| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কান্টি টুটুল
সমাজে চরিত্রহীন লম্পট সবসময় ছিল আছে হয়ত ভবিষ্যতেও থাকবে,যেটা প্রয়োজন তা হল এদেরকে সভ্য সমাজ থেকে দূরে রাখা
সরকার ‘নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩’-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে।
কিন্তু এই খসড়া আইনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি পাশকাটিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইস্যুটি হল ....
মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া খাদ্য সামগ্রীর শেষ গন্তব্যস্থল কি হবে?
দেশের জনগনকে কিভাবে ঐ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া খাদ্য সামগ্রী থেকে দূরে রাখা হবে সে সম্পর্কে কোন দিক নির্দেশনা নাই।
এখানে উল্লেখ্য শিশুখাদ্য সহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্য সামগ্রী মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কয়েকদিন আগেই কোম্পানীর লোক এসে বাজার থেকে তুলে নিয়ে যায়।
মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া / হতে যাওয়া এসব খাদ্য সামগ্রী যাতে কোনভাবেই নতুন মোড়কে নতুন মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখসহ জনগনের হাতে না পৌছায় সেজন্য এসব খাদ্য সামগ্রী বাজার থেকে তুলে নেয়া নিষিদ্ধ ঘোষনা করার পাশাপাশি ধ্বংস করে ফেলার ব্যবস্থা করা হোক।
অন্যথায় মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া এসব খাদ্য সামগ্রী নতুন মোড়কে নতুন মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখসহ ক্রেতার হাতে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত পৌছাতেই থাকবে।
কৃতজ্ঞতা: প্রথম আলো
০২ রা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:২৫
কান্টি টুটুল বলেছেন: আইনগুলো এমনভাবে সাজানো হয় যাতে করে কোম্পানী মালিকেরা এসবের ফাকফোঁকর দিয়ে তাদের অসাধু ব্যবসায়ীক কাজকারবার চালিয়ে যেতে পারে।
অথচ প্রতিবছর তারা যে পরিমান মুনাফা করে তার একটা অংশ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে গরীবদের দেয়া উচিত,আর মেয়াদোত্তীর্ণ হবার কয়েকদিন ঐ খাদ্য সামগ্রী গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দিলে এর একটা সুন্দর সমাধান হয়ে যায়।
ধন্যবাদ সোহানী
২|
০২ রা জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:২৩
ঢাকাবাসী বলেছেন: এসব আইন করাই হয় সরকারের কিছু লোকের ঘুষ খাওয়ার পরিমান বাড়াতে। ঘুষ বেড়ে গেল মানে ঐ জিনিসের দাম বেড়ে গেল। ক্ষতি হয় পাবলিকের! তাতে সরকারের কি? 'এটা আবার টাকা নাকি' বলবে!
০২ রা জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৬
কান্টি টুটুল বলেছেন: ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই দেশটা এখন কিছু লোকের টাকা কামানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে যাদের ধান্ধাবাজির শিকার দেশের সিংহভাগ খেটে খাওয়া গরীব মানুষ।
ধন্যবাদ ঢাকাবাসী
৩|
০২ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:২৪
রোজেল০০৭ বলেছেন: যা কিছুই হোক আমি এই আইন কে স্বাগত জানাচ্ছি।
শুধু চাইব যারা এই আইন প্রয়োগ করবেন, তারা যেন সততার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করেন।
আপনার ১ম কমেন্টের উত্তরের আইডিয়া টা ও ভালো।
ভালো থাকুন।
০২ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:২৪
কান্টি টুটুল বলেছেন: আমাদের অনেক সুন্দর সুন্দর আইন আছে কিন্তু সমস্যা হল এসবের সঠিক প্রয়োগের জন্য আন্তরিকতার অভাব।
আইডিয়া সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ রোজেল ভাই।
৪|
০৩ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ১:০৭
রক্তভীতু ভ্যাম্পায়ার বলেছেন: ঢাকাবাসী বলেছেন: এসব আইন করাই হয় সরকারের কিছু লোকের ঘুষ খাওয়ার পরিমান বাড়াতে। ঘুষ বেড়ে গেল মানে ঐ জিনিসের দাম বেড়ে গেল। ক্ষতি হয় পাবলিকের! তাতে সরকারের কি? 'এটা আবার টাকা নাকি' বলবে!
