| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বারবোসা
জুলুম,অত্যাচার,মূর্খতা আর নির্বুদ্ধিতা নিপাত যাক, নিপাত যাক, নিপাত যাক
সামহোয়্যারইন ব্লগের পরিবেশ আলোচনার জন্য আনন্দদায়ক হয়ে উঠেছে।সহব্লগারদের সহনশীল আচরণ সত্যি প্রশংসনীয়।আজ ব্লগে আমি প্রথম পোস্ট প্রকাশ করছি।
অনেকেই মনে করেন বিজ্ঞান আর বিশ্বাস বিপরীত মেরুর বস্তু।তা কি আসলেই ঠিক?বিজ্ঞানের সবকিছুরই কি প্রমাণ আছে?আসলে তা নয়।বিজ্ঞানের মূলভিত্তি বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত।সেখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আমি আমি আজ হাজির হয়েছি।চলুন শুরু করা যাক।
বিজ্ঞান মানবজীবনের উৎকর্ষতার অন্যতম এক হাতিয়ার।তবে এই বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার পথ মোটেও কুষুমাস্তীর্ণ ছিলো না। মানব ইতিহাসে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সবচেয়ে বড় বাধার সম্মুখীন হয়েছিলো ৩০০ থেকে ৪০০ খ্রিষ্টাব্দের কনস্টানটিন কর্তৃক মডিফাইড হাইব্রিড রোমান ক্যাথলিক ধর্মের কাছে।কনস্টানটিন এই হাইব্রিডাইজেশন করেছিলেন একেশ্বরবাদী খ্রিষ্টান এবং প্যাগান ধর্মের মধ্যে।এর কারণ ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক , রোমান সাম্রাজ্যের অখণ্ডতা রক্ষা করা।পাঠকদের সাথে একটি মজার বিষয় শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না।খ্রিষ্টানরা চার্চে যায় সানডেতে বা রবিবারে।আবার খেয়াল করুন,রবিবার।খ্রিষ্টান ধর্মের সাথে রবি বা সূর্যের কি কোনো সম্পর্ক আছে?না নাই।এ নামকরণ করা হয়েছিলো কনস্টানটিন এর সময় প্যাগানদের সূর্যদেবের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য।যাই হোক,এ বিষয়ে রেফারেন্স সহ বিস্তারিত তথ্য পাবেন ড্যান ব্রাউন এর দ্যা ভিঞ্চি কোড উপন্যাস এ ।
রোমান চার্চের সাথে বিজ্ঞানী মহলের দ্বন্দ চূড়ান্ত রূপ লাভ করে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এবং একেশ্বরবাদী খ্রিষ্টান ধর্মে বিশ্বাসী নিউটনের সময়।এসময় যে রেনেসা আন্দোলন সংঘটিত হয়,তার ফলে রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা আর চার্চের হাতে থাকে না।
এ সময় আস্তিক নাস্তিক সকল বিজ্ঞানী সংগঠিত হন ।যেহেতু চার্চ নাই,তাই বাইবেল ও নাই।তাই নতুন সমাজের মূলদর্শন নেয়ার জন্য দৃশ্যমান জগৎ বা প্রকৃতিকে নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহকতায় সেক্যুলারিজম ভিত্তিক রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থা তৈরী হতে থাকে।সেই সময় থেকে ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজমকে তত্ত্ব হিসেবে স্বীকার করে নিয়ে আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা চলে আসছে।চলুন দেখা যাক ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজম কি।
ব্রিটানিকা মতে ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজম হল,
Naturalism, in philosophy, a theory that relates scientific method to philosophy by affirming that all beings and events in the universe (whatever their inherent character may be) are natural. Consequently, all knowledge of the universe falls within the pale of scientific investigation. Although naturalism denies the existence of truly supernatural realities, it makes allowance for the supernatural, provided that knowledge of it can be had indirectly—that is, that natural objects be influenced by the so-called supernatural entities in a detectable way.
