নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্যান কার্ভ

ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

আস্তমেয়ে

হে প্রভু, তুমি আমাকে অকল্যাণ বয়ে আনা এবং অর্থহীন কথা ও কাজ থেকে রক্ষা করো! [link|http://www.somewhereinblog.net/shondhabatiblog|Ges Avwg]

আস্তমেয়ে › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম ব্যবসায়ী কারা?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪৯

লেখা শুরু করার আগে বাংলা একাডেমীর ডিকশনারী দেখলাম, ব্যবসায়ীর একটা অর্থ দেয়া: 'স্বার্থসন্ধানী চিন্তাভাবনা'।



তাহলে ধর্ম ব্যবসায়ী তারাই, যারা ধর্মকে ব্যবহার করে 'স্বার্থোদ্ধার সংক্রান্ত কাজে'।



এখানে কী ওয়ার্ড হচ্ছে 'ব্যবহার'। [গাঢ়]এক ধরণের মুখোশ হিসেবে ব্যবহার করা, সাময়িক ভাবে ব্যবহার করা, স্বার্থের প্রয়োজন মিটে যাওয়ার পরে ছুড়ে ফেলে দেয়া।[/গাঢ়]



ধর্মের ক্ষেত্রে কারা মুখোশ ব্যবহার করছে সেটা দেখার আগে দেখি চলুন: দেশের জন্য কারা সত্যিকার হিতৈষী সেটা আমরা বুঝতে পারি তাদের জীবন দেখলে। কেউ যদি দেশের জন্য গলা শুকিয়ে কাঠ করে ফেলেন সকাল বিকাল, এভাবেই ভালোবাসা কুড়ান, অথচ তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ব্যবহারে দেশকে ভালোবাসার চিহ্নটুকু দেখতে পারি না, তাহলে বুঝবো তারা স্বার্থউদ্ধারের জন্য দেশের জন্য ভালোবাসার সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করছ। মুখে ফেনা তুলছে দেশ প্রেম দেশ প্রেম বলে, এই দেশ প্রেম ধুয়ে পানি খাচ্ছে, কিন্তু নিজের ছেলে মেয়েদের বন্দোবস্ত করে দিচ্ছে বিদেশে, নিজে কখনও দেশের সাধারণ মানুষের দু:খ কষ্টগুলো ছুয়ে দেখছে না।



মোট কথা, তার বলা কথাগুলোর প্রভাব তার জীবনে কতটুকু সেটা একটু খতিয়ে দেখলেই বুঝা যাবে, সে আসলে কি কোন বিশেষ ক্ষেত্রে মানুষের ইমোশন ব্যবহার করছে কি না, অর্থ্যাৎ সে ওই বিশেষ অনুভূতি নিয়ে লাভজনক ব্যবসায় নেমেছে কি না। [গাঢ়]যদি তার বলা কথাগুলো তার জীবনে প্রভাবশূণ্য হয়, তাহলে সেই মানুষটার সব কথা আমার কাছে মূল্যহীন।[/গাঢ়]



এখন ধর্ম ব্যবসায়ী। দুই ধরণের হতে পারে ধর্ম ব্যবসায়ীরা।



প্রথমত, যারা আসলে ধর্ম পালনের মুখোশ পড়ে কিন্তু একই সাথে এমন সব কাজ কর্ম করে যার সাথে তার নিজের ধর্মেরই বিশাল তফাৎ। এই কাজটা একটা অফিসের কর্মচারী যেমন করতে পারে, মুখে নুরানী দাড়ি রেখে টেবিলের নিচ দিয়ে ঘুষ নিয়ে, তেমনি করে ইমামের টাইটেল ঝুলানো সমকামী লোকগুলো। দু'টো উদাহরণ দিলাম, কিন্তু সমাজে যেখানে ধর্ম পালন করলে আসলে লাভ হয়, সেখানে এমন উদাহরণ অনেক। তাদের বলা কথার প্রভাব ব্যক্তিগত জীবনে শূন্য। এজন্যই বুঝা যায়, তারা ধর্মকে ব্যবসায়িক লাভে ব্যবহার করছে। ধর্ম ব্যবসায়ী!



