নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চমকিয়া উঠে মোর ধ্যানের কৈলাসে মহামৌন যোগীন্দ্র শিব

হিজ মাস্টার ভয়েস

ভুল করবার অধিকার

হিজ মাস্টার ভয়েস › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিয়া নামের কিংবদন্তি ১

০৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৩০

প্রেসিডেন্টের সাথে রংপুরে খাল কাটার প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম। ঠিক আড়াইটা পর্যন্ত খাল কাটার কাজ চললো, ফলে প্রচন্ড- ক্ষুধা পেয়েছিল। রংপুর সুগার মিলের গেস্ট হাউজে ছিল প্রেসিডেন্ট ও সংগীদের খাবারের আয়োজন।



ডাইনিং এ পোলাও, মুরগি, রেজালা, জর্দা, টিকিয়া, কাবার সহ ৬/৭ রকম খুব ব্যয়বহুল খাবার সামনে দেয়া হয়েছে। ডাইনিং এ ঢুকার সময় প্রেসিডেন্ট সবে মাত্র খাবার টেবিলের আয়োজন দেখে
ভ্রুকুটি কেটে তাকিয়েছেন এমন সময় বিয়ের বাড়ির মত মাথাতে পাগড়ি ও শেরওয়ানি পরা এক বেয়ারা মুরগির রোস্ট নিয়ে ডাইনিং এ এলো সার্ভ করার জন্য।



এটা দেখে প্রেসিডেন্ট তেলে বেগুনে ক্ষেপে উঠে এডিসি সাহেবকে জিজ্ঞেস করলেনঃ

এত খাবারের আয়োজন কেন করা হয়েছে, আগে খাবারের মেনু পাঠানো হয়নি কেন?


এডিসি সাহেব কিছু না বুঝেই বিগলিত হয়ে বললেন, মিলের জেনারেল ম্যানেজার সাহেব এসব ব্যবস্থা করেছেন স্যার।


Call GM Right now প্রেসিডেন্ট খেঁকিয়ে উঠলেন। GM ডাইনিং হলেই ছিল, পড়িমরি করে এবার সামনে আসলেন।


জিয়া, GM কে জিজ্ঞাস করলেন গতবার মিলের কত টাকা যেন লাভ হয়ে ছিল ম্যানেজার সাহেব?
স্যার গতবার মিলের দেড় কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। আমতা আমতা করে জিএমের উত্তর।

প্রেসিডেন্ট এসব দামি খাবারগুলো আঙুল তুলে দেখিয়ে বললেনঃ
এত খাবার তৈরি করা হয়েছে কার টাকায়?
আপনার বাবার টাকায় নাকি?


একথা বলে না খেয়েই প্রেসিডেন্ট সাহেব ডাইনিং থেকে বাহির হয়ে হেলিকাপ্টারে চলে আসলেন। কারো আর খাওয়া হলো না। জিয়াকে আবার খাবার জন্য অনুরোধ করা সাহসও ছিল না কারো। সারা ডাইনিং-হল নিশ্চুপ। এডিসি সাহেব অবশ্য ক্ষানিক পরেই পরিস্থিতির ভয়াবহতা টের পেলেন।


ঢাকা পৌঁছে হেলিকপ্টার থেকে নামার সময় আমার কাঁধে চাপড় দিয়ে প্রেসিডেন্ট বললেন, সরি মাঈদুল আজকে তোমার খাওয়া হলো না।

আমি বললাম, স্যার আপনি খেলেন না। আমি আর কি খাব।

কাহিনী সুত্র
আত্বসত্তার রাজনীতি

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৩৪

ঢাকাবাসী বলেছেন: এরকমটা আমিও শুনেছি অনেক।

২| ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৪১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সত্যই কিংবদন্তী !!

৩| ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:

"জিয়া, GM কে জিজ্ঞাস করলেন গতবার মিলের কত টাকা যেন লাভ হয়ে ছিল ম্যানেজার সাহেব?
স্যার গতবার মিলের দেড় কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। আমতা আমতা করে জিএমের উত্তর। "

-কোন সালের ঘটনা লিখেননি; ধরলাম, ১৯৮১ সালের কথা; ১০৮১ সালে মিলের দেড়কোটি টাকা লোকসান হলে জেনারেল জিয়া সেটা আগেই জানার কথা।

দের কোটী সংখ্যায় লিখতে পারবেন তো?

৪| ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


এ ধরণের কিছু জিয়ার দ্বারা সম্ভব; তবে, তিনি মানুষের সামনে এই ধরণের কিছু চাকুরীজীবিদের বলতেন না, ডেকে একাই বলতেন।

জিয়া না থাকাতে সবাই মিলে তিলকে আনুমানিকভাবে তাল বানাচ্ছেন।

৫| ০৫ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:১৬

আহা রুবন বলেছেন: লোক দেখানো ‌এসব ভরং করে সস্তা জনপ্রিয়তা ঠিকই পেয়েছিলেন।

০১ লা নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:১৮

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: সস্তা জনপ্রিয়তা স্থায়ী হয়না ভাই আহা । জিয়ার মৃত্যুর এত বছর পড়েও যদি তাঁর জনপ্রিয়তাকে সস্তা মনে হয়, তবে আরো ১০০ বছর পর আমাদের প্রজন্ম ঠিক জেনে যাবে কে সঠিক ছিলেন , কতটুকু সঠিক ছিলেন। আমাদের সৌভাগ্য আজকে আমরা যারা কাদা ছুড়ি, তাদের কোন প্রভাব সেদিক কাজ করবে না।

