত্ররাই ৫২,৬৯, ৭১,৯০ ও ২০০৭ ..এই আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ দিয়েছিল

আরও আছে ভাই ২৫তম, ২৭তম, জনতা ব্যাংক সহ পি স সি র প্রশ্ন আউট করছিল।।

১৭৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:০৯

রাহাত নিলয় আহমেদ বলেছেন: এরা কি মানুষ ??? ঘৃণা ভরা থুথু এই পশুদের জন্য X( X(

পোস্ট স্টিকি করা হোক।
পোস্ট স্টিকি করা হোক।
পোস্ট স্টিকি করা হোক।

১৭৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৪১

এস এ কোরাইশী বলেছেন: 'সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
নষ্টদের দানবমুঠোতে ধরা পড়বে মানবিক
সব সংঘ পরিষদ;- চলে যাবে অত্যন্ত উল্লাসে।'
হুমায়ূন আজাদ।

আজ কি তাই মনে হচ্ছে না;

১৭৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১০

ফিরোজ খাঁন তুষার বলেছেন: "দুর্জন জ্ঞানী হইলেও পরিত্যাজ্য"
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল বাস আমার স্বপ্ন, বাসার বারান্দা দিয়ে যখন লাল বাসগুলো যেতে দেখতাম খুব এক্সাইটেড ফিল করতাম। কিন্তু আফসোস ভালো সাবজেক্টে চান্স পাইনি। কিন্তু লাল বাসের মোহে ভর্তি হয়ে গেলাম। বাংলাতে। আমার সব বন্ধুরা যেখানে বাংলার সেরা ভার্সিটিতে পড়ে, সেখানে আমি পড়বো না, তা কি হয় নাকি? লাল বাসে চড়ার স্বপ্ন পূর্ণ হলো। কিন্তু পরে কোনো কারণে আর সেখানে নিয়মিত ছিলাম না। একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম। কিন্তু লাল বাসে চড়ার আমার অভিগ্গতা হলো ----- কিছু মেধাবীর মেধাবী আলাপ, দেশের রাজনীতী আর অর্থনীতী নিয়ে আলাপ। হমম, রাস্তায় কিছু সুবিধা পাওয়া যায় বটে, কিন্তু সবচেয়ে আকর্ষনীয় ছিলো ঐ আলাপ।
কিন্তু কিছুদিন আগে দেখলাম আমার প্রিয় লাল বাসেরই আমার কিছু ভাই দরজা থেকে রিকশায় বাড়ি দিচ্ছে কোনো কারণ ছাড়া। রিকশওয়ালাদের গালি দিচ্ছে জঘন্য ভাষায়। রং সাইড নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না, কারণ চিটাগাং রোডে চাকরি করি, মেঘনার জ্যামে অনেক বাসই সেভাবে যায় (এইটা সাপোর্ট না, বলার অধিকার নাি :-) ) , কিন্তু এখদিন দেখলাম খুব রেকলেস ভাবে একটা প্রাইভেট কারকে পার হলো, আবার যাবার সময় গালি। মনে হয় আমাদের শিক্ষকরা আমাদের সঠিক শিক্ষাটা দিচ্ছেন না। আমাদের আবার বাল্মিকি পড়া উচিৎ ।

১৭৮| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৪১

রাসেল আমার নাম বলেছেন: মানিক ভাই, এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আপনার কাছে হাত জোর করে ক্ষমা চাই। অনেক গর্ব করে পরিচয় দিতাম। এখনও হয়ত পরিচয় দিব, কিন্তু সেই গর্বটা আর থাকবেনা।

এখন প্রায়ই এমন ঘটনা শুনি, কারন টা কি? আমি নিজে উল্লাসে ৫ বছর যাতায়াত করেছি। ১ টা দিনের জন্য তো এমনটা শুনিনি। এই জানোয়ারের দল আসছে কোথা থেকে?

১৭৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৪৯

রাসেল আমার নাম বলেছেন: এইখানে শত শত কমেন্টে না ভরে কেউ কি একটু বলবেন যে এর প্রতিকার বা বিচার হিসেবে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কিনা? জানোয়ারের বাচ্চা গুলাকে খুঁজে বের করার কোন প্রচেষ্টা হচ্ছে কিনা। ব্লগের যারা বর্তমান ছাত্র,চৈতালির যাত্রী এবং "মানুষ", তারা কি কিছু করছেন? যাই করেন, সাথে আছি।

আজকে কিছু করতে না পারলে কিছুদিন পরে মানুষ ঢাবির ছাত্র শুনলে আমাদের গায়ে ইট মারলেও অবাক হবনা।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:০০

অন্ধ বাউল বলেছেন: লেখক বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জনানো হয়েছে। ঘটনার সংশ্লিষ্টদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে এ ধরনের ঘটনার তদন্ত কখনোই সুষ্ঠভাবে শেষ হয়না। তবু দেখা যাক কি হয়।

১৮০| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৫৮

রাসেল আমার নাম বলেছেন: খুবই হাস্যকর ব্যাপার!! এই টপিক টাকে পাব্লিক প্রাইভেট ক্যাচালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কেন?

