| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দানবিক রাক্ষস
অন্ধদের রাজ্যতে এক চোখা মানুষটি রাজা এবং আমি সেই রাজা। না ঈশ্বর, না পিশাচ—আমি তৃতীয় বিশ্বাস।
প্রিয়,
আমাকে বলো না কী করতে হবে—
আমার পথ আমি নিজেই চিনি।
এই পৃথিবীর উপদেশের বাজারে
সবার মুখে জ্ঞান,
কিন্তু কেউ জানে না
কোনটি সত্য, কোনটি সঠিক ।
তুমি যদি নিয়মের শিকল পরাও,
তবে জেনে রেখো— আমি তা ভেঙে ফেলব।
কারণ আমার সংবিধানে
কোনো পরাধীনতা নেই।
আমি নিজেকে চিনি
অন্য সবার চেয়ে বেশি।
আমার ভেতরে যে ঝড় বয়ে যায়
তার বিচার করার অধিকার
কারও নেই।
সময়ের দাঁত
আমার জীবনকে বহুবার কেটেছে,
বছরের পর বছর
আমাকে অন্য রকম করেছে।
তবু আয়নায় দাঁড়ালে
আমি এখনো সেই মানুষ—
যে কখনো মাথা নত করেনি।
তোমার বিশ্বাস,
তুমি ভবিষ্যৎ বোঝ—
কিন্তু ভবিষ্যৎ
একটি অন্ধকার নদী,
যেখানে স্বপ্নগুলো
পাথরের মতো ডুবে থাকে।
আমি জানি
কারা আমার বন্ধু।
বাকিরা চাইলে
নীরব পাথর হয়ে থাকুক।
স্মৃতিগুলো—
ওগুলো কারও সাথে ভাগ হয় না।
ধুলো আর হাড় হয়ে যাওয়ার দিন পর্যন্ত
ওগুলো কেবল নিজেরই থাকে।
আমার জীবনে
ভালোবাসা অনেকবার হারিয়ে গেছে—
যুদ্ধের পরে যেমন
মাঠে পড়ে থাকে ভাঙা তলোয়ার।
কিন্তু একটি জিনিস
কখনো হারায় না—
মাথার ভেতরে
এক্সট্রিম হেভি মেটাল গান,
অদৃশ্য আগুনের মতো।
যখন পৃথিবী ভেঙে পড়ে
আর সবাই দূরে সরে যায়,
তখন সেই গানই বলে—
“তুমি কে, তা ভুলে যেও না।”
কারণ শেষ পর্যন্ত
সব মিথ্যা ভেঙে যাবে,
সব নিয়ম ধুলো হবে—
কিন্তু
আমি যে দানবিক রাক্ষস,
সেটা বদলাবে না, অমর অবিনশ্বর আগুনের মতো
শেষ পর্যন্ত।
©somewhere in net ltd.