| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্বীন কফিল
পুরানো ক্ষেতের গন্ধে এইখানে ভরেছে ভাঁড়ার ; পৃথিবীর পথে গিয়ে কাজ নাই ,- কোনো কৃষকের মতো দরকার নাই দূরে মাঠে গিয়ে আর ! রোধ – অবরোধ – ক্লেশ – কোলাহল শুনিবার নাহিকো সময়,- জানিতে চাই না আর সম্রাট সেজেছে ভাঁড় কোনখানে ,- কোথায় নতুন ক’রে বেবিলন ভেঙে গুঁড়ো হয় ! আমার চোখের পাশে আনিও না সৈন্যদের মশালের রং দামামা থামায়ে ফেল,- পেঁচার পাখার মতো অন্ধকারে ডুবে যাক রাজ্য আর সাম্রাজ্যের সং !
ইসলামি জ্ঞান সম্পন্ন ও ভালো মুসলিমদের কাছে ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত কিছু তথ্য জানতে চাচ্ছি।
১। প্রতি বছর কত লক্ষ মুসলিম তীর্থযাত্রি কাবার সংলগ্ন হাজরে আসোয়াদ পাথরে চুমু খান তা হিসেবে আনলে সংখ্যাটা যে অর্ধ কোটির কাছাকাছি হবে তা নিশ্চিত। কিন্তু ক্যানো এই নিস্প্রান কালো পাথরে চুমু খাওয়া ? যে ধর্মে প্রতীক উপাসনার সকল ধরন নিষিদ্ধ ,যে ধর্মে চন্দ্র সুর্য গাছ পাথর পুজার মত প্রাক ইসলামি যুগের উপাসনার ধরনকে কঠোর ভাষায় নিষেধ করা হয়েছে এবং ঐ সব উপাসনা করা মুর্খতার শামিল হিসাবে আখ্যায়িত সেই ধর্মেই ক্যানো একটি বিশেষ আকৃতির প্রস্তর খন্ডকে পরম ভক্তিতে চুমু খাওয়ার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে?
২। একই ভাবে দেখা যাচ্ছে শয়তান এর প্রতীক তিনটি স্তম্ভ লক্ষ করে ঢিল ছোড়া হয় যেখানে ইসলাম ধর্মে মুর্তি পুজার বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আছে সেখানে প্রস্তর খন্ডকে শয়তানে প্রতীক হিসাবে ধরা ক্যানো পৌত্তলিকতার অংশ হবে না?
৩। আবু দার বর্নিত-" আমি বললাম, ও আল্লাহর রসুল, কোন্ মসজিদ সর্বপ্রথম তৈরী হয়েছিল? তিনি বললেন- মসজিদুল হারাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম- এর পর কোন্ টা ? তিনি উত্তর দিলেন- মসজিদুল আকসা। আমি জিজ্ঞেস করলাম- এদের মধ্যে কত সময় ব্যবধান ছিল ? তিনি উত্তর দিলেন- চল্লিশ বছর"।বুখারী, বই-৫৫, হাদিস-৬৩৬
উপরের হাদিস অনুসারে মসজিদুল আকসা বা সলোমনের টেম্পেল তৈরীর ৪০ বছর পুর্বে তৈরী হয় মক্কায় কাবা । আল আকসা মসজিদ তৈরি হয় সোলায়মান (আঃ) বা কিং সলোমনের হাতে। আর ইসলামি সোর্স অনুযায়ি কাবা তৈরি হয় ইব্রাহিম ও পুত্র ইসমায়েলের হাতে। এখন প্রশ্ন ঐতিহাসিক ভাবেই ইসমায়েল (আ
ও সোলায়মান (আ
এর মধ্যে ব্যাবধান কমপক্ষে ১,০০০ বছরে তাহলে ৪০ বছরে ব্যাবধানে ২ মসজিদ কিভাবে তৈরী হয়েছিলো? (আরও কাবার প্রতিস্টাতা হিসাবে বাবা আদমের নাম হিসাবে আনলেতো কোন কথাই নাই।)
তাহলে কোনটা সত্যি?
৪। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ি ইব্রাহিম (আঃ) শিশু পুত্র ইসমায়েল (আঃ) ও স্ত্রী হাজেরাকে মক্কা নগরে নির্বাসন দিয়েছিলেন। কেনান বা প্যালেস্টাইন থেকে মক্কার দুরত্ব আকাশ পথেই ১,০০০ মাইলের বেশি সেখানে বয়বৃদ্ধ ইব্রাহিম কিভাবে এদের নিয়ে ১,০০০ মাইল মরুভুমি পাড়ি দিলেন?
৫। স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। কোরান, ২:১২৭
তাহলে বাবা আদম প্রথম কাবা ঘর নির্মান করে সেখানে ইবাদত করতেন সেটা ভুল? এই কন্ট্রাডিকশন ক্যানো?
৬। কাবা ঘর আল্লাহ র ঘর হিসাবে অনাদি কাল থেকেই স্বীকৃত,খুব সুন্দর কথা। সেটা নিশ্চই নবী হিসাবে মোহাম্মদ (সাঃ) ও আল্লাহর নিজের খুব ভালো জানার কথা? তাই যদি হয় তাহলে ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্তির পরেও ক্যানো জেরুজালেমের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করা হলো এবং মেরাজে গিয়ে নবী ৫ ওয়াক্ত নামাজ সহ এত কিছু আনলেন শুধু কাবার দিকে মুখ করে ইবাদতের পারমিশনটা আনতে মদীনায় যাওয়ার সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হলো ক্যানো? এক কথায় নবুওত পাওয়ার পরেও দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ঘরের সামনে আল্লাহর ঘর বাদ দিয়ে ক্যানো নও মুসলিমদের জেরুজালেমে আল আকসার দিকে মুখ করে ইবাদত করতে হলো?
৭। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী কাবা ঘর পৃথিবীর কেন্দ্র স্থলে অবস্থিত (যদিও গোলকের আবার নিদৃস্ট কেন্দ্র কিভাবে হয় তা বোধের অগম্য) ।এবং কাবা ঘরের ঠিক সোজা উপরে ৭ম তথা শেষ বেহেস্তের বায়তুল মামুর অবস্থিত যেখানে প্রতি নিয়ত ৭০,০০০ ফিরিস্তা আল্লাহর কাছে মুনাজাত করে।
এখন পৃথিবী প্রতিদিন নিজ অক্ষে রেখায় একবার করে পাক খাচ্ছে, ও ৩৬০ ডিগ্রী ঘুরে আসছে যার ফলে দিবা ও রাত্রী হয়। এখন পৃথিবী ঘুরার ফলে তার পৃষ্ঠে অবস্থিত কাবা ঘরের অবস্থানের অবশ্যই পরিবর্তন ঘটছে তাহলে কি তার সোজা উপরের অবস্থান করা বায়তুল মামুর সহ সব বেহেস্তো চরকির মত ঘুরছে নাকি অপরিবর্তিত থাকছে? আবার পৃথিবী ৩৬৫ দিনে একবার সুর্যের চারিদিকে ঘুরে আসছে সেক্ষেত্রে কাবা ঘরের সাথে অদৃশ্য ভাবে যুক্ত বেহেস্তি স্থাপনাগুলোর কি অবস্থান দাড়াচ্ছে?
নাকি খোদা ও তার নবী মোহাম্মদ (সাঃ) তাদের সময়ের অন্যান্য আরবদের মতই পৃথিবী স্থির বলে ভাবতেন?
অনুগ্রহ করে আমার অজ্ঞতা দূর করুন। ইসলাম সম্পর্কে জানার প্রবল আগ্রহ থেকে তখন আপনাদের অনুমুতি নিয়ে আরো কিছু প্রশ্ন করবো।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৫
জ্বীন কফিল বলেছেন: সবচেয়ে বড় দুঃখ তারা নিজেরাও ব্যাক্তিগত ভাবে খুব কমই উত্তর খোঁজার চেস্টা করে।
২|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪৪
আবু সায়েদ মোহাম্মদ মাহমুদ বলেছেন: পুরান পাগলাদের চুলকানি শেষ তাই নতুন পাগলার আগমন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৩
জ্বীন কফিল বলেছেন: কি জিগাইলাম আর কি কহিলেন!
৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:১৫
পুংটা বলেছেন: সত্য কাজে কেউ নয় রাজি, সবি দেখি তানানানা.... ঠিকঠাক উত্তর চাই। আমিও বসলাম।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৬
জ্বীন কফিল বলেছেন: আমিওতো অপেক্ষায় আছি। উন্মুক্ত মন নিয়েই অপেক্ষায় আছি।
৪|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৪
তামীল০০৯৬ বলেছেন: আরজ আলী মাতাব্বরের বইগুলো পড়ে নিন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১০
জ্বীন কফিল বলেছেন: পড়ছি।
৫|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:০৪
রাহীম বলেছেন: এটা কি ধর্ম বিষয়ক জিজ্ঞাসার ব্লগ নাকি ?? নাকি এখানে ইসলামের বড় বড় পন্ডিতগনের মহাসম্মিলন ? এভাবে ব্লগে প্রশ্ন করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয় । ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে এই প্রশ্ন গুলো জানা কি খুব জরুরি ? বরং আপনি এই কথা বলুন আমি ঈমান এনেছি । ইসলামে জানার চাইতে মানার কথা বেশি । এর পর ও যদি আপনার জানার প্রতি আগ্রহ থাকে আমার সাথে ব্যক্তিগত ভাবে আলাপ করবেন । ইসলামে যে জিনিসগুলো করা অবশ্যিক তার লিংক ।
Click This Link
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৫৭
জ্বীন কফিল বলেছেন: ধর্মকে গ্রহন করার আগে তার সমন্ধে জানা যেকোন সুস্থ মানুষের জন্য জরুরি। না হলে কোনটা আসল আর কোনটা নকল ধর্ম তা বুঝবো কিভাবে? ধর্ম নিয়ে যদি ব্লগে জিজ্ঞাসা না করা যায় তাহলে সাড়া দিন ব্লগে এতো ধর্ম সংক্রান্ত বিশেষ করে ইসলাম নিয়ে পোস্ট ক্যানো। তার মানে কি যারা পোস্ট দেয় তারা সল্প জ্ঞান থেকে না বুঝে শুধু ইসলামের খাতিরে পোস্ট দিচ্ছে?