১৮১| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:১৯

ফিরোজ মাহমুদ রিফাত বলেছেন: সবার স্ট্যাটাস পড়লাম । হুম যে ঘটনা ঘটেছে তা আসলে ই ক্ষোভের । এর জন্য আমিও ধিক্কার জানাই। আমি নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর এফ,বি,এস (Facultu of Business Studies) থেকে বি,বি,এ এম,বি,এ শেষ করেছি। কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন আছে যারা এখানে ক্ষোভে রাগে ঢাকা ইউনিভার্সিটি র সব ছাত্র দের গালাগাল করছেন। ধরুন আপনি বাজার থেকে ১ কিলো আঙ্গুর কিনে আনলেন। সেখানের সবগুলো আঙ্গুর ই কি দেখতে ভালো র খেতে মিষ্টি হবে?? আএ প্রশ্নের উত্তর যদি আপনার কাছে থাকে তাহলে ঢাকা ইউনিভার্সিটি র সব ছাত্রকে গালাগাল দেবেন।

১৮২| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:২০

poloy বলেছেন: চিকন আলি বলেছেন: ঢাবিতে মেধাবীদের চেয়ে কুলাঙ্গারের সংখ্যা এখন বেশি.....

১৮৩| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:৩২

নীল কষ্ট বলেছেন: কি যে বলবো
কোন ভাষাই নেই বলার মতো
ঢাবির বাস স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ করতেই হবে যে কোন মূল্যে

১৮৪| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:০০

ফরহাদুল হাসান অভি বলেছেন: @ সবুজ মানিক ব্লগে সম্ভবত আপনার চেয়েও অনেক মেধাবীরা আছে। কিন্তু এভাবে বারবার সর্বচ্চো মেধাবী সর্বচ্চো মেধাবী বলে লম্ফ ঝম্ফ করে জোর করে কি বোঝাতে চাচ্ছেন? আপনাকে বলে দিতে হবেনা কে বা কারা মেধাবী। আপনি নিজেই আপনার ও DUian দের স্ট্যাটাস নষ্ট করছেন। by the way আপনার বায়োডাটা জানতে পারি?

১৮৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:০১

নাজির বলেছেন: ওদের সনাক্ত করে কি শাস্তি দেওয়া হয়েছে ?

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:০৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জনানো হয়েছে। ঘটনার সংশ্লিষ্টদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

১৮৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:০৭

শার্লক বলেছেন: @ সবুজ ঢাবি ক্যাম্পাস চইষা বেড়াইছি ৮৯ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত। এখন জীবিকার কাজে ব্যস্ত থাকি তাও মাঝে মাঝে যাই আড্ডা দিতে। ঐ ক্যাম্পাসে আমার শৈশব কাটছে প্রত্যেকটা আনাচ কানাচ আমি চিনি। কি চলে কি চলে না আমি ভালো করে জানি।

১৮৭| ২১ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:১৮

ভয়ংকর বোকা বলেছেন: লজ্জা
X(( X(( X((

১৮৮| ২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:২৪

দৃষ্টির সীমানা বলেছেন: এখন শুনা যাবে বড় বড় কথা, তদন্ত কমিটি হবে..তা আর শেষ হবে না, কেউ আবার দেখি মায়া কান্না করে উনারা পাবলিক বিশ্ববিদয়ালয়ের ছাত্র..আহারে..এইখানে আমার মনে হয় সমস্যা একটাই...দেশে আইনের শাষন বলতে কিছু নাই..বিগত গনতন্ত্রের নামে চলা সরকার গুলোর সময় আইনকে একেবারে কবর দেয়া হয়েছে, আইন আছে .. প্রয়োগ ও আছে শুধু নিজেদের সুবিধা আদায়েই প্রয়োগ কেবল..

আমার মতে আগামী ১০ বছর এই দেশে একটা একনায়কতন্ত্র দরকার যে কিনা উঠতে বসতে লাটি পিটা করবে আর আইনের শাযন বাস্তবায়ন করবে..অতবা সামরিক শাযন দরকার।

২১ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:১০

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

১৮৯| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৪

এম.এ.মামুনুর রশিদ বলেছেন: শুনে খারাপ লাগল। ধিক শুধু ওদের জন্য যারা এই কাজ করেছে ঢাবির উপর নয়।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৭

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত। তবে প্রশাসনের দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার সুযোগ নিয়েই এগুলো করা হয়।

১৯০| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৫৫

কামরুল হাসান জনি বলেছেন: ঘটনা যদি সত্য হয় তাহলে বলবো দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে ভর্তি হয়েছে কি তারা উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করার জন্য নাকি ক্ষমতার অপব্যবহার করার জন্য?

১৯১| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১৯

অর্ণব আর্ক বলেছেন: হিটে হিটময় এই পোস্ট কি স্টিকি হৈবে নাকি :)
পোস্টের মোজেজা বুঝছিন না। তয় উপস্থাপনা অনেক সুন্দর হৈছে।
পিলাচ দিলাম। লগে শেয়ারও মার্ছি।

১৯২| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫০

উৎস১৯৮৯ বলেছেন: স্টিকি করা হউক

১৯৩| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:২৩

আমিনুর রহমান বলেছেন: পোষ্ট স্টিকি করা হউক।

ছি! ছি! ছি!

এরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্র ভাবতেই লজ্জা রাখছে; ভবিষ্যৎ আমাদের কোথায় তা এখনই আন্দাজ করা যায় :(

১৯৪| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৮:২৩

নাট বল্টু... বলেছেন: শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড :(

১৯৫| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৫৮

এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন: ঢাবির মান এখন আর সেই আগের মত নাই, সব খুয়ে শেষ। এখন শুধু আপেক্ষা কখন এই বিশ্ব: বিদ্যালয়টা শেষ হয়। কারন রাস্তা ঘাটে চলতে ফিরতে দেখি ঢাবি নাম ধারি কিছু নর পশুর তান্ডব লিলা আর কিছু অসাহয় মানুষের আর্তি।

১৯৬| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৬

কামরুল হাসান জনি বলেছেন: স্টিকি করা মানে কি বুঝলাম না কেউ কি বুঝিয়ে দিবেন প্লিজ। ধন্যবাদ।

১৯৭| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২৭

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: সাফাই গাইবো না ,সব বাসগুলোতেই এমন ছাত্র আছে । আর বাসগুলো যে সিগন্যাল মানে না তাও সত্য । তবে একটা কথা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি , ঢাঃবিঃ তে ভালো ছেলের সংখ্যা খারাপদের থেকে অনেক বেশী । মানিক ভাইয়ের মতো । আর আমি আমার সহপাঠীদের আচরণে লজ্জিত এবং অবশ্যই ব্যাপারটার বিচার চাই ।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

ঢাকা ইউনিভার্সিটির সব ছাত্রকে খারাপ কেউ বলেনি আর বলাটা বোকামী। তবে ভাল ছাত্ররা থাকে নিরবে নিভৃতে । সেকারনে ভালটা বেশিরভাগ মানুষের চোখে পরে না।

১৯৮| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২৭

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: সাফাই গাইবো না ,সব বাসগুলোতেই এমন ছাত্র আছে । আর বাসগুলো যে সিগন্যাল মানে না তাও সত্য । তবে একটা কথা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি , ঢাঃবিঃ তে ভালো ছেলের সংখ্যা খারাপদের থেকে অনেক বেশী । মানিক ভাইয়ের মতো । আর আমি আমার সহপাঠীদের আচরণে লজ্জিত এবং অবশ্যই ব্যাপারটার বিচার চাই ।

১৯৯| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৩৮

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: আর যারা এই পোস্টের উসিলায় ঢাঃবিঃ তে চান্স না পাওয়া বা অন্য কোন কারণে জন্মানো গাত্রদাহ মেটাচ্ছেন তারা যে আঁতলামো করছেন তা তাদেরও জানা উচিত । উপরে তাদের হামলে পড়ে করা সমালোচনা আর বুদ্ধিজীবী টাইপ কথাগুলো মনে হয় অনেকদিন যাবতই জমা ছিল ,সুযোগ পেয়ে উগরাচ্ছেন । পোস্টের পুরো ব্যাপারটাই দুঃখজনক ঘটনা । এটা নিয়ে ঢাঃবিঃ কে দোষ দেয়া অবান্তর ।

২০০| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৩৮

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: আর যারা এই পোস্টের উসিলায় ঢাঃবিঃ তে চান্স না পাওয়া বা অন্য কোন কারণে জন্মানো গাত্রদাহ মেটাচ্ছেন তারা যে আঁতলামো করছেন তা তাদেরও জানা উচিত । উপরে তাদের হামলে পড়ে করা সমালোচনা আর বুদ্ধিজীবী টাইপ কথাগুলো মনে হয় অনেকদিন যাবতই জমা ছিল ,সুযোগ পেয়ে উগরাচ্ছেন । পোস্টের পুরো ব্যাপারটাই দুঃখজনক ঘটনা । এটা নিয়ে ঢাঃবিঃ কে দোষ দেয়া অবান্তর ।

২২ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৪

অন্ধ বাউল বলেছেন: পুরো ব্যাপারটা ভুল ডিরেকশনে যাচ্ছে। এই পোষ্টের মুল লক্ষ্য ছিল তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যারা ইউনিভার্সিটির বাসে করে আসা যাওয়া করার সময় বিভিন্ন অন্যায় করে এবং যেহেতু তারা ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট তাই তারা পার পেয়ে যায়। এই অন্যায় গুলো করে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ব্যানারে।

এখানে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাওয়া, না পাওয়া, ধনী-গরীব, মেধাবী- অমেধাবী নিয়ে তর্ক কেন হবে!!

২০১| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৪

নাজিম-উদ-দৌলা বলেছেন: ঘটনার সত্যতা নিয়ে আমার ব্যাপক সন্দেহ আছে! অথবা আসল ঘটনা ভিন্ন!

২৩ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৩২

অন্ধ বাউল বলেছেন: আমি বিষয়টি অন্য কারো কাছে শুনিনি, স্বয়ং মানিক আর তার বাবার মুখে শুনেছি এবং তাদের অবস্থা দেখেছি। আপনি সন্দেহ করলেও ঘটনার সত্যতা চেঞ্জ হবেনা।