দ্বিতীয়ত, [গাঢ়]এমন মানুষেরা, যারা আসলে নিজেরা ধর্ম পালন করে না এবং সেটা এক ধরণের গর্ব ভরেই বলে বেড়ায়! কিন্তু একই সাথে যারা ধর্ম পালন করে, তাদের চিপায় ফেলার জন্য নানা সময়ে ধর্মের বিভিন্ন ব্যাপার "আউট অফ কনটেক্সট" তুলে ধরে কাজ সারে।[/গাঢ়] কুরআনেরই আয়াত, 'তাদের যেখানে পাও, সেখানে হত্যা করো', এটা তুলে দাবী জানিয়ে আমেরিকার একটা লাইব্রেরিতে কুরআন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, অথচ, আয়াতটা ছিল বদরের যুদ্ধের সময়ের আয়াত। একটা সেনাপতি নিশ্চয়ই তার যোদ্ধাদের বলবে না, প্রতিপক্ষকে যেখানে পাও সেখানে আদর করো! তাহলে এই ধরণের মানুষ চিনবেন তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য দিয়ে:

১. তাদের ব্যক্তিগত জীবনে ধর্ম পালনের প্রভাব দেখা যায় না এবং সেটা গর্ব ভরে বলে বেড়ান (নিজেকে অতিরিক্ত সাধু প্রমানের জন্য),

২. সময়ে সময়ে তর্কে খাতিরে ধর্মকে তুলে আনবেন, কিন্তু যেহেতু নিজের জীবনে ধর্মের সরাসরি নির্দেশও অমান্য করেন, এ কেবল ব্যবসায়িক খাতিরে বুঝাই যায়!

৩. তারা ধর্ম সম্পর্কে বেশি পড়াশোনা বরাবর নিরুৎসাহিত করেন, কারণ বেশি পড়াশোনা করলে যে জারিজুরি ফাঁস হয়ে যাবে!



আমি নিজে ইসলাম ভালবাসি, এবং আমার পুরা জীবনটাই ইসলামের আলোয় রাঙাতে চাই। আমি আজকে ইসলামের কোন ব্যাপারে ভুল হতে পারি, আগামী কাল যখন বুঝতে পারবো, তখন আমি নতুন উপলব্ধি থেকেই কাজ করবো। কারণ এখানে আমার কোন জাগতিক স্বার্থ নেই।



দুই রকম ধর্ম ব্যবসায়ীই ব্লগীয় পরিসরে দেখতে পাচ্ছি। আপাতত হেদায়ত চাচ্ছি সেই সব ধর্ম ব্যবসায়ীদের, যারা এমনি কুরআন হাদীসের রেফারেন্সের দাবী তুলে মুখে ফেনা তুলেন (হিন্ট এক: নিজেরা কুরআন পড়বেন না), কিন্তু এই গুলা দেখানো হলে মুখ ঘুরায় চলে যান:



হাদীস: বিশ্বাসীদের সব সময় অপবাদ দেয়া, গালিগালাজ করা, অশ্লীল কথা বার্তা বলা থেকে দূরে থাকতে হবে। (তিরমিযী)



একবার মুহাম্মদ (সা) মুয়ায (রা) কে বলেন, তোমার জিভকে সব সময় সংযত রাখবে। মুয়ায (রা) আশ্চর্যান্বিত হয়ে বললেন, 'আমাদেরকে কি আমাদের বলা কথা সম্পর্কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে?' মুহাম্মদ (সা) জবাব দিলেন, 'হ্যা। এবং সত্য হলো, বেশির ভাগ মানুষই দোযখে যাবে তাদের জিভের খারাপ ফসলের জন্য।' তিনি আরও বলেন, 'তোমাদের মধ্যে যে আল্লাহ এবং আখিরাতে বিশ্বাস করে, সে যেন ভালো কথা বলে না হয় চুপ থাকে।'



মুহাম্মদ (সা) বলেন, শুধুমাত্র একটা ভালো কথা বলার জন্য আল্লাহ কারো মর্যাদা বৃদ্ধি করবে আবার শুধুমাত্র একটা খারাপ কথার জন্যও সে দোযখে নিক্ষিপ্ত হতে পারে। একজন বিশ্বাসী (ঈমানদার) কখনও গালিগালাজ, অশ্লীল এবং অর্থহীন কথা বার্তায় লিপ্ত হতে পারে না।



