নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হিজিবিজি হিজিবিজি

স্বাধীন দেশের রোবটিক নাগরিক

এ অলিন্দ

স্বাধীন দেশের রোবটিক নাগরিক !!!

এ অলিন্দ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আলোয় আলোয় প্রতিবাদ, এ এক নতুন বাংলাদেশ-সাধারন জনগনের অনুভুতি

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৭

এক অভিনভ ও অভিন্ন উপায়ে প্রতিবাদ জানিয়ে এক ইতিহাসের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় দেশ ও বিদেশ জুড়ে বাংলাদেশী যে যেখানে ছিলেন সেখানেই জ্বালালেন মোমবাতি, ইহাই তো আলোর পরশমণি।



ভালবাসা দিবসকে সবাই উৎসর্গ করেছেন দেশপ্রেম আর বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে।

"তরুণ প্রজন্ম এবারের ভালোবাসার সবটাই ঢেলে দিয়েছেন জাতির জন্য, দেশের জন্য"



দেশের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তানদের হত্যাকারী রাজাকার, আলবদরদের ফাঁসির দাবিতে এ বহ্নিশিখার প্রজ্বালন করা হয়। নীরবতার শক্তির পর এবার বিশ্ব দেখেছে নতুন আলোর শক্তি। এ আলো নিভবে না। প্রজন্ম চত্বরের লাখো নবপ্রাণে জেগেছে আন্দোলনের নতুন স্পন্দন। দাবি একটাই, 'রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ চাই, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই।'



রাজাকার-আলবদররা এদেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে সেই জাতিকে আবার আলোকিত করলো তরুণ সমাজ। আগুনের শিখা আর নীরবতা যেন বাবরবার বলছে ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়/ রাজাকারদের ঠাঁই নাই।’ বাংলার চারপাশ জুড়ে জ্বলে ওঠা এই আগুন নেভার নয় । যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত এই আগুন জ্বলবেই ।



আমাদের দেশের সিংহভাগ মানুষ সহজ সরল এবং সাধারন মানুষ, যাদের চাহিদা খুব একটা বড় নয়। এই গনজাগরন সাধারন জনগনের অনুভুতি দিনদিন বিভিন্নভাবে প্রকাশ পাচ্ছে।



রিকশাচালক মিজান এর মন্তব্য: আমি চাই সরকার এদের ফাঁসি দেবে। রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীদের তো বাঁচার অধিকার নাই। এতোদিন যে তারা বাঁইচ্যা আছে এটাই তো বড় কথা। এখন আবার যাবজ্জীবন দিছে। এটা কোনো সাজা হইল। এখন তো কাদের মোল্লা আরামে থাকব আর খাইব। আবার বাইচ্যাও থাকল। মিজানের কথা শুনে অবাক হই। তিনি একের পর এক বলেই যাচ্ছেন। ভাই, যুদ্ধাপরাধীরা তো আমাদের দেশে শুধু মানুষ হত্যাই করেনি। আরও কত অপকর্ম করেছে। এরা যেভাবে মানুষকে হত্যা করেছে, একইভাবে এদেরকেও গুলি করে মারা উচিত।'ফাঁসি না দিলে তো তারা আবার মন্ত্রী হবে'



বীরাঙ্গনা রওশন আরা। তিনি যুদ্ধে আহতও হয়েছিলেন। গণজাগরণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বললেন, 'একাত্তরে রাজাকাররা আমার স্বামীকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। আমাকে ধরে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায়। আমি তার কোনো বিচার পাইনি। আমি অনেক জায়গায় এর বিচার চেয়েছিলাম। কেউ আমার কথা শোনেনি। তাই আজ এই গণজাগরণের প্রতিবাদী জনতার কাছে বিচার দিলাম।' তিনি বলেন, 'আমার দুই ছেলে আজ এতিম। আমার বোনের স্বামী ছিল রাজাকার। সে আমাকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল। রাজাকারের বিচার এই বাংলার মাটিতে হতে হবে। যে সব রাজাকার এখনও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে, তাদের গ্রেফতার করতে হবে। যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না, ওরা বাংলার শত্রু।'



বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্ত্রী মিলি রহমান : শাহবাগের মহাসমাবেশ বলে আমাদের তরুণ প্রজন্ম জেগে উঠেছে। আমাদেরকে আর কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। আজ মনে হয় সেই একাত্তর, যখন আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। আজ থেকে আমরা রাজাকারমুক্ত দেশ গঠন করবো, শিবিরমুক্ত স্বাধীন দেশ গড়বো।



জাতীয় জাদুঘরের সামনে গানের তালে তালে নাচছিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান। বললেন, ‘আমি বয়স্ক মানুষ। কিন্তু আশপাশে তরুণদের নৃত্য আর আবেগ দেখে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না।



বাবার ফাঁসির দাবি নিয়ে বৃহস্পতিবার শাহবাগে এসেছিলেন অ্যাডভোকেট নাজমা সুলতানা। শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের বাবা রাজাকার আনোয়ার মাঝিসহ সব রাজাকারের ফাঁসির দাবি তোলেন তিনি। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চেয়ে স্লোগানও ধরেন তিনি। নাজমা সুলতানা বলেন, নিজের বাবা হলেও এই রাজাকারকে বাবা মানতে খুব কষ্ট হয়। সব সময় মনে হয় তিনি আমার বাবা নন। কোনো বাবা তার মেয়েকে এত অত্যাচার, নির্যাতন করতে পারেন না।



শাহবাগের মূল জমায়েতের খানিকটা দূরে মা-বাবা আর খালাতো বোনের সঙ্গে বসে ছিল পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র তানজিল ভূঁইয়া। কখনো মাইকে ভেসে আসা স্লোগানের সঙ্গে তাল মেলাচ্ছিল আবার কখনো বা নিজেই স্লোগান ধরার চেষ্টা করছিল সে।

মা লতিফা আক্তার জানালেন, শাহবাগে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই তাঁর বাড়িতে মিছিল হয় নিয়মিত। টেলিভিশনে শাহবাগের আন্দোলন দেখে তানজিল স্লোগান শিখে নিয়েছে।

নতুন স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে

‘দড়ি ধরে দেব টান/ফাঁসি দিয়ে নেব জান,’

‘এমন রায় দিল কে/ কসাইটাকে ঝুলিয়ে দে’,

‘নিজামী-মুজাহিদ ভাই ভাই/এক রশিতে ফাঁসি চাই,

‘জামায়াত-শিবির রাজাকার/ রক্তচোষা জানোয়ার’,

‘আমরা আছি থাকব/সুখে-দুঃখে লড়ব’,

‘মেহেরুন্নেসা ক্ষমা চাই/ফাঁসির কোনো বিকল্প নাই’,

‘এমন রায়ে কাঁদছে চোখ/আমার না হয় ফাঁসি হোক’,

‘এসো ভাই এসো বোন/গড়ে তুলি আন্দোলন’।



রাজাকার ঝাঁটাপেটা করতে ৪০ ফুট ঝাড়ূ :রাজাকারদের ঝাঁটাপেটা করতে ৪০ ফুট লম্বা ঝাড়ূ স্থান পেয়েছে গণজাগরণ চত্বরে। চারুকলার সামনে বিশাল আকারের এ ঝাড়ুটি শোভা পাচ্ছে। রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে ঝাড়ূটি দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। বিশাল আকারের ঝাড়ূটি ল্যাম্পপোস্ট ছাড়িয়ে আকাশের দিকে উঁকি দিচ্ছে। ঝাড়ূর এক অংশে লেখা রয়েছে, 'মঙ্গল আনো দেশের-দশের, রাজাকারের গুষ্টি ধরে জোরে জোরে ঝাঁটা মারো।' রাজাকার পেটানোর জন্য বিশাল আকারের ঝাড়ূটিতে রয়েছে নানা নান্দনিকতাও। এরই মধ্যে আন্দোলনকারীদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে ঝাড়ূটি। সবাই বলছেন, প্রতিবাদের এ ভিন্নতা গণজাগরণকে আরও প্রাণসঞ্চার করবে।



