নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখি, ছবি তুলি আর সিনেমা বানাই ।
পড়ন্ত বয়সের লোকজনের মধ্যে ভোট দেওয়ার আগ্রহ কম থাকে। ভোট দেওয়ার আগ্রহ থাকে বেশি তরুণ এবং যুবকদের মধ্যে। নারীদের মধ্যে ভোটের আগ্রহ খুবই কম।
প্রত্যেক মানুষ যেহেতু কোন না কোন রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত তাই তারা ভোট কারে দিবে না দিবে আগে থেকেই ডিসাইট করে রাখে।
কোন রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচন বর্জন করে মানে অংশ না নেয় তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই ঐ রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী সমর্থকরা ভোট নিয়ে আগ্রহ দেখাবেনা।
ঘরের বউ ঝি'রা রাষ্ট্র ক্ষমতায় কে আইলো কে গেলো তার চাইতে বেশি ভাবে, আজকের দিনটাতো কোন রকম পার হইলো কালকের দিনটা কিভাবে পার করবো- সেই চিন্তা কইরা দিন কাটায়। ভোটের চিন্তা তাদের মাথায় আনার সময় কই!
দেশের বেশিরভাগ নারী ঘরের পুরুষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ঘরের পুরুষ যদি বলে তাইলেই তারা কেবল ভোট দিতে যায় নইলে তারা ঘরেই থাকে। কারে ভোট দিতে হবে সেটাও ঘরের পুরুষ ঠিক কইরা দেয়। খুব কম সংখ্যক নারীই নিজের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাইতে পারে ভোটের মাধ্যমে। অথবা বেশিরভাগ নারীর মধ্যেই ভোট দেওয়ার আগ্রহ থাকেনা!
আওয়ামীলীগ ২০০১ সালের নির্বাচনের পর কিভাবে নির্বাচন করতে হবে সেটা শিখে গেছে। আওয়ামীলীগ বুঝে গেছে যে দেশের বিশাল একটা গোষ্ঠী স্বাধীনতার বিরোধী ছিলো সেই দেশের মানুষকে ভোট দেওয়ার স্বাধীন অধিকার দিলে তারা ধর্মব্যবসায়ীদের আওয়ামী বিরোধী ফতোয়া খাই আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ভোট দিবে। আর তার সাথে আছে বামদের আওয়ামী বিরোধী ভাওতাবাজ ফিলোসফি।
আওয়ামীলীগ জানে যেকোন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ হেরে গেলে হেরে যায় বাঙলাদেশ আর জিতে যায় বাঙলাদেশের জন্মশত্রুরা।
নির্বাচন না দিলে গণতন্ত্র রক্ষা হয় না আর নির্বাচন দিয়ে মানুষ স্বাধীন ভাবে ভোট দেওয়ার পর আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আইতে না পারলে বাঙলাদেশের আখেরে কোন ফায়দা নাই। নির্বাচন দেওয়ার পরে রিপোর্ট চায় নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। রিপোর্টের উপরই নির্বাচন সুষ্ঠু হইছে কি সুষ্ঠু হয় নাই সেটা নির্ভর করে। আর কোন পর্যবেক্ষক যদি হামলার ঘটনার সাক্ষী হয়ে যায় তাইলে দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বইলা চালিয়ে দেওয়া যায়। কারণ দুনিয়ার সব নির্বাচনে হামলার ঘটনা ঘটে। বিনা হাঙ্গামা ছাড়া দুনিয়ার কোথাও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইছে এমন নজির নাই। তাই মোদ্দাকথা আওয়ামীলীগের নির্বাচনও দিতে হবে এবং সেই নির্বাচনে জিতেও আসতে হবে। অন্যথায় বাঙলাদেশের বিকল্প কোন উপায় নাই। ভালো থাকতে হইলে বাঙলাদেশকে আওয়ামীলীগকেই ক্ষমতায় রাখতে হবে। কারণ আওয়ামীলীগ ছাড়া বাঙলাদেশকে অন্য কেউই ভালো রাখতে পারেনা।
দ্যাটস অল ইউর অনার।
২| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪৭
মাহমুদুর রহমান বলেছেন: দেশের বেশিরভাগ নারী ঘরের পুরুষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ঘরের পুরুষ যদি বলে তাইলেই তারা কেবল ভোট দিতে যায় নইলে তারা ঘরেই থাকে। কারে ভোট দিতে হবে সেটাও ঘরের পুরুষ ঠিক কইরা দেয়। খুব কম সংখ্যক নারীই নিজের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাইতে পারে ভোটের মাধ্যমে। অথবা বেশিরভাগ নারীর মধ্যেই ভোট দেওয়ার আগ্রহ থাকেনা!
এখানে ব্যাপারটা বুঝতে হবে একজন নারী তার ঘর সামলাতে সামলাতে দিন পার করেন আর একজন পুরুষ তার অফিসে পত্রিকা কিংবা বাসা খবর দেখে দিন পার করেন।তাই একজন পুরুষের এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা বেশী। তাই সে তার সহধর্মিণীকে যা বলবেন সে তাই শুনবে।
৩| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৯
পলাশবাবা বলেছেন: মনে মনে ভাবি .।.।.। আইছে আরেক ইয়াবাখোর ।।
৪| ০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৫১
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: অনেকদিন পর আইছে এই মাল টা...
৫| ০৩ রা মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:২২
পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: খালি তেল আর তেল...
৬| ০৩ রা মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহা! কি খুশীর কতা!!!
বঙ্গবন্ধু থাকলে ঠাডায়া চটকানা মারতো সবটিরে!!!!
যেই নির্বাচনী রায় না মানার কারণে ভুট্টোরে সাইজ কইরা স্বাধীন বাংলাদেশ কায়েম করছিলেন
তারই রক্ত কিনা বাঙালীর ভোটাধিকার কাইড়া নিল!!!!!!!!!!!!!!
আর অমন চাটার ভক্ত আর চোর চামুচগো বঙ্গোপসাগরে চুবায়া মারতো!
©somewhere in net ltd.
১| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:২১
রাজীব নুর বলেছেন: যারা রাজনীতি করেন তারা মনে করেন দেশটা তাদের বাপ দাদার।
অমানুষ । আবার তোরা মানুষ হো ।