অনুবাদঃ প্রকৃতিবাদের দর্শন হল এমন একটা তত্ত্ব,যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিকে দর্শনের সাথে সম্পর্কযুক্ত করে এবং এটা মেনে নেয় যে বিশ্বজগতের সকল বস্তু এবং ঘটনা(সেটার বৈশিষ্ট্য যাই হোক না কেন)বাস্তব।ফলস্রুতিতে এই বিশ্বজগতের সকল জ্ঞান বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের আওতায় পড়বে।যদিওবা প্রকৃতিবাদ সত্যিকারের অতিপ্রাকৃত বাস্তবতার অস্তিত্বকে অস্বীকার করে,তবে যদি প্রাকৃতিক বস্তুর তথাকথিত অতিপ্রাকৃত সত্ত্বা দ্বারা প্রভাবিত হবার পরোক্ষ কোনো প্রমাণ শনাক্তযোগ্য উপায়ে পাওয়া যায়,তবে প্রকৃতিবাদ অতিপ্রাকৃত সত্তার অস্তিত্বকে স্বীকার করে নিবে।
আচ্ছা এখন আমাদেরকে থিওরি বা তত্ত্ব সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে।এই শব্দটি বিজ্ঞানে বিশেষ অর্থ বহন করে।প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা ব্যাখ্যা করার সময় বিজ্ঞানীরা অনুমানের উপর কতগুলো অনুকল্প ধরে নেন।এরপর কোনো অনুকল্পের পক্ষে যদি ইম্পেরিক্যাল এভিডেন্স বা বাস্তবিক/প্রকৃতিগত প্রমাণ পাওয়া যায়,তবেই তা তত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।কিন্তু খেয়াল করুন,ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজমকে শুরুতেই থিওরি বা তত্ত্ব হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছে। কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়াই একে বিশ্বাস করা হয়েছে তত্ত্ব হিসেবে এবং এই তত্ত্বের উপর বিশ্বাস করেই,আই রিপিট বিশ্বাস করেই গত কয়েকশত বছর ধরে আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালিত হয়ে আসছে।তাই যারা বলে বিজ্ঞানে কোনো বিশ্বাস নাই,চারিদিকে শুধু প্রমাণ আর প্রমাণ,তারা আসলে বিজ্ঞান বোঝে না।যারা বিজ্ঞান বোঝে,তাদের কাছ থেকে কিছু শোনা যাক চলুন।
আমেরিকার প্রতি্যশা জীববিজ্ঞানী, গণিতবিদ এবং প্রজননতত্ত্ববিদ স্যার রিচার্ড লিওন্টিন বলেন,
We take the side of science in spite of the patent absurdity of some of its constructs, in spite of its failure to fulfill many of its extravagant promises of health and life, in spite of the tolerance of the scientific community for unsubstantiated just-so stories, because we have a prior commitment, a commitment to materialism.