আজ এই গনজাগরন দেখে একটি ছোট্ট কথা মনে পড়লো: কয়েকমাস পূর্বে অনলাইনে বাংলা ব্লগ সন্বন্ধে গুগলে সার্স করে আড্ডাব্লগ নামে ব্লগের সন্ধান পাই, ব্লগের স্লোগান ছিল প্রযুক্তিই হউক দিন বদলের হাতিয়ার। বাস্তবিকভাবেই বর্তমান গনজাগরনের মূল চালিকা শক্তি ও হাতিয়ার প্রযুক্তি। তাই প্রযুক্তিই বদলে দিল সমগ্রজাতীর চাওয়া পাওয়ার হিসেব নিকেশ। শুরু হল নতুন প্রজন্মের নতুন যুদ্ব "শাহবাগে সাইবার যুদ্ধ "



আমি স্যালুট জানাই প্রত্যেক সাইবার সৈনিকদের, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দিনের পর দিন সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এই জন বিপ্লব।



সর্বজন নিন্দিত রাজাকারের রাজা গু আজম এর বক্তব্য - পাকিস্তান আর্মির খেদমত করেছি, এছাড়া কোন অপরাধ করিনি ! ! !

গুতামারেন ভিডিও লিংক: Click This Link





বর্তমানে স্লোগানে মুখরিত শাহবাগ চত্বর:

বীর বাঙালির হাতিয়ার-গর্জে উঠুক আরেকবার,

রাজাকারের আস্তানা-জামায়াতের আস্তানা ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও,

জ্বালো-জ্বালো আগুন জ্বালো,

নিজামী কাদের মোল্লা তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।

'তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা',

'একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার',

'সাম্প্রদায়িকতার আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও',

'পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা, পাকিস্তানেই ফিরে যা',

'বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াত-শিবিরের ঠাঁই নাই',

'আর কোনো দাবি নাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই',

'জামায়াতে ইসলাম, মেড ইন পাকিস্তান', 'জয় বাংলা'



জয় হইক আপামর সাধারন জনতার।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩১