উত্তরগুলি আপনার জানা থাকলে এখানেই দিন না । কি সমস্যা?
আপনার সুচিন্তিত ব্যাখ্যার জন্য আমি অপেক্ষায় থাকলাম।
৬|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১৮
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পর্যবেক্ষণে।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৪৩
জ্বীন কফিল বলেছেন: আমি অপেক্ষায়
৭|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:২৭
নিম আল আশফাক বলেছেন: ভাইজান একটা কথা বলি কিছু মনে করবেন না, ধর্ম হচ্ছে পরিপূর্ণ বিশ্বাস, এইখানে সত্যিকার অর্থে কোন যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত সত্য কেউ আপনাকে দিতে পারবেনা, বা আপনি কখনই স্যাটিসফাইড হবেন না, তাই বলি কি, এই অনুসন্ধান বাদ দেন। নাইলে জাকির নায়েকরে জিগান, অবশ্য উনিও অনেক প্যাঁচ লাগান, তাই আপনার সত্য উদঘাটন মিশন অসমাপ্ত থেকেই যাবে। আমি নিজে পরিপূর্ন ধর্ম বিশ্বাসী মানুষ হওয়া সত্ত্বেও এমন সব প্রশ্ন আপনার মত মাথায় আসে যা শুনলে হুজুররা ইউটিউবের মত আমাকেও ব্যান করে রগ কাটতে আসবে। তাই আপনাকে ফ্রিতে একটা ভুয়া উপদেশ দেই, সূরা বাকারার ১৪২ আয়াত পড়ুন (নাস্তিক সম্পর্কিত), দেন জাস্ট ইগনোর !
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৪৪
জ্বীন কফিল বলেছেন: বিশ্বাস মানেই কি চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস!
৮|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৫৪
নিষ্কর্মা বলেছেন:
এইগুলা আমারও প্রশ্ন। অপেক্ষায় থাকলাম আমাদের ব্লগের হুজুররা কি বলে?
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:০৫
জ্বীন কফিল বলেছেন: আশাকরি জুম্মার আগেই ভাল কিছু উত্তর পাওয়া যাবে।
৯|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:০৫
আধারের কবি বলেছেন: ১ আর ২
Click This Link).html
৩ এর বেপারে পরে বলছি
৪
আরবের ইতিহাস সম্বন্ধে আরেকটু পড়ালেখা দরকার আপনার। আরবরা আকাশের তারা দেখে পথ চলতে পারে। পথে অল্প পরিমানে খেজুর গাছ, পানির ঝর্না থাকা অস্বাভাবিক না। এ ধরনের পথ আরবদের পার করতে হত বহিঃ বিশ্বে ব্যবসা ক্রার জন্যও।
৫
প্রশ্ন ক্লিয়ার না। কোন কন্ট্রাডিকশন দেখতে পাচ্ছি না।
৬
আল্লাহ তো এটাও জানেন আপনি সারা জীবনে কি কি করবেন। তারপরও আপনাকে বাচিয়ে রাখলেন কেন? আল্লাহ ঈসা (আ) এর উম্মতদের দিলেন জেরুজালেম আর এরপর পুর্বের সব কিতাব বাতিল করে মুহাম্মদ (সা) এর উম্মতদের দিলেন কাবা। এখানে কোন কন্ট্রাডিশন দেখছি না। আল্লাহ হয়ত কোন কারণে বা ইচ্ছায় মদিনায় যাওয়া পর্যন্ত কাবাকে কিবলা করার প্রয়োজন বোধ করেন নি।
৭
আপনি কি স্ট্রিং থিউরি পরেছেন? অনেক কঠিন গানিতিক বিশ্লেষণ দিয়ে ওখানে দেখানো হয়েছে বিশ্বে মাত্রা আছে ১০ টি। অথচ ১০০ বছর আগে কেউ এটা বললে তাকে পাগল ঠাওরানো হত। তার মানে কি ১০ মাত্রা সম্ভব না? আপনি যখন কোয়ান্টাম ফিজিক্স পরবেন তখন মাঝে মাঝে নিজের চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করবে। অসম্ভব সব ঘটনা যা ইন্দ্রিয় দিয়ে বুঝা যায় না।
আজকে আপনার কাছে মনে হচ্ছে
এখন পৃথিবী প্রতিদিন নিজ অক্ষে রেখায় একবার করে পাক খাচ্ছে, ও ৩৬০ ডিগ্রী ঘুরে আসছে যার ফলে দিবা ও রাত্রী হয়। এখন পৃথিবী ঘুরার ফলে তার পৃষ্ঠে অবস্থিত কাবা ঘরের অবস্থানের অবশ্যই পরিবর্তন ঘটছে তাহলে কি তার সোজা উপরের অবস্থান করা বায়তুল মামুর সহ সব বেহেস্তো চরকির মত ঘুরছে নাকি অপরিবর্তিত থাকছে?
এই ব্যাপারটা ইন্দ্রিয় দিয়ে বুঝার চেষ্টা না করে বিজ্ঞানের উত্তরের অপেক্ষা করুন।
Click This Link
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৬
জ্বীন কফিল বলেছেন: আধারের কবি আপনার প্রশ্নের উত্তর গুলি দস্তগীর লিসানীর উত্তরে দেয়ার চেস্ট করেছি । অনুগ্রহ করে মিলায় নিলে আমার একটু সুবিধা হতো আর কি। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১০|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:০৮
আধারের কবি বলেছেন:
goo.gl/Bou82
প্রথম লিংকটা
১১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:১২
নিষিদ্ধ নাগরিক বলেছেন: একমত ভাই আপনার সাথে তাই সরাসরি প্রিয়তে.....
তবে ভাই আমি একটা কথা বলব "আল-কুরান পড়েন অর্থ সহ আশা করি অনেক কিছুর উত্তর পাবেন, এখানে কোন বিভ্রান্তি নেই। আমি নিজেও হাদিস পড়ি না ইহা আমাকে সর্বদা বিভ্রান্ত করে।"
ভালো থাকবেন আর আল-কুরান এর কোন আয়াত নিয়ে প্রশ্ন থকালে অবশ্যই করবেন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৮
জ্বীন কফিল বলেছেন: অর্থ সহ পড়েইতো বিভ্রান্তি। তাই প্রশ্নের আগমন
১২|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:৩২
একলা বগ বলেছেন: হে মহাজ্ঞানী গুপ্তকেশ বিসর্জক নাস্তিক, হজরে আসোয়াদ পাথরে চুমা খাওয়া এবং একটা মূর্তিরে খোদা মনে করার পার্থক্য বুঝেন?
শয়তানের প্রতি পাথর নিক্ষেপের ঘটনার পিছনের ইতিহাস জানেন?
আগে এই দুই প্রশ্নের উত্তর দেন, এর পরে বাকি আলোচনা হইবে।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১০
জ্বীন কফিল বলেছেন: প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন করে করে মহাজ্ঞানীরা তাই জেনে আনন্দিত হলাম
১৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৪৪
নিষিদ্ধ নাগরিক বলেছেন: একলা বগ ভাই বগ বানান এটা " বক ".....................![]()
আপনি বিস্তারিত আলোচনা করুন দয়াকরে, আমরা মূর্খ মানুষ ভাই।
ভাই আল্লাহ সবই জানেন তবে সে এটাও জানত মানব ইতিহাসে কোটি কোটি মানুষ নিহত হবে ধর্মীও যুদ্ধে, তবে আল্লাহ কেন সকল নবীদের উপর একই গ্রন্থ নাযিল করলো না কেন? তাহলেতো এত দ্বিধা-বিভক্তি থাকত না।
মানলাম একসময় ছিল যাদু, কখনোবা কাব্য/ সাহিত্য , কখনো .......... সব মিলায় একটা অনেক মোটা গ্রন্থ নাযিল করত একবারেই তাহলেতো এত রক্ত আর লাশ দেখতে হইতনা মানব ইতিহাসকে।
বিভ্রান্তি (Confusing) কে সৃষ্টি করলো তবে?
পাপী কে তুমি না আমি একথা এখন একলা ভাবি।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১২
জ্বীন কফিল বলেছেন: গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন। সব ধর্মের ধার্মিকদের কাছেই উত্তরের দাবি রাখে।
১৪|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪০
একলা বগ বলেছেন: পিছলায়া গেলে আলোচনার দরকার কি? সৎ সাহস থাকেল উপরের প্রশ্নের জবাব দিয়া দেখতে পারেন।
চুলকানি মার্কা প্রশ্ন কইরা গুপ্তকেশ বিসর্জন দেওয়া সহজ, কিন্তু সৎ সাহস নিয়া নিজের বিবেকের মুখোমুখি হওয়া অনেক কঠিন।
১৫|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২০
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: কফিল ভাই।
আপনার সাথে সম্পর্কটা অত্যন্ত মধুর। যারা শ্লেষ নিয়ে বাজে কথা লেখে তাদের ব্লগে আমরা অনেকেই যাই না। আপনি তা থেকে ব্যতিক্রম। তাই মধুর রেখেই পুরোপুরি বিষয়ভিত্তিক কিছু উত্তর দিচ্ছি, যা জানি।
আর একটা প্রস্তাবনা:
এক কাজ করলে কেমন হয়?
ইসলাম বিষয়ক যত প্রশ্ন আছে সেগুলো একটা পোস্টে করা এবং তার উত্তর দেয়ার ব্যবস্থা করা? এটা ভাল হয়, যদি পোস্টদাতা উত্তরগুলো দেয়। কারণ, তাহলে প্রতিটা প্রশ্নের নিচে উত্তর দেয়ার জায়গা থাকবে। করব নাকি এমন একটা পোস্ট?