[Billions and Billions of Demons - JANUARY 9, 1997 ISSUE] (Good reads থেকে সংগ্রহ করা)
অর্থঃআমরা বিজ্ঞানের পক্ষ নেই এর কিছু প্রকাশ্য অর্থহীনতা থাকা সত্ত্বেও,এমনকি মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনের প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার ব্যর্থতার পরও,বিজ্ঞানের অপ্রমাণিত গল্পগুলো বিজ্ঞানী মহলের সহ্য করার পরও,কারণ,আমাদের শুরু থেকেই একটি বিষয়ে প্রতিশ্রুতি আছে,তা হল বস্তুবাদে প্রতিশ্রুতি।
লক্ষ্য করুন,বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকেই পরিচালিত হয়,আমাদের মুক্তমনা ভাইয়েরা যাকে গোঁড়ামি বলেন আরকি,আসলে এভাবেই আধুনিক বিজ্ঞান চলে আসছে।আফসোস তথাকথিত মুক্তমনাদের জন্য,বিজ্ঞানের গোড়াতেই যখন বিশ্বাস থাকে,তখন বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে যারা সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাসকে বলে, এটা তো না দেখে বিশ্বাস , তাদের বিজ্ঞান কপচানো যে কতটা অন্তঃসারশূন্য তা সহজেই অনুমেয়।ও হ্যাঁ,স্যার লিওন্টিন কিন্তু নাস্তিক ছিলেন।মাস খানেক আগেই তিনি পরলোক গমন করেছেন। যারা প্রমাণ ছাড়া কিছুই বিশ্বাস করতে নারাজ,তাদের দ্বারা আর যাই হোক না কেন,বিজ্ঞানের চর্চা সম্ভব না।
ব্রিটানিকার রেফারেন্স এর শেষের অংশ দেখে প্রশ্ন আসতে পারে , এতোদিন যত বৈজ্ঞানিক তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে, সৃষ্টিকর্তা যদি সত্যিই থাকতেন,তবে তা এতোদিনে প্রমাণ হবার কথা
কিন্তু বাস্তবতা হল এই কথাটি সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। এটি দুইভাবে প্রমাণ করা যায়।
প্রথমত, ব্রিটানিকা তে ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজম সম্পর্কে বলা আছে,
Strictly speaking, naturalism has no ontological preference; i.e., no bias toward any particular set of categories of reality: dualism and monism, atheism and theism, idealism and materialism are all per se compatible with it.
অনুবাদঃ নিরেট বাস্তব হল, প্রকৃতিবাদের কোন সত্তাতত্ত্বীয় পছন্দ নেই; অর্থাৎ,বাস্তবতার কোন বিশেষ বিশ্বাসের প্রতি কোন পক্ষপাত নেই: দ্বৈতবাদ এবং একত্ববাদ, নাস্তিকতা এবং আস্তিকতা, আদর্শবাদ এবং বস্তুবাদ সবই এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
প্রকৃতিবাদের যেহেতু আস্তিকতা এবং নাস্তিকতা কোনোটার প্রতিই একপেশে ভাব নেই তাই,আপনি যখন বিজ্ঞানের উদাহরণ দিয়ে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে নাকচ করবেন,তখন আপনার বৈজ্ঞানিক বিশ্বাস নাস্তিকতার দিকে বায়াসড হচ্ছে,যা ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজম তত্ত্ব মতে হবার কথা না। তাই আপনার বিশ্বাস যেহেতু বিজ্ঞানের মূল ভিত্তির পরিপন্থি,তাই আপনার বিশ্বাস অন্য কিছু হতে পারে, বৈজ্ঞানিক না।
দ্বিতীয়ত,উপর্যুক্ত কথার মাধ্যমে বিজ্ঞানকে ধ্রুব সত্য হিসেবে ধরে নেয়া হচ্ছে।কিন্তু বিজ্ঞান সবসময় পরিবর্তনশীল।স্কটিশ দার্শনিক ডেভিড হুমে বলেন,
"No amount of observations of white swans can allow the inference that all swans are white, but the observation of a single black swan is sufficient to refute that conclusion." ~ David Hume