২০২| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:০৮

কৌতুহল বলেছেন: বাহ আপনার চতুরতা দেখে আমি মুগ্ধ । মুখে মুখে খুব তো বলছেন ঢাবির প্রতি আমার কোন রাগ নেই, আপনার রাগ ওই নির্দিষ্ট ছেলেগুলোর প্রতি তাহলে পোষ্টের সবাই যখন ঢাবির ছাত্রদের বেজন্মা আর ছোটলোক বলে গালি দিচ্ছে তাদের তো ঠিকই নীরবে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন । আমরা খবর নিয়ে ১০ জন বল্লাম যে বিনা বাতাসে গাছের পাতা নড়ে না এবং সেদিনো নড়েনি সেটাকে আপনি পাত্তা দিচ্ছেন না কিন্তু আপনি আপনার বন্ধুর এহেন অবস্হা দেখে এবং তার কথা শুনে কি সুন্দর আবেগভরা একটা লেখা লেখে ফেল্লেন এবং প্রমান করতে চাচ্ছেন যে গাছের সেদিন পাতা বিনা বাতাসেই নড়েছিলো । আর এসব প্রমান করতে গিয়ে আপনি কেন শুধুশুধু একাডেমিক রেজাল্টের কথা নিয়ে আসলেন সেটাও আমার বোধগম্য নয় । প্লিজ আপনাকে একটা রিকোয়েস্ট করি আপনার লেখাটা আপনি নিজেই আবার একটু পড়ে দেখেন আমার বিশ্বাস যদি সত্যিকারের ঘটনা জেনে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই বুঝতে পারবেন লেখাটা কতটুকু যৌক্তিক এবং আবেগপূর্ণ । মনে রাখবেন একটা ঘটনার ভুল উপস্হাপন পরিস্হিতি পাল্টে দিতে পারে । হিট তো যথেষ্ট পেয়েছেন এবং অন্যরাও এই সুযোগে বগল বাজিয়ে নিচ্ছেন । মানবতাবোধ নিয়ে য়াপ্নি যখন কথা বলছেন তখন একটা কথার উত্তর দিন তো অন্যরা যখন রাস্তায় রুলস ব্রেক করে কয়দিন আপনি প্রতিবাদ করেছেন শুনি ? কয়টা ব্লগ লিখেছেন শুনি ? আপনি নিজে যে গাড়িতে চলেন তা ঠিকঠাক মতো রুলস মেনে চলে তো ? আর না চল্লে সাথে সাথে প্রতিবাদ করেন তো ? আগের কমেন্টেও এই ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলেন । আর একটি অফটপিক, খুব জানতে ইচ্ছে করছে নাফীস বা রামুর ইস্যুতে যখন সারা বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশ তথা মুসলমানদের বেজন্মা বলে গাল দিচ্ছে তথন একজন মুসলমান হিসেবে আপনার কেমন লাগছে ? (আমি কিঞ্চিতের যাত্রী ছিলাম । এই বাসেও আগে গেটে কিছু অতিউত্‍সাহী ছাত্র দাড়াত পরে বাসকমিটির কথায় তা কমে আসে । প্রক্টর বলেছেন ঘটনা সত্যতা যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্হা নেয়া হবে )

২৩ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:১৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: আপনি হয়তো আমার সবগুলো মন্তব্য পড়েননি। আমি বার বারই বলেছি যে ঢাবির সকল ছাত্র খারাপ নয়। ৫০-৬০ জন মিলে যখন তাদেরই সিনিয়র ভাইকে মেরে ফাটিয়ে দিইয়েছে তখন আপনি বাতাস নিয়ে গবেষনা করছেন। আর এ পোষ্টের সাথে অসামঞ্জস্যপুর্ন কিছু টপিক এনে এর মোড় ঘুরাতে চাচ্ছেন। নাফীস বা রামুর ইস্যুর সাথে এর মিলটা কোথায় বলবেন কি।

আমি বার বার জিজ্ঞেস করলাম কার কাছ থেকে খবর নিয়েছেন, সে কি মারপিট করনে ওয়ালা নাকি দূর থেকে দেখনেওয়ালা, তার জবাব তো দিলেননা । সেদিন যারা বাসে ছিল তাদের একজনো কি সামুতে লিখেনা? কই কেউ তো বলেনি "ভাই আপনি ভুল বলছেন, আমি নিজে দেখেছি যে বাতাস সব মানিক ভাই একা দিয়েছেন, তাই আমরা পুরো গাছ উপরে ফেলার চেষ্টা করেছি"।

এত যে চেচাচ্ছেন বার বার যে গাছের পাতা বিনা বাতাসে নড়েনি, কতটা বাতাস দিলে ঢাবির ছাত্ররা তাদের সিনিয়র ভাইকে তার বাবা সহ পেটায় বলবেন কি? পুরো বিষয়টাই আবেগময়, আপনাকে যদি আপনারই ইউনিভার্সিটির জুনিয়ররা এভাবে মারে তবেই আপনি বুঝতে পারবেন ব্যাপারটি কতখানি আবেগের।

আর আমি বিষয়টি অন্য কারো কাছে শুনিনি, স্বয়ং মানিক আর তার বাবার মুখে শুনেছি। কিন্ত আপনার নেয়া খবরের রেফারেন্স কি? দয়া করে এড়িয়ে যাবেননা। মানিকের সাথে কি কথা হয়েছে তা কি সে নিজের কানে শুনেছে, যদি শুনে থাকে তবে নিশ্চয় সে মারপিট করনেওয়ালাদের একজন। দয়া করে ভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে তার নামটা জানান যাতে বাকি সবগুলোকেও ধরা যায়।

২০৩| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১১

দেশি_মানুষ বলেছেন: প্রায় প্রতিটা বাসের কমিটিতেই এই রকম ফালতু পোলাপান থাকে, একটা বাস চালানোর জন্যে ৩০ জনের কমিটি হেহ

