| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খুন, গুম, হত্যার মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের চির-উত্খাতের পরিকল্পনা করেছে সরকার। সারাদেশে এসব নিয়ে এক ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। নিরাপত্তা নেই রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ সাধারণ মানুষের। এই অবস্থার অবসান কবে হবে, কেউ তা জানে না। সরকারের উচিত অবিলম্বে ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করা। তবে এই সরকারের হাত থেকে বাঁচতে হলে ফজরের নামাজের পর ‘কুনুতে নাজেলা’ পড়ে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতে হবে। গতকাল আমার দেশ পত্রিকার পক্ষ থেকে ‘গুম খুন গুপ্তহত্যা : শেষ কোথায়’—এ প্রশ্নের জবাবে দেশের নাগরিকদের মতামতে এসব বক্তব্য উঠে এসেছে। টেলিফোনে নেয়া মতামত সঙ্কলন করেছেন স্টাফ রিপোর্টার নেসার উদ্দিন আহাম্মদ ও রকীবুল হক
ঁ মুফতি মাওলানা সুলতান আহমদ শিক্ষক, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ : গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার শেষ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত এই জালিম সরকারের পতন না হবে। এই সরকার ২৮ অক্টোবর প্রকাশ্য হত্যার মাধ্যমেই ক্ষমতায় বসেছে। ক্ষমতায় বসে এখন গুম ও গুপ্তহত্যায় মেতে উঠেছে। এই সরকারের হাত থেকে বাঁচতে হলে প্রতিটি মসজিদে ফজরের নামাজের পর ‘কুনুতে নাজেলা’ পড়ে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতে হবে। হাদিস শরীফে এসেছে, যে দেশে জালিম সরকার চেপে বসে সেই সরকারের হাত থেকে বাঁচতে হলে কুনুতে নাজেলা পড়তে হবে।
ঁ গোলাম মোহাম্মদ ওমর ফারুক সভাপতি, শতদল নাগরিক ফোরাম, মাদারীপুর : খুন, গুম, হত্যার মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের
চিরউত্খাতের পরিকল্পনা করেছে সরকার। খুন, গুম, হত্যা এই সরকারের চরিত্র। এখন তা প্রতীক হিসেবে রূপ নিয়েছে। অতীতের জালিমদের রেকর্ড ভেঙে গণতন্ত্রকে হত্যা করে খুন, গুম, হত্যা চালিয়ে জনগণের অধিকার হরণ করেছে সরকার। শুধু তাই নয়, শত শত অপকর্মে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনীকে লেলিয়ে জঘন্যতম অপরাধ সংঘটনে উত্সাহ দিচ্ছে সরকার।
ঁ হামি লাইফ চৌধুরী শিক্ষার্থী, শিবচর, মাদারীপুর : দেশের অনেক নাগরিককে খুন, গুম, হত্যা করে এই সরকার ক্ষান্ত হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের পাশবিক নির্যাতন করে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখছে সরকার। এই সরকারকে রুখতে হলে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গড়ে তীব্র আন্দোলনে নামতে হবে।
ঁ মো. খলিলুর রহমান ছাত্র, দিয়ানগর, পিরোজপুর : বাংলাদেশে গুম, খুন, গুপ্তহত্যা সেদিন বন্ধ হবে, যেদিন দেশে কোরআনি আইন চালু হবে। বাংলাদেশের সংবিধান হবে কোরআন, আইনকানুন হবে কোরআনের। আর এই আইনের মাধ্যমে এই সরকারের যত অপরাধী আছে সবাইকে শাস্তি দেয়া হবে, ঠিক তখনই একমাত্র গুম, হত্যা, খুন বন্ধ হতে পারে।
ঁ জুয়েল ব্যবসায়ী, কলাপাড়া, পটুয়াখালী : গুম, খুন, গুপ্তহত্যা সেদিনই শেষ হবে, যেদিন বর্তমান সরকারের বিদায় হবে।
ঁ আরমান ব্যবসায়ী, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, হাসনাবাদ : আওয়ামী লীগের অপর নাম বাকশাল। এই বাকশালী সরকার থাকা অবস্থায় চলবে গুম, খুন, হত্যার মতো জঘন্য কার্যক্রম।
