নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবাই যখন নীরব, আমি একা চীৎকার করি \n--আমি অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করি।\n

গিয়াস উদ্দিন লিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেমব্রিজ বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম - যার গ্রন্থ কেমব্রিজ, অক্সফোর্ড, প্রিন্সটন, হার্ভার্ডসহ নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য। (এক পোস্টে ৫ জন)

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২১

প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন- ২৮,২৯,৩০,৩১,৩২ । [/su


২৮/ সানডে টাইমস অ্যাওয়ার্ড, ছোটগল্পের সংক্ষিপ্ত তালিকায় বাংলাদেশি তাহমিমা আনাম।



লিখালিখির জগতে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান পুরস্কার 'দ্য সানডে টাইমস ইএফজি সর্ট স্টোরি অ্যাওয়ার্ড'-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশি-বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখিকা তাহমিমা আনাম।
ছোটগল্পের জন্য সংক্ষিপ্ত এ তালিকায় তাহমিমা আনামের পাশাপাশি আরও পাঁচজন লেখক-লেখিকা, গল্পকার রয়েছেন। এরা হলেন: পুলিৎজার পুরস্কারবিজয়ী লেখিকা এলিজাবেথ স্ট্রাউট ও লেখক অ্যাডাম জনসন, ব্রিটিশ লেখিকা আন্না মেটক্যাফে ও লেখক জোনাথান টেল এবং কানাডীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখিকা মারজোরি সেলোনা।

ছোটগল্প 'আনওয়ার গেটস এভরিথিং'-এর জন্য তাহমিমা এই পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এর আগে তার 'এ গোল্ডেন এজ' বইটি কমনওয়েলথ রাইটার্স প্রাইজের 'বেস্ট ফার্স্ট বুক' পুরস্কার জিতে নেয়।
শৈশব-কৈশোর কেটেছে বাংলাদেশে। উচ্চশিক্ষা লন্ডনে। ক্রিয়েটিভ রাইটিংয়ে এমএ রয়েল হলওয়ে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন এবং নৃতত্ত্বে পিএইচডি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মাউন্ট হলিউক কলেজ থেকে।

দ্বিতীয় উপন্যাস দ্য গুড মুসলিম। এ উপন্যাসের বিষয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সমাজের অভিঘাত। তাঁর এ গ্রন্থ উইমেন এশিয়ান লিটারারি প্রাইজের জন্য ২০১১ সালে তালিকাভুক্ত হয় ।

বিশ্বমানের বিভিন্ন সাহিত্যপত্রে তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য লেখার মধ্যে সেইভিং দ্য ওয়ার্ল্ড, বাংলাদেশ এট দ্য ক্রসরোড, হেপি ৪০ বার্থডে বাংলাদেশ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরস লিগেসি লাইজ ইন দ্য ফ্রিডম, সিকিং উইমেন অব হিজ ফিকশন, এন এডুকেশন ইনসাইড বাংলাদেশেজ মাদ্রাসা, মাই হিরো রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন উল্যেখ যোগ্য ।

তার বাবা বাংলাদেশের ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম । দাদা রাজনীতিক ও খ্যাতিমান রম্যলেখক আবুল মনসুর আহমদ ।





২৯/ যুক্তরাষ্ট্রে লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড বিজয়ী সামিহা উদ্দিন।



যুক্তরাষ্ট্রের আগামী দিনের নেতৃত্ব বাছাই প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্বের পুরষ্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সামিহা উদ্দিন ।
শিকাগো শহরে ইলিনয়েস স্টেট আয়োজিত 'ইয়ুথ এক্সেল এ্যাওয়ার্ড' অনুষ্ঠানে সামিহা উদ্দিনকে এ পুরষ্কারে ভূষিত করেন ইলিনয়েস অঙ্গরাজ্যের সেক্রেটারি অব স্টেট জেসি হোয়াইট ।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এশীয় আমেরিকানদের মধ্যে নেতৃত্বে ও মানবসেবায় অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ প্রতি বছর এ পুরষ্কার প্রদান করা হয় ।
সামিহা উদ্দিনের পিতা কয়েস উদ্দিন , তাদের আদি নিবাস সিলেটে ।


