নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চমকিয়া উঠে মোর ধ্যানের কৈলাসে মহামৌন যোগীন্দ্র শিব

হিজ মাস্টার ভয়েস

ভুল করবার অধিকার

হিজ মাস্টার ভয়েস › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহাশয়ের নাম Ass-Whole

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৮

শরীরের সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এক জরুরী আলোচনা সভা ডাকল। আলোচ্য সূচীঃ 'কোন অঙ্গ শরীরের বস হবে।

টিয়ার সেলের আঘাতে ইদানীং শারীরবৃত্তীয় কাজ খানিক লেজে-গোবরে অবস্থায় ছিল। এক অঙ্গ'র কাজের সাথে অন্য অঙ্গ'র সমন্বয় হচ্ছিল না। তাই শরীর চালাতে একজন নেতা নির্ধারণ করে একক কমান্ড নাযিল ফরজ হয়ে দেখা দিল।

মিটিং বক্তব্য'র সিরিয়াল ঠিক হল মাথা থেকে পা পর্যন্ত সবাই লাইন মেনে যার যার কথা বলবে।

প্রথমে ঘিলু'র পালা। ঘিলু দাবি করল সে-ই হবে নেতা। কারণ ঘিলুর সিগনাল ব্যতীত শরীরের কোন সিষ্টেম-ই কাজ করতে অপারগ। ঘিলু ছাড়া শরীর ডেডবডি সমতুল্য। ঘিলুর বক্তব্য শুনে কেউ কেউ বলল 'ঠিক ঠিক'।


এরপর রক্ত বলল, আমি সারা শরীর দৌড়ে দৌড়ে অক্সিজেন পৌঁছে দিই। আমাকে সবচেয়ে বেশী খাটা-খাটনি করতে হয়। অক্সিজেন ছাড়া তোমাদের কোন ব্যটাগীরির দাম নেই। তাই আমি নেতা হবার যোগ্য দাবিদার।


রক্ত'র বক্তব্য শুনে তীব্র প্রতিবাদ জানালো 'হার্ট'। বলল, অবজেকসন ইয়োর আনার। আমি হার্ট যদি রক্ত পাম্প করা বন্ধ করে দিই তো রক্ত'র সব কেরামতি শেষ।


এবার পাকস্থলী'র পালা। পাকস্থলী বলল আমি ষ্টমাক, খাদ্য প্রক্রিয়া-জাত করি। আমি খাদ্য প্রক্রিয়া করে তোমাদের এনার্জি সাপ্লাই করি। সেই এনার্জি দিয়ে তোমরা কাজ চালাও। এনার্জি'র জন্য আজ পৃথিবী তে এত এত যুদ্ধ। তাই আমাকে 'বস' বলে মানতে হবে। জোড় যার মুল্লুক তার হবে।


এভাবে হাত, পা কিডনি সবাই নিজের নেতৃত্বের পক্ষে যুক্তি দিতে শুরু করলো।


পুরো মিটিং এ চুপচাপ বসে ছিল
Rectum বা মলদ্বার। ভোটাভুটি শুরু হবার আগে মলদ্বার বলল 'আমার একখান কথা আছে।' সবাই বলল 'বল'

মলদ্বার বক্তব্য শুরু করল।
তোমরা যে যায় কর না কেন গু উদ্গমন হবেই। সেই গু বাহির করার কাজ আমি করি। অতএব ভোট যে যারে ইচ্ছা দাও। Boss আমিই হব।


মলদ্বারের কথা শুনে সবাই বিরক্ত হল। হার্ট আর পাকস্থলী ঠোঁট বাঁকিয়ে তাচ্ছিল্য করল। কিন্তু কথা দিল ভোট জিতলে মলদ্বারকে Boss মেনে নেবে।


মলদ্বার বলল খা-মো-শ। শুধু বলেই ক্ষান্ত হল না, সাথে সাথে টাইট দেয়া শুরু করে দিল। ড্রেনেজ সিষ্টেমে জ্যাম করে গু আঁটকে দিল। গু আঁটকে যাবার ৪৮ ঘন্টার ভেতর ঘিলু'র মাথা ব্যথা শুরু হল, পাকস্থলী স্ফীত হতে থাকলো। গ্যাস জমে সারা শরীর কুমড়া'র মত ঢোল হয়ে গেল। চোখ জোড়া নিস্তেজ ঘোলা হতে শুরু করল। রক্ত Toxic/বিষাক্ত হতে শুরু করল। ফলশ্রুতি-তে ৭২ ঘন্টার ভিতর আজরাইল কে আশেপাশে হাটাহাটি করতে দেখল কেউ কেউ।

উপায়ান্তর না পেয়ে সবাই মিলে ভোট ছাড়াই গুহ্যদ্বার-কে নেতা হিসাবে মেনে নিল, নিতে বাধ্য হল।


আসলে সবাই যখন নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মহামান্য হনুলুলু হলদিয়া নামক শরীর-টা কে অন্তত বাঁচিয়ে রাখতে সচেষ্ট হয় তখন মওকা বুঝে Ass-Whole ই হয়ে ওঠে সর্বেসর্বা। গাঁয়ে মানে-না আপনি মোড়ল। আপনার ভোট সেখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: উফ !!!!!!!!

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ২:০৭

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.