অর্থাৎ আপনি শত শত বাস্তবসম্মত প্রমাণ দিয়েও যদি একটা বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রতিষ্টা করেন,শুধু একটি বিপক্ষের প্রমাণই ঐ শত শত প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বটিকে বাতিল করারা জন্য যথেষ্ট।
ডেভিড হুমের উক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্যার নাসিম নিকোলাস তালিব ব্ল্যাক সোয়ান থিওরি প্রদান করেন।এর বক্তব্য অনুযায়ী প্রকৃতিগত পর্যবেক্ষণের ফলাফল যতবারই কোনো তত্ত্বের পক্ষে যাক না কেন,পরের বার যে ওই তত্ত্বের বিরুদ্ধে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
তাই সারকথা হচ্ছে,যারা মনে করেন যে, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব অস্বীকার করার জন্য বিজ্ঞানই যথেষ্ট তারা অন্ধবিশ্বাসী ।সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ত্বকে অস্বীকার করার জন্য বিজ্ঞানের সাথে প্রয়োজন গোমরাহি এবং সংকীর্ণমনার চর্চা করা।
বিশ্বাস আছে বলেই আপনি আমি বেচে থাকতে পারছি এই সুন্দর পৃথিবীতে ।
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:১০
বারবোসা বলেছেন: প্রিয় সাড়ে চুয়াত্তর ভাই,গত এক বছর ধরে সামুর সাথে পরিচয়।আপনাকে বরাবর সবার শুভাকাঙ্খি হিসেবেই দেখে আসছি।
আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।
আমার এটা প্রথম পোস্ট হওয়ায় ব্লগ কর্তৃপক্ষ দেরি করেছেন পোস্টটি পাবলিশ করতে,তাই পোস্টটি প্রথম পাতায় দেখার সৌভাগ্য হল না।এজন্য কষ্ট পেয়েছি।
কানে তুলা আর পিঠে কুলা নিলাম আপনার কথা শুনে।তবে অযৌক্তিক মন্তব্যের ভয়ে আছি।
পোস্ট পড়ার নিমণ্ত্রণ থাকলো।
২|
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:১৯
সাসুম বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়লাম, না পড়ে প্যারা মজিদ মার্কা কমেন্ট করতে পারিনা আবার।
আপনাকে ব্লগে ওয়েলকাম। যেহেতু বিজ্ঞান নিয়ে লিখালিখি করছেন আশা করতেই পারি- বেশ ভাল জ্ঞান ও প্রজ্ঞা আছে এই বিষয়ে। এই নাদান আপনার কাছ থেকে শিখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
যাই হোক- আপনার বক্তব্য হলো- বিশ্বাস করতেই হবে গড বা কোন এক সুপিরিয়র এন্টিটিতে যদি আমাকে বিজ্ঞানে বিশ্বাস করতে হয়, এইতো ??
যাই হোক- আপনার সাথে তর্কে যাওয়ার আগে একটা আন্সার পাওয়া জরুরি। আপনি কি বিলিভ করেন-
হোমো সেপিয়েন্স কি আকাশ থেকে হুট করে ৯০ হাত লম্বা মানুষ হিসেবে দুনিয়াতে এসেছে নাকি ইভুলুয়েশান এর মাধ্যমে আজকের এই মানবে রুপান্তরিত হয়েছে?
যদি আকাশ থিউরিতে বিলিভ করেন- তাহলে আল্লাহ হাফেজ।
আর যদি বিবর্তন থিউরিতে বিলিভ করেন- তাহলে চলুন আলোচনা করা যাক।
আমাদের আলোচনা করার জন্য প্রচুর বিষয় আছে ।
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৫২
বারবোসা বলেছেন: সাসুম ভাই,ভালোবাসা নিবেন এত সুন্দর মন্তব্য এবং পোস্টটি পড়ার জন্য।
আমি দুঃখিত আপনার কাছে যে, আমি আমার বক্তব্য আপনার কাছে পরিষ্কারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারি নি ।আপনি বলেছেনঃবিশ্বাস করতেই হবে গড বা কোন এক সুপিরিয়র এন্টিটিতে যদি আমাকে বিজ্ঞানে বিশ্বাস করতে হয়, এইতো ??
