নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হিজিবিজি হিজিবিজি

স্বাধীন দেশের রোবটিক নাগরিক

এ অলিন্দ

স্বাধীন দেশের রোবটিক নাগরিক !!!

এ অলিন্দ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামায়াত-শিবির এক সর্বনাশা নীলনকশা- এই নীল নক্সাতো মনে হয় নকল করা ১৯৭১ থেকে

০৫ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৯

এই নীল নক্সাতো মনে হয় কপি করা '৭১ থেকে: হিংস্র হায়েনার দল কিভাবে এই বাংলার রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনীতি যেভাবে ধংস করা হয়েছিল এর দ্বিতীয় সংস্করন যা ২০১৩ সালে এসে আমাদের দেখতে হচ্ছে।

আমরা সাধারন মানুষ এখন কোথায় যাব? কে দেবে আমাদের নিরাপত্তা.. ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করছে আমাদের কপালে।



বিভিন্ন সংবাদপত্রের সংবাদ গুলোর সারাংসটা দেখুন:

জামায়াত-শিবির এক সর্বনাশা নীলনকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে। সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত তাদের তাণ্ডবলীলা চলতে থাকবে। তাদের বিশ্বাস, স্বাভাবিক রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় তাদের দাবি আদায় সম্ভব নয় বলে মরলে 'শেষ কামড়টা' দিয়েই মরতে চায় তারা।



একাধিক জামায়াত নেতার সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, দেশব্যাপী নির্বিচারে সহিংসতা চালানোর মূল লক্ষ্য হলো তারা বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ চায়। এখন তাদের বদ্ধমূল ধারণা, বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার থেকে পিছপা হবে না। জামায়াতকেও নিষিদ্ধ করবে। ফলে অস্তিত্ব রক্ষায় যা যা করণীয়, তা-ই করবে তারা। তাদের আশু লক্ষ্য, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা চালানো। তাদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করা। আরেকটি লক্ষ্য হলো, রাজধানী ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া। চট্টগ্রাম বন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বড় বড় স্থাপনায় গুপ্ত হামলা করা। এসব করতে পারলে সহজে বিশ্বের নজরে আসা যাবে। এতে সরকারও বেশি চাপে পড়বে বলে মনে করছেন তারা। এ রকম সহিংস হামলার মাধ্যমেই জামায়াত তার দাবি আদায় করতে চায়। বর্তমানে তাদের মূল দাবি দুটি_ যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করা ও সরকারের বিদায়।



সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সহিংস আন্দোলনের কৌশল হিসেবে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত। প্রাথমিকভাবে জামায়াতের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে এমন জেলাগুলোকে রাজধানী থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও স্থলবন্দরগুলো অচল করে আমদানি-রফতানি বন্ধ করা। এ লক্ষ্যগুলো নিয়ে এগোচ্ছে জামায়াত-শিবির। একাধিক দলীয় নেতাকর্মী অনানুষ্ঠানিকভাবে সমকালের কাছে এসব পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন।

চলমান সহিংসতায় নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও ভোটব্যাংক এলাকাগুলোকেই কাজে লাগাচ্ছে জামায়াত। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নানা কৌশলে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকেও সহিংসতায় নামিয়েছে দলটি। রাজধানী থেকে এসব জেলা ও এলাকা বিচ্ছিন্ন করতে তৎপরতা চালাচ্ছে তারা।



এর জন্য পরিকল্পিতভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর হামলা করা হচ্ছে। জামায়াতের লক্ষ্যই কী করে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করা যায়। রেলপথ উপড়ে ফেলা ও সড়কপথ অবরোধ করা হচ্ছে। জামায়াত-শিবিরের নিয়ন্ত্রিত ওয়েবসাইটগুলো থেকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কী করে সহজ উপায় ও স্বল্পসময়ে রেললাইন উপড়ে ফেলা যায়। গাছ ফেলে ও গর্ত খুঁড়ে মহাসড়ক যান চলাচল অযোগ্য করা যায়, তার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে মহাসড়কের গাছগুলো কেটে সড়কে ফেলা রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে শিবির নিয়ন্ত্রিত ফেসবুক পেজ 'বাঁশের কেল্লা' থেকে।



জামায়াতের লক্ষ্যই কী করে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করা যায়। রেলপথ উপড়ে ফেলা ও সড়কপথ অবরোধ করা হচ্ছে। জামায়াত-শিবিরের নিয়ন্ত্রিত ওয়েবসাইটগুলো থেকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কী করে সহজ উপায় ও স্বল্পসময়ে রেললাইন উপড়ে ফেলা যায়। গাছ ফেলে ও গর্ত খুঁড়ে মহাসড়ক যান চলাচল অযোগ্য করা যায়, তার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে মহাসড়কের গাছগুলো কেটে সড়কে ফেলা রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে শিবির নিয়ন্ত্রিত ফেসবুক পেজ 'বাঁশের কেল্লা' থেকে।

জামায়াত সূত্রে জানা যায়, আমদানি-রফতানির কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। নৌবাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ও আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এলাকা হওয়ার কারণে সেটি সহজ হচ্ছে না। তাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ করার চেষ্টা করছে জামায়াত। তবে সময়-সুযোগ হলে গুপ্ত হামলা চালিয়ে বন্দরও অচল তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। মহাসড়ক বন্ধ হলে বন্দর অচল হবে। এতে আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে যাবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.