৩০/ দুর্ধর্ষ গতির রেসিং ট্র্যাকে বিশ্ব মাত করা জুবায়ের হক ।



দুর্ধর্ষ গতির রেসিং ট্র্যাকে বিশ্ব মাত করা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১৭ বছর বয়সী জুবায়ের হক বর্তমানে ব্রিটেনের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় মটোরেসার হিসেবে বিবেচিত । এই বয়সেই দুর্ধর্ষ গতির রেসিং ট্র্যাকে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ঝলক দেখিয়ে বিশ্ব মাত করেছেন তিনি।

জুবায়েরের অদম্য সাহস আর রেসিং দক্ষতা দেখে মটোরেসিং জগতের নামি প্রতিষ্ঠান ডেটোনা কর্তৃপক্ষ নিজেদের জুনিয়র রেসিং স্কুলে ভর্তি করে নিল জুবায়েরকে । সেখান থেকেই তার ক্যারিয়ার শুরু ।

জুনিয়র রেসিং জগতের অন্যতম জমজমাট লড়াই ইনকার্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারেই ট্রাকে নেমে দ্বিতীয় স্থান জিতলেন জুবায়ের ।
২০০৬ সালে ম্যানচেস্টার চ্যাম্পিয়নশিপে অর্জন করেন তৃতীয় স্থান । ২০০৭ সালে ইনডোর ক্যাডেট ক্লাস চ্যাম্পিয়নশিপে হন দ্বিতীয় ।
এ জন্য মোট ১৮টি রেস সম্পন্ন করেতে হয়েছিল তাঁকে । ২০০৮ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে পেয়ে যান জাতীয় পর্যায়ের রেসিংয়ে অংশ নেওয়ার লাইসেন্স ।


নিজের কৃতিত্বের পুরস্কার স্বরূপ ডেটোনা কর্তৃপক্ষ থেকে পান অস্ট্রিয়ার বিখ্যাত রোটেঙ্ কম্পানির রেসিং ইঞ্জিন এবং চেসিস ।
তখন জুবায়ের ছাড়া বিশেষ এই ইঞ্জিন ও চেসিস পুরো যুক্তরাজ্যে ছিল মাত্র দুটি । ২০১১ সালে ব্রিটিশ স্কুলস কার্টিং চ্যাম্পিয়নশিপ বিজয়ী হন ।

২০১২ সালে এমএসএ ব্রিটিশ চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম হন জুবায়ের ২০০৯ সালে এশিয়ান ইমেজ অ্যাচিভমেন্টে স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি।
এই বছর ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডাকসাইটে ব্যক্তিত্বদের নিয়ে প্রতিবছর প্রকাশিত
''ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ট ইন্সপিরেশন ১০০'' নামের বার্ষিক প্রকাশনায় নাম উঠেছিল জুবায়ের এর ।
১৯৯৬ সালের ১৮ জুলাই ইংল্যান্ডে জন্ম জুবায়ের হকের। পিতা মাশুকুল হক , মাতা মা রহিমা খাতুন । দুজনেই ১৯৭০ সালে ব্রিটেন পাড়ি জমান ।
জুবায়ের এর পৈতৃক নিবাস সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায় ।


৩১/ আমেরিকার ‘ইয়ং গভর্নমেন্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অব দ্য ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী প্রকৌশলী আশেক রহমান ।



২০১৩ সালে আমেরিকান সোসাইটি অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স (মেট্রোপলিটান সেকশন) ‘ইয়ং গভর্নমেন্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অব দ্য ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ড জয় করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রকৌশলী আশেক রহমান । মেট্রোপলিটন এলাকার পাবলিক সেক্টরে কর্মরত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা একজন তরুণ ইঞ্জিনিয়ারকে প্রতি বছর এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়ে থাকে। ১৯৯১ সাল থেকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা শুরু করে আমেরিকান সোসাইটি অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স।