ঁ কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম মরিয়মনগর, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম : সারাদেশে গুম, খুন, গুপ্তহত্যা নিয়ে এক ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। নিরাপত্তা নেই রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ সাধারণ মানুষের। এই অবস্থার অবসান কবে হবে, কেউ জানে না। আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ দেশ-বিদেশের বিশিষ্টজনরা এই অবস্থা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। এই অবস্থার অবসানে সরকারের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। কিন্তু সাধারণ মানুষ হতাশ। এই অবস্থার অবসানের জন্য আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়া ছাড়া আর অন্য কোনো পথ নেই।
ঁ এস এম রুহুল আমিন ব্যাংক কর্মকর্তা, মতিঝিল, ঢাকা : গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা একই সূত্রে গাঁথা। আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন এই অবস্থা চলতে থাকবে। কারণ ইতিহাসই সাক্ষ্য দেয়, ১৯৭২ থেকে ’৭৫ সালে এই ঘটনাই ঘটেছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।
ঁ আবুল হোসেন ব্যবসায়ী, চট্টগ্রাম : বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার কিছু নেই। আওয়ামী সরকারের আমলেই গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা বেড়ে যায়। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে এগিয়ে আসতে হবে।
ঁ মো. আরিফুজ্জামান আরিফ লেখক, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, পূবালী এলাকা : ডিজিটাল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গুম, খুন, গুপ্তহত্যা আশঙ্কাজনক বেড়ে গেছে। এসব ঘটনা আওয়ামী দুঃশাসনের ’৭২ থেকে ’৭৫-এর কথা মনে করিয়ে দেয়। ঘরে-বাইরে কোথাও সাধারণ নাগরিক এখন নিরাপদ নেই।
ঁ মির্জা রাশেদ মোহাম্মদ ভূইয়া শিক্ষার্থী, আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম : আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা চলতেই থাকবে।
ঁ রফিকুল ইসলাম ছাত্র, উজিরপুর, বরিশাল : সরকারের কাজকর্ম থেকে বাকশালের দুর্গন্ধ স্পষ্ট পাওয়া যাচ্ছে। সরকার যখন বুঝতে পারছে, তাদের কর্মকাণ্ড জনগণ প্রত্যক্ষ করছে, তখন ক্ষমতা স্থায়ী করার জন্য সচেতন রাজনীতিবিদদের গুম, খুন কিংবা গুপ্তহত্যা করছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এসব কর্মকাণ্ড দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সরকার মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও ভেতরে ভেতরে বাকশাল কায়েমের প্রতিষ্ঠায় লিপ্ত।
ঁ মুফতি বরকত উল্লা কাশেমী পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা : গুম, খুন, ডাকাতি, টেন্ডারবাজি, ঘুষবাজি, চাপাবাজি, মিথ্যাবাজি, ধোঁকাবাজি—এটা প্রধানমন্ত্রীর জন্মগত অভ্যাস। এর শেষ হলো হাসিনার পতন। আর এজন্য দরকার হরতাল ও আন্দোলন। দেশবাসী হাসিনার পতনের অপেক্ষায় রইল।
ঁ ডা. বাহার মিয়া চোয়ারাবাজার, কুমিল্লা : অন্দোলনের মাধ্যমে ইলিয়াস আলীকে উদ্ধার করা না গেলে আওয়ামী লীগ এভাবে আরও কিছু গুম ও হত্যা করে বিএনপিকে আরও দুর্বল করে দেবে, যাতে বিএনপি আন্দোলন করতে না পারে।
