নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলোর আয়না এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্য নয়।লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা করতে চাইলে লেখকের সম্মতি নিতে হবে। লেখকের ইমেল - [email protected]

ফকির ইলিয়াস

এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্যনয়। তা সৃজনশীল কাজের পরিপন্থী। লেখা অন্য কোথাওপ্রকাশ, ছাপা করতে চাইলে লেখকের সম্মতি নিতে হবে। লেখকের ইমেল - [email protected]

ফকির ইলিয়াস › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাওলানা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী - এঁর মহাপ্রয়াণ

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩

অত্যন্ত প্রখর চিন্তাবিদ ছিলেন তিনি। উপমহাদেশে মওদুদীবাদী, জামাতী

মতবাদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন বলিষ্ট হক্কানী আলেম। একজন আধ্যাত্মিক

মহাপুরুষ হিসেবে তিনি ছিলেন অসীম শক্তির অধিকারী।

তাঁর পবিত্র আত্মা চিরশান্তি লাভ করুক।

============================================

দৈনিক সমকাল / ১৭ জানুয়ারী ২০০৮, বৃহস্পতিবার

------------------------------------

সিলেটের ফুলতলীর পীর আর নেই

সিলেট ব্যুরো

------------------------------------

উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ সিলেটের ‘ফুলতলীর পীর’ মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল লতিফ চৌধুরী আর নেই।১৫ জানুয়ারী ২০০৮ মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে তিনি সিলেট নগরীর সোবহানীঘাটে তার নিজ বাসভবনে ইণ্তেকাল করেন (ইন্না... রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে ৭ পুত্র ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সিলেটজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। বুধবার তার জানাজায় অংশ নিতে ভক্ত-অনুরাগীসহ হাজার হাজার মানুষ জকিগঞ্জে তার গ্রামের বাড়িতে ছুটে যায়। বিকেল সোয়া ৪টায় জকিগঞ্জের মনসুরপুরী হাওরে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ফুলতলী গ্রামে পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় ইমামতি করেন তারই বড় ছেলে মাওলানা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।

মাওলানা আবদুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী ১৯১৩ সালে জকিগঞ্জের ফুলতলী গ্রামে সম্ভ্রান্ত আলেম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মাওলানা আব্দুল মজিদ চৌধুরী। তিনি ছিলেন ওলিকুল শিরোমণি হজরত শাহজালাল (রহঃ) এর অন্যতম সঙ্গী হজরত শাহ কামালের বংশধর। কর্মজীবনের প্রারম্ভে তিনি ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত বদরপুর আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মাওলানা আবদুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। ব্রিটিশবিরোধী তথা উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সত্রিক্রয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাছাড়া তিনি ছাত্র সংগঠন আঞ্জুমানে তালামীষে ইসলামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৫/-১

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭

বিবণ বলেছেন: মানুষ ভালো ছিলেন....

২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯

রাশেদ বলেছেন: জানা ছিল না উনার ব্যাপারে। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।

৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০১

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: জামাতীদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বেশী সোচ্চার আলেম।

৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩

বিবণ বলেছেন: না ফিকর ভাই অাপনি মনেহয় ভুল করছেন, উপমহাদেশের মধ্যে জামায়াতে অইসলামীক কাজে সবচেয়ে কড়া সমালোচক এবং প্র
তিবাদী ছিলেন মরহুম থানভী (র) এরপর বাংলাদেশে চরমোনাইয়ের মরহুম পীর সৈয়দ ফজলুল করীম ছিলেন জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য সবচেয়ে বলিষ্ঠ কন্ঠশ্বর। তিনি জামায়াতের বিরুদ্ধে লিখিত ভাবে চ্যালেন্জ দিয়েছিলেন, কোরান হাদীসের দৃষ্টিতে জামায়াত কোন ইসলামী দল নয়, এটা প্রমান করতে না পারলে তিনি জামায়াতে যোগ দিবেন। জামায়াত তার সে চ্যালেন্জ গ্রহন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

একটা কথা ভালো মানুষ বা সোচ্চার অালেম এর পরিচয় কি জামায়াত বিরোধী হওয়া?

৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭

দিগন্ত বলেছেন: এনার জীবনদর্শন নিয়ে লেখাটা বিস্তৃত করলে ভাল লাগবে।

৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

হলদে ডানা বলেছেন: আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ তার প্রত্যেকটি ভাল কাজ কবুল করে নিন, মানুষ হিসেবে যেসব ভুল-ভ্রান্তি হয়ে থাকবে, আল্লাহ তা ক্ষমা করে দিন।

৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

সাইফুর বলেছেন: আত্মার শান্তি কামনা করছি

৮| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯

স্নোবল বলেছেন: আচ্ছা, এই চরমোনাইয়ের পীর সম্পর্কেই মনে হয় হুমায়ুন আহমেদের কোন বই পড়ছিলাম। উনি নাকি খাসা রাজাকার ছিলেন?

৯| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন:

হলদে ডানা বলেছেন: আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ তার প্রত্যেকটি ভাল কাজ কবুল করে নিন, মানুষ হিসেবে যেসব ভুল-ভ্রান্তি হয়ে থাকবে, আল্লাহ তা ক্ষমা করে দিন।

১০| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

নিভৃত পথচারী বলেছেন: পূন্যাত্মা মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল লতিফ চৌধুরী সাহেবতো জান্নাতবাসী হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।জামাতীদের শক্ত ঘাটি পূণ্যভূমি সিলেটে এখন তবে কে জামাত বিরোধী চেতনার লালনে হাল ধরবেন? আল্লাহ আমাদেরকে ও সিলেটের জনগনকে হেফাজত করূন। এই মহান আল্লাহ্ র ওলী সম্বন্ধে সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞাত ছিলাম না। মৃত্যুর পর পত্রিকায় প্রকাশিত বিবরণ থেকে তার সম্বন্ধে সামান্য জানলাম।কেউ যদি আরও কিছু বিবরণ দিতে পারেন তবে কৃতজ্ঞ থাকবো।

১১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯

বিবণ বলেছেন: স্লোবল,
অামি যতদুর জানি মুক্তি যুদ্ধের সময় বরিশালের মুক্তিবাহীনির একটা ক্যাম্প চরমোনাই'র পীরদের বাড়ীতে ছিল।

১২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭

স্নোবল বলেছেন: বিবন সাহেব, আমি আপনার প্রফাইল দেখলাম এইমাত্র; কলম বিরতির সময় আপনার লেখা আর কমেন্ট ফলো করসি। বুঝতেই পারতেসেন আমি কি মিন করতেসি।

১৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০

হলদে ডানা বলেছেন: নিভৃত পথচারীর দুশ্চিন্তায় আমরাও চিন্তিত। এই ফাকা স্থানটা পুরণে তারই এগিয়ে আসা উচিৎ। পূণ্যভূমি সিলেট জামাতীদের দখলে চলে যাবে এটা কি জ্ঞান থাকতে মেনে নেয়া যায়?

১৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: পীর---- মুরীদ---- মাজার; ধর্মের এই বিশেষ দিক টা আমার পছন্দ নয়। তবে আল্লাহ যেন তাকে পরকালে বেহেস্ত দান করেন

১৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০

হলদে ডানা বলেছেন: বুড়া শাহরিয়ার আছেন কেমন?

ঘি ঢালছেন যে!

১৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪

বিবণ বলেছেন: কি মিন করছেন, অামি রাজাকার! সাটা অামার কাছে বড় নয়, বড় হচ্ছে সত্য তথ্য, ইতিহাস...

১৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: আমার ব্যাক্তিগত মতামত

১৮| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০১

নিভৃত পথচারী বলেছেন: অথচ পীরী---- মুরীদী---প্রক্রিয়ায় ই আবহমানকাল হতে ধর্ম আমাদের নিকট আগত।ধর্মের প্রকৃত এই দিকটাই বকধার্মিকদের নিকট পছন্দনীয় হবে না এটাই স্বাভাবিক। পার্থিব বিষয় সমূহ শিক্ষা লাভের জন্য কেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক ছাড়া বিদ্যা লাভের বিষয়টি চিন্তাই করতে পারে না। অথচ একজন মুসলমানের জন্য দুরিয়া ও আখেরাতের সবচেয়ে গুরূত্বপূর্ণ বিষয় ইসলাম ধর্ম কে একজন প্রকৃত শিক্ষকের (পীর/মুর্শিদ/শায়খ)সহায়তা ছাড়াই কোন কোন নির্বোধ শিখে নিতে চায়(কি হাস্যকর চিন্তা)।

১৯| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

হলদে ডানা বলেছেন: মতামত ঠিক আছে। আসলেই ইসলামে পীর-মুরিদীর কোন রেফারেন্স পাওয়া যায়না। এই পীর মুরিদীর সিস্টেম মূলত এ উপমহাদেশেই প্রচলিত।

তবে একসময় যে রমরমা অবস্থা ছিল এখন তা নেই। কে কি বললো তার থেকে মানুষ এখন সরাসরি কুরআন হাদিস থেকে জ্ঞান অর্জনের দিকে ঝুকছে।

ব্যাবসা নষ্ট হওয়ায় বসে বসে উপার্জনকারী অনেকেই জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ক্ষুদ্ধ। এ বক্তব্য সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।

তবে আমরা এ নিয়ে প্রচারণা চালাতে চাইনা। বরং নিরবে মানুষকে পরামর্শ দেই সরাসরি কুরআন হাদিসের মাধ্যমে জীবন-পথ নির্ণয়ের সাধনা করতে।

২০| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১৭

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ হলদে ডানা, উত্তর টা আপনি দিয়ে দিছেন।
ডেস্কটপে আজকে রাতজেগে লিখতে মানা (হে হে হে) তাই লুকিয়ে বেড এ বসে ল্যাপ্টপে লিখছি। ল্যপটপে আমি স্পীড পাই না।

২১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪১

নিভৃত পথচারী বলেছেন: হা.হা.হা... ইসলাম বলতে আপনারা জামাতে ইসলাম মিন করছেন তাইতো? হ্যা...জামাতের বিকৃত আক্বীদা -বিশ্বাসে পরিপূর্ন ভ্রান্ত মতবাদে পীর মুরিদীর অস্তিত্ব নেই। অথচ জামাতের মূল স্রষ্টা আবুল আলা মওদুদীর পিতা চিশতিয়া তরীকার একজন পীর। গোআজম মাসিক পৃথিবী নামক জামাতের একটি পত্রিকায় প্রশ্নত্তর পাতায় উত্তর লিখেছেন এভাবে, "কেবল ধর্ম শিক্ষার উদ্দেশ্যে পীরের কাছে যাওয়া যেতে পারে।" আর তার অনুসারীরা বলছে ভিন্ন কথা । কি দারুন পীর মুরিদীর নিদর্শন। জামাতীর তাদের পীর গোআজম আদেশ এবং উপদেশ এর বিরুদ্ধাচারনকে তীব্র ঘৃনা করে।তাদের ইমাম মওদুদী (জাহান্নামী )সমালোচনা শুনতে নারাজ।কিন্তু মওদুদী যখন নবী (আঃ) গনের এবং সাহাবা (রাঃ) সমালোচনা করে তখন তারা তাদের পীর সাহেবের (মওদুদী) প্রশংসায় মূখর।

২২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩

মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: পীর---- মুরীদ---- মাজার; ধর্মের এই বিশেষ দিক টা আমার পছন্দ নয় ।

--একমত । তবে "ধর্মের" জায়গায় হবে "ধর্মের নামে" । পীর---- মুরীদ---- মাজার - ধর্মের অংশ না, এটা একটা ব্যবসা ।

২৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

নিভৃত পথচারী বলেছেন: প্রকৃত তত্ত্ব হচ্ছে আল্লাহতা'লার যত মকবুল বান্দাগণের নাম করা যায় তারা প্রকৃত ইসলামে সঠিক নির্দেশনা অনুযায়ী একজন পীরের মাধ্যমে জ্ঞান আরহন করেছেণ। রাসূল (সঃ) ছিলেন সম্মানিত সাহাবা (রাঃ) গনের পীর। সাহাব (রাঃ) গন তাবেয়ী (রঃ) গনের , তাবেয়ী (রঃ) গণ তাবেতাবেয়ী (রঃ) গনের এই ভাবে চলেছে পরম্পরা। ইমামে আযম আবু হানীফা(রঃ), ইমাম গাজ্জালী (রঃ) . ইমাম বূখারী (রঃ) প্রমূখ গণ প্রত্যেকেই পীরের সাহচর্যেই জ্ঞান আহরন করেছেন।

২৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

নিভৃত পথচারী বলেছেন: মওলানা জালালুদ্দীন রূমী(রঃ), শােয়খ সাদী (রঃ) , হযরত বায়েজীদ বোস্তামী (রঃ) কতজনার নাম উল্লেখ করব? আর খাটি জিনিষ থাকলে সেখানে সুবিধাভোগীরা ভেজাল জিনিষের আমদানী করবে এটাইতো শয়তানের ধর্ম। বাজারে পাওয়া সকল মধূই কি খাটিঁ? আর ভেজাল মধূ যদি আপনাকে সন্তুষ্ট না করতে পারে বা ওষধি গুনাগুন প্রদর্শন না করে তবে কি তা খাটি মধূর দোষ? না আপনার খাটি মধূ না চিনতে পারার ব্যর্থতাঃ

২৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০২

নিভৃত পথচারী বলেছেন: বড়পীড় সাহেব কিন্তু এই উপমহাদেশের বাসিন্দা নন।হযরত শাহজালাল(রঃ) ইয়েমেনের বাসিন্দা, হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রঃ) ইরানের বোস্তাম শহরের বাসিন্দা। হযরত খাজা বাহাউদ্দিন নক্সবন্দ(রঃ) বোখারার বাসিন্দা। এবং ওনারা প্রত্যেকেই মশহুর পীর ছিলেন।আর কতজনের নাম বলবো? আপনারা বরং দুই একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মুসলিম ব্যক্তিত্ব যার আল্লাহর অলি হিসেবে পরিগণিত অথচ পীরী মুরিদি প্রথা বহির্ভূত , পারলে নাম করূন।

২৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০৬

মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: তাদের সম্পর্ক পীর-মুরিদ ছিলো না, ছিলো শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক ।

২৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩০

নিভৃত পথচারী বলেছেন: !!!!!!!!!!!!!!!!!পীর-মুরিদীতো প্রকৃতপক্ষে তাই।শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুই উদ্দেশ্য নয় পীর হচ্ছেন শিক্ষক মুরীদ হচ্ছেন ছাত্র। আসলে এ বিষয়ে না জেনে তর্কে লিপ্ত হওয়া শয়তানী প্রবৃত্তির বহিঃপ্রকাশ মাত্র যা মওদুদী গোআযম, নিযামী মুজাহিদীদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট মাত্র।

২৮| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯

হলদে ডানা বলেছেন: নিভৃত পথচারী ক্ষেপেছেন।

আপনি যাদের কথা বললেন তাদের ব্যাপারে খায়রুল আলমের কথাই বলতে হয়, তারা ছিলেন উস্তাদ বা শিক্ষক। মানুষ উস্তাদের কাছে শিখবেনা তো শিখবে কার কাছে?