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪৪
জ্বীন কফিল বলেছেন: অবশ্যই অমন পোস্ট করতে পারেন। আর মধুর সম্পর্ক আছেতো বটেই ।তবে আমি আমি মাঝেমাঝেই আতংকে থাকি ব্যাক্তি সম্পর্ক কখন না আবার বিশ্বাস গত কারনে
খারাপ হয়। কারন এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে না চাইলেও এমন সব বিষয়ের অবতারনা করতে হয় যা ধর্মানুভুতিতে আঘাত দিতে পারে অথচ ঐ সব প্রশ্ন নিরপেক্ষ বিচারে এড়ায় যাওয়া যায় না। যাই হোক আপনি যদি ধর্ম বিশ্বাস করে চুড়ান্ত ভাবে ধর্মের পক্ষে অবস্থান নেন তাতে আমার তরফ থেকে আপনার প্রতি কোনই অনুযোগ থাকবে না। কারন শেষ বিচারে ধর্ম বিশ্বাসের ব্যবপার। আমার উদ্দেশ্য নাস্তিক আস্তিক ইস্যুতে ক্যাচাল এখন যেই গালাগালি কাটাকাটি ছাড়া আর কিছু হয় না। এই অবস্থা থেকে বেড়িয়ে এসে জ্ঞান আর রেফারেন্স ভিত্তিক আলাপের পরিবেশ তৈরি করা। এখন আপনার ও অন্যান্যদের দেয়া উত্তরগুলি নিয়ে আলাপ শুরু করি।
১৬|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৮
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন:
প্রথম প্রশ্নের উত্তর:
ইসলাম সম্পর্কে আমাদের বাহ্যিক জানায় একটু গন্ডগোল থাকায় এই প্রশ্নটা প্রায়ই উপস্থাপিত হয়।
ইসলামে পূজা/ প্রার্থনা নিষিদ্ধ। কিন্তু পবিত্র বস্তুর প্রতি আদব নিষিদ্ধ নয়।
বরং কুরআন শরীফে এই বিষয়ক একটা আয়াত রয়েছে। (নিতান্ত প্রয়োজনে সেই আয়াত অবশ্যই আনতে হবে, যদি প্রয়োজন পড়ে।)
পবিত্র বস্তুর প্রতি আদব নিষিদ্ধ নয় বলেই, এই কাজ করা হয়।
হাজরে আসওয়াদ (হাজর= পাথর, আসওয়াদ= কালো) কে সাইয়্যিদুনা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়াসাল্লামা স্বর্গ থেকে আসা পাথর হিসেবে সম্মান করেছেন। স্বর্গ বিষয়টায় যেহেতু ইসলাম বিশ্বাস রাখে, সেখান থেকে এই পাথর আসার মধ্যে কোন কন্ট্রাডিকশন নেই। তিনি স্বর্গের সম্মানে এতে চুমু দিয়েছেন, যেহেতু তা মহান সৃষ্টিকর্তার সর্বব্যাপী ক্ষমতার নিদর্শন।
তিনি চুমু দেয়ায় তা মহিমাণ্বিত হয়েছে। তাই অন্যেরা চুমু দেয় এবং এর মাধ্যমে, মহামান্য রাসূল দ.’র প্রতি আদব প্রদর্শন এর মা্ধ্যমে এবং তাঁর কৃতকাজ অনুসরণের মাধ্যমে মুসলিমরা পাপমুক্ত হয় (অন্যের অধিকার হরণ ব্যতীত অন্যান্য পাপ যা তার নিজের উপরই বর্তায়)।
এই পাথরের বিলক্ষণ কোন পাপমুক্ত করার ক্ষমতা নেই। এটাই ইসলামের বিশ্বাস। বরং, এই নিদর্শনে সম্মান প্রদর্শনই পাপমুক্তি।
এই বিষয়ে হাদিস:
সাইয়্যিদুনা ফারুকে আজম উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বআল্লাহু আনহুমা কালো পাথরের কাছে গেলেন। বললেন, তোমার ক্ষমতা নেই আমার ভাল করা বা মন্দ করা।
(কারণ? উমার ইবনুল খাত্তাব রা. পূর্ব ঘোষিত পাপমুক্ত। তাঁর মুক্তির মাধ্যম হতে পারে না এই পাথর। দ্বিতীয় কারণ, পাথর পাপমুক্ত করে না।)
কিন্তু আমার রাসূল দ. তোমাকে চুমু দিয়েছেন। তাই আমি তোমাকে চুম্বন করছি।
অর্থ সুস্পষ্ট। রাসূল দ.’র ভালবাসায় কৃতকাজ যা সাধারণ মুসলিমদের উপর বর্তায় তা করা অত্যন্ত উত্তম শুধু এইজন্য যে, মুসলিম রাসূল দ. কে ভালবাসে।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩২
জ্বীন কফিল বলেছেন: হজরত ওমর বুঝতে পারছেন পাথরের কোন পাপ মুক্তির ক্ষমতা নেই অথচ নবী ক্যানো পারছেন না।যেখানে কোরানে অসংখ্যবার জড় বস্তুর অসাড়তার কথা বলা আছে। পাথরে বিশ্বাসীদের শিরক এর মত অপরাধী ভাবা হচ্ছে সেখানে আজরে আসওয়াদ এর কিভাবে পাপ দূর করার ক্ষমতা থাকে এবং একে ইসলামের মত কঠিন একত্ববাদের প্রিন্সিপালের ধর্মে পবিত্র বস্তু গন্য করা হয়? কি ব্যাখ্যা?
ইসলাম আগমনের পুর্বে এমন কি ইস্লামের নবী আগমনের অনেক আগে থেকেই মক্কার পৌত্তলিকরা এই পাথরকে সম্মান করতো। যা তাদের পৌত্তলিক আচারের গুরুত্বপুর্ন অংশ ছিলো। এখন ইসলামের নবীও ক্যানো পৌত্তলিকদের প্রথাকে নিজের করে নিলেন? অনিচ্ছাকৃত ভুল নাকি আরব প্যাগান রিচ্যুয়েলের ঐ অংশের বিরোধীতা করা নবীর পক্ষে সম্ভব হয়নি। নাকি ইসলামের প্যাগান রুটের ঐ অংশের কথা গুরুত্ব দিয়ে কেউ ভাবে নি বিধায় কালের আবর্তনে সেটা ইসলামের অংশে পরিনত হয়েছে?
* হাজরে আসওয়াদ নিয়ে আরও একটি ভীতিকর ইন্টারপ্রিটেশন আছে যা এখানে দিলাম না।
১৭|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর:
শয়তানের উদ্দেশে ঢিল ছোঁড়া।
বিবি হাজিরা রাদ্বআল্লাহু আনহা শয়তানের বিরুদ্ধে যেখানে পাথর ছুড়েছিলেন সে সুনির্দিষ্ট স্থানটি চিহ্নিত করার জন্য তিনটি পাথর স্থাপন করা হয়েছে।
এই পাথর তিনটি শয়তানের আকৃতি নির্দেশ করে না। আকার নির্দেশ করে না। এইভাবে পাথর অন্যত্র স্থাপন করা হয়নি।
শুধু স্থান নির্দেশে পাথর স্থাপন করা হয়েছে, আকৃতি প্রকৃতি ও গঠন নির্দেশে নয়।
তাই তা মূর্তি নয় এবং পৌত্তলিকতা নয়।
আর ইসলাম ধর্মে সুমহান নবী আলাইহিমুস সালাম ও তাঁদের পরিবারবর্গের সম্মান অত্যন্ত উচু।
এই উচ্চ সম্মানই নির্দেশিত হয়, যে স্থানে তিনি বা তাঁরা যে স্মৃতিময় কর্ম করেছেন, তা মুসলমানরা রিচুয়াল হিসাবে পালন করে।
এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁদের সম্মান ও উচ্চতা প্রকাশিত হয় এবং মুসলিমদের রাসূল দ. ও অন্যান্য নবী আ.’র পরিবার পরিজনের উচ্চতম সম্মান সম্পর্কে স্মরণ আসে।
ইসলামে রিচুয়াল হিসাবে কিছু পালন করা কখনোই নিষিদ্ধ ছিল না। পৌত্তলিকতা নিষিদ্ধ। আর শয়তানের স্থাননির্দেশক না দিলে পঞ্চাশ লক্ষ হাজি কখনোই সে স্থান দূর থেকে ডিটেক্ট করতে পারতেন না।
পাথর ছোড়া স্থান দূর থেকে চেনার জন্য তা করা হয়েছে। মূর্তি হিসাবে নয়।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:১৪
জ্বীন কফিল বলেছেন: (১ নং এর বিষয়ে সবার শেষে আসি কারন ঐটা সেন্সিটিভ। )
পয়েন্ট ১- এরমানে আপনি বলতে চাইছেন শয়তানের স্তম্ভর প্রতি পাথর নিক্ষেপ যেহেতু আচারের একটা অংশ কাজেই তা বিনা প্রশ্নে পালন করাই ঈমান ও আদব। কারন নবী ও তার পুর্ব পুরুষরা কোরে গেছেন। এখন নবীর পুর্ব পুরুষরাতো পৌত্তলিক ছিলেন এমন কি নবীর চাচা যিনি এতিম অসহায় শিশু নবীকে পিতার স্নেহে লালন করেছেন তিনি পর্যন্ত পৌত্তলিকতার কারনে দোজখে গোড়ালি পর্যন্ত আগুনে জ্বলবেন সেখানে অতীতের পুর্ব পুরুষরা যে আচরন করে গেছেন তা ধরে রাখা নবির জন্য কতটা যৌক্তিক?
পয়েন্ট-২
আচ্ছা বিবি হাজেরা যে ঐ স্থানেই পাথর ছুড়ে শয়তান কে তাড়িয়েছেন তা সুনিদৃস্ট ভাবে কিভাবে নির্ধারিত হলো। কারন হাজেরা যখন ইসমায়েলকে নিয়ে মক্কায় আসেন(ইসলামের কথা অনুযায়ি) সেখানে কোন জন বসতি ছিলো না জন বসতি থাকলে তারাই পানির ব্যাবস্থা করতো।
পয়েন্ট-৩
৫০ লক্ষ হাজ্বীর ডিটেক্ট করার সুবিধার্থে যদি শয়তানের অবস্থান পিলারে মাধ্যমে নির্ধারুন করা হয় তখন কয়েক বিশ্বের কোটি কোটি পৌত্তলিক এর বিমুর্ত ঈশ্বরের অবস্থা ডিটেক্ট করার জন্য প্লেইন শিব লিঙ্গের ব্যাবহার কিভাবে দোষনীয় হয়? আর ঈশ্বরের অবস্থান ডিটেক্ট করার জন্য প্রতীকের ব্যবহার যদি দোষনীয় হয় তাহলে শয়তানের অবস্থা ডিটেক্ট করার জন্য স্থাপনার ব্যাবহার রিচ্যুয়াল পালনের নামে কেন ইসলামের মুল প্রিন্সিপাল লঙ্ঘন নয়? নাকি এগুলি অন্যান্য ধর্মের মতই ইসলামে থেকে যাওয়া প্যাগান বিশ্বাসের অবশিস্টাংশ?