৬| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:৪১

জগতারন বলেছেন:
রঙ করা কত প্রকার ও কি কি।
কোন রেফারেস ছাড়া এ সমস্ত লিখা অন্তসার শুন্য ছাড়া আত কি।

৭| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:০৮

মানবী বলেছেন: প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অতি বড় বিরোধীও তাঁর সততা ও দেশপ্রেম কখনও অস্বীকার করতে পারেনি। তিনি বেঁচে থাকলে নিঃসন্দেহে বাংলদেশ আজ শতগুন এগিয়ে থাকতো। যদিও তাঁর পুত্রগণ সহ আজকের ভুঁইফোড় সব ধনাঢ্য রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীরা যারা অসততা আর চুরি করে সম্পদ গড়েছে তারা অস্তিত্ব বিহীন থেকে যেতো।

আর একারনে, দেশপ্রেম বর্জিত অসৎ লোকেরা তাঁকে অপছন্দ করে। একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদের প্রলাপ বকে যায়। এরা আজ আনন্দিত, নিজেদের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে পেরেছে। চুরি ডাকাতি, অস্ত্র আর হত্যা রাহাজানি ধর্ষনের মাধ্যমে দেশটাকে লুটে খাচ্ছে।

সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ হিজ মাস্টার ভয়েস।

৮| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

বাবুরাম সাপুড়ে১ বলেছেন: স্যার গতবার মিলের দেড় কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। আমতা আমতা করে জিএমের উত্তর।
প্রেসিডেন্ট এসব দামি খাবারগুলো আঙুল তুলে দেখিয়ে বললেনঃ
এত খাবার তৈরি করা হয়েছে কার টাকায়?
আপনার বাবার টাকায় নাকি?

একথা বলে না খেয়েই প্রেসিডেন্ট সাহেব ডাইনিং থেকে বাহির হয়ে হেলিকাপ্টারে চলে আসলেন।


প্রেসিডেন্টকে কি কেউ জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে হেলিকপ্টার চড়ে দেড় কোটি টাকা লোকসানে চলা মিল পরিদর্শনে এসেছিলেন তা কেনা হয়েছিল কত মিলিয়ন ডলারে এবং কার বাবার টাকায় ? কেউ কি তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন এক ঘন্টা হেলিকপ্টার উড়ানে কত লক্ষ টাকার জ্বালানী খরচ হয় ?
কেউ কি তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন দরিদ্র -বুভুক্কু দেশের প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টার চড়ার প্রয়োজন হয় কেন ?

ঢাকা পৌঁছে হেলিকপ্টার থেকে নামার সময় আমার কাঁধে চাপড় দিয়ে প্রেসিডেন্ট বললেন, সরি মাঈদুল আজকে তোমার খাওয়া হলো না।
আমি বললাম, স্যার আপনি খেলেন না। আমি আর কি খাব


আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন প্রেসিডেন্ট হেলিকপ্টার থেকে নেমে আপন প্রেসিডেনশিয়াল হাউসে গিয়ে চব্য -চোষ্য আহার করে দিবানিদ্রাও দিয়েছিলেন।
নির্বোধ জনগণকে ভাওঁতা বাজী না করলে প্রেসিডেন্ট হওয়ার মানে কি?

আসলে আপনার কাহিনী জিয়া বা বাংলাদেশের কাহিনী নয় ,এই কাহিনী আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় সমস্ত নেতা নেত্রী দের কাহিনী। সময় বদলে দিন ,দেশ বদলে দিন কিন্তু দেশ -কাল নির্বিশেষে অধিকাংশ নেতা -নেত্রীর চরিত্র বদলায় না।

৯| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১:১৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: great president so far...

১০| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৮

নীল_অপরাজিতা বলেছেন: এই কাহিনী আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় সমস্ত নেতা নেত্রীদের কাহিনী। এটাই সবচেয়ে সত্যিকথা।

১১| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আহা রুবন বলেছেন: লোক দেখানো ‌এসব ভরং করে সস্তা জনপ্রিয়তা ঠিকই পেয়েছিলেন।

সহমত।

১২| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৩৯

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: হা হা। জোর করে ক্ষমতা দখল করে আবার মহত্ত্ব চোদায়। এইটা তো লোক দেখানো। দেশটাকে পাকিস্তান বানাবার অভিপ্রায় ছিল। নিজে বড়ও হইছে পাকিস্তানে। একটা খুনিকে নিয়া এগুলা শুনলে বমি করতে ইচ্ছা করে

১৩| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:৪০

মো সাদিকুর রহমান বলেছেন: রেফারেন্স ছাড়া লিখা ভাল্ল লাগে না যেন পেট বানানো মনে হয়। যাই হোক সত্যতা জানিনা তবে গল্পটা ভাল লাগল যেন তামিল ছবির নায়্ক আহারে রোস্ট গুলা যে কারা খাইল .।.।

১৪| ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:৫১

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন:

হুম। ঘটনাটা আগেও কোথায় যেন পড়েছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.