আমি আগেই বলেছি এ মন্তব্য সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। যারা উস্তাদ হিসেবে পীর ছিলেন তারা অবশ্যই শ্রদ্ধার পাত্র। কিন্তু যারা পীর মুরিদীকে ব্যাবসা হিসেবে নিয়েছেন তাদের ব্যাপারে কি বলবেন? যারা পীর হয়ে কোচর পেতে বসেন আর বংশ পরম্পরায় ওটাই তাদের জমিদারীর উৎস হয় তাদের সাথে ইসলামের কি সম্পর্ক? বরং সাধারণ মানুষকে জান্নাতের সহজ রাস্তা দেখানো হয়েছে- ওমুক পীরের মুরিদ হলেই খালাস।

জামায়াতে ইসলামী আপনার পছন্দ হয়না, করবেননা। আরো অনেক দল আছে। কিন্তু জামায়াত বিরোধিতা করেছে বলেই ইসলাম বিরোধী কাজের সার্টিফিকেট দিবেন, এটাও অন্যায়।

এ মন্তেব্যের সাথে পোস্টের মরহুম পীর সাহেবের কোন সম্পর্ক নেই।

২৯| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০২

নিভৃত পথচারী বলেছেন: উল্লেখিত বক্তব্য হাস্যকর রকম তুচ্ছ । একজন প্রকৃত মুসলিম বা বুজুর্গানে দীন এর সাথে কি করে ভন্ডামির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে? যার পীর-মুরিদির নামে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসকে পুজি করে সে সকল ভন্ড প্রতারক দের কথা এখানে কিছুতেই হচ্ছেনা। আল্লাহর নিকট গ্রহনীয় নামাজের শর্তাবলী প্রসরঙ্গ আলোচনা কালে যদি এমন প্রশ্ন তোলা হয় যে ,"যে সকল মানুষ মসজিদের জুতা চুরি করে তাদের নামাজ কি কবুল হবে?" তা প্রশ্নকারীর মূর্খতাছাড়া আর কিছুরও প্রকাশক নয়। আর এরূপ মূর্খদের সাথে আলোচনায় বিষয়বস্তুর মর্যাদা ক্ষূন্ন হয় ও আলোচক অপদ্স্থ হন।

৩০| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১০

মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: এই উপমহাদেশ ছাড়া অন্য কোথায়ও পীর-মুরীদ শব্দগুলো নাই ।
একটি মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক যদি পীর-মুরীদ তা হলে আপত্তি থাকত না । সত্যি কি তাই ? পীরের ছেলে পীর হয় কেন ? ঔরস কেন ? ভান্ডারী/জাকের/জৈনপুরিতে ঔরসের নামে কি হয় ? মুরীদদের কি শিখনো হয় ? আধুনিক হন নিভৃত পথচারী । তা হলে উনারা ঠিক হয়ে যাবে ।

৩১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২২

হলদে ডানা বলেছেন: নিভৃত পথচারী, জুতা চুরি যদি অসহনীয় আর দুর্ধর্ষ হয় তবে অসম্ভব নয় যে তা সুপ্রিম কোর্টেও উঠবে।

এইসব ভন্ডদের কথা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মোটেই গুরুত্বহীন নয়, অপ্রাসঙ্গীক নয় বরং বর্তমান সময়ে পীর মুরিদী বলতে যাদের কথা বুঝায় তাদের অনেকের বিষয়েই একে ব্যাবসা হিসেবে নেয়ার কথা সর্বজন বিদিত। তাদের লাখ লাখ অনুসারী আছে, বিশাল মাহফিল হয়, কিন্তু পীরত্ব কে পাবে তাই নিয়ে ক্যাচাল হয় কারণ এর সাথে বিশাল বিনে পুজির ব্যাবসার উত্তরাধিকার নিহিত।

৩২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮

উন্মনা রহমান বলেছেন:
"হাক্কানী আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ" কী বস্তু?

