নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুক।

আমি একজন বাংলাদেশি

আমার জন্ম এই সোনার বাংলাদেশে এবং আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তাই বাংলাদেশকে আমি আমার প্রানের থেকেও বেশি ভালবাসি। বাংলাদেশ এর বিপক্ষে কোন কিছু বলার থাকলে আমার থেকে লক্ষ হাত দূরে থাকুন। ভারত কিংবা পাকিস্তান কোনটিকেই দু চোখে সহ্য করতে পারি না তাই ভারত ও পাকিস্তানী লুলরা ( দালাল ) আমার কাছ থেকে আরও দূরে থাকুন। এ দেশকে যিনি অন্তর থেকে ভালবাসেন তাকে ভাই-বোন হিসেবে বুকে টেনে নিতে দ্বিধাবোধ করিনা। সকলের দোয়ায় আমি নিজেকে একজন প্রকৃত দেশ প্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলছি তাই আপনাকেও বলছি আপনিও এ দেশের একজন সত্যিকারের নাগরিক হয়ে যান। আল্লাহ আপনার আমাদের সাথে আছেন।

আমি একজন বাংলাদেশি › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৯:৪২

ছাত্র হিসেবে মাঝারি মানের ছিলাম বলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারিনি, মধ্যবিত্ত পরিবারের চাকুরীজীবী আমার বাবা পারেন নাই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাকে পড়াতে। তাই অনেক আশা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধীনে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু ভর্তি হবার পর থেকেই শুরু হল নানা ধরনের নিত্য নতুন নিয়মনীতি যা আমাদের উপর এক প্রকার জোর করেই চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতোসব নিয়ম নীতির বলীর স্বীকার হয়ে আজ আমার মতো আরও হাজারো ছাত্র ছাত্রীদের অবস্থা করুন আকার ধারণ করেছে।

পাবলিক ভার্সিটি গুলোতে সিলেবাস গুলো খুব সাজানো থাকে যেখানে অতিরিক্ত কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে না। প্রাইভেট ভার্সিটি গুলোতে ও সিলেবাস মাত্রা অনুযায়ী দেওয়া থাকে। কিন্তু এই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েই শুধু মাত্র আলাদা সিলেবাস যেখানে পুরো বইটাই সিলেবাস হিসেবে গণ্য হয়। শিক্ষকদের অপ্রতুল ক্লাসের কারনে সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করা সম্ভব হয় না আমাদের। এর ফলে হাজারে হাজারে ছাত্র ছাত্রীরা রেজাল্ট খারাপ করছে। যেখানে সম্পূর্ণ বিষয়ে পাশ করা ছাত্র ছাত্রীদের হার প্রতি বছর শতকরা ১০% এর ও কম হয়। ফলে সব বিষয়ে পাশ না করা ছাত্র ছাত্রীদের আবার পরীক্ষা দিতে হচ্ছে আর সাথে দিতে হচ্ছে ১৪৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফি। কিন্তু এর পরেও কি সেই ছাত্র ছাত্রী পাশ করতে পারবে এমন গ্যারান্টি কি দেওয়া যাবে? এখন প্রশ্ন হচ্ছে ছাত্র ছাত্রীরা কি ভালো মতো পড়াশোনা করে না? হ্যাঁ কেউ করে আবার কেউ করেনা। কিন্তু আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র এতো বাজে ভাবে করে সেটার কথা কি কেউ ভাবে? নাকি তারা ছাত্র ছাত্রীদেরকে ফেল করিয়ে বছর বছর টাকা কামানোর ধান্দা বের করেছে? একটা উদাহরণ দিলেই বুঝতে পারবেন আপনারা। আমাদের ভার্সিটিতে ঢাকা ভার্সিটির মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর শ্যাম সুন্দর কর্মকার গেস্ট টিচার হিসেবে আমাদের ক্লাস নিতেন। অনার্স প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার আগে উনি আমাদের মার্কেটিং বিষয়ের উপর অনেক গুলো প্রশ্ন এর সাজেশন দিয়েছিলেন। তো আমরাও ভেবেছিলাম যে অনেক গুলো না হোক কিছু হলেও প্রশ্ন কমন পরবে এই সাজেশন থেকে। কিন্তু হায়! পরীক্ষার হলে যেয়ে দেখি একটা প্রশ্নও সেই সাজেশন থেকে আসে নাই। এখানে কিন্তু আমাদের টিচার শ্যাম সুন্দর কর্মকারের কোন ভুল ছিলনা ভুল ছিল সেইসব হাঁদারাম টিচারদের যারা এমন বাজে প্রশ্ন তৈরি করেছিলো। আমি জানিনা সেই টিচাররা আসলেই কি শিক্ষক হিসেবে যোগ্য কিনা। সব থেকে খারাপ লেগেছিল সেই সময় যখন প্রফেসর শ্যাম সুন্দর কর্মকার তার দেওয়া সাজেশন থেকে কোন প্রশ্ন আসেনাই বলে লজ্জায় আমাদের সাথে এক সপ্তাহ দেখা করেন নাই। খুব খারাপ লেগেছিল উনার মলিন মুখটা দেখে। এখন আপনারাই বলুন এখানে দোষ কার? আমাদের? যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। নাকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি নির্ধারকের? আপনারাই বলুন আমরা কি এভাবেই হয়রানি ভোগ করতে থাকবো?

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.