অসামান্য প্রতিভার অধিকারী আশেক রহমান শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই মেধাবী । তিনি ২০০৩ সালে আমেরিকার শ্রেষ্ঠ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের একজন হিসেবে পান ‘ন্যাশনাল অনার রোল’। সে বছর ন্যাশনাল অনার রোল ম্যাগাজিন আশেক রহমানের ছবি এবং বায়োগ্রাফি আমেরিকার শ্রেষ্ঠ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে প্রকাশ করেছিল ।

স্কুল জীবনে নিউইয়র্কের কুইন্সের হোরাসে গ্রীলে জুনিয়র হাইস্কুলে তিনি ১৯৯৭, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে ‘প্রিন্সিপালস অনার রোল’ পেয়েছিলেন । বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই কৃতী ছাত্র প্রকৌশলী আশেক রহমান বর্তমানে নিউইয়র্ক মহানগরীর ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশনের ট্রাফিক ও প্ল্যানিং বিভাগে প্রোজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন ।

১৯৮৫ সালের ১৫ নভেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন আশেক রহমান । প্রবাসী শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী পারভীন রহমানের ছোট ছেলে আশেক রহমান ১৯৯৬ সাল থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে স্থায়ীভাবে নিউইয়র্কে বসবাস করছেন।
তাঁদের গ্রামের বাড়ী বাংলাদেশের নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলায় ।

৩২/ কেমব্রিজ বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম - যার গ্রন্থ কেমব্রিজ, অক্সফোর্ড, প্রিন্সটন, হার্ভার্ডসহ নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য ।




মহাবিশ্বের পরিণতি কী হতে পারে বা কী হবে, এই জটিল বিষয়টা নিয়ে লেখা ড. জামাল নজরুল ইসলাম এর লিখা 'দ্য আল্টিমেট ফেট অব দি ইউনিভার্স' (মহাবিশ্বের চূড়ান্ত পরিণতি) বইটি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে ১৯৮৩ সালে প্রকাশ হওয়ার পর বিজ্ঞানী মহলে বেশ হই চই পড়ে যায়।

বইটি পরে জাপানি, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান, পর্তুগিজ ও যুগোস্লাভ ভাষায় প্রকাশিত হয়। ১৯৮৪ সালে সম্পাদনা করেছেন 'ক্লাসিক্যাল জেনারেল রিলেটিভিটি' এবং ১৯৮৫ সালে 'রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি'। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস তাঁর তিনটি বই প্রকাশ করেছে।

তিনটি বইই কেমব্রিজ, অক্সফোর্ড, প্রিন্সটন, হার্ভার্ডসহ নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য।
তিনি স্টিফেন হকিং কিংবা প্রফেসর আব্দুস সালামের মতো খ্যাতিমান বিজ্ঞানীদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাঁর প্রিয় বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন আবদুস সালাম, জোসেফসন, অমর্ত্য সেন এবং স্টিফেন হকিং।

দেশপ্রেমী এই বিজ্ঞানীর কেমব্রিজে অধ্যাপক হিসেবে ১৯৮৪ সালেই এক লক্ষ আটাশ হাজার টাকা বেতন পেতেন । দেশ মাতৃকার টানে উচ্চবেতন ও সন্মান জনক এই চাকুরী ছেড়ে তিনি দেশে ফিরে আসেন ।
যোগ দেন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে , বেতন একত্রিশ শত পঞ্চাশ টাকা ।

জামাল নজরুল ইসলাম কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বি.এসসি. অনার্স শেষ করে কেমব্রিজে পড়তে যান , কেমব্রিজ থেকেই ১৯৬৪ সালে প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যা বিষয়ের ওপর পিএইচডি করেন । একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে অর্জন করেনএসসি.ডি. (ডক্টর অব সায়েন্স) ডিগ্রি ।
তিনি কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব থিওরেটিক্যাল এস্ট্রোনমির স্টাফ মেম্বার ছিলেন।