না ভাই,আমি বলতে চেয়েছি,বিজ্ঞানের গোড়াতেই যখন বিশ্বাস থাকে,তখন বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে যারা সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাসকে বলে না দেখে বিশ্বাস,তাদের দাবির অন্তঃসারশূন্যতা তুলে ধরা।
আপনার প্রশ্নের উত্তরঃ
মাইক্রো লেভেল এর ইভ্যলুশন অস্বীকার করার কিছু নাই।যতদিন না এটার এগেইন্সটে প্রকৃতিতে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।নূহ আঃ এর নৌকার ঘটনা থেকেও মাইক্রো ইভ্যলুশন এর যৌক্তিকতা বোঝা যায় কিছুটা।
ম্যাক্রো ইভ্যলুশন এর পক্ষে যত প্রকৃতিতে যত প্রমাণ পাওয়া গেছে,তার চুলচেরা বিশ্লেষণ ঐ তত্ত্ব প্রমাণের আশায় পানি ঢালা ছাড়া কাজের কাজ কিছুই করে নাই।তবু বিজ্ঞান যেহেতু প্রকৃতিবাদের নিকট দায়বদ্ধ, তাই অল্টারনেটিভ একটা অনুকল্প প্রস্তাব না হওয়া পর্যন্ত এটা দিয়েই চালানো হবে।এই তত্ত্বের এরকম দৈন্য দশায় কিভাবে এর উপর বিশ্বাস করা যায় বলুন।
আসলে বিজ্ঞানের কোনো তত্ত্বই আমি চূড়ান্ত বিশ্বাস করি না,আমি মনে করি যারা বিজ্ঞান বোঝেন তারাই এরকমটা করবেন,ব্ল্যাক সোয়ান থিওরি সম্পর্কে আমি বিস্তারিত আলোচনা করি নাই।তবে সাসুম ভাই আপনি আমার পোস্টের শেষের অংশটা পড়লে আমার বক্তব্যের সপক্ষে কিছু কথা ও রেফারেন্স পাবেন।
আর একটা কথা কন্ট্রোভার্সিয়াল টপিক আমরা খুজে বের করে নিজেদের আইডিয়া পরিষ্কার করবো।আল্লাহ হাফেয জানালে এর সু্যোগ পাওয়া যাবে না।আমি কিন্তু আল্লাহ হাফেয জানানোর জন্য ব্লগে আসি নাই।
৩|
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:২২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ফিলসফি অব সাইন্স সম্পর্কে আইনস্টাইনের নীচের কথাটি প্রণিধানযোগ্য ;
fully agree with you about the significance and educational value of methodology as well as history and philosophy of science. So many people today—and even professional scientists—seem to me like someone who has seen thousands of trees but has never seen a forest. A knowledge of the historic and philosophical background gives that kind of independence from prejudices of his generation from which most scientists are suffering. This independence created by philosophical insight is—in my opinion—the mark of distinction between a mere artisan or specialist and a real seeker after truth. 1
বিস্তারিত জানার জন্য এই লেখাটা পড়তে অনুরোধ করবো Albert Einstein as a Philosopher of Science
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:১৭
বারবোসা বলেছেন: সাড়ে চুয়াত্তর ভাই আইন্সটাইন এর উক্তিটি দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।তাদের সবার কথাবার্তাই এরকম ।কারণ তারা বিজ্ঞান কি এটা জানতেন।যারা বিজ্ঞার সম্পর্কে অন্ধবিশ্বাসী তাদের সম্পর্কে বলেছেন,seem to me like someone who has seen thousands of trees but has never seen a forest
একদম যথার্থ,আমি আমার পোস্টে এটাই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করাছি।
রিসোর্স শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
৪|
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৪২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি এই বিষয়ে একটা কিছু লেখার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ। তবে এখন না। কয়েক দিন পরে। ভালো থাকবেন। আপনার লেখা ভালো লেগেছে।
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৫৬
বারবোসা বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই,আপনার পোস্ট পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।আশা করি আমার রেফারেন্সগুলো আপনার কিছুটা হলেও কাজে আসবে।
৫|
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:৪৬
নতুন বলেছেন: আপনি কি বিলিভ করেন-
হোমো সেপিয়েন্স কি আকাশ থেকে হুট করে ৯০ হাত লম্বা মানুষ হিসেবে দুনিয়াতে এসেছে নাকি ইভুলুয়েশান এর মাধ্যমে আজকের এই মানবে রুপান্তরিত হয়েছে?