ঁ হারুন ব্যবসায়ী, সেনবাগ, নোয়াখালী : হত্যা, খুনখারাবি এভাবে চলার পর একদিন তা শেষ হবে। যেভাবে শেষ হয়েছে ইরাক, লিবিয়াসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র। বাংলাদেশও সেই পথেই এগুচ্ছে। তবে দেশের শীর্ষ নেতাদের কিছুই হবে না।
ঁ মো. শওকত আলী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, মাদারীপুর : বর্তমান সরকারের দলীয় কেউ শত অপরাধ করলেও তার কোনো সমস্যা নেই। অতি সহজেই রেহাই পাওয়া যায়। সরকার যদি দলীয় অবস্থান থেকে বের হয়ে ১৬ কোটি জনগণের সরকার না হতে পারে, তবে এই গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না।
ঁ রাশেদ বিন জিয়া ছাত্র, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম : আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা অন্তহীন চলতেই থাকবে। তাই তাদের কাছে এসবের প্রতিকার চাওয়া আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা। ক্ষমতার লোভে আওয়ামী লীগ আজ দিশেহারা। এজন্য তারা জনপ্রতিরোধ ও বিরোধী দলের আন্দোলনকে একের পর এক উপেক্ষা করে চলছে। যারা এই স্বৈরাচারিতায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তাদের গুম, খুন করে চিরনিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ইলিয়াস আলী কঠোর প্রতিবাদ করেছেন বলেই তিনি আজ নির্মম গুমের শিকার। পৃথিবীতে যারাই গদির লোভে এরকম নৃশংস আচরণ করেছে, তাদের শেষ পরিণতি খুবই নির্মমভাবে হয়েছে।
ঁ তরিকুল ইসলাম রাসেল ছাত্র, কোনাবাড়ী, গাজীপুর : ঘরে থাকলে খুন আর বাইরে গেলে গুম। দেশের পরিস্থিতি এখন চরম বিপাকে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল রণক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। গুম, গুপ্তহত্যা এসব কী? আমরা সাধারণ জনগণ খুনখারাবি, হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও, গুপ্তহত্যাসহ অন্যান্য দিক থেকে মুক্তি চাই। আমরা স্বাধীন দেশে পরাধীন নাগরিক হিসেবে দু’মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে চাই। গণতান্ত্রিক দেশে এসব কিসের আলামত? এর মধ্যে গুম হলেন ইলিয়াস আলী। তাকে বের করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
ঁ আবদুর রাজ্জাক খান ব্যবসায়ী, শ্রীপুর, রাজবাড়ী : গুম, খুন আর হত্যা শেষ হবে এ সরকার শেষ হলে। গুম, খুন, হত্যা এ সরকারের পেশা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। স্বেচ্ছায় এ সরকার পদত্যাগ না করলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে পতন ঘটাতে হবে।
ঁ জাহাঙ্গীর কবির মোহাম্মদপুর, ঢাকা : বাংলাদেশে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার রাজনীতি কবে শেষ হবে তা এ মুহূর্তে বলা কঠিন। ক্ষমতা গ্রহণের দিন থেকে আজ পর্যন্ত রাজনীতিকে সংঘাতের দিকে চলে যাওয়ার একটা প্রবণতা দেশবাসী এ সরকারের কার্যকলাপে লক্ষ্য করছে। হিটলার, স্টালিন পিনোসোর মতো অনেক স্বৈরশাসকই ভিন্নমতালম্বীদের নিশ্চিহ্ন করে তাদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে পারেনি। অতীতে বাংলাদেশেও ৪০ হাজার ভিন্নমতালম্বীদের হত্যা ও গুম করে একদলীয় বাকশাল শাসন স্থায়ী করা সম্ভব হয়নি। খুন, গুম ও গুপ্তহত্যার মাধ্যমে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার স্বপ্ন বর্তমান হাসিনা সরকারও সফল করতে পারবে না।
