| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সিজার অপারেশন জিনিসটা ভাল করে বুঝতাম না। কথা প্রসঙ্গে একদিন এক বন্ধু বলে, এই অপারেশনের মাধ্যমে নাকি পেট কেটে বাচ্চা বের করা হয়। শুনেই আমার খারাপ লাগে। আমি কখনো আমার বউয়ের সিজার অপারেশন করাব কীনা? বন্ধুটি এ ব্যাপারে জানতে চাইলে; আমি বলি, না এটা তো কিছুতেই সম্ভব না।
কেন?
বউয়ের এত সুন্দর পেট আমি কোন পাগলামীতে কাটতে দেব?
সে হেসে জানায়, পেট কাটলেও ডাক্তাররা এমন ভাবে জোড়া লাগিয়ে দেবে যে তুই ধরতেই পারবি না। তবে, শুনেছি দুবারের বেশি সিজার অপারেশন করানো যায় না।
তুই কী তোর বউকে দুবার সিজার অপারেশন করাবি?
দরকার হলে অবশ্যই করাবো।
আমি মাথা নাড়ি আর মনে মনে সিদ্ধান্ত নেই, আমার যেন কোনোদিন সেই দরকার না পড়ে।
সেদিন পড়ন্ত বিকেলে কলেজ মাঠের এক কোণে দাঁড়িয়ে উষ্ণ উজ্জল আকাশ দেখছিলাম; আর বিষয়টা নিয়ে ভাবছিলাম। হঠাৎ এক ছোট ভাই এসে জিগ্যেস করে, ভাইয়া নির্ঝরের বাসায় গিয়েছিলেন?
আমি অবাক হয়ে ঘুরে দাঁড়াই। জানতে চাই, কেন?
নির্ঝরের ছোট আপুটা তো মারা গেছে।
শামা?
হুম।
কিভাবে?
সন্তান জন্ম দেওয়ার সময়।
কি দূর্ভাগ্য! কখন?
দুই দিন হয়েছে। এ জন্যই তো নির্ঝর আমাদের সাথে খেলতে আসে না।
ওহ, লক্ষ্য করিনি।
ভেবেছিলাম আপনি শুনেছেন। এখন আমরা সবাই ওর বাসায় যাব। যাবেন?
আমি অপারগতা জানাই, না এখন না। সন্ধার পরে একবার যাব।
কথা শুনে সে চলে যায়। ছেলেদের সন্ধা পর্যন্ত ভলিবল খেলার কথা। কিন্তু আজ আগে আগেই নেট গুটিয়ে ফেলা হয়েছে। দেখতে দেখতে সবাই চলে যায়। আমি তবুও থেকে যাই।
জানতাম, সন্ধার পর আমার আর যাওয়া হবে না। যাওয়ার ইচ্ছেও ছিল না। তা ছাড়া আজকাল মানুষের মৃত্যু আমাকে আর ভাবনা তাড়িত করে না। তবুও একবার মনে করতে চেষ্টা করি, জীবনে সর্ব প্রথম কাকে মরতে দেখেছিলাম। মনে পড়ে সেই ছয় কি সাত বছর বয়সে হবে। আমাদের এলাকার মেয়র মারা গিয়েছিলেন। তাঁকে দেখতে অনেক বড় বড় মানুষ এসেছিলেন। আমি ভীড়ের মধ্যে সেটা উপভোগ করতে গিয়েছিলাম।
এরপর আর ওই বিষয়টা নিয়ে আমার মাথা ঘামানোর আগ্রহ ছিল না। মাথা ঘামাইও নি। তবুও দুদিন পর ব্যাপারটা আবার আমার চোখের সামনে চলে আসে। সকাল বেলায় দেখি, নির্ঝরের মেজো বোনটা রাস্তার পাশে স্বজনদের ধরে হাউমাউ করে কাঁদছে। দীর্ঘদিন সে আমার ক্লাসমেট ছিল। আমার এক বন্ধুর সাথে অনেক দিন প্রেমও করেছে। তাঁরপর আর এক ছেলের সাথে সম্পর্কে করে সরে গেছে। এখন এক জার্মান প্রবাসী স্বামীর সাথে সংসার করছে। তাঁকে এভাবে দেখে, না চাইতেও আমার বুকের ভেতর একটা অচিন ব্যাথা অনুভূত হয়। আমি জানি না, এর অর্থ কী?