পয়েন্ট ৪-
নাক চোখ বিহীন সিম্পল স্থাপনা শয়তানের পিলারে ঢিল ছোড়া যদি দোষনীয় না হয় তাহলে তর্কের খাতিরে কি বলা যায় যে ২১ শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় শহীদ মিনারে সৌদি গ্রান্ড মুফতিকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর আমন্ত্রন করলে তিনি ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারনে তা নাকচ করবেন না?
১৮|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪৯
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর:
চল্লিশ বছর আগে তৈরি করা।
ইসলাম ধর্মে সত্তর এবং চল্লিশ, এই দুইটা সংখ্যাকে ইনফাইনাইট এবং অনেক বেশি সংখ্যার প্রতীক নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এমন অসংখ্য নজির ইসলামের হাদিস এমনকি কুরআনে পাওয়া যায়।
অনেক বেশি আগে তৈরি’র সংক্ষিপ্তসার চল্লিশ বছর দিয়ে বোঝানো হয়।
একেকটা বিষয় একেক জনপদে একেকভাবে আসে। যেমন, বৌদ্ধ ধর্মেও চল্লিশ দিয়ে ইনফাইনাইটকে নির্দেশ করা হত। মিলেনিয়াম দিয়ে হাজার বছর নির্দেশ করা হয়। আমরা চোদ্দ পুরুষ বা চোদ্দবার করে বললাম বলতে নির্দেশ করি অনেকবার বললাম। জনসমাজে প্রচলিত শব্দের মাধ্যমে গাণিতিক অনেকগুলো বিষয় সরল করে বলার ধারা আজকে নতুন নয় এবং সব জনপদেই তা প্রচলিত ছিল।
দেখবেন, চল্লিশ গুণ সওয়াব, সত্তর গুণ সওয়াব। চল্লিশ বছরের ইবাদাত নষ্ট, সত্তর বছরের ইবাদাত নষ্ট... এমন অনেকগুলো তথ্য ইসলামে রয়েছে। এই চল্লিশ এবং সত্তরগুণ বা বছর বা এই ধরনের সংখ্যাগুলোকে দুটা অর্থে ব্যবহার করা হয়, অসীমের ক্ষেত্রে ইনফাইনাইট এবং সসীমের ক্ষেত্রে অনেক অনেক আগে বোঝাতে।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৫
জ্বীন কফিল বলেছেন: এর মানে কি ঐশ্বরিক গ্রন্থ হিসাবে আল কোরান ও কোরানে বর্নিত ঈশ্বর আল্লাহর সংখ্যাতাত্বিক জ্ঞান আরবের ঐ অংশের সীমাবদ্ধ জ্ঞানের বাইরে যেতে পারেনি?
ইসলামের উৎপত্তি স্থল থেকে কিছু দুরত্বে অবস্থান করা ইরাকী ও মিশরিয়দের বহু আগেই গনিত ও সংখ্যাতত্বে যথেস্ট জ্ঞান ছিলো তাহলে ঐ সব এলাকার থেকে খুব বেশি দুরে নয় আরবের ঐ অঞ্চলে কেন একেবারেই স্থানীয় দুর্বল জ্ঞানের ভিত্তিতে ঈশ্বর নির্দেশনা দিচ্ছেন? ইসলামতো একেবারে ক্ষুদ্র এলাকা ভিত্তিক স্থানীয় কোন ধর্ম না।
১৯|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৫৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: চতুর্থ প্রশ্ন:
পথ পাড়ি দেয়া।
এক হাজার মাইলের বেশি পাড়ি দিলেন, কারণ, ইসলাম ধর্ম একটি ধর্ম। এখানে শুধু লৌকিকতার কোন স্থান নেই।
এই ধর্মের মহান নবীরাও ওইশী ক্ষমতায় ক্ষমতাবান এবং ইসলাম ধর্ম এখনো ওইশী সাহায্য, ওইশী ঘটনাবলীতে বিশ্বাস রাখে এবং তা খুব স্বাভাবিক যা আজকাল একটু একটু প্রকটিত হচ্ছে।
মেক্সিকোর রেডিও মেকানিক হোসে সিলভা কালক্রমে সিলভা মেথড তৈরি করেন। তাঁর সিলভা মেথডে গ্রাজুয়েটরা যদি চোখ বন্ধ করে মানুষের রক্তচাপ মাপতে পারেন, বা ফুসফুসের ভিতরের ময়লা পর্যন্ত ডিটেক্ট করতে পারেন, তাহলে এই হল অসীমের পথে যাত্রা। যাকে আমরা গাল ভরে বলি অলৌকিক।
স্বভাবতই, অলৌকিক প্রকটিত হতে পারে কোন পর্যন্ত, তা আমরা নির্দেশ করতে পারি না।
আর একজন যত বয়োবৃদ্ধই হোন না কেন, মনোবলের মাধ্যমে স্বাভাবিক শারীরিক অবস্থায়ও হাজার মাইল মরু পাড়ি দিতেই পারেন, যদি কাজের ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাবান হোন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪০
জ্বীন কফিল বলেছেন: এর মানে বৃদ্ধ ইব্রাহিম যেখানে সন্তান লাভের আশা ছেড়ে দিতে পারেন সেখানে তিনি ৮৬ বছর বয়সে ১,০০০ মাইল ভয়ানক দুর্গম মরুপথ স্ত্রী সন্তান নিয়ে পাড়ি দিলেন শ্রেফ অলৌকিকতায় বা মনোবলের জোড়ে?! একটি বার মুসলিম হিসাবে চিন্তা না করে শ্রেফ নিরপেক্ষ ভাবে ভাবুন তা কতটা সম্ভব।
২০|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৫৬
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: পঞ্চম প্রশ্ন:
ক্বাবা গৃহের ভিত্তি।
ক্বাবা গৃহ অনেকবার ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে এটা ইসলাম নিজেই স্বীকার করে।
আর এই ধ্বংসপ্রাপ্ত স্তুপের উপরে পুনর্বার তিনি ভিত্তি স্থাপন করেছেন। এতে কোন কন্ট্রাডিকশন নেই।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৫
জ্বীন কফিল বলেছেন: স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। কোরান, ২:১২৭
আয়াতটি ভালো ভাবে দেখুন কোথায় মনে হচ্ছে যে পুরানো ভিত্তির উপরে এটা পুনর্নিমান করা হয়েছে? আয়াতে কি মনে হয় না যে ইব্রাহিম ও ইসমায়েলই এটা নির্মানের শুরু করেছিলো? আবার অন্য স্থানে কিন্তু বলা আছে কাবা হজরত আদমের তৈরী করেছিলেন। তাহলে কন্ট্রাডিকশন হলো না কিভাবে? এমন অসংখ্যা বৈপরিত্ব ভরা আছে ঐশি গ্রন্থ কোরানে।
২১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৫
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ষষ্ঠ প্রশ্ন:
কিবলা পরিবর্তন
আগে বিষয়টা নির্ধারণ করতে হবে, কিবলা হল উপলক্ষ্য। একটা সুশৃংখল জাতি একদিকে ফিরে সালাত আদায় করবে, এটাই স্বাভাবিক।
যেমন, একটা সেনাবাহিনী অথবা স্কুলের ছাত্ররা একসারিতে একদিকে ফিরে প্যারেড করে। যদিও এর বাহ্যিক ইমপ্লিমেন্টেশন তেমন নেই, কিন্তু এই একটা ঘটনায় তাদের একাত্মতা আসে। সাইকোলজিক্যাল ইমপ্লিমেন্টেশন অনেক বেশি।
মসজিদুল আকসাও অন্যতম হারাম শরীফ। এখানে কিবলা থাকার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র হওয়া না হওয়ার গুরুত্ব অতি সামান্য কিন্তু পুরো জাতির সাইকোলজিক্যাল একাত্মতায় গুরুত্ব অপরিসীম।
কিবলা যে কারণে পরিবর্তন হয়েছিল:
কারা রাসূল দ. কে বিনা দ্বিধায় অনুসরণ করে আরা কারা তাঁর কাজে কাজে প্রশ্ন তোলে। অর্থাত কারা তার অনুসারী এবং কারা তার ত্রুটি-অণ্বেষী অর্থাত কারা মুসলিমুন এবং কারা মুনাফিক্বুন তা আল্লাহ জানেন বলে বারবার জানিয়েছেন এবং এটা একটা সম্মেলনস্থানে প্রমাণ করে দিবেন বলে জানিয়েছেন কুরআনে।
এবং তারপর তিনি নামাজের ভিতরে ক্বিবলা পরিবর্তনের কথা জানালেন তাঁর রাসূলকে।
এবং সেই জামাতে তার সাথে সাথে বেশিরভাগ ফিরে গিয়েছিল কাবার দিকে। সামান্য যে কয়জন তাকে অনুসরণ করত না, তারা আগের দিকে ফিরেই নামাজ পড়ছিল।
পরে কুরআনে আবার সেই কথাটাও উল্লিখিত হয়েছে যে, বাস্তবতায় শুধু এই প্রদর্শণীর জন্যই তিনি নামাজের মাঝখানে কিবলা পরিবর্তন করতে বলেছেন।
আর ক্বাবা শরীফের মহান মসজিদ হওয়ার সাথে পরবর্তীতে কিবলা পরিবর্তনের কোন কন্ট্রাডিকশন নেই কেননা, মুসলিমরা এর দিকে ফিরে নামাজ পড়ত না ঠিকই, কিন্তু এটা যে সবচেয়ে প্রধান দুই উপাসনালয়ের একটা, তা তারা ঠিকই জানতো এবং মানত।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০০
জ্বীন কফিল বলেছেন: ভাই এইটাই সবচেয়ে কম কনভিন্সিং যুক্তি দিলেন মনে হয়। কাবার এতো মহত্ব এতো গুরুত্ব,দুনিয়ার বুকে খোদ আরশে আজিমের প্রভুর বৈশ্বয়িক অবস্থান কাবায়। বালাদিল আমিন মানে যে নগরী খ্যাত সে নগরির খোদার স্থাপনা ছেড়ে হাজার মাইল দুরে মসজিদুল আক্সার দিকে মুখ ফিরিয়ে নামাজ আদায় শুধু ডিসিপ্লিন ও আনুগত্য শিক্ষা দেয়ার জন্য?! ঘরের কাছে খোদার কিবলা ফেলে মেরাজের পরেও অনেক দিন জেরুজালেম কে লক্ষ কোরে সেজদা তো মক্কার মানুষের হজ্ব না পাওয়ার মত হয়ে যায়। ডিসিপ্লিনতো মক্কার দিকে মুখ করে নামাজ আদায়ের মাধ্যমেও সম্ভব।আরো বেশি সম্ভব সেখানে আল্লাহর ঘর।
নাকি ইসলামের নবী মক্কা ও মদীনায় বসবাসকারি ঐশি গ্রন্থধারী স্থানীয় ইহুদিদের সমর্থন প্রত্যাশা করছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত চুরান্ত বিচারে ইহুদিদের বিষয়ে চুরান্ত ভাবেই হতাশ হয়ে জেরুজালেমের বদলে কাবার দিকে মুখ ফেরানোর নির্দেশ দেন?