রিকশা ওয়ালা দের গালাগালি করে, মানুষের গাড়ি ভেঙে নিজেদের কিসের পর্যায়ে নিয়ে যায় হুশ থাকে না।

এরকম ঘটনা নতুন না, যথাযথ শাস্তি না হলে এ রকম আরো ঘটবে,

মাঝেমধ্যে ঢাবির ছাত্র পরিচয় দিতে লজ্জা করে। X(( X((

২০৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৮

নুর ফ্য়জুর রেজা বলেছেন: যারা ঢাবিকে অযৌক্তিক ভাবে গালিগালাজ করছেন, তাদের জন্য আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

২০৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:০২

ধানের চাষী বলেছেন: দয়া করে ঢাবির সকল শিক্ষার্থীর উপর এই দোষ চাপাবেন না। আমি নিজেও একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আমাদের বাসও রাস্তায় চলার সময় অনেক ছাত্রকেই বেপরোয়া আচরণ করতে দেখি, এরা আসলে পারিবিরক শিক্ষা পায় নি, ছাত্রের তকমা লাগিয়ে কোনমতে চার বছর পার করছে, শিক্ষাজীবন শেষ হলেই তারা উপলব্ধি করবে তাদের শূণ্য জীবনটাকে।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৫৫

অন্ধ বাউল বলেছেন: সহমত।

ঢাকা ইউনিভার্সিটির সব ছাত্রকে খারাপ কেউ বলেনি আর বলাটা বোকামী। তবে ভাল ছাত্ররা থাকে নিরবে নিভৃতে । সেকারনে ভালটা বেশিরভাগ মানুষের চোখে পরে না।

২০৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:১৮

নো বলেছেন: আপনার লেখার ধরন তো এইসব বলে না ? লেখায় এইসব উল্লেখ করেন । X(

লেখক বলেছেন: পুরো ব্যাপারটা ভুল ডিরেকশনে যাচ্ছে। এই পোষ্টের মুল লক্ষ্য ছিল তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যারা ইউনিভার্সিটির বাসে করে আসা যাওয়া করার সময় বিভিন্ন অন্যায় করে এবং যেহেতু তারা ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট তাই তারা পার পেয়ে যায়। এই অন্যায় গুলো করে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ব্যানারে।

এখানে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাওয়া, না পাওয়া, ধনী-গরীব, মেধাবী- অমেধাবী নিয়ে তর্ক কেন হবে।

মনে হচ্ছে আপনি নিজে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন ষ্টূডেন্ট। আপনি নিশ্চয়ই সারাজীবন ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট থাকবেননা। পাশ করে বের হওয়ার পর আপনার সাথে যদি এ ঘটনা হন তখন হয়তো বুঝতে পারবেন যে এর যন্ত্রনা আর লজ্জা কিরকম।

মনে আছে ঢাবির ছাত্ররাই ৫২,৬৯, ৭১,৯০ ও ২০০৭ ..এই আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ দিয়েছিল, এটাও মনে আছে আমাদের মুখের ভাষাও যে ঢাবির ছাত্ররাই আন্দোলন করে এনে দিয়েছে, সাথে আপনিও এটা মনে রাইখেন এগুলোর কোনটাই আপনাদের যেকোন অন্যায় করার সমর্থন দেয়না।
লেখক বলেছেন: পুরো ব্যাপারটা ভুল ডিরেকশনে যাচ্ছে। এই পোষ্টের মুল লক্ষ্য ছিল তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যারা ইউনিভার্সিটির বাসে করে আসা যাওয়া করার সময় বিভিন্ন অন্যায় করে এবং যেহেতু তারা ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট তাই তারা পার পেয়ে যায়। এই অন্যায় গুলো করে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ব্যানারে।

এখানে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাওয়া, না পাওয়া, ধনী-গরীব, মেধাবী- অমেধাবী নিয়ে তর্ক কেন হবে।

মনে হচ্ছে আপনি নিজে ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন ষ্টূডেন্ট। আপনি নিশ্চয়ই সারাজীবন ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেন্ট থাকবেননা। পাশ করে বের হওয়ার পর আপনার সাথে যদি এ ঘটনা হন তখন হয়তো বুঝতে পারবেন যে এর যন্ত্রনা আর লজ্জা কিরকম।

মনে আছে ঢাবির ছাত্ররাই ৫২,৬৯, ৭১,৯০ ও ২০০৭ ..এই আন্দোলনগুলোর নেতৃত্ দিয়েছিল, এটাও মনে আছে আমাদের মুখের ভাষাও যে ঢাবির ছাত্ররাই আন্দোলন করে এনে দিয়েছে, সাথে আপনিও এটা মনে রাইখেন এগুলোর কোনটাই আপনাদের যেকোন অন্যায় করার সমর্থন দেয়না।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৫৩

অন্ধ বাউল বলেছেন: আপনি হয়তো আমার সবগুলো মন্তব্য পড়েননি। আমি বার বারই বলেছি যে ঢাবির সকল ছাত্র খারাপ নয়।

আর লেখার কথা বলছেন? হয়তো লেখাটাও ভাল মত পড়েননি। ভালমত পড়ুন বুঝুন কি বলতে চেয়েছি।

"যাদের বাসায় ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া ছেলে, ভাই, বন্ধু, বা আত্মিয় আছে দয়া করে তাদের জিজ্ঞেস করুন তারা চৈতালী নামক বাসে যাতায়াত করে কিনা। যদি করে তবে ভালকরে তাদের হাত ধুয়ে দিবেন, কারন তাদের হাতে লেগে আছে আমার বন্ধু মানিকের রক্ত।"