তিনি লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে আরম্ভ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইন্সটিটিউট ফর অ্যাডভান্সড সহ অনেক খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রভাষক, ভিজিটিং অ্যাসোসিয়েট বা মেম্বার হিসেবে কাজ করেছেন ।


ড. জামাল নজরুল ইসলামের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, ঝিনাইদহ জেলায় । মৃত্যু ১৬ই মার্চ, ২০১৩ সাল ।

মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫০

প্রামানিক বলেছেন: এই লেখার অপেক্ষায় আমি থাকি। ধন্যবাদ

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমার বাড়ীতে প্রামানিক ভাই ? আর আমি বুঁদ হয়েছিলাম রিকির ‘অ্যাঞ্জেল অফ ডেথ’এ । :D
আপনার মন্তব্যে বরাবরই অনুপ্রেরনা পাই , আপনাকে ধন্যবাদ ।

২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫১

এহসান সাবির বলেছেন: চমৎকার সিরিজ...

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পাঠানতে মন্তব্য করায় ধন্যবাদ এহসান সাবির ভাই ।
(অনেক দিন আপনার কোন লিখা পাইনা ! )

৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৯

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: এই পর্বও ভালো হইছে। তাহমিমা আনামের লেখা পড়ছি। আর জামাল নজরুল ইসলামকে আমার দেশপ্রেমীক মানুষের আদর্শ উদাহরন মনে হয়।

পোসে প্লাস। :)

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ডঃ জাফর ইকবাল সহ আরও অনেক বিজ্ঞানীকে , নজরুল ইসলাম দেশে ফিরে আসায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন ।

ড. জামাল নজরুল ইসলাম এর লেকচার শুনার জন্য , স্টিফেন হকিং গোপনে সেমিনারে গিয়ে দর্শক সারিতে বসে থাকতেন ।
এঁরা একে অন্যের বাসায় অনেক বার খেয়েছেন ।
অমর্ত্য সেন যখন নোবেল পান , তার পূর্ব রাতে অমর্ত্য সেন ড. জামাল নজরুল ইসলাম বাসায় ছিলেন ।
কত বড় একজন বিজ্ঞানী ড. জামাল নজরুল ইসলাম !!

জানিনা এই দেশ তাঁকে কিভাবে মুল্যায়ন করবে !

৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৭

আমিনুর রহমান বলেছেন:



পোষ্টে +
চমৎকার সিরিজ। নাম না জানা বাংলাদেশী কৃতি সন্তানদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে আপনার এই পোষ্টের মাধ্যেমে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করবো আপনাকে।


ডাঃ জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। এমন দেশপ্রেমিক ও বিনয়ী ভালো মানুষ হাজার বছরেও জন্মাবে না।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক দিন পর আমিনুর রহমান ভাইকে দেখে ভাল লাগছে ,
সুন্দর মন্তব্যে অনুপ্রানিত ।
ড জামাল নজরুল ইসলাম স্যারের জান্নাত বাস কামনা করছি ।

৫| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৬

কলাবাগান১ বলেছেন: +++

তাহমিনার ছবির আগে জামাল নজরুল স্যারের ছবি থাকলে ভালো হত।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কমার্শিয়াল পলিসি এপ্লাই করেছি ভাই জান =p~

৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৯

আজাদ মোল্লা বলেছেন: চমৎকার জনাব লিটন ভাই ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ সুহৃদ আজাদ মোল্লা ।

৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াসলিটন ,




দুধর্ষ গতিতে জীবনের রেসিং ট্রাকে এগিয়ে যাক বাঙালীরা ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আহমেদ জী এস ।

৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৯

রঙিনমানুষ বলেছেন: খুব ভাল তথ্যবহুল একটা পোস্ট। পরের পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: নতুন অতিথি @ রঙিনমানুষ , আপনার জন্য শুভ কামনা ।