৩৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫

নিভৃত পথচারী বলেছেন: সংশ্লিষ্টগণের জ্ঞাতব্য পীর-মুরীদ মব্দসমূহ ফার্সী ভাষা হতে আমাদের কছে এসেছে।ইরান দেশটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্ভূক্ত কোন দেশ নয়।দ্বিতীয়ত নামাজ রোজা প্রভৃতি পরিভাষা সমূহও এশিয় দেশসমূহ ছাড়া অন্য কোথাও প্রচলিত নয়। কিন্তু নিরেট মূর্খজনেরও জানা আছে নামাজ রোজা কি এক্ষেত্রে কেউ তো নামাজ রোজা আরবী শব্দ নয় বিধায় ও ফার্সী শব্দ হিসেবে কেবল এশীয় দেশ সমূহে প্রচলিত আছে এই যুক্তিতে ইসলাম বহির্ভূত বলে উপেক্ষা করেন না? তবে পীর -মুরিদ শব্দের ক্ষেত্রে তাদের কেন এ আপত্তি? ।কোরান ও হাদীসে বর্ণিত সালাত ও সওমই হচ্ছে নামাজ ও রোজা। সালাত (যার শাব্দিক অর্থ শান্তি) প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে কোরআন উল কারীমে ৮২ বার যে নির্দেশ আছে সে মোতাবেক আমরা যদি সারাদিন মানুষের ঝগড়া বিবাদ মিটমাট করে বেড়াই তবে কি মাদার তেরেসা বা বিল ক্লিনটনের মতো নবেল বিজয়ী হিসেবে মনোনীত হওয়া ব্যতীত আমাদের ফরজ আদায়ের মাধ্যমে আদৌ আল্লাহর হুকুম পালন করা হবে? কখনও নয়।প্রকৃতপক্ষে সালাতের সে অর্থই গ্রহনীয় যেমনটি গ্রহন করেছেন সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) ও তাদের প্রকৃত অনুসারীগণ ।আর কোরানে রয়েছে সুস্পষ্ট নিদর্শন প্রজ্ঞাবানদের জন্য। অজ্ঞ, নির্বোধেরা তা থেকে কোন উপকার প্রাপ্ত হবে না। বরং হাদিস শরীফের আছে এমন অনেক ব্যক্তি আছে কোরান যাদের কন্ঠনালির নিচে প্রবেশ করবেনা। এবং এমন অনেককোরান পাঠকারী আছে যাদের কে কোরান অভিসম্পাত করে। কোরআন শরীফে আল্লাহ তা'লা স্পষ্ট আদেশ দিয়ে বলেছেন, "কুনুমাআস সাদেকীন" অর্থাৎ তোমরা সৎলোকের সঙ্গী হও। কোরানে বর্নিত এই সৎলোকের ব্যাখায় প্রখ্যাত তাফসীরকারক গণ উল্লেখ করেছেন, এখানে সাদেকীন বলতে অলীআল্লাহ ও পীর মোর্শেদগনের কথা বলা হয়েছে। কাজেই তাদের মূল্যবান সংসর্গ অর্জন করা অতীব জরুরী।



প্রত্যেকেই তাদের নিজ নিজ কর্মেফলের দায়ভার গ্রহণ করবে ও জবাবদিহি করবে। পীর-মুরিদী কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয় যে চাইলেই পিতা সন্তানকে বা ভাই ভাইকে দিতে পারবে। এটা আল্লাহ তা'লার সিদ্ধান্ত । তিনি যাকে ইচ্ছা দান করবেন।এটাতো সাধারন বুদ্ধির কথা।আল্লাহর ওয়াস্তে কেউ যদি কলবী এলেম শিক্ষা দেওয়া ব্যতিত অন্য কোন নিয়তে পীর হওয়ার বাসনা রাখে তবে সে অবশ্যই বাতিল সম্প্রদায় ভূক্ত। আবারও বলি বাজারে ভেজাল দূধ দেখে কেউ মনে করে খাটি দুধের অস্তিত্ব নেই তবে তা হবে তার নিজস্ব মূর্খতা । তার দায়ভার কে গ্রহণ করবে?কেউ না।

৩৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭

নিভৃত পথচারী বলেছেন:

৩৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: আমি ফকির ইলিয়াস , মুজাররদে ইয়ামেনী হজরত শাহজালাল(র:),
এর উত্তরসূরি । ছিলেন মাওলানা ফুলতলী ও।
আর বেশী বলতে চাই না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.