এখানে শুধু চৈতালী নামক বাসে যাতায়াত করা ষ্টূডেন্টদের কথা বলেছি।

আর এটা খেয়াল করুন।

"কোনমতে ছেলেকে নিয়ে গণসাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে ধুকলেন আবদুল হক সাহেব। কর্তব্যরত ডাক্তার মানিককে দেখে শিউরে উথলেন। সারা শরীরের রক্ত মুছে দেয়ার পর দেখেন মানিকের সারা শরীরে চাকা চাকা দাগ হয়ে গেছে। প্রচন্ড রাগে মনে হলো সব কিছু ধংস করে দেন। তার আদরের ধন তার সামনে পরে আছে। চোখ বেয়ে অঝোর ধারায় কান্না বেড়িয়ে আসল। কি দোষ তার? কি অন্যায় তার? কেন তার সাথে এ পাশবিক আচরন? ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে মানুষ তাদের ছেলেদের কে পাঠিয়ে কি ভুল করছে? এরা কি মানুষ নাকি মানুষ নামের ঘৃন্য নরকের কীট?"

এটা বিনাদোষে মার খাওয়া রক্তাক্ত সন্তানকে দেখে একজন বাবার ক্ষোভ।
কি বুঝে মন্তব্য করলেন বুঝলামনা!!!! B:-)

২০৭| ০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:১৮

মাসরুর আহমেদ বলেছেন: ভাই আপনার পোস্টটি দেখে খুব কস্ট পেলাম । মানুষের সাথে মানুষের এরকম আচরণ কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। ভাই আপনার পোস্ট টি দেখে মনে হলো আপনি ঘটনাটি নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন। অন্যথায় ঘটনার এরকম বিবরণ দেয়া কোনোভাবেই সম্ভব না । যদি আপনি ঘটনাস্থলে থেকে থাকতেন তাহলে কেনো আপনার বন্ধুটির বিপদের সময় সাহায্য করতে এগিয়ে যান নি ? আর যদি অন্যের মুখে ঘটনাটি শুনে থাকেন তাহলে আপনার এরকম এক পক্ষীয় পোস্ট দেয়া উচিত হয় নি ।

২০৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৫

বাতিল প্রতিভা বলেছেন: পড়ব । পোস্ট পর্যবেক্ষন

২০৯| ১১ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:১৩

মঞ্জুর প্রযুক্তিপ্রেমী বলেছেন: অমানবিক ....এরা মানুষ নামের সত্যিকারের পশু ......ধিক এদেরকে

২১০| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪০

বাঁশ বাবা বলেছেন: বেজন্মারা শুধু বেশ্যা পাড়াতে জন্মাই না...ভদ্র ঘরে বা ভদ্র জায়গাইও জন্মাতে পারে। এটা তারই প্রমাণ...

২১১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৭

মায়াবী রূপকথা বলেছেন: এদের সাথে শিবিরের পার্থক্য কি? আমরা সবাই একই কাতারে চলে আসছি।

আমরা সত্যি পুরা জাতি একই সাথে অমানুষ হয়ে যাচ্ছি।

২১২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫২

শিপু ভাই বলেছেন:
কষ্টের একটা দলা বুকের কাছ থেকে উঠে গলার কাছে ঠেকে আছে। চোখ দুটো ভিজে উঠেছে। কি বলবো?!!? সবাই পাব্লিক প্রাইভেট তর্ক করছে। অন্যায় অন্যায়ই। পুলিশের পিস্তল থাকলেও ইচ্ছে করলেই গুলি করতে পারে না।

কিছু লোকের কুকর্মের জন্য একটি গোষ্ঠি বা প্রতিষ্ঠানকে দোষ দেয়া যায় না- উচিত না।


খুব টাচী লেখা ভাই।
++++++++++++++++

মানিক সাহেব এখন কেমন আছেন?

২১৩| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৮

মেহদি বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটির বিরুদ্বে যারা বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করছেন তারা তাদের পরিচয়টা দিয়ে কথা বলুন। আমরা ও সে রকম মন্তব্য করতে পারি কিন্তু...

"কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায় তাই বলে কুকুরে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়?"

যাই হোক, মোল্লার দোড় মসজিদ পর্যন্ত। ঢাকা ইউনিভার্সিটিই বাংলাদেশ চালায়।

২১৪| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪

জাতির বিবেক বলেছেন: পাবলিক যদি না বুজে তাহলে বুজাই দিতে হবে যে ইউনিভা্রসির স্টুডেন্ট কাকে বলে। আর পাবলিকের টাকায় পডতে পারা স্টুডেন্ট হলে তো কথাই নেই।

২১৫| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০২

আহমেদ সাব্বির পল্লব বলেছেন: :(

২১৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:২৩

ভুং ভাং বলেছেন: এই কষ্ট যতটা না শরিরের তার চে বেশি মনের ।আর ছেলেটির বাবার সেদিনের অনুভুতি কেমন হয়েছিল কে জানে ।কষ্টটা হচ্ছে এখন পাব্লিক প্রাইভেট তর্ক করছে সবাই । অথচ সমস্যা হচ্ছে চৈতালী নামক বাসে যাতায়াত করা কিছু কিট নিয়ে ।

২১৭| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৩

নিস্প্রভ নীল বলেছেন: Mojar bepar hocche DU (othoba jekono public UNI) er student rai tader jekono kharap kaj nie kotha bolte gele ghurie firie setake tader UNI te chance pawa na pawa te nie ase!!! :D

Ar kothay kothay 52, 69 er example dey, othoco tader negative kajer je koto example dewa jabe seta chintao kora jay na.