৯| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৪৪

কালীদাস বলেছেন: আপনার সিরিজটা খুবই আশাব্যান্জক, দেখলে ভাল লাগে বিদেশে কিছু বাংলাদেশি কতটা নিবেদিতপ্রাণ ছিল কাজের প্রতি। আপনাকে ধন্যবাদ এই সিরিজটার জন্য। এনিওয়ে, কিছু ফালতু লোকও এসেছে কিছু পোস্টে, যারা প্রথমআলো গং দ্বারা ওভাররেটেড। ফর ইনস্ট্যান্স, ইংল্যান্ডে কাউন্সিলর পোস্টে রিসেন্টলি যারা যাচ্ছে, সাবিরুল নামের এক রামছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা, তাহমিমা। এদেরকে এদের প্রতিবেশিরাও চেনে কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

যাই হোক, চালিয়ে যান। সিয়ার্স টাওয়ার যতদিন থাকবে, ততদিন জার্মানদেরকেও বলতে পারব- ঐটা আমার দেশের এক ইন্জিনিয়ারের নিজস্ব ডিজাইন!

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্য ভাল লাগলো । ''ওভাররেটেড'' বিষয়টা আমার মনে থাকবে ।
লেখিকা তাহমিমা আনাম কাউন্সিলর কিনা আমার জানা নাই ।
জার্মান প্রবাসী কালিদাস এর জন্য শুভ কামনা ।

১০| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৩

এস কাজী বলেছেন: গর্বিত যে জামাল স্যার আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছিলেন। উনার বেশ কিছু লেকচার সামনাসামনি শুনেছি। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতবাসী করুক। বাকিদের কথা জেনেও ভাল লাগলো গিয়াস ভাই।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:১৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আশা করি জনগন, রাষ্ট্র ও ইতিহাস এই গুণী মানুষটির সঠিক মূল্যায়ন করবে ।
আল্লাহ তাঁকে জান্নাতবাসী করুক। আমিন .।

১১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ২:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:




হুঁ, অনেকেই ভালো করছেন প্রবাসে।

তবে, লীডারশীপ এওয়ার্ড মেওয়ার্ডের দাম নেই।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই , ''লীডারশীপ এওয়ার্ড মেওয়ার্ডের'' একদম যে দাম নাই তা নয় , কারণ এরকম ''এওয়ার্ড'' আনার জন্য অতীতে
কাউকে রাষ্ট্রীয় খরচে উড়াল দিতে দেখেছি ।
আমি ''দাম নাই'' জাতীয় এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত যাদের উল্যেখ করেছি ,এরা বয়সে একেবারেই তরুন ,এঁদের আগামীতে অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
পোস্টটি কখনো আপনার দৃষ্টি সীমা এড়ায়না দেখে ভাল লাগছে । আপনাকে ধন্যবাদ ।

১২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৪০

রিকি বলেছেন: +++++++++++++++++++ এক পোস্টেই পঞ্চদান মেরে দিয়েছেন লিটন ভাই। :)

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: হাহাহাহা ধন্যবাদ রিকি ।

১৩| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৫২

সাহসী সন্তান বলেছেন: একের ভিতর পাঁচ, কি বলেন ভাই? সুন্দর পোস্ট!

শুভেচ্ছা জানবেন!

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সাহসী সন্তান , দারুণ আইডিয়া দিয়েছেন ভাই , আগামীতে এক পোস্টে পাঁচ জন না লিখে ''একের ভিতর পাঁচ''
লিখবো । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।

১৪| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৬

এইচ তালুকদার বলেছেন: আপনার এই সিরিজটা নিয়মিতই পড়ি তবে মন্তব্য এই প্রথম,কির্তীমানদের কাহিনী পড়তে ভালো লাগছে।আশা করি সিরিজটা আরও অনেকদিন চালিয়ে যাবেন।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাদের অনুপ্রেরণায় সিরিজের আরও কিছু পর্ব প্রকাশ করার ইচ্ছা রাখছি , আপনাকে ধন্যবাদ এইচ তালুকদার ।

১৫| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫০

জুন বলেছেন: আপনার সিরিজটি সত্যি উৎসাহব্যাঞ্জক এই প্রজন্মের জন্য

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার মন্তব্যটিও আমার কাছে উৎসাহব্যাঞ্জক , আপনাকে ধন্যবাদ জুন।