যদিও স্পষ্ট মনে করতে পারি, আর একবার আমার এমন হয়েছিল। যেদিন এই মেয়েটার বাবা মারা গিয়েছিল। আমার বন্ধুটি আমাকে তাঁর প্রেমিকার সাথে দেখা করার জন্য সাথে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁদের বারান্দায় দাঁড়িয়ে মেয়েটার সাথে দেখা করেছিলাম। সেদিনও সে ছিল বিধ্বস্ত। তাঁর চাহনীতে ছিল অসহায়ত্বের গভীর ছাপ। মনে হয়েছিল সে প্রায় নিঃস্ব। বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয়তা বোধ ক্রমশ হারিয়ে ফেলছে। যেকোনো সময় তীব্রভাবে ভেঙে পড়তে পারে। তখন আমার মূখে সান্তনা দেওয়ার কোনো ভাষা ছিল না। আজও নেই।
আনমনে ভাবি, মৃত্যু কেন এত নিষ্টুর?
মাঝ রাতে স্বপ্নে দেখি, প্রায় এক দশক পেছনে চলে গেছি। ছোট নির্ঝর আমাদের ভয়ংকর ফাস্ট বোলিং পিচে তাঁর বন্ধুকে নিয়ে খেলতে এসেছে। ব্যাটিং করার সময় আমাদের সাইজের ব্যাটটা সে ঠিকমতো তুলতেই পারতো না। তবুও পিচে টিকে থাকার জন্য কী চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞাই না ছিল ওঁর। অবশ্য আমরা ওঁকে খুব আস্তে আস্তে বল করতাম। যেন ব্যাথা না পেয়ে যায়।
সে সময়, প্রতি বিকেলে মাঠের পাশের রাস্তা দিয়ে নির্ঝরের ছোট বোনকে তাঁর মায়ের সাথে ঘুরে বেড়াতে দেখতাম। মহিলা বাসায় বাসায় খুব বেড়াতে পছন্দ করতেন। তারপর দেখতে দেখতে নির্ঝরের ওই বোনটা বড় হয়ে উঠেছিল। আমার ক্লাসমেটের কিছুদিন পরই তাঁর বিয়ে হয়ে যায়।
আজ সে কবরের বাসিন্দা।
হঠাৎ করে স্বপ্নের মাঝ পথে ঘুম ভেঙে গেলে, কথাটা ভেবে আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি। অনেক্ষণ আর চোখে ঘুম আসে না। একবার পাশে ঘুমের দেশে তলিয়ে থাকা রিহানীর দিকে তাকাই। কী নিষ্পাপ চাহনী। আমার খুব মায়া হয়। যদি সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে সেও একদিন?
আমি আর ভাবতে পারি না।
এক সময় মনে হয়, ওঁকে জাগিয়ে তুলি। কয়েকটা কথা বলি। খুব গুরুত্বপূর্ণ সেই কয়েকটা কথা। আবার মনে হয়, ওঁর সুন্দর ঘুমটা কেন ভাঙাবো? সকালেই তো বলতে পারি। কিন্তু রিহানীকে না জাগিয়ে আমার আর ঘুম আসে না। না বলতে পারা কথাগুলো যেন বের হতে না পেরে, ভেতরে গরম আগুন হয়ে হল্কা তুলছে। আমি এ যন্ত্রণা কিছুতেই সহ্য করতে পারি না।
অবশেষে তাই রিহানীকে জাগিয়েই তুলি।
কী হয়েছে?
জেগেই সে জানতে চায়।
আমি গম্ভীরভাবে বলি, তোমাকে একটা কথা বলতে চাই। মনে হচ্ছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আমার কথা শুনে সে খানিক বিরক্ত হয়। ওঁর কপালে কুঁচ পড়েছে। বুঝতে পারি, এই মুহুর্তে জাগার জন্য সে প্রস্তুত ছিল না। টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে দিতে দিতে তবুও সে বলে, কী বলবে বল।
আমি বলি, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা কোনোদিন সন্তান নেব না।
মানে?