২২|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৬
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: সপ্তম প্রশ্ন:
বাইতুল মা’মুর এর অবস্থান প্রতীকীভাবে বোঝানো হয়েছিল।
বাস্তবতায় বাইতুল মা’মুর এর অবস্থান এভাবে নির্দেশ করার কিছু নেই।
কুরআনের অসংখ্য বিষয় প্রতীকীভাবে বোঝানো হয় যার অর্থ আমরা পরে বুঝতে পারি। আসুন তেমন একটা আয়াত দেখা যাক।
সূরা নূরের পঁয়ত্রিশ নাম্বার আয়াত (যেহেতু এখন হাতে কুরআন নেই, তাই হুবহু লেখা যাচ্ছে না বলে বিষয়টা উপস্থাপন করছি।)
আল্লাহ আসমান ও জমীনসমূহের নূর। তাঁর নূরের উপমা এমনি, যেন একটি দীপাধার (ক্যান্ডল স্ট্যান্ড, শরীর ধরে নিন), এর মধ্যে যা রয়েছে তা হল একটা ফানুস (একটা বেলুন ধরনের কিছু), মুক্তার মত জ্বলজ্বলে (মুক্তার মত রঙ হার্টের এবং তা পাম্প করে, পাম্প করাকে আমরা হাত দিয়ে যেভাবে নির্দেশ করি, সেভাবেই কিন্তু নক্ষত্রের জ্বলা-নিভাকেও নির্দেশ করি।) এর পাশে (ফানুসের পাশে) আছে একটা অলিভ গাছ, যা না প্রাচ্যে পাওয়া যায়, না প্রতীচ্যে ( এমন কোন বৃক্ষ, যা মাটিতে জন্মে না, ফুসফুস দেখুন, উল্টানো বৃক্ষ, হার্টের পাশে), এর যা তেল, প্রজ্বলিতকারী (ফুসফুস থেকে অক্সিজেন, মানব কোষের মূল জ্বালানী, তেল। নিজে জ্বলে না, কিন্তু প্রজ্বলিতকারী), এবং ফানুসের ভিতরে আল্লাহর নূর প্রজ্বলিত হয়অ
আল্লাহ উপমার মাধ্যমে তোমাদের কাছে ঘটনাসমূহ বর্ণনা করেন।
(যেহেতু এখন হাতে কুরআন নেই, তাই প্রয়োজনে আরো ক্ল্যারিফাই করা হবে)
বাইতুল মা’মুরের বিষয়টা উপমাশ্রয়ী। কারণ, ফিরিশতার যে ধারণা রয়েছে ইসলামে, সেটার জন্য থ্রি ডাইমেনশনাল স্পেস অপরিহার্য নয়। আর থ্রি ডাইমেনশনাল স্পেসের সাথে উপমা দিয়ে ওই যুগে বাইতুল মা’মুরের অবস্থান বর্ণনা করা ছিল এক কথায় অবাস্তব। কারণ, তখন শ্বাস নেয়ার পদ্ধতি এবং সেই হার্ট বা্ ক্বালবে আল্লাহর নূর তথা ভালবাসার অবস্থিতি এবং এর মাধ্যমে জীবন সঞ্জীবন প্রক্রিয়াই বোঝাতে হয়েছিল উপমা দ্বারা।
আর এর উপরে সাত আকাশ ভেদ করে বাইতুল মা’মুর উপমার ক্ষেত্রে অবস্থিতি আছে, কারণ, এখানে মানুষ আল্লাহর কাছে হাজিরা বোঝাতে তাওয়াফ করে, আর এমনিভাবে ফিরিশতারা তাওয়াফ করে।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৩
জ্বীন কফিল বলেছেন: প্রতীকি হলেতো কথাই নাই
তবে আক্ষরিক হলে তো সমস্যা। সুর্য, সৌর জগত, পৃথিবী সহ মিল্কীওয়ে গ্যালেক্সি প্রতি মুহুর্তে আলোক বর্ষের গতিতে ছুটে চলেছে। এখন কাবার সাথে বায়তুল মামুরের লিংক থাকলে দেখা যাবে পৃথিবী সৌর জগত মিল্কী ওয়েরর সাথে সাথে খোদার আরশ ও বেহেস্তী স্থাপনারও ছুটতে হচ্ছে।
২৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৯
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: অনুমুতি বা অনুমতি নেয়ার কোনই দরকার নেই। আমি-আপনি পুরনো সুহৃদ। চলুন, প্রশ্নগুলোর উত্তর নেয়ার চেষ্টা করি। আমি কি প্রশ্নের জন্য একটা পোস্ট করব, যাতে প্রতিটা প্রশ্নের নিচে কমেন্ট আকারে উত্তরটা দেয়া যায়?
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৭
জ্বীন কফিল বলেছেন: পোস্ট আশা করছি। তবে দিলে খেলার পরে দেন।
২৪|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৪
আধারের কবি বলেছেন: গোলাম দস্তগীর লিসান
আপনার পংখা হয়ে গেলাম ভাইয়া ![]()
২৫|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:০০
ঝটিকা বলেছেন: সব গুলো প্রশ্নেরই উত্তর আছে। প্রশ্নগুলোর রেফারেন্সসহ উত্তর দিতে গেলে কিছুটা পড়া লেখা করতে হবে, আমার পক্ষে এখন সম্ভব না।। আমি এর কয়েকটা বিষয়ে কোথাও না কোথায় পড়েছি। তার আলোকে বলছি, ভুল ও হতে পারে-
১। ও ২। পৃথিবী এমন অনেক কিছু করার নির্দেশ আছে, যা শুধু মাত্র আল্লাহর নবী রাসুল গনের সম্মানে তাদের আল্লাহর প্রতি প্রেমের নিদর্শন হিসেবে যুগ যুগ ধরে জারি রয়েছে এবং তা আল্লাহর আদেশেই কোনটাই মানুষের মন গড়া না। যেমন জমজম কুপ সৃষ্টি, কোরবানীর রীতি এবং বলা যায় নবী (স.) এর প্রতিটা সুন্নত উম্মতের জন্য পালনীয়।
৩। হারাম শরিফের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, এর পর একে উপাসনালয়ে পরিনত করা, মসজিদ হিসাবে সিকৃতি দেওয়া এগুলো বিভিন্ন সময়ে সম্পন্ন হয়েছে। হারাম শরিফে এক সময় ৩৬৩টা মূর্তিও স্থাপন করা হয়েছিল।
৪। আহামরি অসম্ভব কিছু না। আরবদের জীবনে এর থেকেও বেশি যাত্রা করার ইতিহাস আছে। বেশ কিছুদিন আগে একটা ডকুমেন্টারীতে দেখলাম, এযুগেও সাহারা মরুভূমির একটা গোত্র পানির জন্য প্রতিবছর মরুভুমির এক অংশ পাড়ি দেয়।
(অ.ট: আজ থেকে ৭০-৮০ বছর আগেও আমার নিজের নানা নগর বাড়ী থেকে পাবনা এডোয়াডে প্রতিদিন যাতায়াত করত ৩৮+৩৮ কি.(এর কাছাকাছি) আজ তা আমাদের কাছে অসম্ভব মনে হবে।)
৬। উপরের একজন বলেছেন।
৭। "কাবা ঘর পৃথিবীর কেন্দ্র স্থলে অবস্থিত" এটা কি সত্যি ইসলামী আকিদা (জানা নাই)? এ বিষয়ে ইউ টিউবে একটা ভিডিও পাবেন, দেখেন কিছু বুঝতে পারেন কিনা।
অসীমে কোন একটা বস্তুর অবস্থান পৃথিবীর সাপেক্ষে সব সময় কনস্ট্যান্ট। যেমন আকাশের তারাগুলো (যদিও তা সসীমে), একই তারা পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে দেখলে মনে হয় একই স্থানে আছে। বেহেস্ত কোন অসীমে আছে তা বলায় বাহুল্য।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৯
জ্বীন কফিল বলেছেন: দ্রস্টব্য গোলাম দস্তগীর লিসানীর প্রশ্নের উত্তর। খেলা দেখছি তাই আলাদা কোরে উত্তর দিতে পারলাম না বলে ক্ষমা প্রার্থি।
২৬|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:১৭
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: আধারের কবি, আপনিও সুন্দর লিখেছেন।
পোস্ট পর্যবেক্ষণে ছিল না। নিয়ে রাখলাম। প্লাস ও প্রিয়তে ছিল।
২৭|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২১
বাক স্বাধীনতা বলেছেন: গোলাম দস্তগীর লিসানী ভাই, আপনার ফ্যান হয়ে গেলাম।
![]()
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪০
জ্বীন কফিল বলেছেন: উনি শুরু থেকেই সুলেখক ।
২৮|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৩
আধারের কবি বলেছেন: আপনার যুক্তি খন্ডনযোগ্গ। হাতে কিছুটা সময় হলে রেফারেনস সহ দিব
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩৪
জ্বীন কফিল বলেছেন: চমৎকার। এইটাই স্পিরিট। প্রয়োজনে অবশ্যই সময় নিবেন। কিন্তু আমি অলৌকিক ব্যাখ্যার বাইরে নিরপেক্ষ গ্রহনযোগ্য মানবিয় ব্যাখ্যা চাচ্ছি। এর জন্য আমি অবশ্যই অপেক্ষা করতে রাজি আছি।
২৯|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০২
ইনফা_অল বলেছেন: আমি তাদেরকে এমন বিষয়ে ক্ষমতা দিয়েছিলাম, যে বিষয়ে তোমাদেরকে ক্ষমতা দেইনি। আমি তাদের দিয়েছিলাম, কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয়, কিন্তু তাদের কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসল না, যখন তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করল এবং তাদেরকে সেই শাস্তি গ্রাস করে নিল, যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রুপ করত। (Al-Ahqaf: 26)
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫১
জ্বীন কফিল বলেছেন: এতো ভাইজান বাচ্চা ছেলের ভুতের মুখোশ পরে ভয় দেখানোর মত মনে হলো ।
৩০|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০২
বাক স্বাধীনতা বলেছেন: জ্বীনদা, আপনি অযথা প্যাঁচাচ্ছেন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩১
জ্বীন কফিল বলেছেন: দাদা কোথা দিয়ে প্যাঁচালুম ? একজন ঈমানদার মুসলিমের জন্য ইসলামি বর্ননা এবং অলৌকিকত্ব বিশ্বাসের দায়বধ্যতা আছে। আমি জিনিসটা একজন বিশ্বাসীর দৃস্টিতে দেখার চেয়ে নিরপেক্ষ দৃস্টিতে দেখছি। সেভাবে আমাকে ব্যাখ্যা করে বুঝায় যান। তাহলেইতো হয়।
৩১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: না-না ভাই। আপনি যেভাবে কথাগুলো তুলে এনেছেন তাতে সরাসরি আঘাত করার মত কিছু তো দেখলাম না। আসলে প্রশ্নে তো কোন সমস্যা নেই, আলোচনাতেও কোন সমস্যা নেই। একজন বিবেকবান ধর্মানুসারী শুধু তখনি আহত হতে পারে যখন ইনটেনশনাল আক্রমণ এর ভাষা ব্যবহার হয়।
প্রশ্নোত্তরের পোস্টটা শুরু করেছি।
আপনি সম্পূরক যে কথাগুলো বলেছেন তা আরো আলাপের দাবি রাখে।
৩২|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:১০
বাক স্বাধীনতা বলেছেন: কোথায় প্যাঁচাচ্ছেন বুঝতে পারছেন না?