যদি আকাশ থিউরিতে বিলিভ করেন- তাহলে আল্লাহ হাফেজ।
এইটা অবশ্য একটা ভালো কথা বলেছেন। যারা বিশ্বাস করে ৯০ হাত লম্বা মানুষ হতে পারে তার সাথে যুক্তি দিয়ে আলোচনা করা সম্ভবনা।
কিন্তু মানুষ অন্য কোন গ্রহ থেকে আসে নাই। বা অন্য গ্রহের প্রানীরা পৃথিবির সিম্পান্জি বা ঔ রকমের প্রানীকে জিনেটিক্যালি পরির্তন করে মানুষ এসেছে? সেটাও তো হতে পারে?
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:১১
বারবোসা বলেছেন: নতুন ভাইকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
৯০ হাতের কথা থাক,আমরা বিজ্ঞান আর যুক্তি দিয়ে আলোচনা করি চলেন।
মানুষ যে পৃথিবীর প্রানী না, এই বিষয়ে একটা মতবাদ আছে।রেফারেন্স পরে যুক্ত করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। আপাতত নিজের মত করে বলি।
মানুষ যদি পৃথিবীর প্রাণী হতোই, তবে প্রকৃতির এরকম বারোটা বাজাইতো না।মানুষের কাজকর্ম এবং বুদ্ধি প্রকৃতির এতোটা প্রতিকূলে যেত না।ম্যাক্রো বিবর্তন অনুযায়ী বলা হয়,একই ধরনের পুর্বপুরুষ থেকে মানুষ আর বানর এসেছে।তাহলে বানর জাতি মানুষের মতো না হোক,তাদের বুদ্ধির অনুপাতে মানুষের মতো তাদেরও একটা কৃত্রিম পরিবেশ তৈরী করতে পারতো,কিন্তু তারা তো প্রকৃতির সাথে মিশে থাকে,মনে হয়ে যেন তারা এই প্রকৃতিরই অংশ।মানুষ ছাড়া প্রতিটা প্রাণির ক্ষেত্রেই একই বিষয় প্রযোজ্য।
৬|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২১ রাত ১:০৫
কামাল১৮ বলেছেন: আল্লাহর কোন তথ্য উপাত্ত নাই,তাই আল্লাহকে প্রমান করা যায় না।তাই আল্লাহ বিজ্ঞানের বিষয় না।যার তথ্য উপাত্ত আছে এবং প্রমান করা যায় সেগুলোই বিজ্ঞানের বিষয়।বিজ্ঞানীরা বলেনাই সবকিছু প্রমান হয়ে গেছে,প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ের প্রমান চলছে,অনন্তকাল চলবে।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২১ রাত ১:৪৯
বারবোসা বলেছেন: কামাল১৮
আপনি কি আমার পোস্ট পড়েছেন নাকি আমার সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা আর পোস্টের ক্যাপশন দেখেই মন্তব্য করেছেন?