১৬| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৫

নুরুন নাহার লিলিয়ান বলেছেন: ভাই আপনার প্রতিটি পোষ্ট খুব ভাল লাগার । আমি যত ব্যস্ত থাকি পড়ার চেষ্টা করি। আমার মতো আরও অনেকেই হয়তো আপনার সুন্দর সুন্দর পোষ্ট গুলোর জন্য অপেক্ষা করে । নতুন প্রজন্ম এবং পিছিয়ে পড়া মানুষদের স্বপ্ন দেখাবে । অনেক শুভ কামনা ।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্যটি ভাল লাগলো , নুরুন নাহার লিলিয়ান আপনার জন্যও শুভ কামনা ।

১৭| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: সুন্দর প্রয়াস।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান মাহবুব ভাই ।

১৮| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান মাহবুব ভাই

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ,

১৯| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৬

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া ভেরি নাইস পোস্ট!!!!!!!

অনেকের অনেক কাজে লাগবে!!!!!!:)

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: শায়মাপুর পুটপ্রিন্ট এখন রীতিমত ''গোল্ডেন ডিয়ার'' , আমি ভাগ্যবান !!

২০| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৭

শায়মা বলেছেন: তোরা যে যা বলিস ভাই আমার সোনার হরিণ চাই.......:)

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ''সোনার হরিণ চাই'' বলে একজন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ বাঁধিয়েছিলেন :-P

২১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০৫

হানিফঢাকা বলেছেন: অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম- চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় উনাকে চিনতাম। উনার কথা শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। এই স্যার কে নিয়ে সবাই গর্ব করত। কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে উনার নাম দেশের খুব কম মানুষই জানে।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পৃথিবীতে অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম এর মত গুণী বেশি জন্মায় না । আমাদের সৌভাগ্য যে উনি এদেশে জন্মেছেন ।
দেশে এবং বিশ্বে এঁদের বেশি বেশি হাইলাইট হওয়া দরকার , বিদেশে নেগেটিভ ক্যারেকটারের মানুষের দেশ বলেই আমাদের পরিচিতি বেশি ।

২২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৪৯

মাহমুদুল হুসাইন বলেছেন: জামাল নজরুল, আমার প্যিয় একজন স্যার

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৫৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উনি আমাদের অনেকেরই প্রিয় , তবে প্রচার নাই , এইসব জ্ঞ্যানিরা আজীবন নিভৃতেই থেকে গেছেন ।

২৩| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৩৭

কালীদাস বলেছেন: হা হা, আমি এখনও প্রবাসী হলেও এখন আর জার্মান প্রবাসী নই। আগে ছিলাম বলে কয়েকজন ভাল জার্মান ফ্রেন্ড ছিল আর জার্মান ইন্জিনিয়ারিং সারা দুনিয়াতেই এলিট বলে ঐ লাইনটা লিখেছিলাম।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ও আমি ভুল বুঝেছিলাম , ''জার্মান ইন্জিনিয়ারিং সারা দুনিয়াতেই এলিট'' এ বিষয়টা মাথায় আসেনি ।
ধন্যবাদ কালীদাস ।

২৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২৪

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: জানেনইতো আমার কথা।। নূতন করে কি বলবো।। তবে দেরী হয়ে হয়ে গেলো কিছু বলতে।।
ভাল এবং সুস্থ থেকে জানয়ে যান,অবিরত এই কামনায়।। যদি উপস্থিত নাও থাকি।।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: শুভকামনার জন্য ধন্যবাদ সচেতনহ্যাপী ।

২৫| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১২

লাবনী আক্তার বলেছেন: বাহ! খুব ভালো পোষ্ট ভাইয়া। ভালো লাগল জেনে।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: লাবনীকে মনে হয় ''গল্পঃ চারশ পঁয়ষট্টি দিন'' পর দেখছি B-)

২৬| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৭

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: এঁরাই অামাদের দেশটাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন । শ্রদ্ধা এঁদের প্রতি! ধন্যবাদ অাপনাকে ।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ মিঃ রূপক বিধৌত সাধু ।