ঁ গোলাম কিবরিয়া চাকরিজীবী, শেওড়াপাড়া, ঢাকা : দেশে একের পর এক হত্যা ও গুম হচ্ছে। দৈনিক পত্রিকায় শিরোনামে দেখা যাচ্ছে, ২৭ মাসে ১০০ জনকে হত্যা এবং গুম করা হয়েছে। আজ হয়তো একজন ইলিয়াস আলী রাজনৈতিক শীর্ষ নেতা বলে যে আন্দোলন হচ্ছে তাতেও সরকারের টনক নড়ছে না। আর বাকি ৯৯ জন সাধারণ নেতা বা মানুষ, এজন্য সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। আছে শুধু ২০২১ সাল ডিজিটাল ভিশনের পরিকল্পনার প্রণব মুখার্জি ও মমতা এবং মনমোহন সিংসহ বিদেশি আমলাদের কথা ভেবে চলছে সরকার।
ঁ মো. কেফায়েতুল্লাহ চৌধুরী শিক্ষার্থী, ফেনী : এই গুম, হত্যা শুধু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাধ্যমে হবে। নইলে এসব বন্ধ হবে না।
ঁ মো. ইফতেখারুল ইসলাম শিক্ষার্থী, গভর্নমেন্ট কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম : দেশের মানুষ আজ গুম আর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে আতঙ্কিত। যে দেশের সর্বোচ্চ রাজনীতিকরা রাষ্ট্রীয় ছায়াতলে গুম হয়ে যায় সেখানে সাধারণ মানুষ তো কিছুই না। জনগণ বুঝে ফেলেছে আওয়ামী বাহিনী পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার জন্য গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার রাজনীতি বেছে নিয়েছে। তাই গণবিচ্ছিন্ন এই সরকারের ন্যক্কারজনক পতন এখন সময়ের ব্যাপার।
ঁ কবির খন্দকার চাকরিজীবী, বনানী, ঢাকা : যেভাবে গুপ্তহত্যা খুন ও গুম চলছে, কোনোভাবেই একটা রাষ্ট্র থেকে এটা আশা করা যায় না। অনতিবিলম্বে সরকারের এই গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা বন্ধ করতে হবে এবং দেশের প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের যথাযথ নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে।
ঁ মিলন ব্যবসায়ী, কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম : শেখ হাসিনা ভারত সরকারের পালিত পুতুল। গুম, খুন, গুপ্তহত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করে সংবিধান লঙ্ঘন করে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করে চিরকাল ক্ষমতায় থাকার দিবা স্বপ্ন দেখে। তার পিতা এ স্বপ্নে কর্মকাণ্ড চালিয়ে ধ্বংস হয়েছে। তিনিও ধ্বংস হবে। অতএব তাকে চিরতরে রাজনীতি থেকে বঞ্চিত করে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করতে পারলেই গুম, খুন, গুপ্তহত্যা শেষ হবে।
ঁ কুবাত চৌধুরী রুবেল জকিগঞ্জ, সিলেট : দেশে আসলে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র থাকলে আইনের শাসন থাকত। আর আইনের শাসন থাকলে এভাবে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা হতো না। এসব বন্ধে সবাইকে চরিত্রবান হতে হবে।
ঁ শাহানশাহ ব্যবসায়ী, হাফিজাবাদ, পঞ্চগড় : গুম, খুন, গুপ্তহত্যা আতঙ্কে যখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় পার করছি, তখন প্রধানমন্ত্রী বলছেন তারা নিজেরাই গুম করেছে। এতে আমরা আরও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। প্রধানমন্ত্রী, অবিলম্বে এসব বন্ধ করুন। ব্যর্থ হলে পদত্যাগ করুন। নইলে জনগণ আপনাকে পদত্যাগে বাধ্য করবে।
