নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আত্মশুদ্ধির অভিযান এক দুর্দান্ত অভিযান।ইহা এক মহাসাধনা

সুলাইমান হোসেন

আমাদের কাজ শুধু আমল করতে থাকা

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

অন্তরের বাগান;মারিফতের সবুজ বাগানে ভ্রমন ০০৪

১২ ই মে, ২০২৬ রাত ১:২৫

হালাল খাওয়া,

হালাল খাওয়া ব্যাতিত অন্তরে নূর পয়দা হয়না,অন্তর আলোকিত হয়না।হালাল না খাইলে নামাজেও স্বাদ পাওয়া যায়না,অন্যান্য ইবাদতেও মজা পাওয়া যায়না।ইবাদত বিরক্তিকর লাগে।

হারাম খাদ্য খাওয়ার দ্বারা অন্তর অন্ধকার আচ্ছন্ন হয়ে যায়,সত্য অন্তরে প্রতিফলিত হয়না,হারাম খাইলে মেজাজ উগ্র হয়ে থাকে।

"হে প্রিয়!যদি তুমি হারাম খাও,
তোমার অন্তরের জগত আলো থেকে বঞ্চিত থাকিবে।"

"আর যদি হালাল খাও এবং ইবাদত করো,
তোমার অন্তরের জগত আলোকিত হয়ে যাবে,তুমি দুনিয়া থেকেই আরশের দিকে রাস্তা খুঁজে পাবে।"

বর্তমান জমানায় কি হালাল কঠিন,যদি কঠিন হয় তাহলে করনীয় কি?

"এক আরিফ বলেন,বর্তমানে যেহেতু হালাল নাই,
সুতরাং,প্রয়োজন পরিমানে ই তৃপ্ত থাকিতে হইবে।"

উক্ত আরিফ,আরো অনেক কাল আগে একথা বলেছিলেন,তখনই যদি হালাল এত কঠিন হয়ে থাকে তবে আজকের দিনে হালাল খাবার খুবই কঠিন।এজন্যই আজকের দিনের মানুষগুলোর অন্তর কঠিন পাথরের চেয়েও কঠিন।

তবে হালাল কঠিন হলেও একেবারে অসম্ভব নয়,আজকের দিনেও সম্ভব।যদি হিম্মত এবং চেষ্টা করা হয়।

বর্তমানে সবচাইতে পবিত্র এবং হালাল ঐ ব্যাক্তির রুজি,যে দিনমজুর খাটে।অন্যের কাজ করে টাকা কামাই করে।পরিমানে কম হলেও ইনশা আল্লাহ এই ব্যাক্তির টাকা সবচাইতে পবিত্র এবং হালাল।যদি কাজে ফাঁকিবাজি না করে এবং চুরি না করে।

কিভাবে কাজে ফাঁকিবাজি এবং চুরি করা হয়?

দায়িত্ব ঠিকমতো পালন না করা ফাঁকিবাজি এবং চুরির অন্তরভুক্ত।অবশ্য কোনো ওজর থাকলে ভিন্ন কথা।অন্যের কাজ করার সময় এক্সট্রা ইনকাম,যাকে উপরি আয় বলে,মালিকের অনুমতি ব্যাতিত এসমস্ত করা হারাম হবে,(ওয়াল্লাহু আ'লামু)।

অবশ্য মালিকের অনুমতি অথবা নিয়োগকর্তার অনুমতি থাকলে হালাল হতে পারে।আলিমদের কাছ থেকে বিষয়টা পরিষ্কার করে নিলে ভালো হবে,তারা হালাল হারাম সম্পর্কে বেশি জানেন এবং ভালো জানেন।

যাহোক,বর্তমানে হালাল খুবই কঠিন,কিন্তু একেবারে অসম্ভব নয়।

সালিক বা মুরিদদের জন্য হালালের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?

সালিক বা মুরিদদের জন্য হালাল খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরোও বেশি।কারন তারা নতুন এক আসমানে ভ্রমন করেন,যেই আসমানের নিকট বাহিরের এই আসমান ও মুখাপেক্ষী।

রুহানী ভ্রমনের সময় তাদের রুহ বিভিন্ন ঘাটিতে বাঁধাপ্রাপ্ত হবে,যদি তারা হারাম খায়,সালিক রা আসলে ধরে ফেলতে পারে, হারাম খাইলো,নাকি হালাল খাইলো সেটা তারা অন্তরে বুঝতে পারে।অনেক সালিক খাবার সামনে আইলেই বুজতে পারে এই খাবার হালাল নাকি হারাম।তারা অন্তরের অনুমতিতে কাজকর্ম করেন এবং ইলহামের অনুসরন করেন।

এজন্য সালিকরা বড়ই বিপদের মধ্যে থাকেন,কারন তারা দেখতে পান পৃথিবীতে হালাল খুবই কম।

আত্মশুদ্ধিতে শুধু খাবার হালাল হলেই হয়না,জায়গা,পোশাক সবকিছুই হালাল হতে হয়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.