হজরে আসওয়াদ সম্পর্কে লিসানী ভাই বললেন যে, রাসূল (সাঃ) এটিকে স্বর্গের সম্মানে চুম্বন করেছে। হযরত ওমর (রাঃ) বলেছেন এই পাথরের কোন ক্ষমতা নেই কিন্তু রাসুল (সাঃ) এর সুন্নাহ অনুসরণে ও স্বর্গের সম্মানে তিনি এতে চুম্বন করেছেন।
এর পরেও আপনি এটিকে পাথর পুজা বানিয়েই ছাড়বেন। এটিকে প্যাঁচানো বলবো না'তো কি বলবো?
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫১
জ্বীন কফিল বলেছেন: অ্যাস্ট্রয়েডকে সেক্রেড ভাবাটা কাদের ধর্ম জানেন তো? আমিতো সেইটাই জিজ্ঞাস করলাম ইসলামের নবী পাথরকে ক্যানো এত গুরুত্ব দিতে চাচ্ছেন। যেই পাথর পৌত্তলিকরাও চুমু খেত পুজা করতো?
৩৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৭
মেলবোর্ন বলেছেন: During Muhammad's (S) youth, the Ka'bah was damaged by a flood. The local chiefs helped repair it. Now, the 'sacred' black ston e had to be placed in its corner.
Traditionally, this black stone is a meteorite. It had be en used as a mark for pilgrims to walk around the Ka'bah. Ever y tribe wanted the honor of fixing it. Heated arguments took place and violence was about to break out. Then one of the leaders suggested finding a judge to re solve the matter. It was decided that whoever entered the Ka'bah first thing in the morning would be the judge. The
next morning, the first man to enter happened to be none
else but Muhammad (S). The leaders screamed with joy, "Here is Ameen, here is Sadiq!" Muhammad (S) peacefully obviated a sure bloody feud. He laid his shawl on the floor, placed the black stone in the middle, and then he asked the chief of each tribe to hold the shawl at and between each corner. They walked together to the assigned
corner thus. Muhammad (S) then lifted the black stone and pl aced it where it belonged. A bloody and highly destructive battle had been avoided to the joy of all.
Changing the Qibla [Direction of Prayer] from Masjid al Aqsa to al Ka’ba:
Ibraheem made so much prayers for people to pray towards the Ka’ba – the house of worship.
But Allah’s Messenger just looked towards the sky – and Allah sent down aayaat that He would please him by making him and his followers to turn towards the Masjid al Haram as their direction for prayer (Qiblah).
قَدْ نَرَىٰ تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ ۖ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا ۚ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ۚ وَحَيْثُ مَا
كُنتُمْ فَوَلُّوا وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُ ۗ وَإِنَّ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ الْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ ۗ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا
يَعْمَلُونَ
Verily! We have seen the turning of your (Muhammad’s SAW) face towards the heaven. Surely, We shall turn you to a Qiblah (prayer direction) that shall please you, so turn your face in the direction of Al-Masjid- al-Haram (at Makkah). And wheresoever you people are, turn your faces (in prayer) in that direction. Certainly, the people who were given the Scriptures (i.e. Jews and the Christians) know well that, that (your turning towards the direction of the Ka’bah at Makkah in prayers) is the truth from their Lord. And Allah is not unaware of what they do. [Baqarah 2:144]
Billions of people turn from Bayt al Maqdis (Jerusalem, Masjid al Aqsa) – to Masjid al Haraam in Makkah as their Qiblah (direction in prayer), because Allah’s Messenger sadly looked towards the sky. So Allah made the history of people change, just so His Messenger would get a smile on his face and be well pleased.
The kind of change that happened in Arabia happened in 23 years.
Has there ever been a change over the world permanently, which has changed the way people in matters of;
Thinking, love, hate, dress, running of government, economics, what they eat and what they don’t, what they say, how they interact in business, loans.. In every aspect of life, a change which overcame the world and has lasted for over 1,000years.
The Revolutions we have studied in secular history classes were only political and economical, not changing the minds of people.
Karl Marx who influenced the Communist Revolution was a librarian in Germany, he died 60 years before the Revolution. 60 years after his death – people are killing each other for that Revolution, which he is not even involved in. He was just a philosopher and Philosophers are never in the battlefield. They just write their ideas.
In the case of Muhammad (sal Allah alayhi wasalam). Who was delivering the message and who was on the forefront of the battlefield? Who was the one who was sacrificing his life for justice?
He isn’t telling other people to fight. Rather, he is the first one to enter the battlefield when he has only a few behind him in support.
Ask your history professor; they acknowledge that no such political, social, economical, spiritual, individual and collective leader has ever come for humanity as much as Muhammad (sal Allah alayhi wasalam).
So those who praised Prophet Muhammad for being number 1 in history, it’s because they had no choice in the matter – he really is number 1 most influential person in humanity. (sal Allah alayhi wasalam/peace be upon him).
Allah gave His Messenger a Book like no other and a Victory like none other.
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৬
জ্বীন কফিল বলেছেন: Billions of people turn from Bayt al Maqdis (Jerusalem, Masjid al Aqsa) – to Masjid al Haraam in Makkah as their Qiblah (direction in prayer), because Allah’s Messenger sadly looked towards the sky. So Allah made the history of people change, just so His Messenger would get a smile on his face and be well pleased.
ইসলামি ব্যাখ্যা শুনতে চাচ্ছি না। ঐ খানে বিলিয়ন মুসলিম কোথা থেকে আসলো? বায়াসড লেখার রেফারেন্স দিয়ে কি লাভ। আল্লাহর ক্যান ঐ আয়াত নাজিল করতে এতো সময় লাগলো?
৩৪|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৪৬
রাশেদ হাসান নোবেল বলেছেন: লেখা ভাল হইছে । সকল চুলকানি নাস্তিক দের এই পোস্ট অবশ্য পাঠ্য । এইভাবে প্রশ্ন করলে ত আর কেচাল হয়না । প্লাস । উত্তর পেয়ে যাবেন আশা করি । আর নেট এ ঘাটলেও তো পাবার কথা । যায়হোক পস্ট এ প্লাস :-)
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:০৭
জ্বীন কফিল বলেছেন: মন্তব্য প্রকাশ করুন বাটন আস্তে চাপুন।উত্তর পাচ্ছি মিলাচ্ছি দেখা যাক পানি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
৩৫|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৪৬
রাশেদ হাসান নোবেল বলেছেন: লেখা ভাল হইছে । সকল চুলকানি নাস্তিক দের এই পোস্ট অবশ্য পাঠ্য । এইভাবে প্রশ্ন করলে ত আর কেচাল হয়না । প্লাস । উত্তর পেয়ে যাবেন আশা করি । আর নেট এ ঘাটলেও তো পাবার কথা । যায়হোক পস্ট এ প্লাস :-)
৩৬|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৫০
অনিক আহসান বলেছেন: যাক কেউ কেউ প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া চেস্টা করছে দেখে ভালো লাগলো। প্রশ্ন উত্তরের মধ্যে দিয়েই পরিস্কার লজিক গ্রহনের ক্ষমতা তৈরি হয়।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:০৮
জ্বীন কফিল বলেছেন: প্রশ্ন উত্তরের মধ্যে দিয়েই পরিস্কার লজিক গ্রহনের ক্ষমতা তৈরি হয়।
*************************
পুর্ন সহমত
৩৭|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১১
মেলবোর্ন বলেছেন: আর ইসলামি জ্ঞান সম্পন্ন ও ভালো মুসলিমদের কাছে ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত কিছু তথ্য জানতে চাচ্ছি. পোস্ট দিয়ে পরে আপনি যদি বলেন ..ইসলামি ব্যাখ্যা শুনতে চাচ্ছি না। তবে ব্যপারটা হাস্যকর বটে
আপনাকে আমি কোরআনের আয়াত হতে উত্তর দিলাম আরো কিছু লিখলাম সেগুলোর কোন ভুল ধরতে পারেন নি বা উত্তর দিলেন না একটি সংখাগত ভুল যা অনিচ্ছা কৃত হতে পারে বা বিলিয়ন অফ পিপল বলতে বতমানের মুসলমানদের সহ বোঝানো হয়েছে কারন তখন যদি কিবলা পরির্বতন না হত তবে এখন বিলিয়ন মুসলিম জেরুজালেমের দিকে ফিরেই নামাজ পড়ত তাই নয় কি?