রিহানী ভ্রু কুঁচকে তাকায়। এখন সে আরও বেশি বিরক্ত।
আমি আর কিছু বলতে পারি না।
সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে একটা মেয়ের আসলে ঠিক কতটা সমস্যা ফেস করতে হয়, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই নেই। আমি জানি না কী থেকে কী হয়। কেন তাঁরা মারা যায়? তাই নিজের বউয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আমাকে আতংকিত করে তুলে।
আমি শুধু সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখি, আমার বউ কখনো মা হবে না।
(প্রিয় ডট কমে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল)
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৯
ফয়সল সাইফ বলেছেন: একসময় তার প্রতি এই ভালবাসা আর থাকবেনা
আপনি ঠিক বলেছেন।
২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৯
মেহেরুন বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম। আপনার ভয় ভিতি অমূলক ভাইয়া। সব ক্ষেত্রেই এরকম দুই একটা সমস্যা থাকতে পারে, তাই বলে আপনার স্ত্রী কে মাতৃত্বের স্বাদ নেয়া থেকে বঞ্চিত করা ঠিক হবে না। আমি নিজেও একজন মা। আমার মত লক্ষ কোটি মাকে জিগ্যেস করুন জানতে পারবেন মাতৃত্বের স্বাদ কি। পৃথিবীর কোন কিছুর সাথে এর তুলনা চলে না। একটি সন্তান আপনার জীবন কে বদলে দিবে।
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেনঃ মনে রাখবেন, নারীর প্রকৃত সম্মান তার মাতৃত্বে। কোন অবস্থাতেই একে অসম্মান করবেন না। আপনি যদি আপনার ভালবাসার মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে তাকে মাতৃত্বের স্বাদ বঞ্চিত করেন, একসময় তার প্রতি এই ভালবাসা আর থাকবেনা। সো, বি কেয়ারফুল!
কথা কিন্তু সত্যি। মা হতে না পারা এক্সময় আপনার স্ত্রীর জীবনে হতাশার কারন হয়ে দাঁড়াবে। আরে ভাই, রিস্ক কোন জায়গায় নাই বলেন?? তাই বলে কি অমৃতের স্বাদ নেয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখলে চলবে?? এতে লাভ কারোই হবে না। বরং এক সময় অনুভব করবেন একটা সন্তানের জন্য শূন্যতা।
সুতরাং, যদি আপনি সত্যি লিখে থাকেন তবে এইসব ভয় দূরে ঠেলে আপনি ও আপনার স্ত্রী মা-বাবা হবার মত সৌভাগ্য অর্জন করুন। শুভ কামনা রইলো।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৮
ফয়সল সাইফ বলেছেন: শুভ কামনা।
৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:২৫
এহসান সাবির বলেছেন: মেহেরুন বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম। আপনার ভয় ভিতি অমূলক ভাইয়া। সব ক্ষেত্রেই এরকম দুই একটা সমস্যা থাকতে পারে, তাই বলে আপনার স্ত্রী কে মাতৃত্বের স্বাদ নেয়া থেকে বঞ্চিত করা ঠিক হবে না.....
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪২
ফয়সল সাইফ বলেছেন: এটা একটা ব্যাপার বটে।
৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৩
ঢাকাবাসী বলেছেন: আচ্ছা আপনার বয়স তো ২৫ ই পেরোয়নি তা বিয়ে করলেন কিভাবে, কেন?
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৫
ফয়সল সাইফ বলেছেন: কল্পনা করুণ, এটা জাস্ট একটা গল্প। তবে এমন একটা মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। আমি জাস্ট... লিখলাম আর কি।
৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৪
নতুন বলেছেন: সিজারিয়ান না নরমান ডেলিভারি হবে সেটা ডাক্তারই ঠিক করবে.... এটা আমাদের সিদ্ধান্ধ চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না....
পরিচিত ডাক্তারের পরামশ` নিলে টাকার উদ্দেশে সিজারিয়ান করাবেনা এটা একটা ভাল দিক....
দুনিয়ার কোন মেয়েই ডেলিভারির কস্টের জন্য মা হওয়ার দরকার নাই এটা মেনে নেবে না।
সুতরাং, যদি আপনি সত্যি লিখে থাকেন তবে এইসব ভয় দূরে ঠেলে আপনি ও আপনার স্ত্রী মা-বাবা হবার মত সৌভাগ্য অর্জন করুন। শুভ কামনা রইলো।
সন্দেহ না কেটে থাকলে আমাদের সাথে আরো আলোচনা করুন.... সবার অভিঙ্গতা শুনলে আপনার ভয় কেটে যাবে...
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪১
ফয়সল সাইফ বলেছেন: সরি আমি অবিবাহিত। এসব বিষয় নিয়ে ভাবছি না। শুভ কামনা রইল।
৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৫
মুহিব জিহাদ বলেছেন: বিপদে ডরেনা বীর, প্রত্যেকটা মেয়েই মাতৃত কালীন সময়ে বীরের পরিচয় দিয়ে থাকে। যদি সেটা না হত তবে কোন পিতািই পতৃত স্বাদ পেতনা
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪০
ফয়সল সাইফ বলেছেন: হেহেহহহে! ঠিক।
৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৫২
এনামুল রেজা বলেছেন: লেখাটা ভালো লিখেছেন। তবে গল্পের নায়কের ভীতিটা অমুলক.. ![]()
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৭
ফয়সল সাইফ বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। আমিও তাই মনে করি।
৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:১৯
নতুন বলেছেন: তবে গল্পের নায়কের ভীতিটা অমুলক..