২৭| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৪

থিওরি বলেছেন: জামাল নজরুল ইসলাম স্্যারের প্রতি শ্রদ্ধা। ঝিনাইদহে তার বসভূমিকে জাদুঘর করা উচিৎ।
ধন্যবাদ লেখক।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ''ঝিনাইদহে তার বসভূমিকে জাদুঘর করা উচিৎ।'' সহমত ।
এই কীর্তিমানকে পাঠ্যসূচিতেও অন্তর্ভুক্তি করা প্রয়োজন ।

২৮| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৯

থিওরি বলেছেন: Click This Link
২০০১ সালের মাঝামাঝি সময়ে পৃথিবী অচিরে ধ্বংস হয়ে
যাচ্ছে- এ রকম একটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বিশ্বে।
বাংলাদেশের মতো পশ্চাত্পদ দেশে এই আতঙ্ক মারাত্মক হয়ে
দেখা দেয়ার আগেই আমাদের সব উদ্বেগকে প্রশমিত করেছিল
যাঁর অভয়বাণী তিনি জামাল নজরুল ইসলাম (আন্তর্জাতিক
পরিমণ্ডলে যিনি জে.এন. ইসলাম নামে পরিচিত)। কোনো
দৈবজ্ঞান নয়, তিনি রীতিমতো গণিতের হিসাব কষে জানান
যে, আমাদের সৌরজগতের অধিকাংশ গ্রহ প্রাকৃতিক নিয়মে
একই সরলরেখা বরাবর এলেও এর প্রভাবে এই গ্রহে অস্বাভাবিক
কিছু ঘটার আশঙ্কা নেই। জামাল নজরুল ইসলামের কথায় আমরা
ভরসা পেয়েছিলাম।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এই পোস্ট তৈরি করলে গিয়ে আমাকে আপনা প্রদত্ত লিঙ্ক থেকেও তথ্য নিতে হয়েছে ।
পাঠক জামাল নজরুল সম্পর্কে অধিকতর জানতে চাইলে , আপনার লিঙ্কটি কাজে লাগবে ।
আপনাকে আবারো ধন্যবাদ ।

২৯| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০৬

বোকামানুষ বলেছেন: দারুণ একটা সিরিজ ++++++

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ বোকামানুষ ।

৩০| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: যথারীতি চমৎকার, তবে প্রোফেসর ডঃ জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে আলাদা একটা পর্ব হওয়া উচিত ছিল। উনার মত কীর্তিমান এই দেশে আমি দ্বিতীয়টি খুঁজে পাই না।

সিরিজ চলতে থাকুক। +++

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: জন প্রতি এক পর্ব , সিরিজটি এমতই ছিল । দেখলাম পাঠক বোর ফিল করছে । তাই এক পোস্টে ৫ জনকে নিয়ে এসেছি ।
এতে বর্ণনাটা সংক্ষিপ্ত করে ফেলতে হয়েছে ।
ডঃ জামাল নজরুল এর উপর গ্রন্থের পর গ্রন্থ রচিত হলেও উনার আলোকিত জীবনের সব উঠে আসবেনা ।
পোস্টের সংক্ষিপ্ত পরিসরে আমি এই গুণীদের সম্পর্কে পাঠকের সামান্য আগ্রহ তৈরির চেষ্টা করেছি মাত্র ।
আপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগলো ।

৩১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৩৮

আমি তুমি আমরা বলেছেন: ড. জামাল নজরুল ইসলাম একজন মাল ছিলেন। মুহিতের মত মাল না, পজিটিভ অর্থে। দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার হল বাংলাদেশে ফিরে আসার পর উনার আর তেমন কোন গবেষনাকর্ম প্রকাশিত হয়নি।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা বেতনের স্থলে , যে দেশ উনাকে ৩ হাজার টাকা বেতন দিয়েছে , সেই দেশ যে উনাকে গবেশনা কর্ম
চালিয়ে যাওয়ার মত পরিবেশ , সুযোগ দিতে পেরেছে এমনটি মনে করার কারন দেখছিনা ।
আপনাকে ধন্যবাদ আমি তুমি আমরা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.