Valo kharap sob jaygayi ache, seta accept kore nea uchit. Sob kichukei UNI te chance pawar category te nie asa mane taderi durbolota. Nijer uni er baire onnoder keo somman dite shikben kobe apnara?

২১৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৬

অদ্বিতীয়া আমি বলেছেন: খুবই দুঃখজনক ।চৈতালী বাসের কিছু ছেলে যাদের স্টুডেন্ট না শুধু মানুষ ভাবতেই লজ্জা হয় ।

২১৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩৬

অন্যনায়ক বলেছেন: এ তো দেখা যাচ্ছে দিনকে দিন জাতীয় সমস্যায় রূপান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু আসল কথা কি, মূল দোষটা আমাদের, আমরা ক্ষেত্রবিশেষে মানুষকে (সেটা ব্যাক্তিক হোক বা সমষ্টিগত) দেবতা বানিয়ে ফেলি। ফলশ্রুতিতে উনারা সবকিছু করে বেড়ানোর একটা অলিখিত অনুমতি পত্র পেয়ে যান। কেন বলছি এ কথা ভেবে অবাক হচ্ছেন তাই না। গল্পেই কিন্তু পুলিশের ভূমিকা দেখিয়েছেন যা খুবই দৃষ্টিকটূ। আবার দেখুন হয়ত আপনার ব্লগে সবাই দেখল , পড়ল এবং মন্তব্যও করল, কিন্তু বলুন তো একটা মিডিয়াতেও কি এসেছে এগুলো, আসেনি। হায়,সেলুকাস ! আমরাই দিনকে দিন প্রশ্রয় দিয়ে আসছি এদের, শুধু এদের নয় সবাইকেই। আমি যখন জাহাঙ্গীরনগরে হলে গিয়ে থেকেছিলাম তখন বড়ভাইদের বলতে শুনেছি 'ক্যাম্পাস হত্যার কোন বিচার হয় না।' বাহ !!! কি গর্ব গর্ব, এত গর্ব কোথায় রাখি। আসলেই কিন্তু তাই, কিছুরই এই বিচার না হওয়াতে যা মেধাবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবার কথা ছিল সেটা পরিণত হল ......... বুঝতেই পারছেন কি বলতে চাইছি। আমি নিজেও জানি এখানে মন্তব্যের পর কয়টা গালি খামু আল্লাহ মালুম।

২২০| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩২

ক্লান্ত কালবৈশাখি বলেছেন: খুব ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন, ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ার। কিন্তু, মাঝে মাঝে যখনই এমন কোন খবর পড়ি, লজ্জায় মাথা নত করতে হয় আমার স্বপ্নের প্রতি।

২২১| ৩০ শে মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৫৯

গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: যাদের বাসাইয় ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া ছেলে, ভাই, বন্ধু, বা আত্মিয় আছে দয়া করে তাদের জিজ্ঞেস করুন তারা চৈতালী নামক বাসে যাতায়াত করে কিনা। যদি করে তবে ভালকরে তাদের হাত ধুয়ে দিবেন, কারন তাদের হাতে লেগে আছে আমার বন্ধু মানিকের রক্ত।

আপনার সাথে একমত এবং সেইসাথে কিছু কথা-

এই পশুত্ব ঢাবি বা পাবলিক বি.'র নয়।
শুধু জাতীয় বি.'র নয়।
শুধু প্রাইভেট বি.'র নয়-
বা শুধু তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার,
হাটহাজারি মাদ্রাসার নয়।


এই পশুত্ব রাষ্ট্রব্যাপী।



শিক্ষা তাদের আল্টিমেটলি, অ্যাবসোলিউটলি কিচ্ছু দেয়নি।
শিক্ষা (!?), তাদের ভিতরে যা ছিল তার সবটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

এই ছেলেগুলোর শিক্ষিত হলে চলবে না, দী ক্ষি ত হতে হবে।


২২২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৪

নোয়াখাইল্যা হোলা বলেছেন: ঢাবি কারো নিজস্ব সম্পদ নয়।কতক কুলাঙ্গারের জন্য পুরো ঢাবিপরিবারকে দোষারোপ করা যায় না।

দেশের প্রত্যেকটি আন্দোলন-সংগ্রামে যে প্রতিষ্ঠান নেতৃত্ব দিয়ে আসছে সেই প্রতিষ্ঠানকে কোন অভিযোগে অভিযুক্ত করার আগে ১০ বার ভাবা উচিত।

২২৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৯

আহমেদ সাব্বির পল্লব বলেছেন: এত কিছু লেখালেখি করে কিছুই হয়নি.......


