নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

জমজম

১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



মরুভূমির দেশ সৌদি।
প্রচন্ড গরম। নবীজির আমলের আগে থেকেই পানির বড় অভাব মক্কায়। একদিন একটা কূপ আবিস্কার হলো। সেই কূপ নিয়ে আছে হাজার রকম গল্প। জমজম কূপ! অবাক করা বিষয় হচ্ছে- পাঁচ হাজার বছর ধরে এখান থেকে একটানা পানি পাওয়া যাচ্ছে। এত প্রাচীন কুয়া পৃথিবীতে আর নেই। নবীজি বলেছেন, পানি বসে পান করতে হবে। কিন্তু জমজম পানি দাঁড়িয়ে পান করলে সমস্যা নেই। হজ্ব করতে গেছেন এবং জমজম পানি না নিয়ে দেশে ফিরেছেন, এমনটা হয় না। মুসলিমরা বিশ্বাস করেন, হাজার হাজার বছর আগে নবী ইব্রাহিমের স্ত্রী হাজেরা ও ছেলে ইসমাইলের পানির তৃষ্ণা মেটানোর জন্য আল্লাহ এই কূপটি সৃষ্টি করেছিলেন। এখন মক্কায় বাস করে ২৫ লাখ মানুষ। নবীজির আমলে মক্কায় বাস করতেন- ৭১৩ জন।

সূরা ইবরাহিমে জমজম পানির কথা কি বলা হয়েছে?
ইব্রাহিম আল্লাহর নির্দেশে তার স্ত্রী হাজেরা এবং ছেলে ইসমাইলকে মক্কায় কাবা ঘরের কাছে নিয়ে যান। সেই সময় মক্কায় কোনো আবাদী জমি ছিলো না। পানিও ছিলো না। চারিদিকে শুধু মরুভূমি। শিশু ইসমাইল পানির তৃষ্ণায় কান্না শুরু করে। তার মা হাজেরা পানির খোঁজে এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করেন এবং একই সাথে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করেন। এই জমজম কুয়া নিয়ে অনেক রকম গল্প প্রচলিত আছে। দারুন সব গল্প। সেই সব গল্প আমার কাছে বিশ্বাস যোগ্য বলে মনে হয়নি। জমজম কূপ প্রকৃতির খেয়াল বলা যেতে পারে। এখানে অলৌকিকতার কিছু নেই।

জম জম কূপ আবিস্কারের পর মক্কার মানুষ অনেক খুশি।
পুরো আরবে মক্কার কূপের কথা প্রচার হয়ে যায়। আমাদের নবীজি বলেছেন, ''জমজম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানি। এতে রয়েছে খাদ্য ও রোগ থেকে মুক্তি''। হজ পালনের সাথে এ কুয়ার সরাসরি সম্পর্ক নেই। জমজমের পানি পান করার একটা দোয়া আছে। জমজম কূপের পানির স্তর ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০.৬ ফুট নিচে। এখান থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৮ হাজার লিটার হারে পানি তোলা হয়। নবীজির দাদা আবদুল মুত্তালিব-এর সময় কূপের গভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফুট। বর্তমানে জম জম কূপের গভীরতা ৫১ ফুট। কাবা ঘর থেকে ২০ মিটার দূরে অবস্থিত এই জমজম কূপ। মরুর বুকে এই কূপ চারটেখানি কথা নয়।

নবীজি কোথাও গেলে সঙ্গে জমজমের পানি নিয়ে যেতেন।
এবং রোগীদের ওপর এ পানি ছিটিয়ে দিতেন। আরবি ভাষায় 'জমজম' অর্থ অঢেল পানি। সাধারণ পানির তুলনায় জমজমের পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সল্টের পরিমাণ বেশি, যা ক্লান্তি দূর করতে বিরাট ভূমিকা রাখে। সেদিন আমার ভাইকে (দিনাজপুর জেলা স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক) জিজ্ঞেস করলাম- জমজম পানি সম্পর্কে। ভাই বললেন, জমজমের পানি ধর্মীয় ভাবে বিশুদ্ধ হতে পারে. কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে একেবারে বিশুদ্ধ নয়। তাই এখন এই পানিকে বের করে আনার পর আবার বিশুদ্ধকরন/ফিল্টার করে বোতলজাত করে মুসলমান হাজীদের কাছে বিক্রয় করা হয়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই বরকতময় পানি পান করার সুযোগ দান করুন, আমিন!

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

বাইতুল মোকাররম মার্কেটে জমজমের পানি বিক্রি করা হয় চওড়া দামে। মানুষ ও ভক্তি করে কিনছে খাচ্ছে.....

১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: অযথাই।
যদি সুস্থতার নিয়ত করে এই পানি পান করলে রোগ সেরে যেতো, তাহলে হাসপাতালে এত এত রোগী থাকতো না।

২| ১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:০৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা আগের মতো ভালো হয় না । মনে হয় পথ হারিয়ে হারিয়ে ফেলেছেন ।

১৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: পথ হারাইনি।
পথ আমাকে হারিয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.