নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আবুল হাসনাত বাঁধন। জন্ম-২২ শে সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭। লেখালেখির শুরুটা ক্লাস সেভেনে। মূলত ছোটগল্প আর কবিতাই লিখি। বেশ কয়েকটা গল্প সংকলন, কাব্য সংকলন ও সাহিত্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে আমার গল্প আর কবিতা। সাহিত্যের মাঝেই আটপৌরে বেঁচে থাকা আমার!

আবুল হাসনাত বাঁধন

আমি এক বইখোর প্রাণী। গল্প আর কবিতা খেয়ে জীবনধারণ করি।

আবুল হাসনাত বাঁধন › বিস্তারিত পোস্টঃ

উইপোকা কথন

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫১



ফিরে যাবার আগে শেকড়ে ঢুকে পড়ি।
দেখি, শেকড় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ফড়িং ওড়া শৈশব।
শৈশব হেঁটে যায় সম্ভ্রান্ত আয়ুপথ ধরে।
শেষপ্রান্তে খুঁজে পাই কবর আর কান্নারত মা।
সময় শুকিয়ে গেলে আমি উইপোকা হয়ে যাই।
কফিনের কপাট খুলে আর বেরিয়ে আসতে পারি না।
কবরের মতো দেখতে পৃথিবীর জরায়ু মুখে দাঁড়িয়ে মা আঁচলে চোখ মুছেন।
পৃথিবীর সমস্ত মধ্যবিত্ত বিষাদ মেঘফুলের মতো ঝরে পড়ে ঈশ্বরের দরবারে।
আমি ঈশ্বরের সাথে লিপ্ত হই বিতর্কিত আলোচনায়।
পৃথিবীর আয়ুরেখা থেকে তখন ঝরে যাচ্ছিল-
রুপালি শৈশব, সূতোয় বাঁধা ফড়িং, অবাধ্য গ্যাস বেলুন,
আর জাফরিনের মুখে রঙিন লজেন্স!

'উইপোকা কথন' | © আবুল হাসনাত বাঁধন
(২১/১০/২০১৯)
পটিয়া, চট্টগ্রাম।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: উইপোকারা মানুষের কি কাজে লাগতে পারে বলতে পারেন ?

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৪০

আবুল হাসনাত বাঁধন বলেছেন: সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা প্রমান করেছেন, তুলনামুলক শুকনো এলাকায় খরা কিংবা মরুকরণ ঠেকাতে পারে উইপোকা। এমনকি জলবায়ু পরিবর্তনের আগ্রাসী গতি রোধ করতেও সক্ষম হবে উইপোকা।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উইপোকার ঢিবি মাটির আর্দ্রতা এবং পুষ্টি সংরক্ষন করে থাকে। প্রতিটি ঢিবি মাটিতে অসংখ্য ছিদ্র তৈরী করে। আর এ ছিদ্রগুলোর মাধ্যমেই শুষ্ক এলাকার ভূমিতে পানি চলাচল প্রক্রিয়া আরো তাড়াতাড়ি হয়। এ কারণে ঢিবির আশেপাশে গাছপালার বৃদ্ধি হয় চোখে পড়ার মতো ।

সূত্রঃ গুগল

২| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০১

রাজীব নুর বলেছেন: ইউপোকা ভয়াবহ এক প্রানী।
আমি এদের খপ্পড়ে পড়েছিলাম। ছয় মাসে এরা আমার জীবন কেড়ে নিয়েছিল।

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৪১

আবুল হাসনাত বাঁধন বলেছেন: উইপোকা প্রকৃতির বন্ধুও বটে!

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা প্রমাণ করেছেন, তুলনামুলক শুকনো এলাকায় খরা কিংবা মরুকরণ ঠেকাতে পারে উইপোকা। এমনকি জলবায়ু পরিবর্তনের আগ্রাসী গতি রোধ করতেও সক্ষম হবে উইপোকা।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উইপোকার ঢিবি মাটির আর্দ্রতা এবং পুষ্টি সংরক্ষন করে থাকে। প্রতিটি ঢিবি মাটিতে অসংখ্য ছিদ্র তৈরী করে। আর এ ছিদ্রগুলোর মাধ্যমেই শুষ্ক এলাকার ভূমিতে পানি চলাচল প্রক্রিয়া আরো তাড়াতাড়ি হয়। এ কারণে ঢিবির আশেপাশে গাছপালার বৃদ্ধি হয় চোখে পড়ার মতো ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.