আপনি বললেন,আল্লাহকে প্রমাণ করা যায় না।আল্লাহ বিজ্ঞানের বিষয় না।
আপনার প্রতি অনুরোধ থাকলো আমার উল্লেখ করা ব্রিটানিকার ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজম তত্ত্বের শেষের অর্ধেক অংশটি পড়ার এবং বোঝার চেষ্টা করার। আশা করা যায় আপনি আপনার জবাব পাবেন।
আপনি বলেছেন,যেগুলো প্রমাণ করা যায় সেগুলোই বিজ্ঞানের বিষয়।
বিজ্ঞান কিছুই প্রমাণ করে না।আপাতদৃষ্টিতে কোনো তত্ত্ব মেনে নেয় শুধু।এর কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নেই।
আপনি আমার পোস্ট না পড়াতে আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি।যাই হোক এখানেই সংক্ষেপে বলি,যারা বলে বিজ্ঞানে শুধু প্রমাণ আর প্রমাণ,প্রমাণ ছাড়া কিছু নাই,তাদের ভুলটা আমি ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছি।আর যারা বিজ্ঞানের বিষয়াদির কাছে ধর্মীয় বিশ্বাসকে লেইম মনে করে তারা যে কগনিটিভলি বায়াসড,সোজা কথায় হিপোক্রেট সেটাও তুলে ধরেছি।
৭|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২১ রাত ১:২৫
কামাল১৮ বলেছেন: আপনি স্পিনোজার দর্শন তুলে এনেছেন যেটা অনেক আগেই বাতিল হয়ে গেছে,নতুন কিছু বলুন।
৮|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২১ রাত ১:৫১
বারবোসা বলেছেন: ভাই আপনারে আর কি বলমু,,,আপনে কিসের সাথে কি লাগাইতেছেন,স্পিনোজার কাহিনী ১৬০০ থেকে ১৭০০ সালের,আর ফিলোসফিক্যাল ন্যাচারালিজম গত শতক থেকে চলছে। আপনের পছন্দের মানুষ লিওন্টিন এর যে বক্তব্য দিছি সেটাও মাত্র কয়েক দশক আগের।
আপনার জন্য আমার পোস্টের দুইটা কথা পুনরাবৃত্তি করলাম
এক,বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে যারা সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাসকে বলে, এটা তো না দেখে বিশ্বাস , তাদের বিজ্ঞান কপচানো যে কতটা অন্তঃসারশূন্য তা সহজেই অনুমেয়
দুই,সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব অস্বীকার করার জন্য বিজ্ঞানই যথেষ্ট তারা অন্ধবিশ্বাসী ।সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ত্বকে অস্বীকার করার জন্য বিজ্ঞানের সাথে প্রয়োজন গোমরাহি এবং সংকীর্ণমনার চর্চা করা।
৯|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২১ ভোর ৬:৪৪
সাসুম বলেছেন: আপনার সাথে তর্ক বা আলোচনা করতে হলে গ্রাউন্ড থাকতে হবে।
আমি আমার একটা যায়গায় একদম ক্লিয়ার- আপনার সাথে আমি আলোচনায় বসব তখন ই যখন আপনি নিজেও আমার মত খালি হাতে আলোচনায় আসবেন।
আপনি বিচারে উপস্থিত হবেন- হাতে নাংগা তলোয়ার নিয়ে। যে- আমার কথার সাথে এক হবেনা তার কল্লা এখন ফেলে দিব, এবং তার কল্লা ফেলার পর তারে সারা জীবন জাহান্নামে আগুনে পোড়াব।
আপনি বিচারে রাজি আছেন- তবে তালগাছ আপনার। এ অবস্থায় তো আর আলোচনা সম্ভব না রে ভাই!
এই কারনে- জ্ঞান বিজ্ঞান ও যুক্তি নির্ভর আলোচনায় যাওয়ার আগে আমি সবার আগে জিজ্ঞেস করি - আপনি কোন থিউরিতে বিলিভ করেন। আকাশ থিউরিতে বিলিভ করলে আপনার সাথে আমার আলোচনা বা যুক্তি তর্কের কিছু নেই। কারন- অলরেডি তালগাছ আপনার বলে আপনি রায় দিয়ে দিয়েছেন, এখানে বিচার এর তো কিছু নেই।