ঁ মো. জামাল হোসেন শিকদার চাকরিজীবী, পশ্চিম বোয়ালিয়া, মুলাদী, বরিশাল : ঘরে থাকলে হবে খুন আর বাইরে থাকলে হবে গুম—বর্তমান সরকার এটাই চালাচ্ছে। সরকার বলছে, হরতালে নাকি জনদুর্ভোগ হচ্ছে। ইলিয়াসকে সরকার ফেরত দিলেই তো হরতাল দেয়া লাগে না আর জনদুর্ভোগও হয় না।
ঁ সোহেল পারভেজ সুমন ব্যবসায়ী, পটিয়া, চট্টগ্রাম : গুপ্তহত্যা বন্ধ করতে হলে এ সরকারের পতন অবশ্যই দরকার। এ সরকার স্বৈরাচারী। যতদিন তারা ক্ষমতায় থাকবে এই গুপ্তহত্যা চলতেই থাকবে। এ সরকারের পতন ঘটানোই গুপ্তহত্যা বন্ধের একমাত্র উপায়।
ঁ মো. আবু জর সভাপতি, রেনেসা স্টুডেন্ট ফোরাম, মাহতাবপুর, বিশ্বনাথ, সিলেট : ধর্ম মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী বা যারা ধর্মহীন তাদের নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো কিছু নেই। সুতরাং তারা বিবেকবহির্ভূত কাজ পরোয়া করবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য হরতাল প্রতিরোধ করতে আওয়ামী লীগ মাঠে থাকবে। তা যেন ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার কর্মসূচির ফটোকপি।
ঁ মো. তাওকিকুল ইসলাম, শিক্ষার্থী, কিশোরগঞ্জ : বর্তমান সরকার গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার কাজে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা একনায়কতন্ত্র গঠন করার ইচ্ছায় ভারত থেকে ১০০ জনকে কমান্ডো প্রশিক্ষণ দিয়ে বিরোধীদলগুলোকে নিঃশেষ করে দিতে চাচ্ছে। তাদের দিয়ে এ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে। আমাদেরকে দুর্বার আন্দোলন করে এ স্বৈরাচারী সরকারকে কঠোর হাতে দমন করতে হবে। যাতে আওয়ামী লীগ সরকার কোনো সময় ক্ষমতায় এসে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে না পারে। অন্যথায় খুন, গুম ও গুপ্তহত্যা চলতেই থাকবে।
ঁ কাজী সুমন, ব্যবসায়ী, চৌদ্দগ্রাম : গুম, খুন, গুপ্তহত্যা এই তিনটার কোনটারই এই মুহূর্তে আমরা শেষ পরিণতি ভাবতে পারি না। কেননা, বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি পুরোপুরি এ তিনটির ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের যে জায়গায়ই বিএনপির জনপ্রিয়তা বেশি এবং জনপ্রিয় নেতা আছেন, সেখানেই চলছে গুম, খুন, গুপ্তহত্যা বা নির্যাতনের স্টিম রোলার।
ঁ মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, ব্যবসায়ী, আগ্রাবাদ, ইডিএ, চট্টগ্রাম : ইলিয়াস আলী গুমের বিষয়ে জানতে তার বিরুদ্ধে সিলেটে মামলাকারীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। আর ইলিয়াস আলীর পরিবারকেও নিরাপত্তা দেয়া দরকার। সচিবালয়ে বোমা বিস্ফোরণেও পুলিশ নির্বিকার। এ ধরনের নিরাপত্তা জনগণ চায় না। জনগণ নিজের নিরাপত্তা নিজেই নিশ্চিত করতে চায়, এ জন্য সবার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হোক।
ঁ ইয়াসিন আহমদ, ছাত্র, কিশোরগঞ্জ : বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের মধ্যে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। এমন কোনো দিন নেই গুম, খুন ও গুপ্তহত্যা হচ্ছে না। কিন্তু বর্তমান সরকার তা প্রতিরোধ করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বরং এসব সন্ত্রাসীদের কু-পরামর্শ দিয়ে বিরোধী দলের ওপর লেলিয়ে দিচ্ছে। কয়েকদিন আগে ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে কে বা কারা এখনও তার সঠিক সন্ধান পাওয়া যায়নি। এসব ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে চাইলে সরকারকে পতন ঘটাতে হবে।
