| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কােলা তেলায়ার
আমি একজন অশান্ত মানুষ, আমি মনে করি মানুষ হবে গতিশীল , আমি চলছি সারা ধরনী জুড়ে।এবং চলতে থাকব বিরামহীন ভাবে।https://www.facebook.com/aditya.jabali
অদ্ভুত এক দেশে পরিনত হচ্ছে বাংলাদেশ। একের পর এক অসাবধানতা জনিত দুর্ঘটনায় নরকে পরিণত হচ্ছে । এমন এক টা অবস্থা যেন কিছু দিন পর পর জীবন দিয়ে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করছি আমরা।
রানা প্লাজার এই ধ্বস আমাদের অনেক কিছু চিনে নিতে সাহায্য করছে। কয়েকটা বিষয় তুলে ধরি সংক্ষেপে।
১। দূর্ঘটনার আগের দিন ,ভবন ইন্সপেকশন হয়েছিল, কারন একটা ফাটল দেখা দিয়েছিল। থানা নির্বাহী কর্মকর্তা অকে বলে চলে গিয়েছে( অবশ্যই টাকার খেলা এখানে ছিল)। মিডিয়াতে প্রচার হয়ার পরও গার্মেন্টস খোলা রাখা হয়েছিল , এবং ফাটল কে আস্তরন (প্লাস্টার) খোসে পড়ে ছে বলে মাতলামি করে মালিক সোহেল রানা।
২। স্বরাস্ট্রমন্ত্রি রাবিশ বক্তব্য দিলে্ন যে হরতাল কারী রা নাড়াচাড়া দিয়ে বিল্ডিং ফালায় দিছে। উনার বয়স হছে ৭২ বছর , প্রোলাপ বকাটাই স্বাভাবিক কিন্তু, এমন লোক কে দায়িত্ব দেয়া হয় কেন যার কথা বলার মতন দায়িত্ব জ্ঞান নাই।
৩। হেফাযতে ইসলামের মহাসচিব প্রচার করতে থা্কলেন যে, এটা শফী হুযুরের বদদোয়ায় হইছে, তিনি আল্লাহ কাছে জালালী খতম করাইছেন আর বদদোয়া দিছেন। কিন্তু, বিল্ডিং ভাঙ্গার কথা শেখ হাসিনার মাথায় , ২০০০ জন গরীব সাধারন মানুষের মাথায় কেন ভাংলো? দোয়া কি ডাইভার্ট হয়ে সাভার চলে গেছে ,ঢাকার বদলে?
৪। এমতবস্থায় উদ্ধার কাজ হরতাল দিয়ে ব্যাহত করে হরতাল শেষের ঘন্ট ২ আগে বিএনপি হরতাল প্রত্যাখান করে মজাক করলো,
৫। প্রধানমন্ত্রি তার সোনার ছেলেদের বাচানোর জন্য বলেন, লিস্টি নিয়া এসেছি সে আমাদের কেউ না। সোহেল রানা যুবলীগ থেকে লাওয়ারিশ হয়ে গেল।
৬। যেখানে সরকারের থাকার কথা সকল ক্ষেত্রে দূর্যোগ মোকাবেলার কাজে সেখানে সাধারন মানুষের বিপুল অংশগ্রহন প্রমান করলো যে সরকারের দেউলিয়াত্ব।
৭। ত্রান ও দূর্যোগ প্রতিমন্ত্রি এখন নিজের দেশের বাড়িতে জন্সভার নামে পার্টি করছেন, গরূ মহিষ জবাই করে গন সংযোগ করছেন, নির্বাচন সন্নিকটে তাই, কি্তু, ফোন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন তার নাকি এই কাজ বেশি জরুরি।
এই যদি হয় দেশের মানুষের অবস্থা। তাহলে জাতি কই যাবে?
আমরা কিন্তু , তার জবাব দিয়ে দিয়েছি, সরকারের জন্য আমরা বসে নাই, মানুষ মরলে বিপদে পরলে আমরা এগিয়ে আসতে জানি। মানূষের উদ্ধার কার্যে অংশগ্রহন , দরকারি জিনিস পাঠানো আর রক্তদান প্রমান করে আমরা এখনো ওদের মত নষ্ট হয়ে যাইনি। ওদের আর আমাদের দরকার নেই।
©somewhere in net ltd.