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৮
ফয়সল সাইফ বলেছেন: সত্যি।
৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৮
নীলনদ বলেছেন: মানুষের জীবনে মৃত্যু হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতা রাস্তায় একসিডেন্ট হয় তাই বলে কি আপনি রাস্তায় নামবেন না আপনার স্ত্রী কে মাতৃত্বের স্বাদ নেয়া থেকে বঞ্চিত করা এটা একটা চরম অন্যায় হবে আপনার ওয়াইপ যখন একটা বাচ্চা আপনার কোলে তুলে দিবে তখন আগে আদর টা করবেন আপনার ওয়াইপ কে আপনার এখনকার ভালোবাসাটা তখন দ্বিগুন হয়ে যাবে সবকিছু প্রকৃতির উপর ছেড়ে দেন দেখবেন সবকিছুেই ঠিকঠাক মত চলছে তবে একটা বিষয় খুব গুরুত্বসহকারে নিবেন সেটা হচ্ছে আপনার ওয়াইপ কনসিপ করার পর তার সেবাযত্ন করা যেমন-সময়মতো মেডিকেল চেকআপ করানো খাওয়াদাওয়া, পুষ্টি ইত্যাদি বিষয় গুলো খুবই গুরুত্বসহকারে নিতে হবে আপনি এগুলো যতটা গুরুত্ব নিয়ে করতে পারবেন আপনার অনাগত সন্তান ও স্ত্রীর জীবন ততটা সংকামুক্ত হবে বাঁচা মরা ব্যাপারটা আল্লাহর উপর ছেড়ে দেন ভাল থাকবেন শুভ কামনা রইল
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৯
ফয়সল সাইফ বলেছেন: দুঃখিত ভূল বুঝবেন না। এটা মাত্র একটা গল্প। একটু ডিফরেন্ট আর কি।
১০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৪৪
দীপংকর চন্দ বলেছেন: প্রকৃতির নিয়মই মানুষকে টেনে নিয়ে যায় নির্ধারিত পথে।
আমার শুভকামনা জানবেন। অনিঃশেষ।
ভালো থাকবেন। সবসময়।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:১০
ফয়সল সাইফ বলেছেন: শুভ কামনা।
১১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:১৩
মামুন ইসলাম বলেছেন: হুম ঘটনা কি
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩২
ফয়সল সাইফ বলেছেন: কিছুই না, হুম।
১২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:২৩
প্রফেসর মরিয়ার্টি বলেছেন: দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এই ভয়ে নন্দলাল হয়ে ঘরে বসে থাকলে দুনিয়া চলবে ???
ভালবাসা মানুষকে মাঝে মাঝে বোকাও বানিয়ে দেয়।
গল্প পড়ে ভাল লাগল
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৩
ফয়সল সাইফ বলেছেন: গ্রেইট।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১০
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: শহরের মেয়েরা আরাম-বিলাসে অভ্যস্ত বলে এ ধরণের মেয়েদের সিজার ছাড়া অপারেশন অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ।
যদি আপনি চান আপনার বৌ নরমাল ডেলিভারি করুক, তবে কয়েকটি ব্যাপার খেয়াল করবেনঃ
পরিচিত গাইনী ডাক্তার ছাড়া কাউকে দিয়ে অপারেশন করাবেন না, সে যতই বিখ্যাত কেউ হোক না কেন।
ডেলিভারির আগ পর্যন্ত সেই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনি যে নরমাল ডেলিভারি করাতে চান সেটি তাকে জানিয়ে রাখুন।
গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমত হচ্ছে কিনা - ডাক্তারের মাধ্যমে তা জেনে নিন।
নরমাল ডেলিভারির জন্য আপনাকে কি কি করতে হবে, তাও ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন।
অনেক সময় পরিচিত ডাক্তার হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চাপে পড়ে নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা থাকলেও উনি সিজার করতে বাধ্য হন। সেক্ষেত্রে আসলে কিছুই করার নেই। বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগান।
মনে রাখবেন, নারীর প্রকৃত সম্মান তার মাতৃত্বে। কোন অবস্থাতেই একে অসম্মান করবেন না। আপনি যদি আপনার ভালবাসার মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে তাকে মাতৃত্বের স্বাদ বঞ্চিত করেন, একসময় তার প্রতি এই ভালবাসা আর থাকবেনা। সো, বি কেয়ারফুল!