ঁ এমএ শরীয়তউল্লাহ মাতবর, ব্যবসায়ী, ডামুরদহ পৌরসভা, শরীয়তপুর : শেখ হাসিনার সরকার আর কত গুম, হত্যা, অত্যাচার, নির্যাতন করবে। এসব করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। আপনার প্রতি এদেশের জনগণের আর আস্থা নেই। অবিলম্বে আপনি আপনার সন্ত্রাসী ও কালোবাহিনী নিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দিন এবং জনগণের জান-মালের হেফাজত করতে দিন।
ঁ মো. মোস্তফা কামাল গাজী, শিক্ষার্থী, গাজীপুর : বর্তমানে গুম, খুন, গুপ্তহত্যা, অপহরণ একের পর এক জন্ম নিচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে চেনা-অচেনা মুখগুলো। প্রতিদিন ঘটছে নিন্দনীয় অনেক ঘটনা। এই অবস্থায় আরও ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে আনা হয়েছে। ইলিয়াসকে যে সরকার গুম করেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
ঁ পান্না, গৃহিণী, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী : আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গুম, খুন, গুপ্তহত্যা বেড়েই চলেছে। জনগণ এখন কোথাও নিরাপদ নয়। সাধারণ জনগণ এ সরকারকে আর চায় না। আমরা সব সময় আতঙ্কের মধ্যে আছি।
ঁ মো. রশিদউদ্দিন, দারুস সালাম, মিরপুর : খুন, গুমের একমাত্র উদ্দেশ্য বিএনপিকে শেষ করা। তাহলে একচ্ছত্র রাজত্ব কায়েম হয়ে যাবে।
ঁ মো. নিজামউদ্দিন, ফ্রেন্ডস মার্কেট, নারায়ণগঞ্জ : বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্রমাগত গুম, খুন, গুপ্তহত্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশের প্রতিটি নাগরিক চরম নিরাপত্তাহীনতায় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা প্রকাশ করেছে। যদি পরিস্থিতি উত্তরণে সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় না হয় তাহলে প্রজ্ঞাহীন রাষ্ট্র পরিচালনা করার কারণে দেশ ও জাতি আরও গভীর সঙ্কটে নিমজ্জিত হবে।
ঁ ঈমান আলী ভুট্টো, চাকরিজীবী, জগবন্ধু, কমলনগর, লক্ষ্মীপুর : ক্ষমতাসীন দল বিরোধী দলকে পঙ্গু ও বিপর্যস্ত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দায়িত্বশীল নেতাদের গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার মাধ্যমে দুর্বল করার কৌশল বেছে নিয়েছে। একের পর এক গুম খুনের ধারাবাহিকতা এবং তার রহস্যের ব্যাপারে চেপে যাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব এবং অঘোষিত নিপীড়ন থেকে রক্ষা করতে হবে।
ঁ এসএম তুহিন মাহমুদ, চাকরিজীবী, মুলাদী, বরিশাল : বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উস্কানিমূলক কথার কারণেই খুন, গুম ও গুপ্তহত্যাকারীরা এতবড় দুঃসাহস দেখাতে পেরেছে। তাদের কথায় মনে হয়, তাদের কাছেই ইলিয়াস আলী আছে। সরকার পতন-পূর্ব ডিজিটাল পাগলামি দেখেই বোঝা যায়, তাদের পতন অনিবার্য। আওয়ামী সরকারের শেষ দিকেই হবে গুপ্তহত্যার শেষ। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের পতন ঘটানোই হবে জনগণের প্রধান দায়িত্ব।
ঁ এমএ হাসান, পশুরাম, ফেনী : সরকারি বাহিনী খুন, গুম ও গুপ্তহত্যার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এরই অংশ হিসেবে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে। অবিলম্বে তার খোঁজ চাই।