খুব সাধারন একজন বলেছেন: জয় হোক জনতার।
জয় হোক বাংলার।


সময় যত গড়ায় প্রোপাগান্ডা ততই সূক্ষ্ণ হয়।

পোস্টদাতার উদ্দেশে বলছি না, সার্বজনীন কথা,

*যারা প্রথমদিন লিখেছিল রাজাকারের মুক্তি চাই/জয় রাজাকার/আমি রাজাকার/জামাত জিন্দাবাদ/কাদের মোল্লার জয় ইত্যাদি,
*তারাই দ্বিতীয়দিন লিখেছিল আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনে নামা বাংলাদেশের সব স্তরের মানুষেরা বেশ্যা, আমরা গাঞ্জুট্টি, নাস্তিক, রেপিস্ট, ভাড়াটে, জুসের বোতল লোভী,
*তৃতীয় দিন লিখেছিল, তারাও বিচার চায়, কিন্তু...
*তারাই চর্তুথ দিন লিখেছিল আমরা ফ্যাসিস্ট,
*পঞ্চমদিন লিখেছিল আমরা আর কয়দিন থাকব- একদিন রাজপথ ছেড়ে দিতে হবে,
*এরপর লিখেছিল আমরা কোটাবাজ (মুক্তিযুদ্ধার সন্তানের কোটা!), সাগর রুনী হত্যা, পদ্মা সেতু, কুইক রেন্টাল,
*সপ্তম দিন আর আমাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে না, আওমী দলে থাকা রাজাকার ও ছাত্রলীগের বদনাম,
*এরপর দাড়ি টুপি ও মসজিদের অপমান ও আলেম সমাজ (আসলে শিবির)এর মিছিলে হামলা, সেন্টিমেন্ট নিয়ে টানাটানি, অথচ লক্ষ লক্ষ প্র্যাকটিসিং মুসলিম এই বাংলাদেশের আন্দোলনে জড়িত।
*নবম দিনে বলে, এই আন্দোলন ব্যর্থ হয়ে যাবে, লীগও এই আন্দোলন চায় না, আওয়ামীলীগ করলেই কি যুদ্ধাপরাধ থেকে মুক্তি?
*দশম দিনে হুমকি দেয়, শাহবাগ আন্দোলন সফল তো হবেই না, বরং প্রশাসন ও অন্যান্য জায়গায় এটা হবে, সেটা হবে, শিবির সব মেরে ফেলবে (আন্দোলন শুরুর আগেরদিন যা বলেছিল, সে কথাতে ফিরে গেছে, 'গৃহযুদ্ধ' হুমকি দিলে ফ্যাসিস্ট হয় না, যারা গৃহযুদ্ধ রুখতে চায় তারা ফ্যাসিস্ট!)

আর আজকে একাদশ দিনে তারাই বলছে,

আর শাহবাগ যামু না। শাহবাগ বদলায়া গেছে।

আর তখন মধ্যম মানের শিল্পকর্ম ১০/২০/৩০ খান ফেববু শেয়ার পায়। অথচ বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার বিপ্লব এ অংশ নেয়া সব স্তরের বাংলাদেশের নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করা চমৎকার পোস্টগুলো একটাও প্লাস পায় না, একটাও প্রিয়তে পায় না, একটাও ফেসবুক শেয়ার বা মন্তব্য পায় না।


আর দলে দলে সেখানে সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছে 'বাংলার' 'সাধারণ' জনতা যারা শাবাগ যেতে যেতে ক্লান্ত। ভোটের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

বাহ,
আমরা আমাদের র্ধৈয্য দেখে অবাক হচ্ছি।
আমরা এতই বদলে গেছি যে ফুল দিয়ে যুদ্ধ করতে চাই, ফুল বাঁচাতে নয়।

----------------------------
হায়রে, পরিস্থিতি ও প্রচারণা দেখে মনে হয় জামাত শিবিরও কি এইরকম মনে করে?

* ইয়াহিয়া খান- তিরিশ লাখ মারব, বাকিরা আমাদের হাতেই খাবে।
*নিয়াজী- নিচু দেশের নিচু মানুষ। এগুলো মানুষ না,বানর আর মুরগি।
*পাক আর্মির ক্যাপ্টেন- আমরা যাকে খুশি যে কোন কারণে মারতে পারি। এজন্য কাউকে গোণায় ধরি না।
*ভুট্টো, ১৯৭২- আমার সোনার বাংলা আবার আমার হবে।

-------------------------------
কারণ বাংলাদেশের জন্ম যারা চায়নি এবং সেইসব অপরাধীকে যারা টিকাতে চায় তারা একই কথা বলে-