তিনি আরও বলেন, মুনাফেকীর বৈশিষ্ট্য চারটি।

১. যখন কথা বলে মিথ্যা বলে,

২. যখন প্রতিজ্ঞা করে, প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে,

৩. আমানতের খেয়ানত করে,

৪. যখন রেগে যায়, তখন অশ্লীল ভাষায় কথা বলে।





(একটু রেগে আছি মনে হয়। মা পরশু আসবে, সারা বাসা গোছানো লাগবে। কালকে প্ল্যান করেছি এক লন্ড্রী কাপড় ধুবো প্লাস চারটা তরকারী রান্না করবো। ঘুমানো উচিৎ! ওহ, আমার ব্লগে কোন গালাগালি না, নিজের বমি পাত্রে বমি করে নিজেই চেটে খান। থ্যাংকস।)

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +০/-১

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫

মাহবুব সুমন বলেছেন: ধর্ম ব্যবসায়ি কাদের বলা হচ্ছে তা তো আপনি বলেই দিলেন।
যারা প্রকৃত ইসলাম মানে এবং মানুষকে আহবান করে তাদের কিন্তু বলা হয় না,

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬

মাহবুব সুমন বলেছেন: শেষের হিব্রুগুলো বুঝলাম না,
আমি হাউসকিপিং এ মাস্টার, আসবো নাকি কাল ?

৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬

আলভী বলেছেন: আপনার চিকিৎসা হওয়া উচিত - মানসিক।

৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬

অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে ,আপনি না ঘুমে থাকবেন বললেন! ইসলামের সেবায় জেগে উঠলেন?গুড, ভেরি গুড!

৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৭

মাহবুব সুমন বলেছেন: আলভী কি ডাক্তার ?
ডাক্তার ছাড়া প্রেসক্রিপসন দেয়া মেডিক্যাল এথিকসে র সাথে যায় না ।

৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯

আলভী বলেছেন: আমি ডাক্তার হলেও আাস্তমেয়ের রোগ ভাল করার মত গুণী ডাক্তার না। ত্রিভুজ হয়ত বা পারবে।

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০১

অতিথি বলেছেন: নো থ্যাংকস সুমন ভাই, আমার স্পেয়ার করার মতো বিশ ডলার নাই। :)

হিব্রু ঠিক করলাম। স্যরি।

এটাই সমস্যা আলভী, আমি যেটায় বিশ্বাস করি মারাত্মক প্যাশন দিয়ে বিশ্বাস করি। আর সব কিছু অবহেলায় পড়ে থাকে এটার কাছে :)

৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৪

মাহবুব সুমন বলেছেন: হমমমম, আইজকে তাইলে আপনে ক্ষেইপা আসেন !!

৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৫

অতিথি বলেছেন: হ্যা

১০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৬

সততা বলেছেন: Prophet এর পর (peace and blessings be upon him) বলা কি আবশ্যক? না বল্লে কি তাকে অপমান করা হয়?

আমার কাছে অবাক লাগে কারন স্রষ্টাকে আমরা কত সহজে ডাকতে পরি!

১১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৮

অতিথি বলেছেন: নাহ অপমান কেন হবে? এটা স্রেফ ভালোবাসা থেকে বলা।

১২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯

আলভী বলেছেন: সততা> আসলেই তো।

১৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:১০

সততা বলেছেন: আসলে ভালোবাসা না অভ্যাস? স্রষ্টাকে কি আমরা কম ভালোবাসি?

১৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪

অতিথি বলেছেন: না তাই তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন, আল্লাহ সুবহানাতা'লা কত কিছু বলি। তাসবিহ পড়েন না? নামায আছে না? রাসুল (সা) এর নামের শেষে শুধু দোআ করা তাঁর পবিত্র আত্মার জন্য... এটা কিন্তু আল্লাহর প্রতি ভালবাসার চেয়ে একদম আলাদা। যাই হোক, আমার বলতে কষ্ট হয় না, আপনার কষ্ট হলে নাও বলতে পারেন :)

১৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭

অতিথি বলেছেন: ওই প্যাশনের ফ্যাশনেই খাইছে। যুক্তিবুদ্ধি সব বাউন্স কইরা ফিরে আসে ওই প্যাশনের ভুতে। প্যাশনটা একসময় ব্যবসায় হয়ে যায়।

১৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:২২

অতিথি বলেছেন: কার যুক্তি বুদ্ধি, মানবতা বোধ সব কিছুই ব্যবসায়ী নোংরামীর কাছে বন্ধকে পড়ে আছে সেটার প্রমান এই পোস্টে
Click This Link
পেয়েছি এবং এতদিন যতোটা শ্রদ্ধা করলাম, সব শ্রদ্ধা হারিয়েছি। তার নোংরা ব্যবসা ধরতে এখন অসুবিধা হয় না। আলহামদুলিল্লাহ। হাসান মোরশেদকে কোট করছি: কিছু মানুষকে কিছু সময়ের জন্য ধোকা দেয়া যায়। কিছু মানুষকে সব সময়ের জন্য ধোকা দেয়া যায়। সব মানুষকে কিছু সময়ের জন্য ধোকা দেয়া যায়। কিন্তু সব মানুষকে সব সময়ের জন্য ধোকা দেয়া যায় না।

১৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৭

অতিথি বলেছেন: আরে, আস্তাও দেখি ত্রিভুজের মত লিংক দিচ্ছে।

ওই পোস্ট দেখলাম। ওইখানে তো আমার পোস্ট ডিলিট হলো কেন, সেটা না বলে, আমি নাকি নিজের পোস্ট ডিলিট মেরেছি, তুমিই সেই দাবি করলা। সেই সন্দেহে কর্তৃপক্ষের কাছে ইমেইলও করেছো। সালতামামির পোস্টটা লিখতে আমার টানা 3 ঘন্টা সময় গেছে। কোনো ব্যাকআপও নাই। তারপরেও আমি তোমার কথার প্রতিবাদ না কইরা যুক্তির খাতিরে ওটাও একটা সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সাপোর্ট করেছি। অহন উলটা কান্দো ক্যা? মাইরাও জিতবা, কাইন্দাও?

তোমারে ধোকা দিছি নাকি? কখন, ক্যামনে?

১৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮

অতিথি বলেছেন: কান্দি? আই অ্যাম স্যরি য়ু হ্যাড দ্যাট ইমপ্রেশন। কেউ ফাও আত্মবিশ্বাস দেখালে করুণা হয়। ব্যবসায়ীরা যে কোন কিছু করতে পারে। আমার পোস্টে এসে জিজ্ঞাসা করে গেছে কাজটা ক্যামনে করলাম! এরে তারে ধরতেছে। যদিও ওয়ালীরও 'ইসলাম ও রাজনীতি -1' পোস্টটা খুজে পাচ্ছে না, ওই টা নিয়ে এই মরা কান্দন দেখি নাই। আর উলটা পালটা দোষারোপ দেখি নি।

আপনি আমাকে যা বলেছেন, আমি সময়ে শুধু সেটাই আপনাকে বলেছি। যেই জিনিস মুখ দিয়ে ছাড়েন, সেটা নিজের হজম করার ক্ষমতা না থাকলে ছাড়েন কেন?

ত্রিভুজ একটা কাজ করেছে, একজনের মন্তব্য কপি করে পোস্ট আকারে দিছে। সেটা চোরাও করছে। কে যে কার থেকে শিখে আজকাল!

কথা শেষ, প্রাসঙ্গিক কথা না থাকলে যেতে পারেন।

১৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৫০

অতিথি বলেছেন: আলোচনা রেখে সবাই কি আড্ডা দেয়া শুরু করলো নাকি? জ্ঞানের ভান্ডারে অভাব দেখা দিলো নাকি?

২০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১

মাহবুব সুমন বলেছেন: শান্তি শান্তি ওম শান্তি

২১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৪

অতিথি বলেছেন: লেখা ভালো হৈছে - কিপিটাপ!

২২| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৮

নাজিরুল হক বলেছেন: খুব সুন্তর একটা লেখা। ভাল লাগলো।

২৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৯

নাজিরুল হক বলেছেন: সরি বানান ভুল হয়েছে। হবে > সুন্দর

২৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:০৫

অতিথি বলেছেন: হা হা হা.. (এমনি হাসলাম)

২৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:০৮

ওয়ালী বলেছেন: কিন্তু 'আয়াতুল মুনাফিকুন সালাসা' না? তবে আপানর কথায় ঘোরতর সমর্থন রইলো।

২৬| ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:২৪

অতিথি বলেছেন: আমি একজন ফ্লাডার

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.