ঁ মো. আরিফ হোসেন, অভিনেতা, চট্টগ্রাম : শেখ হাসিনা আপনি কী মানুষের কান্না শুনতে পান না। আর কত মানুষকে কাঁদাবেন। ইলিয়াসকে খুঁজে পান না? অবিলম্বে ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন।
ঁ খবির উদ্দিন আলম, ইয়াছিন হাজীর বাজার, চাটখিল, নোয়াখালী : প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই যেখানে আপনার নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি হয় সেদেশের জনগণ আপনার ওপর আস্থা রাখবে কীভাবে? পারলে গুম-খুন বন্ধ করুন। না হয় পদত্যাগ করুন। অবিলম্বে ইলিয়াসকে জনসম্মুখে হাজির করুন।
ঁ নিয়ামত উল্লাহ, ব্যবসায়ী, টঙ্গী : গুম, খুন, গুপ্তহত্যা প্রাগৈতিহাসিক যুগের তথা অসভ্য সমাজের কর্মকাণ্ড। সভ্য সমাজে সামাজিক ন্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে জাতি-গোষ্ঠী রাষ্ট্রের সৃষ্টি। আর জাতি-গোষ্ঠীর ন্যায়বিচার ও স্থিতিশীলতার জন্য সরকার গঠিত হয়। সরকার জনগণের নিরাপত্তা বিধানের জন্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সৃষ্টি করে। সেক্ষেত্রে গুম, খুনসহ হত্যা, প্রতিরোধ করতে না পারলে জনজীবন সভ্য জাতিসত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
ঁ মিরাজ হাওলাদার, শিক্ষার্থী, বরিশাল বিএম কলেজ : এই সরকারের শুরু থেকে এ পর্যন্ত যে সংখ্যক গুম, খুন হয়েছে তাতে এ সরকারকে আর সময় না দিয়ে পতনের দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত বিরোধী দলের।
ঁ আলেয়া চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও অধ্যাপক, রোজগার্ডেন রোটারী ক্লাব প্রেসিডেন্ট, চট্টগ্রাম : দেশ ও স্বাধীনতার স্বার্থে গুম, খুন, গুপ্তহত্যা, অন্যায়-অসাম্য বন্ধ করতেই হবে। যেদেশে ২ বছর ৪ মাসে ৭০টি গুম, হত্যা, খুন হতে পারে সেখানে অবশ্যই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা বিপন্ন হতে পারে। আমি দল মত নির্বিশেষে সবাইকে দেশপ্রেমিক হতে, ইলিয়াস আলীর স্ত্রীকে ক্লাব ও চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাচ্ছি। দেশের এই সঙ্কটময় মুহূর্তে আর খারাপ খবর শুনতে চাই না।
ঁ নিজামউদ্দিন, বেদে সম্প্রদায়, সুনামগঞ্জ, সিলেট : সরকার ইচ্ছা করলে যে কোনো মুহূর্তে গুম, খুন, হত্যা বন্ধ করতে পারে। কারণ তাদেরই সহায়তায় এসব ঘটছে।
ঁ হাবিব, ব্যবসায়ী, ধানমন্ডি, ঢাকা : আগামী নির্বাচনে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাহলে প্রথম তিন মাসে আওয়ামী লীগের সব হেভিওয়েট নেতা গুম করে ফেলতে হবে এবং পরবর্তী তিন মাসে ক্রুসেডার ১০০সহ যদি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে তাদেরও আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির মাধ্যমে মূলোত্পাটনের মাধ্যমেই এই গুম, খুন রাজনীতির শেষ হতে পারে।
ঁ খালেদ মাসুদ এনায়েত, শিক্ষার্থী, গাজীরচট এমইউ ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা, আশুলিয়া, ঢাকা : জানি না এর শেষ কোথায়। বিভিন্ন গুমের ঘটনা থেকে বোঝা যায় সরকারের বিশেষ কোনো বাহিনী এসব করছে। ভারতের সঙ্গে সব চুক্তি যেদিন পূরণ হবে সেদিন হয়তো এর শেষ হতে পারে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:১১
বিজন রয় বলেছেন: কিভাবে পতন ঘটাবেন?