এই নিরর্থক তর্ক বা আলোচনায় আমি কখনোই আগ্রহ পাই না। কারন- আমার কাজ ও প্যাশান জ্ঞান অনুসন্ধান করা। আপনার কাজ- স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস স্টাব্লিশ করে, দুনিয়ার হাজার হাজার ধর্ম থেকে আপনার ধর্ম সেরা এটা প্রমান করা।
আপনার আর আমার এত এত ফান্ডামেন্টাল পার্থক্য- এখানে আসলে আলোচনা হবার না।
এই কারনে- আমি জ্ঞান হবার পর থেকেই আকাশ থিউরির লোকজনের সাথে তর্কে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকি। এই কারনেই- আপনাকে পরিচয়ের শুরুতেই জিজ্ঞেস করেছি আপনার থিউরি কোনটা।
যাই হোক- আপনি ব্লগে এসেছেন ৬ দিন। আপনার ব্লগে পদচারনা ও কমেন্ট এর ধরন দেখে একটা জিনিষ স্পষ্ট, আপনার সু নির্দিষ্ট এজেন্ডা আছে আপনি একটি নির্দিষ্ট ধারার মতবাদ প্রচার ও প্রসার করার জন্য আগমন। এছাড়াও- আপনি পুরানো ব্লগার, লিখতে জানেন।
যাই হোক- আপনার সাথে আমার তর্ক এখানেই সমাপ্তি, কারন আনন্দের জন্য আমি লিখে থাকি। তর্কে জিতার জন্য না।
ভাল থাকুন।
১০|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৪০
বারবোসা বলেছেন: সাসুম ভাই,
আপনি যেমন কলম নিয়ে এসেছেন,আমিও কলম নিয়ে এসেছি।
চোখের বদলা চোখ, রক্তের বদলা রক্ত;তবে যে মাফ করে দেয়,তার জন্য আল্লাহ ক্ষমাশীল।
আমি কুরানের এই নীতিতে বিশ্বাসী।আপনার কলমের জবাব কলম দিয়েই দিতে হবে।আপনি কোষমুক্ত তরবারি দেখালে তখন ভাবতে হবে অন্য কিছু।
আপনি ঠিক ধরেছেন,আমি তালগাছ আমার এটা বিশ্বাস করেই লেখি।যে বিশ্বাস করে না যে তালগাছ তার,সে শুধু চোখ মুখ বন্ধ করে গবেষণাই করতে থাকবে।তার পক্ষে যুক্তি দেয়া সম্ভব না,সম্ভব না কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার।সে থাকবে পেন্ডুলামের মতো দোলাচলে।
আপনি যেহেতু তর্ক করেন, যুক্তি প্রদান করেন,এর মানে আপনিও নিজের অজান্তে তালগাছ আপনার বলে বিশ্বাস করেন।
তালগাছ নিজের বলে বিশ্বাস করলে যে কথা বলা যাবে না সেটা আমি মনে করি না।আমরা আরেকজনকে বোঝাতে পারি যে,না ভাই তালগাছটা যে তুমি তোমার বলে মনে করছো,তা ঠিক নয়।
জি অবশ্যই আমার এজেন্ডা আছে।যে ব্যক্তি এজেন্ডা ছাড়া আছে সে বাউণ্ডুলে।আমার এজেন্ডা আমার প্রোফাইলে লেখা আছে,আপনার দেখার মর্জি হোক।
জি তর্কে জেতা আমারও উদ্দেশ্য নয়।আমি যেহেতু বিশ্বাস করি আমরা একি আদি পিতা থেকে এসেছি,তাই আমি আপনাকে আমার ভাই হিসেবেই মনে করি।সুতরাং,আপনাকে ছোট করা মানে আমার নিজেকেই ছোট করা।
আপনার মতো আমিও আনন্দের জন্যই লিখতে থাকবো ইনশাআল্লাহ
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:১০
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার একজন শুভাকাঙ্খি হিসাবে আপনার পোস্ট পুরা পড়ার আগেই একটা পরামর্শ না দিয়ে পাড়ছি না। সেটা হোল যে বিষয়ের উপর আপনি লিখেছেন তার উপর অনেক কঠিন কঠিন মন্তব্য আসবে। তাই আমি আপনাকে পরামর্শ দিব সবার আগে কানে তুলা দেন আর পিঠে কুলা বাঁধেন। কারণ আপনার পোস্টকে মৌচাকে ঢিল ছোড়ার সাথে তুলনা করা যায়।
পোস্ট পড়ার পর আরও বিস্তারিত মন্তব্য করবো ইনশাল্লাহ। তবে আপনি ভালো বিষয়ের উপর লিখেছেন। ভালো থাকবেন।