৫|
০৩ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ১:৩৬
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মেয়াদউত্তির্ন গুড়ো দুধ চিনি মিশিয়ে কন্ডেন্সমিল্ক বানানো হচ্ছে, এটা ওপেন সিক্রেট।
০৩ রা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:০৫
কান্টি টুটুল বলেছেন: ফেন্সিডিলের স্বর্ণযুগে ভাবতাম পাড়ার নষ্ট আর বস্তির পোলাপাইন এইসব খায় খাক , ভাল ছেলেরা এইসবে না গেলেই হয়, চিন্তার কোন কারণ নাই।
কিন্তু এখন ভাল হইলেও তো রক্ষা পাওয়া যাইতেছে না। ফরমালিন এখন মাছ থেকে ফল ফলাদি এমনকি শাকসবজিতে পর্যন্ত দেয়া হইতেছে। পুরা জেনারেশন কিডনী হারাইতে বসতেছে আর সরকার আইন বানাইতেছে। ফরমালিন যাতে দেশে না ঢুকে সেইটা নিয়া কিছু করতেছে না
৬|
০৩ রা জুলাই, ২০১৩ সকাল ৮:৫৪
সাংবাদিক মানেই সাংঘাতিক বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মেয়াদউত্তির্ন গুড়ো দুধ চিনি মিশিয়ে কন্ডেন্সমিল্ক বানানো হচ্ছে, এটা ওপেন সিক্রেট।
৭|
০৩ রা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮
~মাইনাচ~ বলেছেন: কোন কোম্পানীর কোন জিনিসই ফেলে দেয়া হয়না, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরে সেটাকেই আবার রিপ্যাকেটিংক করা হয়।
বিস্কিট, পাওরুটি যদি আবার রিমেকিং করা হয় নতুন গুলোর সাথে মিশিয়ে তাহলে চিন্তা করেন অবস্থা।
০৩ রা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৩৫
কান্টি টুটুল বলেছেন: ঐ হোটেলের নানারকম ফ্রাই তে ব্যবহার হওয়া তেলের মতন কি- যা কখনই ফেলে দেয়া হয়না।
৮|
১৬ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:১০
শায়মা বলেছেন: মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার নতুন মেয়াদে লেখা দেখে খেতে খেতে আমরা অভ্যস্থ হয়ে গেছি তো ভাইয়া।
চোখের শান্তি মনের শান্তি বলে একটা কথা আছে না???
কাজেই .......![]()
৯|
২১ শে নভেম্বর, ২০১৩ ভোর ৪:০১
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: অধিক নিরাপদ
১০|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:২৬
ইখতামিন বলেছেন:
পহেলা জানুয়ারির পোস্ট রেডি করেছেন.....? ![]()
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৮
কান্টি টুটুল বলেছেন: নারে ভাই এখন লিখতে কেমন জানি সংকোচ বোধ হয়, হয়ত এক ধরণের জড়তা।
১১|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৬:৫০
উদাস কিশোর বলেছেন: ঢাকাবাসী বলেছেন: এসব আইন করাই হয় সরকারের কিছু লোকের ঘুষ খাওয়ার পরিমান বাড়াতে। ঘুষ বেড়ে গেল মানে ঐ জিনিসের দাম বেড়ে গেল। ক্ষতি হয় পাবলিকের! তাতে সরকারের কি?
সহমত
১২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৩৫
শায়মা বলেছেন: ![]()
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৩০
কান্টি টুটুল বলেছেন: আরে আপনি যে ....কেমন আছেন?
১৩|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ২:৩৩
খেলাঘর বলেছেন:
সার কারখানা বা শুকরের ফার্মে যাবে।
১৪|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:২০
প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:৪১
কান্টি টুটুল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
১৫|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৬
শায়মা বলেছেন: তুমি আর পোস্ট লেখোনা ভাইয়া?
১১ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:৩৬
কান্টি টুটুল বলেছেন: ব্লগে কাটানো প্রায় তিন বছর দারুণ একটা সময় গেছে আমার! ওই সময়েই অনলাইনে প্রকাশিত বিভিন্ন নিবন্ধে (প্রধাণত "বিডিনিউজ২৪" ) মন্তব্য করার একটা ঝোঁক পেয়ে বসে। একাধিক আইডি নিয়েও পরীক্ষা চালিয়েছি!
এভাবেই দূরত্বটা বেড়েছে। জাফর ইকবাল সাহেবের এই লেখায় বেশ কিছু মন্তব্য আছে আমার.....
এখন ব্লগে আসলে নিজেকে বহিরাগত মনে হয়। সামহোয়্যারইন ছাড়া অন্য কোথাও কি লিখেন আপনি?
১৬|
১১ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:৫৫
নতুন বলেছেন: আমি আমার টিমের সবাইকে একটা জিনিসই বলি...
"" তুমি নিজে যা খেতে পারবেনা বা তোমার পরিবারের জন্য যা খেতে দেবেনা... সেই রকমের কিছু তুমি গেস্টদের জন্য পরিবেশন করবেনা..""
সমাজের মানুষের সচেতনতা না বাড়লে এই সমস্যা থেকেই যাবে....
সরকারের আইনেরও দরকার আছে... সাথে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিতের জন্য খেয়াল রাখতে হবে...
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৫৬
সোহানী বলেছেন: মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য কখনও কি শুনেছেন কোন কোম্পানী ধ্বংস করেছে !!!! সেগুলোতো আমার আপনার পেটে যায় সবসময়। এটা যদি খাদ্য আইনে ঢুকে তাইলে কোটি টাকার লস কে গুনবে????