কোরআনে আরো বলা আছে ২:১৪২"এখন নির্বোধেরা বলবে, কিসে মুসলমানদের ফিরিয়ে দিল তাদের ঐ কেবলা থেকে, যার উপর তারা ছিল? আপনি বলুনঃ পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা সরল পথে চালান। "
২:১৪৩"এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য। আপনি যে কেবলার উপর ছিলেন, তাকে আমি এজন্যই কেবলা করেছিলাম, যাতে একথা প্রতীয়মান হয় যে, কে রসূলের অনুসারী থাকে আর কে পিঠটান দেয়। নিশ্চিতই এটা কঠোরতর বিষয়, কিন্তু তাদের জন্যে নয়, যাদেরকে আল্লাহ পথপ্রদর্শন করেছেন। আল্লাহ এমন নন যে, তোমাদের ঈমান নষ্ট করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ, মানুষের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল, করুনাময়। "
২:১৪৪"নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বার বার আকাশের দিকে তাকাতে দেখি। অতএব, অবশ্যই আমি আপনাকে সে কেবলার দিকেই ঘুরিয়ে দেব যাকে আপনি পছন্দ করেন। এখন আপনি মসজিদুল-হারামের দিকে মুখ করুন এবং তোমরা যেখানেই থাক, সেদিকে মুখ কর। যারা আহলে-কিতাব, তারা অবশ্যই জানে যে, এটাই ঠিক পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আল্লাহ বেখবর নন, সে সমস্ত কর্ম সম্পর্কে যা তারা করে।"
২:১৪৫"যদি আপনি আহলে কিতাবদের কাছে সমুদয় নিদর্শন উপস্থাপন করেন, তবুও তারা আপনার কেবলা মেনে নেবে না এবং আপনিও তাদের কেবলা মানেন না। তারাও একে অন্যের কেবলা মানে না। যদি আপনি তাদের বাসনার অনুসরণ করেন, সে জ্ঞানলাভের পর, যা আপনার কাছে পৌঁছেছে, তবে নিশ্চয় আপনি অবিচারকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।"
২:১৪৬আমি যাদেরকে কিতাব দান করেছি, তারা তাকে চেনে, যেমন করে চেনে নিজেদের পুত্রদেরকে। আর নিশ্চয়ই তাদের একটি সম্প্রদায় জেনে শুনে সত্যকে গোপন করে।
২:১৪৭:বাস্তব সত্য সেটাই যা তোমার পালনকর্তা বলেন। কাজেই তুমি সন্দিহান হয়ো না।
২:১৪৮:আর সবার জন্যই রয়েছে কেবলা একেক দিকে, যে দিকে সে মুখ করে (এবাদত করবে)। কাজেই সৎকাজে প্রতিযোগিতামূলকভাবে এগিয়ে যাও। যেখানেই তোমরা থাকবে, আল্লাহ অবশ্যই তোমাদেরকে সমবেত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
সুরা বাকারা আয়াত ১৪২-১৪৮
Carefully note that the above text states explicitly that Allah had also appointed the former qiblah (as a test).
The late Iranian Islamic scholar Ali Dashti wrote regarding Muhammad abrogating the Muslim observance of certain Jewish rituals:
The opening move was the change of the direction of the prayer from the Furthest Mosque (ol-Masjed ol-Aqsa) at Jerusalem to the Ka‘ba at Mecca. One result was that the Jews were thereafter taxed separately from the Moslems. Another was that the Arabs of Madina cast off their inferiority complex and that the Arabs in general were stirred to a sort of national fervor; for all the tribes revered the Ka‘ba, which from being an idol-temple became the house of Abraham and Ishmael, common ancestors of every Arab.
According to Yunus b. ‘Abd al-A‘la – Ibn Wahb – Ibn Zayd: The Prophet turned towards Jerusalem for sixteen months, and then it reached his ears that the Jews were saying, "By God, Muhammad and his companions did not know where their Qiblah was until we directed them." This displeased the Prophet and he raised his face toward Heaven, and God said, "We have seen the turning of your face to Heaven." (The History of Al-Tabari: The Foundation of the Community, translated by M. V. McDonald, annotated by W. Montgomery Watt [State University of New York Press (SUNY), Albany 1987], Volume VII, pp. 24-25; bold emphasis ours)
আর এর বিপক্ষেরও মতামত আপনি পাবেন এখন আপনার ইচ্ছা যা ভাল লাগে সেটা গ্রহন করুন।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:১০
জ্বীন কফিল বলেছেন: ুর্ব পশ্চিম দুইই আল্লাহর হলে এখনও জেরুজালেমের দিকে সেজাদা করা যাবে কি বলেন?
৩৮|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৫
মেলবোর্ন বলেছেন: যখন জেরুজালেম হতে কাবার দিকে ফিরতে বলা হয়েছে তখন জেরুজালেমের দিকে সেজাদা করার প্রয়োজনীয়তা দেখিনা, আর কোন স্থানে কিবলাটা কোনদিকে সেটা যদি না জানা থাকে তবে আপনি যা কোন দিকে ফিরে নামাজ আদায় করতে পারেন কিবলার দিক না জানাথাকলে নামাজ নস্ট হবে এমন নয়, কিবলাটা একাত্বতা নির্দেশ করে যে সবাই একই যেমন গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: একটা সেনাবাহিনী অথবা স্কুলের ছাত্ররা একসারিতে একদিকে ফিরে প্যারেড করে। যদিও এর বাহ্যিক ইমপ্লিমেন্টেশন তেমন নেই, কিন্তু এই একটা ঘটনায় তাদের একাত্মতা আসে। সাইকোলজিক্যাল ইমপ্লিমেন্টেশন অনেক বেশি।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৩
জ্বীন কফিল বলেছেন: আচ্ছা ছোট্ট কইরা বলেন , নবী কি জানতেন না যে কাবা আল্লাহর ঘর? যদি জানতেন তাহলে দীর্ঘ দিন ক্যানো মসজিদুল আক্সার দিকে সেজদা করলেন? এক আল্লাহর দুই কিবলা ক্যানো হইলো?
৩৯|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৭
মেলবোর্ন বলেছেন: There is also disagreement as to when the practice started and for how long it lasted.[5] Some sources say the Jerusalem Qiblah was used for a period of between sixteen to eighteen months.[6] The Jewish custom of facing Jerusalem for prayer may have influenced the Muslim Qiblah.[7] Others surmise that the use of Jerusalem as the direction of prayer was to either induce the Jews of Medina to convert to Islam or to "win over their hearts."[6] When relations with the Jews soured, Muhammad changed the Qiblah towards Mecca.[7] Another reason given why the Qiblah was changed is that Jews viewed the use of Jerusalem as signalling the Muslims' intention of joining their religion. It was changed to discredit this assumption.[6] Others state that it was changed because Muhammad was angered by that city or its people, and not because of his conflict with the Jews.
http://en.wikipedia.org/wiki/Qibla
৪০|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫৬
ইনফা_অল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আচ্ছা ছোট্ট কইরা বলেন , নবী কি জানতেন না যে কাবা আল্লাহর ঘর? যদি জানতেন তাহলে দীর্ঘ দিন ক্যানো মসজিদুল আক্সার দিকে সেজদা করলেন? এক আল্লাহর দুই কিবলা ক্যানো হইলো?
খালি পেচায়। রাসুল (সাঃ) যখন মক্কায় ছিলেন তখন কাবাকে সামনে রেখে আল-আকসার দিকে ফিরে নামাজ পড়তেন। তখনও আল্লাহর কাছ থেকে কেবল পরিবর্তনের নির্দেশ আসেনি। মদিনা থেকে মক্কা আর জেরুজালেম তথা আল-আকসা মসজিদ বিপরীত মুখী তাই তিনি আল-আকসার দিকে ফিরে নামাজ পড়তে থাকেন। আল্লাহর হুকুম মানা হল নবীদের গুন। তার পরের কাহিনী মেলবোর্নের মন্তব্য দ্রষ্ট্রব্য।
আর একটি কথা একজন প্রকৃত মুমিনোর প্রথম বৈশিষ্ট্য হল আল্লাহ আছেন এটা বিশ্বাস করা এবং তিনি এককভাবেই আছেন সেটা বিশ্বাস রাখা, নবীদের প্রতি ঈমান আনা, আল্লাহর কিতাবের প্রতি বিশ্বাস আনা। এরকম আরো অনেক কিছু।
বিপরীত ধর্মী প্রশ্ন করে অন্যকে অপদস্ত করা যায়, অপমান করা যায়। আর আপনি সেটাই করছেন। করতে থাকুন! আর মজা নিতে থাকুন! আর অপেক্ষায় থাকুন আল্লাহ আপনার জন্য কি ধরনের ফায়সালা রেখেছেন সেটার জন্য।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৫
জ্বীন কফিল বলেছেন: ঘরের কাছে আল্লাহর ঘর থুইয়া অন্যদিকে ফিরা নামাজ। এমন কি মেরাজের সময়েও আল্লাহ এই কথা বলতে ভুলে গেলো! নাকি খোদা আর নবী একজনই ।ইহুদিদের খৃস্টানদের আকৃস্ট করতে জেরুজালেমের দিকে মুখ পরে ইহুদিদের বাগে আনতে না পেরে ৬২৪ সালে মক্কার দিকে ফিরা ইবাদতের হুকুমজারি?