১৯৭১ সালে জামাত ছিল না। গঠন হইসে আশি সালের পর।
২. শিবির বা কোন ছাত্র সঙ্গঠন একাত্তর সালে ছিল না।
৩. একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধা নামে বহুত ডাকাত আর রেপিস্ট ছিল। তারা অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াত। লুট করত আর ক্যাম্প করে মেয়ে মানুষ নাচাত।
৪. শিবির জামাতের পক্ষের সঙ্গঠন নয়।
৫. ছাত্রীসংস্থার সাথে জামাতের কোন সম্পর্ক নেই-
৬. এজিদ একজন ন্যায়বিচারক শাসক। তিনি এই দেশে আসলে আমরা সবাই তার হাতে বায়াত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দিতাম।
৭. শহীদ বুদ্ধিজীবীর যে ছবি দেয়া হয়। চোখ বাধা ইটপাটকেলের ভিতর পড়ে থাকা অর্ধনগ্ন লাশ, সেগুলো আসলে একাত্তর সালে গণহত্যার শিকার জামাতে ইসলামীর সদস্য।
৮. শিবির, 'একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার'
৯. স্বাধীনতা এনেছি, স্বাধীনতা রক্ষা করব। -মুজাহিদ।
১০. মুজিব ক্ষমা করেছেন। সবাইকে সাধারণ ক্ষমা করেছে। (মিথ্যা কথা এটাও)
১১. বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নাই।
১২. আমি ক্ষমতায় আসলে কুরআনের আইনে তাদের শাসন করব। তাদের হাত সাক্ষ্য দিবে। পা সাক্ষ্য দিবে। -কা. মো.
১৩. বাঙালি বলতে কোন জাতি নেই।-গোলাম আজম।
১৪. এই যুদ্ধে পরাজয় হলে পূর্ব পাকিস্তানের একজন জামায়াত সমর্থকেরও আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।- গোলাম আজম।

----------------

একাত্তরে কোন ব্যক্তি রাজাকারি করুক আর না করুক, জামাতি সঙ্গঠন সাঙ্গঠনিকভাবেই রাজাকারি করেছে।
এটা ছিল তাদের প্রতিষ্ঠাতা আবুল মিয়ার নির্দেশ। আবুল জামাতি (জামাতিদের পিতা) একাত্তরেও মিডিয়াতে রাজাকারির নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান থেকে-

*সেই নির্দেশ গোআ, ম.র.নিজামী, আআ মুজাহিদ, ওরা পালন করেছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ সারা বাংলার রেজাকার, আল বদর, আল শামস, শান্তি কমিটি পালন করেছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ বর্তমান জামাত পালন করছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ পালনের জন্যই আজো শিবির বলে, 'একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেক বার।'
*সেই নির্দেশ পালন করেই জামাতিরা সব সত্যিকে অস্বীকার করে। একাত্তরকে অস্বীকার করে।
*সেই নির্দেশ পালন করেই এখন প্রোপাগান্ডা চালায়।
*সেই নির্দেশ পালন করেই বাংলাদেশের মানুষকে শত্রু বানিয়ে গৃহযুদ্ধ ঘোষণা করে।

তাই আজকের দিনের জামাত-শিবির সমর্থকদের মধ্যে,
গোলাম আজমের,
বর্তমানের শিবিরের এবং
রাজাকারদের মধ্যে কোন তফাত নেই

জামাতের গোড়ায় দোষ,
জামাতের নীতিতে দোষ,
তাই ব্যক্তি পর্যায়ে জামাত নিষিদ্ধ করতে হবে। যারা জামাতের সাথে যুক্ত তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি হুমকি বিধায় স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজনে ব্যক্তিগত পর্যায়ে জামাত ও তার সমস্ত নীতিগত সমর্থক ও তাদের সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিকতা নিষিদ্ধ করতে হবে।

এই কর্মীদের লিস্ট জামাতের কাছেই রয়েছে। যারা দেখেশুনে এবং বুঝেও এমন অপপ্রচার ও অপশক্তির সমর্থন করতে পারে তাদের নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব নয়।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৮

এ অলিন্দ বলেছেন: এ অলিন্দ বলেছেন: সময় যত গড়ায় প্রোপাগান্ডা ততই সূক্ষ্ণ হয়। প্রোপাগান্ডা যতই সূক্ষ্ণ হউক না কেন আমাদের তরুন প্রজন্মের সেই শক্তি আছে তা মোকাবেলা করার এবং বিজয় অর্জন করার। এই যুদ্ব সাধারন মানুষের যুদ্ব। এই যুদ্বে জয়ী হবে সাধারন মানুষ। জয় হবে জনতার।
জয় হবে বাংলার।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.