এখনও ঢা.বি. এর প্রতিটা বাস রাস্তায় আগেরমতই বেপরোয়া ভাবে নিয়মভঙ্গ করে চলছে........ :(

২২৪| ২৪ শে মে, ২০১৩ রাত ১:৪৯

খেয়া ঘাট বলেছেন: পুলিশ ই বা কে পালাবেনা, ঢাকা ইউনিভার্সিটির ষ্টূডেণ্ট, এদের গায়ে হাত তুললেই মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করে মেধাবী ছাত্রকে পুলিশ বিনাকারনে মেরে ফাটিয়ে দিয়েছে।- আমি নিজেই ঢাবি"র ছাত্র।

চৈতালী বাসের সাথে অনেক সুখস্মৃতি জড়িয়ে আছে। কিন্তু এ নরপশুদের শুয়োর না বললে যেন মনে শান্তি পাচ্ছিনা।

২২৫| ১০ ই জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩০

সত্যযুগের মানুষ বলেছেন: লেখক ঢাকা ইউনিভার্সিটিকে সরাসরি আক্রমন করে আসলে কি প্রমান করতে চেয়েছেন বুঝতে পারলাম না। আমি নিজে হলে সিট পাবার আগে চৈতালীতে আসাযাওয়া করেছি। আমি চ্যালেন্জ করে বলতে পারি যে লেখকের কাহিনী অতিরন্জিত এবং একচোখা। বিনা উস্কানিতে ঢাবির ছাত্ররা কাউকে এভাবে মারবেনা। আমার মনে হয় আপনার মানিক সাহেব তাদের উস্কানিমূলক কিছু বলেছিলেন। গাড়ির মালিক/ড্রাইভারদের ব্যবহার ছাত্রদের চাইতে ভাল হয় এরকম শুনেছেন কোথাও কেউ? আর ঢাবিকে গালাগালি যারা করছে তাদের সমস্যাটাতো বুঝতেই পারছি। শুশীলের দলকে বলছি, ছাত্রদের পিছনে না লেগে নিজেদের চরিত্রের উন্নতি করুন, তাহলে ছাত্ররা আপনাদের ঠিকই সম্মান করবে।

২২৬| ২২ শে জুন, ২০১৩ রাত ১১:১৫

ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: এ তো দেখি এপিক পোস্ট...

২২৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৩৩

মোঃ আনারুল ইসলাম বলেছেন: পড়ে একটা কমেন্ট দিলাম।

২২৮| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৩

মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: পাবালকের সেন্টিমেন্ট আজব। আসল বিষয়ে না গিয়া পাবলিক-প্রাইেভেট, বড়লোক-ছোটলোক, লাল-নীল নিয়া লাগসে...

নিজেরা যখন জুনিয়দের হাতে মাইর খাইবো দেন রিয়েলাইজেশন আসলেও আসতে পারে।

ঢাবি কোন কালে কি করসে তা নিয়া এখন ৫০ বছর পড়ে তালি বাজানো কিছু নাই...বরং এখন কি করতাসে তা দেখেন... X(( X(( X((

২২৯| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২৯

হাবিবুর রহমান জুয়েল বলেছেন: আমি পর পর দুই বার ঢাবি'র "ফাল্গুনি" রুটের সভাপতি ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছি ৪ বছর হলো।

এখনও "ফাল্গুনি" রুট আমার নেতৃত্বেই চলে।

আমি রুটের শিক্ষার্থীদের সর্বদা অন্যায়ভাবে মারপিট করতে নিষেধ করতাম এখনও করছি।
...........জানি না তখন চৈতালীর সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক কে ছিল। এ ঘটনার জন্য অবশ্যই তাদের দুঃখ প্রকাশ করা উচিত।

আমি এ ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি.....এবং ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

২৩০| ১২ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৪৮

ফাহমি৯৬ বলেছেন: কি আর বলব ভাই। গাড়ি টে ঊঠে তাদের সাথে কিছু বলা যায়না। তবে রঙ সাইডের ব্যাপার টা বাদ দিয়ে এটা মোটেও ভালো হয়নাই। সিনিয়র ভাইয়ের সাথে চরম বেয়াদপি হইছে।
আসলে মাঝে মাঝে ঢাবির ছাত্র হিসেবে নিজেরে খুব অসহায় লাগে যখন এইগুলোর প্রতিবাদ করতে পারিনা।

২৩১| ১২ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৭

চড়ুই বলেছেন: ফাইজলামির ১ টা সিমা থাকা উচিত। ঢাকা ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি না হয়ে এদের আগে ব্যাবহার শিখার স্কুলে ভর্তি হওয়া উচিত।

২৩২| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৬

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি.....আর ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ি মানেই ধরাকে সরা জ্ঞান পোষণকারীদেরকে বলবো নিজেকে এবং অন্যকে মানুষ ভাবতে শিখুন।

২৩৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৪

মিলন অাহমেদ বলেছেন: বাবলা পাতার কষ লেগেছে সেটা দুর হবে কোন সাবানে?
১৯৯৯ ইং সালে প্রবাসী খালাকে নিয়ে গেলাম অামাদের গর্ব ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেখাতে। ক্যাম্পাসের ভিতর ছাত্র-ছাত্রীদের বেপরোয়া অাচার-অাচরন অার প্রকাশ্যে অসভ্যতা দেখে খালা বল্লাে ছি ছি পশ্চিমা ফ্রি সেক্সের দেশেওতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ এমন অসভ্যতা করে না। লজ্জায় মাথা নীচু করে খালাকে নিয়ে লালবাগ দূর্গ দেখতে চলে গেলাম।

২৩৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৭

ফয়সাল রকি বলেছেন: খুবই মর্মান্তিক ও লজ্জাজনক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.