নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সংগঠন গড়ে তুলতে হবে এবং অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করতে হবে

মোঃ ইয়াহইয়া

মোঃ ইয়াহইয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

নারীকে হতে হবে বিপ্লবী চরিত্র

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:০০

ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আহমেদ কামাল বলেছেন, দেশের ও সমাজের উন্নতির জন্য নারী-পুরুষের সমানভাবে অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সমাজের সর্বস্তরে নারীদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেলেও তাদের জন্য নিরাপদ কিংবা স্বস্তির জায়গা সৃষ্টি হচ্ছে না। নারীদের পর্যাপ্ত সুযোগ না দিলে সমাজ এগোবে না।

শুক্রবার (৪মার্চ) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সংলগ্ন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে নারী সংহতি আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও নারী সংহতির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করে সংগঠনটি।

অধ্যাপক আহমেদ কামাল বলেন, ‘নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য নারীদের নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে। নিজেদের সচেতন হতে হবে। নারী অধিকার আন্দোলনে যেসব প্রশ্ন আসে তা মোকাবেলা করতে হবে। এর জন্য সংগঠন গড়ে তুলতে হবে এবং অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করতে হবে।’

নারীর বিরুদ্ধে সংগঠিত সকল নির্যাতন আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান জানান তিনি।

নারী সংহতির সভাপতি শ্যামলী শীলের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক অপরাজিতা দেবের সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মৌসুমী শবনম জয়ী, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।

অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন বলেন, ‘নারীকে তার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেকে বিপ্লবী চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। যতদিন পর্যন্ত না নারীরা নিজেদেরকে প্রস্তুত করবে না ততদিন এই পুরষতান্ত্রিক সমাজে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না।’

ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘সামাজিক বৈষম্য নারীদের পশ্চাদপদতার কারণ। কিন্তু এই রাষ্ট্রের অর্থনীতির চাকা ঘুরছে নারীদের শ্রমে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরির আন্দোলন স্থবির হয়ে আছে। তাদেরকে কর্মক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে না।’

মৌসুমী শবনম জয়ী বলেন, ‘নারী বিষয়ে পুরুষদের মানসিকতার পরিবর্তন হচ্ছে না। সমাজে নারীদের সমতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে নারীর প্রতি এই মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।’ এ সময় তিনি বর্ষবরণে নারীর প্রতি যৌন নিপীড়নের বিচার দাবি করেন।

সভার শুরুতে নারী নির্যাতন, নিপীড়ন ও বৈষম্যের প্রতি প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ‘বটতলা’ পরিবেশন করে পথনাটক ‘আর নয় চুপ থাকা’। আলোচনার পাশাপাশি নারী আন্দোলনে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছেন যে সকল সাহসী লড়াকু নারী, তাদের আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ ছাড়া সভা শেষে পুরুষতান্ত্রিকতার প্রতীকের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.