| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

রাত্রি প্রায় ১০:৩০।
শহরের কংক্রিটের বাড়িঘরের ইলেকট্রিক আলো কিছু জ্বলছে, কিছু নিভে গেছে। অদূরে নতুন তৈরি হতে থাকা দুইটি দালানের কঙ্কাল দাঁড়িয়ে আছে। আর এই স্থবির বাস্তব কবরখানার ওপর ছড়িয়ে আছে একটা আকাশ। সে আজ মোহিনী হয়েছে- চাঁদের স্পষ্ট দীপ্তিতে নয়, তারার অস্পষ্ট মিটিমিটি স্বপ্ন গায়ে মেখে।
অন্তরের কোন গহীন ভেতরে টান পড়ছে। তারারা আহ্বান জানাচ্ছে ক্রমাগত, সমস্ত দেয়াল ভেঙে ফেলতে বলছে।
দেয়াল!
মানুষের অন্তরের তরল সহজ বহমান নদী, যাকে 'আবেগ' বলে জানে পৃথিবী, সেই নদীর সহজ বহমানতার পথে থাকে কতশত দেয়াল- বিশ্বাস, ভয়, ইগো- কত রকম নাম তাদের। দেয়াল পেরোতে পেরোতে ক্লান্ত নদী একসময় সিদ্ধান্ত নেয় সে থেমে যাবে, সে আর বইবে না; কারণ, সে বিধ্বস্ত, শ্রান্ত, একাকী!
আজ যেন ভেতরে কোথায় টান পড়লো। তারার অপার্থিব স্বপ্নে সাড়া দিয়ে দেয়াল ভেঙে সব উজাড় করে দান না করলে বেঁচে থাকাই অসম্ভব হবে- এমন মনে হতে লাগলো।
তাই আজ সর্বস্বান্ত হলাম।
ভ্যান গগ তারাভরা রাতকে বিশ্বাস করেছিলেন, ভেতরের নদীকে তিনি তারাভরা রাতের স্বপ্নের হাতে সমর্পণ করেছিলেন।
তাই আজ তারাভরা রাতের কাছেই সর্বস্বান্ত হলাম।
তারাভরা রাতের কাছে সর্বস্বান্ত হওয়া চলে, কারণ, তারারা ঠকায় না।
(০৬/০৩/১৯
রাত ১২:২২)
ছবি: Pinterest
(সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত: ঋদভিকা পাল)
©somewhere in net ltd.