![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অন্ধদের রাজ্যতে এক চোখা মানুষটি রাজা এবং আমি সেই রাজা। না ঈশ্বর, না পিশাচ—আমি তৃতীয় বিশ্বাস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনে থেকেই আমি ছিলাম এক নিঃসঙ্গ স্মোকার । হাতে সিগারেট, ঠোঁটে ধোঁয়া, আর চোখে শূন্যতা। আমি ভেবেছিলাম—এই ধোঁয়াই আমার একমাত্র সঙ্গী।
কিন্তু সেদিন ক্লাসে প্রথম দেখি...
আজকের এই দিন শুধু দিন নয়,
আজ মহাবিশ্বের উৎসব,
কারণ এদিনে তুমি এসেছিলে—
আলো হয়ে, সৌন্দর্যের প্রতিমা হয়ে।
তোমার চোখের গভীরতায়
আমি খুঁজে পাই হাজার নদীর স্রোত,
তোমার হাসির আলোয়
শহরের সব অন্ধকার গলে যায়।
আজ...
শহরের ব্যস্ত রাস্তায়, আকাশচুম্বী ভবনের কোলাহলের ভিড়ে হেঁটে চলি যেন এক নিঃশব্দ রোবট হয়ে। সব কিছুই ঠিকঠাক আছে (চাকরি, বেতন, দুনিয়া) কিন্তু কি যেন নেই আছে শুধু নিরব শূন্যতা।
আমার...
অসংখ্য আলোকবর্ষ আগে, অন্ধকার মহাশূন্যে হারিয়ে গেছি আমরা ।
মৃত, অবশ মহাশূন্যে , আমি তোমার থেকে অনেক দূরে ভেসে যাচ্ছি…
এখানে নেই কোনো সময়, নেই কোনো মহাকর্ষ, নেই কোনো আশার...
বর্ষার শুরু মানেই আমার মনে পড়ে কেয়া-কে। সেই মেয়েটা, যার চোখে ছিল মেঘ, আর হাসিতে ছিল বজ্রপাতের মতো ছন্দ। কেয়ার —চোখে ছিল ছায়া আর সূর্যের মিশেল, আর কণ্ঠে যেন...
দশ বছর পরে কেয়াকে সামনে দেখে আমার ভেতরটা কেমন যেন ঘোলাটে হয়ে গেল। সময় তাকে বদলেছে, কিন্তু তার চোখের ভাষা একটুও বদলায়নি। সেই গভীর, শান্ত চোখ… যেন আমার জন্যই...
জীবন এভাবেই চলতে থাকবে...
আর একদিন হঠাৎ তুমি আমাকে বলবে – "চলো, একসাথে বাইরে গিয়ে কফি খাই",
ঠিক সূর্যাস্তের আগে, আমরা ঢাকা শহরের কোথাও কফি খাচ্ছি আর তুমি হাসি মুখে আমাকে...
বসন্ত তখন ধীরে ধীরে নেমে এসেছে।
আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ। বাতাসে একটা মৃদু শীত আর গন্ধে মিশে থাকা নাম না জানা ফুলের সুবাস। এমন এক রাতে আমি পুকুরপাড়ে গেলাম সিগারেট হাতে...
কেয়া তুমি জানো, আমাদের এই সভ্যতায় হাজার হাজার প্রেম আর বিচ্ছেদের গল্প কাহিনি আছে,
তবে এই হাজার হাজার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প কাহিনির মাঝে একটা প্রিয় গল্প কাহিনি আছে।
এই গল্প কাহিনিটা ক্যানো আমার...
সমাপ্তির সুচনা হয়ে গেছে,
চূড়ান্ত অধ্যায় শুরু
আমাদের পৃথিবী কি এখনও আছে
নাকি এটি কেবল অতীতের স্মৃতি?
চোখে এক ফোঁটা অশ্রু
ধীরে ধীরে মুখোশের নিচে সরে যায়
নীরবতায়, আত্মসমর্পণে।
এটাই কি শেষ? নাকি নবসুচনা...
আমার অধপতন, প্রতিটি সভ্যতার আদি কাহিনী
আমি ক্ষুধিত অন্ধকার, অমোঘ বিভীষিকা।
অজ্ঞাত প্রাচ্য আচার, নিষিদ্ধ শপথের বন্ধনে আবদ্ধ –
আমি নিঃসংশয় অমৃত বিষ, মৃত আত্মার প্রতিসম্ভব।
আমি আদি মূল, নির্বাক সৃষ্টির গহীন...
আমার অপেক্ষা সূর্যোদয়ের
শীতলতম সকালের,
আমি নিথর দাঁড়িয়ে আছি,
নগ্ন পায়ে,
ঝরন্ত বৃষ্টির মিছিলে।
তোমার কণ্ঠস্বর আর শুনছি না
আমি হারিয়ে যাচ্ছি, তুমি খুজছো না আমায়।
বিশ্বাস হারিয়ে যায় বিষণ্ণতায়,
মন্থর আমি নির্জনতায়,
সত্মাহীন আমি...
আমি বর্বরতার সেথ,
আমি শ্বরনিন্দা,
রক্তের স্মারকলিপি।
আমার বিদ্রোহী শপথ,
ঈশ্বরের বিরুদ্ধে,
উপাসনালয় ধ্বংসে,
মাসিহার সিংহাসনে রক্তের আগুন
কলুষিত ঈশ্বরের অসুর্যস্পর্শ্য নাম
পবিত্র স্রোতে বিষাক্ত সর্প।
আমি নই ক্রীতদাস ঈশ্বরের
আমি ঘৃণিত, মাসিহার
আমি তৃতীয় বিশ্বাস
ঈশ্বরের ঘৃণা
আমি...
রক্ত মাখা আঙুলে লিখি,
অদৃশ্য অভিশাপের ইতিহাস।
অসহায় শিশুর বাঁচার আর্তনাদ,
নিরপরাধ মানুষের আকুতি,
নেশাময় বারুদের গন্ধ
ধর্মযুদ্ধ আর ভূরাজনৈতির ধ্বংসস্তূপে পিষ্ট মানবতা,
অস্তিত্বের সংকটে তোমার স্রষ্টা।
রকাক্ত সিংহাসন, মাসিহার অপেক্ষা,
কাপুরুষের প্রতিক্ষা, আবাবিল পাখির আশায়।
অভিশপ্ত দাবানলে...
মন্ত্র মন্ত্র পড়ে দেখি,
শব্দে শব্দে গাঁথা জপে—
তালপাতার ছেঁড়া পাতায়,
জ্বলে ওঠে লাল এক শাপে।
ধূপের ধোঁয়ায় দৃষ্টি ঝাপসা,
মন্ত্রে মন্ত্রে কাঁপে রাত—
কিন্তু তুমি নেই কোনোখানে,
নেই কোন ছায়া , নেই কোন আবয়ব।
চন্দনের রেখা...
©somewhere in net ltd.