মক্কায় বসবাসের সময়ে নবী কখনোই দাবি করেন নাই তারা ইব্রাহিম আর ইসমায়েলের বংশধর এই কথা তার মনে পরলো মদীনায় হিজ্রতের পরে যখন তিনি মদীনার ইহুদিদের সংস্পর্ষে আসলেন।
৪১|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৭
যুদ্ধবাজ বলেছেন: আরবের প্রাচিন প্যাগান ধর্ম কিন্তু আব্রাহামিক আর হেলেনেস্টিক প্যাগানিজমের মিডল ইস্টার্ন ভার্সনের ব্লেন্ড একটা ধর্ম ছিল। তাই হাজরে আসওয়াত আর কাবা শরিফকে তারা শ্রদ্ধা করবে এটা স্বাভাবিক। আবরাহা যখন স্বসৈন্য কাবার দিকে এগিয়ে আসছিলো তখন নবীর প্যাগান দাদা আবু মুত্তালিব বলেছিলেন আল্লাহ-র ঘর আল্লাহই রক্ষা করবেন (বিদ্রঃ প্যাগান রাও কিন্তু আল্লাহ-ই বলত)।
ইসলামের অনেক কিছুই আছে রূপক ভিত্তিক, এমনকি হ্বজ্জ পুরোটাই রূপক ভিত্তিক। কেমন? হ্বজ্জ এর প্রতিটা রিচ্যুয়াল যদি কেই না করে, তাহলে কি হবে, অথবা আল্লাহর নির্দিষ্ট ঘর আবার কি জিনিস, তাই না? পুরোটাই একটি কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে বানানো রূপক যা পালন করেছিলেন বিবি হাজেরা। এখন, ইসলামি বিশ্বাস মতে, আল্লাহ প্রতিটা জিনিস ধাপে ধাপে করেন যাতে করে দু-একটি বিশেষ ব্যাতিক্রম ছাড়া এগুলো আল্লাহ-র লিলা-খেলা বা ভাণু-মতির খেলা বলতে না পারে। আদম আঃ কে তৈরীর পূর্বেই আল্লাহ মুহাম্মাদ সঃ এর আত্মা তৈরী করে রেখেছিলেন বলে কথিত আছে, তদ্রুপ, কা'বা শরিফ আর আল আকসাও একই রকমের। আল্লাহ যদি নিরাকার হন, তাহলে সব ঘরই ওনার ঘর, এমনও উল্লেখ আছে। তাই কা'বা শরিফ বা আল আকসা এগুলোর বিশেষ কোন মুল্য হয়ত আল্লাহর কাছে নেই কিন্তু মানুষের কাছে আছে, আর কেন আছে সেটা বুঝতেই পারছেন। আর মানুষের এ চাহিদা মেটাবার উদ্দেশ্যেই আল্লাহ এ স্থান গুলোকে পবিত্র বলেছেন যেহেতু শত শত বৎসর ধরে বহু নবী-রাসুল এসেছেন এই এলাকায় বা ভিন্ন এলাকায়। আজকে এটা মিডল ইস্টার্ন বেইজড না হয়ে ভারত বা ইউরোপে হলে হয়ত মানুষ কাশী বা ভ্যাটিক্যানে হ্বজ্জ করতে যেত। এটাই স্বাভাবিক।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৪
জ্বীন কফিল বলেছেন: আব্রাহাম এর আগে থেকে আরব মেসোপটেমিয়া আর ক্যানানের অধিবাসীরা প্যাগানিজম চর্চা করতো । আর গ্রীকরা তাদের সভ্যতার শুরু করে আব্রাহামের অনেক পরে। একেশ্বেরবাদি ধর্মগুলি আসলে প্রাচীন প্যাগানিজমের বিবর্তিত রুপ। এমন কি সর্বশেষ একেশ্বরবাদি দাবি করা ধর্ম ইসলামেও অনেক আচারে পৌত্তলিকতার ছায়া আছে। আল্লাহ যখন কাবার দিকে যখন সেজদা করে পয়গম্বরকে ইবাদতের আদেশ দিলেন তখনো কিন্তু কাবা ঘরে ৩৬০ টা মুর্তি। পরিবর্তিতে দীর্ঘ সময় কাবা দখলের আগে পর্যন্ত ঐ মুর্তি বোঝাই ঘরের দিকে ফিরে মুসলিমরা নামাজ আদায় করেছে।
ঐতিহাসিক ভাবে উপাসনালয় হিসাবে কাবার কথা ৬স্ট শতকের আগে কোথাও পাওয়া যায় না।মুসা বা যীশুর অনুসারিদের কোন গ্রন্থে কাবার কথা উল্লেখা নাই। ঐ সব গ্রন্থ যতই বিকৃত হোক নুন্যতম রেফারেন্স থাকার কথা সেখানে। কাবা নেহায়েত একটি আঞ্চলিক গোত্রকেন্দ্রিক উপাসনালয়। যেখানে হুবাল/বাল নামের বহুল প্রচলিত আরবের চন্দ্র দেবতা ও তার সাথে সম্পর্কিত আল-লাত নামের চন্দ্র দেবীর উপাসনা করতো কুরাইশরা। মধ্যপ্রাচ্যের আর দশটা পৌত্তলিক মন্দিরের মতই ছিলো কাবা। কাবা কেন্দ্রীক রিচ্যুয়াল খেয়াল করলে বুঝা যাবে যার অনেকাংশেই পৌত্তলিক।
৪২|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৩
জ্বীন কফিল বলেছেন: ইবনে আব্বাস বর্ণিত নবী বলেছেন-“ কাল পাথর বেহেস্ত থেকে পতিত হয়েছে।যখন প্রথম দুনিয়াতে এটা পতিত হয় তখন এর রং ছিল দুধের মত সাদা কিন্তু আদম সন্তানদের পাপ গ্রহণ করার ফলে এর রং কাল হয়ে গেছে”। তিরমিজি, হাদিস- ৮৭৭
ইবনে ওমর নবী কে বলতে শুনেছেন, “ কাল পাথর ও আর রুখ আল ইয়ামানি কে স্পর্শ করলে পাপ মোচণ হয়।তিরমিজি, হাদিস-৯৫৯
মুসলিমরা পরম ভক্তি ও বিশ্বাসে মক্কায় তীর্থের সময় কালো পাথরে চুমু খায় পাপ মুক্তির আশায়। নবী বিশ্বাস করতেন হাজরে আসোয়াদে চুমু খেলে পাপ মুক্তির ঘটবে। মুসলিমদের জিজ্ঞাস করলে তারা বলেন যে তারা নবীকে ভালোবাসেন তাই নবীর আচরন অনুসরন করেন। যেহেতু নবী স্বর্গ থেকে আগত ঐ পাথরে পাপ মোচনের প্রত্যাশায় চুমু খেয়েছেন উম্মত হিসাবে তাদের দায়িত্ব ঐ বিশ্বাসে পাথরে চুমু খাওয়া।
অথচ কোরানে শিরক সংক্রান্ত আয়াতগুলি দেখি,
তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না ? সুরা আম্বিয়া, ২১: ৬৬ (মক্কায় অবতীর্ণ)
জিজ্ঞেস করুন নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা কে? বলে দিনঃ আল্লাহ! বলুনঃ তবে কি তোমরা আল্লাহ ব্যতীত এমন অভিভাবক স্থির করেছ, যারা নিজেদের ভাল-মন্দের ও মালিক নয়? বলুনঃ অন্ধ চক্ষুষ্মান কি সমান হয়? অথবা কোথাও কি অন্ধকার ও আলো সমান হয়। তবে কি তারা আল্লাহর জন্য এমন অংশীদার স্থির করেছে যে, তারা কিছু সৃষ্টি করেছে, যেমন সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ? অতঃপর তাদের সৃষ্টি এরূপ বিভ্রান্তি ঘটিয়েছে? বলুনঃ আল্লাহই প্রত্যেক বস্তুর স্রষ্টা এবং তিনি একক, পরাক্রমশালী। সুরা রাদ ১৩:১৬
বলে দিনঃ তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত এমন বস্তুর এবাদত কর যে, তোমাদের অপকার বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না? অথচ আল্লাহ সব শুনেন ও জানেন। সূরা মায়েদা-৫:৭৬
এইরকম বৈপরিত্য আসলেই বোঝা কঠিন।
০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৯
জ্বীন কফিল বলেছেন:
৪৩|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২১
ইনফা_অল বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঘরের কাছে আল্লাহর ঘর থুইয়া অন্যদিকে ফিরা নামাজ। এমন কি মেরাজের সময়েও আল্লাহ এই কথা বলতে ভুলে গেলো! নাকি খোদা আর নবী একজনই ।
আপনার লেখা দেখে মনে হল আপনি মেরাজ যে হয়েছিল সেটা আপনি মনে প্রানে বিশ্বাস করেন যেটা তখনকার কাফেরা তো বিশ্বাস করেইনি, কিছু মুসলামানরাও সন্দেহের দোলাচালে দুলছিল।
মক্কা আর ক্বাবা নিয়ে যে ।ঐতিহাসিক বিশ্লেষন সেটা সত্যই অবাক করার মত। বিশ্বাসী যারা এই পোষ্টে আসছেন তারা আপনার এই বিশ্লেষন পড়ে এতক্ষনে এটা বিশ্বাস করে ফেলেছেন যে মক্কা আসলেই একটি অতি প্রাচীন গৃহ যেটা সৃষ্টির প্রায় শুরু থেকেই বিদ্যমান।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার কি জানেন। আগে ক্বাবা গৃহে যত ধরনের মূর্তিপূজা হতো অথবা কোনো খারাপ কাজ, মুহাম্মাদ (সাঃ) মক্কা বিজয়ের পর এই এলাকার ভিতরে কোন মুশরিক কাফেরদের ঢুকার কোনো অনুমতি নাই। তা আপনি কি বলেন বিশ্বের আর কোনো জায়গায় এই রকম রেসট্রিকশন আছে। আফসোস করতে করতে মরে যাবেন, কিন্তু কাফের হয়ে এই এলাকায় ঢুকার পারমিশন পাবেন না।
০৮ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:২৩
জ্বীন কফিল বলেছেন: আপনার লেখা দেখে মনে হল আপনি মেরাজ যে হয়েছিল সেটা আপনি মনে প্রানে বিশ্বাস করেন যেটা তখনকার কাফেরা তো বিশ্বাস করেইনি, কিছু মুসলামানরাও সন্দেহের দোলাচালে দুলছিল।
*********************
আপনি সম্ভবত ভুল বুঝছেন। আমার বলার উদ্দেশ্য হলো মেরাজের সময় এতো গুরুত্বপুর্ন ঘটনা আল্লাহ নবীরে বলতে ভুলে গেল ক্যান? নাকি মেরাজ বলতে যা শুনি শ্রেফ রুপকথা। এবং মদিনায় গিয়ে ইহুদিদের প্রত্যাখ্যানের পরই কেন মক্কার দিকে মুখ ফেরানো হলো?
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৭
আয়না বাবা০০৭ বলেছেন: তোতাপাখিদের কাছে উত্তর পাবেনা