| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাজী ফাতেমা ছবি
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যতীত যে কোন কবিতা, গল্প, ছড়া, ছবি পোস্ট করা হতে বিরত থাকবেন।

তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।
স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি কঠিন নির্দ্বিধায়;
স্বার্থের বাগানে মোহ ফুল ফুটাই রোজ,
মনের ভালোকে নিমেষেই জানাই বিদায়।
ঈর্ষাতে পুড়ি দিনরাত;
অন্যের সুখে মন কাঁদে আমার রব;
মনে কেন বসে না গো
মানবিক আর উদারতার উৎসব।
মুখে বলি ভালো তো, আমি খুশি,
মন কামড়ে ধরে শয়তান;
বুকের ভিতরে মুর্হুমুহু বাজে
স্বার্থের কলতান।
আমায় শুদ্ধ মানুষ দাও বানিয়ে আল্লাহ
মনটা করে দাও স্বচ্ছ
একটুখানি কষ্টে কেন হরদম
কেঁদে কেটে নাচাই পুচ্ছ।
হিংসা - অহম মন হতে কর দূর
গীবত দূর করো ঠোঁট হতে রব;
এবেলা তোমারে করি স্মরণ;
প্রার্থনায় ডাকি নীরব।
©কাজী ফাতেমা ছবি
২|
২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
আমির মাঝে তুমি ছিলে,
আমিই কেবল আড়াল দিলে।
স্বার্থ-সুখের এই কলরবে,
হারাই তোমায় ক্ষণে ক্ষণে প্রভু সবে।
চূর্ণ করো মনের অহংকার,
খোলো প্রভু প্রেমের ওই দ্বার।
বিন্দু যেমন সিন্ধুতে হারায়,
আমারে বিলীন করো তোমার মায়ায়।
৩|
২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪০
আলামিন১০৪ বলেছেন: হিংসা-ঈর্ষা খারাপ জিনিস। শুধু কারো ভালো কাজ (যেমন দান) বা আমলের ব্যাপারে বোধ ঈর্ষা করার অনুমতি আছে।
হিংসা দূর করার উপায় হলো০ মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করা এবং পারলে মৃত্যুপথযাত্রী লোকজনের সাখে বেশি বেশি দেখা করা
মানুষের অবৈধ ধন-সম্পদের অর্জন আমার মনকে মাঝে মধ্যে বিক্ষিপ্ত করে দেয়্- শয়তান কুমন্ত্রনা দেয়
এ থেকে বাঁচতে আমি বড় বড় সরকারি হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি- ঠুনকো জীবনের ক্ষনস্থায়ীত্ব কাছ থেকে দেখার জন্য-
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: হিংসা দূর করার জন্য কষ্ট সাধনা করা দরকার।সুন্দর কবিতা লিখেছেন আপু
।
আমার মতে হিংসা দূর করার কিছু টিপস।তবে কতটুকু কার্যকর হবে তা অজানা—
১।আখিরাতের দিকে তাকানো।এবং এটা ভাবা যে আখিরাতের নেয়ামতই প্রকৃত নেয়ামত।যে ব্যাক্তি আখিরাতে অনেক নেয়ামত পেয়েছে, ক্ষমা পেয়েছে,জান্নাত পেয়েছে, তার প্রতিই হিংসা করা উচিত।
২।না চাওয়া সত্তেও আল্লাহ যেই নেয়ামতসমূহ দিয়েছেন,সেই নেয়ামতসমূহের চিন্তায় বিভোর হয়ে যাওয়া।
৩।আমাকে কম নেয়ামত দিয়ে আল্লাহ আমার উপর দয়া করেছেন,এই চিন্তা করা।হয়ত এই কম নেয়ামতের মধ্যেই আল্লাহ তায়ালা এমন বরকত দিবেন যা বেশি নেয়ামত ওয়ালারা পাবেনা।
৪।আল্লাহ তো আমাকে তার ইবাদত করার তৌফিক দিতেছেন,অথচ অনেক নেয়ামতধারীরা সেই তৌফিক পাচ্ছেনা।ইবাদতের মূল্য দুনিয়ার কোনোকিছু দিয়ে মাঁপা যায়না।আমি ইবাদতের মাধ্যমে ওদের থেকে অগ্রগামী হয়ে যেতে পারি।ওরা আমার ইবাদতের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পদ দেখে কেয়ামতের দিন হিংসা করবে।